আশাশুনি ভিডিপি কর্মকর্তা সুজন মিত্রের বিরুদ্ধে উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ


প্রকাশিত : অক্টোবর ৭, ২০১৯ ||

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে পূজার ডিউটিতে আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা সুজন মিত্রের বিরুদ্ধে প্লার্টুন প্রতি দেড়-আড়াই হাজার উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পূজার ডিউটি করা সম্ভব হয়নি উৎকোচ না দিতে পারা অনেক সাধারন আনসার ভিডিপি সদস্যদের। এ ব্যাপারে ডিডি (খুলনা) বরাবর সুজন মিত্রের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে জানা গেছে, সুজন মিত্র যোগদানের পর হতে প্রায় ইউনিয়ন কমান্ডার ও সাধারণ আনসার সদস্যদের সাথে খারাপ আচরণ করে আসছে। যারা টাকা দিতে পারে তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করেন, আর যারা টাকা দিতে পারে না তাদের সাথে সখ্যতা বজায় রাখেন। সম্প্রতি শারদীয়া দুর্গা উৎসবে ও বিভিন্ন নির্বাচনে আনসার ভিডিপি সদস্য নিয়োগে প্লার্টুন প্রতি নগদে ১৫০০-২৫০০ টাকা নিয়ে প্লার্টুন জমা নিয়েছেন। যারা টাকা না দিয়ে অগ্রাধীকার ভিত্তিতে জমা দিয়েছেন তারা এবারের শারদীয়া দুর্গা উৎসবে ডিউটিতে যেতে পারেনি। এমন প্রশ্নে শোভনালী ইউনিয়নের কমান্ডার ডা. আবুল হোসেন বলেন আমি চারটি প্লাটুন জমা দিয়েছি, তদবির না করায় মাত্র ২ জনের নাম অন্তভূর্ক্ত হয়েছে, বাকি সুচিত্রা সরদার, লতিফ মোড়ল ও গয়জদ্দীন সরদারসহ ১৪ জনকে বাদ দেয়া হয়েছে। তাছাড়া সুজন মিত্রের নির্দেশে বিভিন্ন ইউনিয়নের কমান্ডারগণ ১ জন সাধারণ আনসার ভিডিপি সদস্যের নিকট থেকে ১ হাজার টাকা নিয়ে তার নাম প্লাটুনে অন্তভূর্ক্ত করা হয়েছে। একজন সদস্য পাঁচ দিন ডিউটি শেষ করলে তার পাওনা হবে ২৬০০ টাকা। তার আগে অগ্রিম ১ হাজার টাকা করে উৎকোচ দিতে হয়েছে বিভিন্ন ইউনিয়নের সাধারণ আনসার ভিডিপির সদস্যদের। এব্যাপারে সুজন মিত্রের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি সহকারি কর্মকর্তা আমার উপরে আরও অনেক কর্মকর্তা রয়েছে। এসব বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারব না। জানতে হলে আমার উপরের কর্মকর্তাদের কাছে জেনে নিন।