জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ: কলারোয়ার সোনাবাড়িয়ায় জমির খাজনার সাথে দিতে হয় ঘুষ!


প্রকাশিত : অক্টোবর ৯, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী ৫নং কেঁড়াগাছি ও ৬নং সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের সমন্বিত ভূমি অফিসের ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা নায়েব শেখ আনিছুর রহমান ও অফিস সহকারী নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত খাজনা আদায় ও সেবা নিতে আগত জনসাধারণের সাথে অসাদাচারণের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কেড়াগাছি ইউনিয়নের বাসিন্দা মোজাহেদুল ইসলাম গত ২৬ সেপ্টেম্বর জমির খাজনা দিতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান। এসময় ২০ শতক জমির খাজনার চেক দেয়ার কথা বলে নির্দিষ্ট খাজনার বিপরীতে অতিরিক্ত ৫ শ’ টাকা দাবি করেন নায়েব আনিছুর রহমান। তিনি অতিরিক্ত টাকা প্রদানে অসম্মতি প্রকাশ করলে ৯শতক জমির খাজনা বাবদ ৯০ টাকার রশিদ কেটে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক ৩’শ টাকা আদায় করেন অফিস সহকারী নুরুজ্জামান। ভূক্তভোগি মোজাহেদুলের সাথে দুর্ব্যবহারও করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। ওই ঘটনায় গত ২অক্টোবর সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ উত্থাপন করলে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বিষয়টি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কলারোয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আক্তার হোসেনকে নির্দেশ প্রদান করেন।
কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের আরেক ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম জানান- ‘বর্তমানে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ঘুষ দাবি দেখলে মনে হয় এটাও প্রশাসনিক কাজের অংশ।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি খাজনা দিতে গেলে আমার কাছ থেকেও জমির পরিমাণ বাবদের চাইতে ৫ শ’ টাকা বেশি দাবি করেছিলো কিন্তু আমি খাজনা না দিয়ে চলে এসেছি।’
এ ব্যাপারে অভিযোগকারী মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার কাছে প্রথমেই অতিরিক্ত ৫ শ’ টাকা দাবি করেন নায়েব আনিছুর রহমান। পরে আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার সাথে পশুসুলভ আচরণ করা হয়।’
এ ব্যাপারে সোনাবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) আনিছুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি ভিত্তিহীন। আর আপনারা এতো প্রশ্ন কেনো করছেন? এ বিষয়ে তদন্ত কি আপনারা করবেন? আপনারা তো আবার রং চং লাগিয়ে লিখে দেবেন।’
কলারোয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আক্তার হোসেনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।’