পাইকগাছায় শাপলা ক্লিনিকে ৩ দিনে দুই প্রসুতির মৃত্যু


প্রকাশিত : October 11, 2019 ||

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছায় শাপলা ক্লিনিকে ৩ দিনে দুই প্রসুতি মায়ের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার জরুরীভাবে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানা যায়, বুধবার রাত ১১টায় উপজেলার গজালিয়া গ্রামের আলমগীর ফকিরের গর্ভবতী স্ত্রী মারুফা খাতুন (২৫) কে পাইকগাছা উপজেলা সদরের শাপলা ক্লিনিকে ভর্তি করে। রাত ১২টার দিকে কপিলমুনি হাসপাতালের ডা. আব্দুর রব তাকে সিজার করে। সিজারিয়ানে প্রসুতির একটি কন্যা ভূমিষ্ঠ জন্ম হয়। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মারুফার রক্ত বন্ধ না হওয়ায় ডাক্তার ডেকে আনলে একই রোগীর আবারও অপারেশন করে জরায়ু ফেলে দেয় বলে জানা গেছে।

এক পর্যায়ে মারুফা গুরুতর অসুস্থ হলে ঐদিন রাতেই ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ খুলনার গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোররাতে তার মৃত্যু হয় বলে গৃহবধুর স্বামী আলমগীর ফকির জানান।

অপরদিকে, গত মঙ্গলবার একই প্রতিষ্ঠানে কালুয়া গ্রামের মাসুম গাজীর স্ত্রীর নাছরিন আক্তার (২০) কে সিজার করলে একটি কন্যা সন্তান হয়। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে খুলনায় প্রেরণ করলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় ক্লিনিকের মালিক তাপস কুমার মিস্ত্রী ভারতে অবস্থান করায় তার কোন মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

ডা. আব্দুর রব জানান, রোগীর সিজার করেছি পরবর্তীতে রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় আরেকটি অপারেশন করে জরায়ু কেটে ফেলা দেয়া হয়েছে। প্রথমে সে সুস্থ ছিল, পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে মারুফাকে খুলনা গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে তার মৃত্যু হয়।