তালায় হত্যা মামলার আসামী ও বিএনপি ক্যাডার আমিরুলের পুত্রকে পুলিশের এসআই পদে চাকুরী না দেয়ার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশিত : October 28, 2019 ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালায় হত্যা মামলার আসামী ও বিএনপি ক্যাডার আমিরুল ইসলামের পুত্র জহুরুল ইসলামকে পুলিশের এসআই পদে চাকরি না দেয়ার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, তালা উপজেলার দোহার গ্রামের মৃত আজিজুল ইসলাম আজুর ছেলে মো. শহীদ সরদার।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার পিতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। শুধু আওয়ামী লীগ করার অপরাধে আমার পিতাকে বিগত ২০০৬ সালের ১৬ জানুয়ারি প্রকাশ্যে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছিল একই এলাকার ঝড়– সরদারের পুত্র আমিরুল সরদার। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ওই সময় সাতক্ষীরা জজ আদালতে একটি মামলা হয়। যা এখনও বিচারাধীন রয়েছে। তিনি বলেন, পিতা হত্যার দীর্ঘকাল অতিবাহিত হলেও এখনও পর্যন্ত হত্যাকারী আমিরুলকে বিচারের কাঠগোড়ায় দাঁড় করানো সম্ভব হয়নি। অথচ এই আমিরুল ছিলেন হাবিবুল ইসলাম হাবিবের ক্যাডার বিপ্লব বাহিনীর সদস্য। ইতোমধ্যে ওই বাহিনীর প্রধান বিপ্লব ও আজহারুল পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। কিন্তু আমিরুল কৌশলে এখনও তার রাজত্ব কায়েম করে যাচ্ছেন। সম্প্রতি আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের ম্যানেজ করে আমিরুলের পুত্র জহুরুল ইসলামকে পুলিশের এসআই পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার পায়তারা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীতে যদি তার পুত্র কোনভাবে প্রবেশ করে তাহলে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী লাঞ্ছিত ও নিগৃহীত হবে। তিনি আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান সময়ে বাছাই করা আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তানদের চাকরি প্রবেশের সুযোগের কথা বললেও স্থানীয় কতিপয় সুবিধাবাদীর কারণে সেটা বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছেনা। এর ফলে গোপন অর্থির বিনিময়ে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র জামায়াত-বিএনপির সদস্যরা পুলিশ বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীতে প্রবেশ করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা, হামলাসহ বিভিন্নভাবে লাঞ্ছিত করে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় তিনি খুনি আমিরুলের পুত্র জহুরুলকে পুলিশ বাহিনীর মত গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরি না দিয়ে আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তানকে চাকরির সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।