শ্যামনগরের গাবুরার খোলপেটুয়া নদী হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯ ||

পত্রদূত রিপোর্ট: শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নীলডুমুর এলাকার খোলপেটুয়া নামক নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে পাউবোর কাজের নাম ভাঙিয়ে ঐ এলাকার স্থানীয়দের নিজস্ব পুকুর, ভিটাবাড়ি ভরাটসহ বালু বিক্রি করে চলেছে একটি মহল।
এলাকা ঘুরে জানা যায়, বুড়িগোয়ালিনী নীলডুমুর সংলগ্ন খোলপেটুয়া নামক স্থানটি অত্যন্ত নদী ভাঙন কবলিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। এলাকার সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবত প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। এলাকার সাধারণ মানুষের পুকুর, ভিটা বাড়ি ভরাটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেই বালু বিক্রি করছেন। এতে করে খোলপেটুয়া নদী চরম হুমকির মধ্যে পড়ছে। নদীর বেঁড়িবাঁধ ও প্রবাহ নিয়ে সচেতন মহল উদ্বিগ্ন।
অবৈধভাবে প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলন করে আথিক ফায়দা লুটছেন সাইফুল ইসলাম। আর ক্ষতির মুখে পড়ছে পরিবেশ। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেকশন অফিসার (এসও) মো. সাজ্জাদ হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, সাইফুল সাব-কন্টাক্টরের কাজ করে। পাউবোর ভাঙনকুলে জিআই বস্তা দ্বারা দিনের বেলায় ভরাটের কাজ করে আর রাতে শুনেছি বুড়িগোয়ালিনী ও গাবুরা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে মাঠ ভরাট, বসত ভিটা, পুকুর ভরাটসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার নিকট বালু বিক্রয় করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তিনি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। নির্দেশনা পেলে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
স্থানীয়রা জানান, বালু উত্তোলনকালে বিভিন্ন লোকজনকে সাইফুল বলে থাকে, আমি উপরের অর্ডার নিয়ে কাজ করছি, আমার কাজে বাঁধা দেওয়ার কেউ নেই।
এলাকবাসি জানান, খোলপেটুয়া নদী হতে বেশ কিছুদিন আগে তিনি দিনের বেলায় বালু উত্তোলন করতেন। আর এখন ীভন্ন পদ্ধতিতে চুরি করে প্রশাসনের নজরের আড়ালে রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছেন। খোলপেটুয়ার নদী সংলগ্ন ভাঙন কবলিত এলাকা হতে যাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে না পারে সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছে এলাকার সাধারণ মানুষেরা একই সাতে পরিবেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেওয়ার অপরাধে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তারা।