আশাশুনিতে মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিট বাড়িঘর ভাংচুর অগ্নি সংযোগ ও হুমকি ধামকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশিত : নভেম্বর ৪, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: আশাশুনির আলমগীর হোসেন নামের এক ব্যক্তির  বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিট, বাড়িঘর ভাংচুর, অগ্নি সংযোগ, হুমকি ধামকিসহ নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, উপজেলার শরাফপুর গ্রামের মৃত মুন্সি তফিল উদ্দীন সরদারের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, একই এলাকার আলমগীরের নেতৃত্বে জিয়া গাজী, শান্ত, তৌহিদুল, তারেক, রিংকু ও শিমুল আমাকে এবং আমার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হয়রানির চেষ্টায় লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে আলমগীরের শান্ত আমার পুতনী শরাপুর হাইস্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার পথে উত্যক্ত করতে থাকে। আমি এর প্রতিবাদ করতে গেলে আলমগীরের নেতৃত্বে স্থানীয় ত্র লোকজন আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে মারপিট, বাড়িঘরে অগ্নি সংযোগসহ নানাভাবে হয়রানি করতে থাকে। কৌশলে তারা আমাকে স্বপরিবারে সেখান থেকে উচ্ছেদ করতে চায়। আমি এ বিষয়ে স্থানীয় থানাকে অবহিত করলেও থানার পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। বর্তমানে তাদের ভয়ে আমার পুতনী স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। সে স্কুলের যাওয়ার উদ্দেশ্যে রাস্তায় উঠলে তাকে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করা, ওড়না ধরে টানা হেচড়াসহ বিভিন্নভাবে অসম্মানিত করা হচ্ছে। যে কারণে সে আর স্কুলে যেতে চায় না। অথচ ওই আলমগীর ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে নাশকতাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের ভয়ে আমার দুই পুত্র প্রায় ৮ মাস বাড়ি ছাড়া হয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আলমগীর বাহিনী আমার সন্তানদের বাড়ি পেলে খুন, জখমসহ বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতি করবে বলে হুমকি প্রদান করছে। তিনি আরো বলেন, গত ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় আলমগীরের নেতৃত্বে জিয়া গাজী, শান্ত, তৗহিদুল, তারেক, রিংকু, শিমুলসহ ১০/১৫ জনের সংঘবদ্ধ বাহিনী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এসময় তারা আমাকে, আমার স্ত্রী সন্তান ও পুতনীকে মারপিট করে গুরুতর আহত করে। আমি তাদের ভয়ে বতর্মানে বাড়ি ছাড়া হয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত হোসেন পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।