বৃষ্টির অভাবে মাঠ ফেঁটে চৌচির, আমন খেতে পোকার আক্রমন: দু:শ্চিন্তায় বেনাপোলে কৃষক


প্রকাশিত : অক্টোবর ২২, ২০১৯ ||

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে বৃষ্টির অভাবে ও প্রখর রোদ্রে মাঠ ফেঁটে চৌচির হয়ে গেছে। আমন ধান খেতে লেগেছে ব্লাষ্টসহ বিভিন্ন পোকার আক্রমন। অনেকে নলকুপ চালিয়ে করছেন আমন ধান চাষ। ঔষধেও হচ্ছেনা কাজ। দু:শিচন্তায় পড়ছেন কৃষক। ধানক্ষেতে কারেন্ট পোকা ফড়িংপোকা ও ইদুরের আক্রমন রোধে ব্যবহার করা হচ্ছে আলোক ফাঁদ। অনেক কোম্পানীর ঔষধে কাজ না হওয়ায় কৃষকের মুখের হাসি বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে ৭০শতাংশ মানুষ কৃষি কাজ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে। চলতি আমন মৌসুমে পোকা মাকড়ের আক্রমনসহ পানির অভাবে ধানের পাতা ও গাছ পচে শুকিয়ে মরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কৃষক অনেক টাকা খরচ করে বিভিন্ন প্রকার ঔষধ ছিটিয়ে এবং মটর ও শ্যালো ম্যাশিন চালিয়ে ধান খেতে পানি দিচ্ছেন। এতেও সুফল পাচ্ছেনা চাষীরা। ফলে দু:খ কষ্টসহ ব্যয় বাড়ছে কৃষকের। তেল সার ও আমন চাষে খরচ বাড়ায় নাভিশ্বাস বাড়ছে চাষীদের। লোকসানের আশংকা তাদের।
চাষী আনারুল ও আব্দুল ওহাব বলেন, অনেক কষ্টে ২বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। গাছে এসেছে থোড়, বাম্পার ফলনের স্বপ্ন ছিল। তবে পোকা ইদুর ও ফড়িংয়ের আক্রমনে ধানের ফলন ভাল হবেনা। লোকসানের আশংকা করছেন তারা। সার ও কীটনাশকের দাম বেশী-কম ধানের দাম। ফলে ফলন ব্যাহতসহ লোকসানের মুখে চাষীরা। ধানের মূল্যবৃদ্ধির দাবী তাদের।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌতম কুমার শীল বলেন, চলতি মৌসুমে বৃষ্টি কম হওয়ায় কৃষকেরা সেচের মাধ্যমে আমন ধান চাষ করছেন। ৮০শতাংশ জমিতে এসেছে ফুল। এক মাসের মধ্যে কাটা যাবে ধান। তবে গাছ ফড়িং ও ব্লাষ্ট রোগসহ পোকা মাকড়ের চেলেজ্ঞিং হিসাবে উপ সহকারি কৃষিকর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের পরামর্শ সহযোগিতা ও সতর্করা করা হচ্ছে।
শার্শা উপজেলায় ২১হাজার ৪শ’ ৮০হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকার আমন ধান চাষের লক্ষমাত্রা নিয়ে চাষ হবে ২৪ হাজার হেক্টর জমিতে। তবে এবারও ফলন ভাল হওয়ার আশা কৃষি কর্মকর্তার।