বেনাপোলে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও হওয়ায় বাড়ছে শিক্ষার্থী-শিক্ষকের উপিস্থিতি


প্রকাশিত : নভেম্বর ৪, ২০১৯ ||

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): যশোরের শার্শা-বেনাপোলের সদ্য ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্তির খবরে আনন্দ উল্লাশ চলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। দোয়া ও আলোচনা সভা করা হচ্ছে। গত কয়েক দিনে বিদ্যালয়গুলোতে বাড়ছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের উপিস্থিতি। মহা খুশি তারা স্বস্তিতে অভিভাববরা। এর ফলে শিক্ষার্থী ঝরা পড়া কমবে বলে জানান স্থানীয়রা। এদিকে এমপিও ভুক্তিতে সন্তষ্ট হয়ে রবিবার সকালে শার্শায় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিনকে সংবর্ধনা দিয়েছে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্টানে শিক্ষক অবিভাবকও শিক্ষার্থীরা। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মজ্ঞু, নির্বাহি কর্মকর্তা পূলক কুমার মন্ডল, ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, অধ্যাক্ষ ইব্রাহিম খলিল, চেয়ারম্যান সোয়ারাব হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান, শিক্ষক শহিদুল ইসলামসহ চেয়ারম্যান ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
যশোরের সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শা ও স্থলবন্দর বেনাপোলের মাধ্যমিক নিন্ম মাধ্যমিক উচ্ছ মাধ্যমিক আলিম দাখিলসহ ৭৯টি শিক্ষা প্রতিষ্টানের মধ্যে ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্টান এমপিও ভুক্ত হয়নি আজও। অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহ শিক্ষার মানউন্নয়ন ও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এবার বেনাপোলের কুদলার হাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রহিমপুর আলিম মাদ্রাসা সিকারপুর সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ম, সেতাই মাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিও ভুক্ত করা হয়। শনিবার খবরটি সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রচার হলে আনন্দ উচ্ছাস করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকরা। সরকারকে ধন্যবাদ জানান তারা। দোয়া ও আলোচনা সভা করে শিক্ষার মান উন্নয়নে আরো আন্তরিকতার কথা বলেন শিক্ষক শিক্ষার্থী অবিভাবকেরা।
শিক্ষার্থী ও অবিভাবকেরা বলেন, এমপিও ভুক্তিতে বাড়ছে শিক্ষক শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ফিরছে লেখাপড়ার পরিবেশ। খুশি তারা।।
রহিমপুর মাদ্রাসার শিক্ষক সহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ প্রায় ২০বছর ধরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছিল উদ্বেগ উৎকন্ঠা ও হতাশার ছাপ। বেতনভাতা না পেয়ে অনেক শিক্ষক চলে যায় অন্যার্ত। ঝরে পড়ে শিক্ষার্থী। মনোবল নিয়ে চালিয়ে আসা হচ্ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্টানগুলো। শিক্ষাবান্ধব সরকার ও এমপি শেখ আফিল উদ্দিনের আন্তরিকতায় সদ্য এমপিও ভুক্তর খবরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বাড়তে শুরু করেছে। পড়া লেখায় রেকর্ড গড়তে চান তারা। গ্রাম এলাকা শিক্ষার মান আরো একধাপ এগিয়ে যাবার আশা করেন তিনি।
রহিমপুর আলিম মাদ্রাসা ম্যানিজিং কমিটি সভাপতি মো: গোলাম মোস্তফা বলেন, সীমান্ত এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্টান গুলোতে অর্থকষ্টসহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত ছিল। এমপিও ভুক্ত হওয়ায় সব জড়তা ভুলে আনন্দ করেই অনেক ছাত্রছাত্রী আসছে স্কুলে। বৃদ্ধি পাচ্ছে শিক্ষার্থী ফলে ঝরে পড়া রোধ হবে ।
উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্টানের মান উন্নয়ন সহ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। পর্যায় ক্রমে সব শিক্ষাপ্রতিষ্টান এমপিও ভুক্তির আওতায় আসবে বলে জানান মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান।