ঝাউডাঙ্গায় আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর পরিদর্শনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

মনিরুল ইসলাম মনি: ‘ঝাউডাঙ্গায় আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ’ শিরোনামে বুধবার  ‘দৈনিক পত্রদূত’ পত্রিকায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর অবস্থানে থাকা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ চৌধুরী সরজমিনে ঝাউডাঙ্গায় ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দকৃত (জমি আছে, ঘর নেই) আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর নির্মানাধীন ঘর পরিদর্শন করেন। বুধবার সকাল ১১টায় সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. ইয়ারুল হককে সাথে নিয়ে তিনি এ ঘর পরিদর্শন করেন।

এসময় তিনি ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের মাঠপাড়া গ্রামের ঘর বরাদ্দপ্রাপ্ত আব্দুর সবুর, পশ্চিমপাড়ার হালিমা খাতুন, হাজীপুর গ্রামের নিত্যান্দ সরকার, পাথরঘাটা গ্রামের হেলাল, ঝাউডাঙ্গা গ্রামের নব কুমারের ঘর পরিদর্শন ও অনিয়মের তাদের সাথে কথা বলেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উক্ত নির্মিত ও নির্মাণাধানী ঘরে ব্যবহৃত নির্মাণ সামগ্রী পরীক্ষা করে দেখেন। পরিদর্শনকালে নির্মিত এসব ঘরে কিছু ত্রুটি পাওয়ায় ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা ও হেড মিস্ত্রি শহিদুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে ডেকে এসব ত্রুটির বিষয়ে জানতে চান। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদেরকে সতর্ক করে অবিলম্বে ত্রুটি সংশোধন ও ইউনিয়নে সঠিকভাবে ঘর নির্মাণের নির্দেশ দেন। একইসাথে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে এসব প্রকল্পের কার্যক্রম নিয়মিত পরিদর্শনের জন্য বলেন। এসময় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইয়ারুল হক নিয়মিত পরিদর্শন ও সঠিক নিয়মে ঘর নির্মাণ করার আশ্বাস প্রদান করেন।

ঘর পরিদর্শনের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ চৌধুরী স্থানীয় গ্রামবাসির উদ্দেশ্যে বলেন, সদর উপজেলায় কোন অনিয়ম-দুর্নীতি হতে দেয়া হবে না। এলাকায় কেউ দুর্নীতি করলে সরাসরি তার সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলেন। পরে তিনি অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে ধন্যবাদ জানান।

ঝাউডাঙ্গায় ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শনকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তুজুলপুর গাছের পাঠশালার পরিচালক ইয়ারব হোসেন, ঝাউডাঙ্গা মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক জয়দেব ঘোষ, স্থানীয় ব্যবসায়ী জাহান আলী, আব্দুল আজিজ, সাগর ঘোষ প্রমুখ।