শ্যামনগরের নৈকাটী মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রী শ্লীলতাহানির অভিযোগ: ৪০ হাজার টাকায় মিমাংশা


প্রকাশিত : অক্টোবর ২৩, ২০১৯ ||

রমজাননগর (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগরের কৈখালীতে মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে। নগদ ৪০ হাজার টাকায় দেনদরবার ও ১০ দিন সাসপেন্ড করা হয়ে ওই শিক্ষককে। ঘটনা সূত্রে জানা গেছে, কৈখালী ইউনিয়নের নৈকাটী গ্রামের মোসাদের গাজীর পুত্র নৈকাটী সিরাতুনবী দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পুড়ুয়া ছাত্রীকে (১৩)  গত ১৭ অক্টোবর মাদ্রাসার কক্ষে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানী ঘটায়। শিক্ষক নূরুল হক গাজী শ্লীলতাহানী করায় ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে জানায়। ঐ ছাত্রীর পরিবারের লোকজন স্থানীয় মোড়ল মাতব্বাদের কাছে জানাজানি করে। এদিকে ঐ মাদ্রাসার সুপার নওশেরুজ্জামান তার আপন বড় ভাই হওয়ার কারণে মাদ্রাসার শিক্ষকরা ও মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ ওই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি ঝামেলাটি মিটিয়ে নেওয়ার জন্য মেয়ের পিতাকে চাপ সৃষ্টি করেন। মেয়ের ভবিষ্যতের চিন্তা করে গত ২০ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ ওই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি বিষয়টি নগদ ৪০ হাজার টাকায় ধামাচাপা দেয় এবং  ও মাদ্রাসার শিক্ষক নূরুল হক গাজীকে ১০ দিন সাসপেন্ড করেন। একজন মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রী শ্লীলতাহানী এই নিয়ে এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।

এ দিকে ৯নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রহিম বিভিন্ন তর্কে বিতর্কে বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাহিদ হোসেন বলেন, সব বিষয় বলা যায় না। কারণ এটা মাদ্রাসার বিষয়। মাদ্রাসার সুপার নওশেরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি মিথ্যা। ৭, ৮, ৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বর বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি তবে তারা মিমাংসা করে নিয়েছে। কৈখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম বলেন, এ বিষয়ে ঐ এলাকার অনেক ব্যক্তি আমাকে জানিয়েছেন।