বৈকারী ইউপি সদস্য জুলুর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ


প্রকাশিত : নভেম্বর ৫, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: চোরাচালান, মাদক ব্যবসা, হুন্ডিব্যবসা, পুলিশ দিয়ে আটক বাণিজ্য করে আর দলীয় নাম ভাঙিয়ে কোটিপতি হয়েছেন বৈকারি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জুলফিক্কার আলী জুলু। সে ওই ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ড সদস্য। গ্রামবাসি জানায়, জুলফিক্কার আলী জুলু বর্তমান বৈকারী ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন যুলীগের সভাপতি। তার বাবা প্রয়াত আফছার দফাদার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি। তিনি একজন আওয়ামী লীগের নিবেদিত কর্মী ছিলেন। সে কারণে দলীয় অনুকম্পায় জুলু ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়। মূলত এখান থেকে তার উত্থান। সে সুবাদে গত পরিষদ নির্বাচনে মেম্বর নির্বাচিত হয়।

গ্রামবাসি জানান, জুলু মেম্বর হওয়ার পরপরই ছিছকে চোরাকারবারি থেকে হয়ে উঠে মূর্তিমান চোরাচালানি। সে সহ তার বেশকিছু সাগরেদ মিলে পরিচালনা করতে থাকে বৈকারি গরুর খাটাল ও চোরাঘাট। সাথে সাথে সে নিজে হুন্ডির ব্যবসার সাথে জড়িত বলে এলাকাবাসির জোর অভিযোগ। তারা আরো অভিযোগ করে বলেন, জুলু মেম্বর এলাকার সাধারণ মানুষদের পুলিশ দিয়ে আটক বাণিজ্য করেছে কোটি টাকা। নামপ্রকাশ না করে তার নিজ গ্রামের লোজনেরা জানায়, জুলু মেম্বর এখানকার অধিকাংশ পরিবারে পুলিশ দিয়ে আটক করে, প্রতিটি পরিবারের কাছ থেকে ৫০হাজার টাকা থেকে শুরু উদ্ধ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আদায় করেছে। তদের দাবি পুলিশের আটক বাণিজ্য করে সে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কাথন্ডা বাজারের অধিকাংশ দোকানিরা জানান, তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক মাল বাকি নিয়ে আর দেয়না। চাইতে গেলে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করে থাকে। বাজারের কোনো দোকানি তার উপর কথা বলতে পারেনা। দলীয় পদ পদবী ও পরিষদ সদস্যের প্রভাব খাটিয়ে সে এসব কুকর্ম করে থাকে। বর্তমানে সে কোটিপতি। তার রয়েছে তিনটি বাড়ি। এলাকাবাসি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।