এই গ্রামের যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই পাহাড়


প্রকাশিত : নভেম্বর ৬, ২০১৯ ||

অনলাইন ডেস্ক: একবার গেলেই এই গ্রামের মায়ায় পড়ে যাবেন নিশ্চিত। শুধুমাত্র প্রচারণা না থাকায় খুব বেশি মানুষ ‘লাটপাঞ্চার’ নামের গ্রামটিকে চেনে না। মহানন্দা নদী থেকে প্রায় ৪৫০ ফুট উঁচুতে এই গ্রামের অবস্থান। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে গাড়িতে মাত্র দেড় ঘণ্টার পথ।

সকালের কুয়াশায় পাইন আর ধুপির জংলা পথ হাতরে পৌঁছে যান সানরাইস পয়েন্ট। সেখান থেকে উপভোগ করুন তিস্তার অন্তিম নীল জলরাশি। এছাড়াও রয়েছে সিঙ্কোনার চারনভূমি, পাবেন চা বাগান। যদি শীতকালে যান তাহলে পেতে পারেন কমলা লেবুর চাষ। গ্রামের মাঝে দাঁড়িয়ে যেদিকেই তাকাবেন, সেদিকেই পাহাড়। খরচও সাধ্যের মধ্যেই। এখানে রয়েছে প্রায় দশটি হোটেল/হোম স্টে রয়েছে, যেখানে জনপ্রতি একদিনের থাকা এবং খাওয়ার খরচ এক হাজার টাকার মধ্যে হয়ে যাবে।

যারা পাখি ভালোবাসেন তাদরে জন্য লাট পাঞ্চারে খুব ভালো সময় কাটাতে পারবেন। প্রায় ৩৬ রকমের প্রাণী ও ২৫০ প্রজাতির পাখির দেখা মেলে এই পাহাড়ি গ্রামে। হর্নবিল হল এখানকার প্রধান পাখি। এর খোঁজে বিদেশ থেকেও আসেন অনেক ফটোগ্রাফার ও পরিযায়ী প্রেমীরা। বর্ষায় সবচেয়ে সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে লাটপাঞ্চার। এই সময়ে প্রচুর রঙবাহারী নাম না জানা ফুল ফোটে পাহাড়ের গায়ে।

লাটপাঞ্চার যেন পাহাড়ের বাড়ি

লাটপাঞ্চার যেন পাহাড়ের বাড়ি

বিরল প্রজাতির নানা প্রাণীও দেখতে পাওয়া যায় এখানে। ডাইনেসর যুগের একটি অতিব দুর্লভ প্রাণী সালমান্ডার। ভাগ্য সদয় হলে আপনিও পেতে পারেন এর দেখা। লাটপাঞ্চারের পাহাড় বেঁয়ে আপনাকে চলে যেতে হবে নামথিং পোখরি। এখানেই সালমান্ডারের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার অস্তিত্ব নাকি পৃথিবীর আর কোথাও নেই।

যাওয়া-থাকা

বাগডোগরা বিমানবন্দর কিংবা নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করুন। এরপর শিলিগুড়ি থেকে সেবক রোড ধরে সোজা কালিংপঙ-কালিঝোর হয়ে ৪৪ কিলোমিটার দূরে লাটপাঞ্চার। সেখানে অনেগুলো হোম স্টে রয়েছে। সবগুলোরই খরচ প্রায় একই রকম।