খুলনার কয়রা উপজেলায় আ.লীগে অনুপ্রবেশকারীদের বৃত্তান্ত

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: মু. হুমায়ুন কবির, রাজনীতির উত্থান জামায়াত থেকে। পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে পান উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদকের পদ। গত কয়েক মাস আগে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার আশীর্বাদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে পরাজিত করে কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি পারিবারিকভাবেই বিএনপি-জামায়াত মতাদর্শের লোক। তার আপন চাচা আবুল কাশেম হাওলাদার ছিলেন শান্তি কমিটির সেক্রেটারি। স্বাধীনতাবিরোধী পরিবারের এই বিএনপি নেতার দাপটে এখন কয়রার আওয়ামী লীগ নেতারাও থাকেন তটস্থ। নির্বাচিত হওয়ার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহসিন রেজার সঙ্গী হয়ে দেখা করেছেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে। তারপর থেকেই তিনি অঘোষিত আওয়ামী লীগার। তার কাছে নৌকার পক্ষে নির্বাচন করা নেতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত হচ্ছেন হয়রানির শিকার। কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদটিও এখন বিএনপি-জামায়াতের অস্থায়ী কার্যালয়ে রূপ নিয়েছে। এ ছাড়া তিনি কৌশলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একাধিক কাজ বিনা টেন্ডারে প্রভাব খাটিয়ে বাগিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতেও আছেন সাবেক জামায়াত-বিএনপি নেতাসহ রাষ্ট্রদ্রোহ ও নাশকতা মামলার একাধিক আসামি। উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. দিদারুল ইসলাম ছিলেন কয়রা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি। এরপর হন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। আওয়ামী লীগে ভিড়েই তিনি পেয়েছেন উপজেলা কমিটির পদ, সেই সঙ্গে হয়েছেন উপজেলা কৃষক লীগের আহ্বায়কও।
সাবেক জামায়াত সমর্থিত এমপি শাহ মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুসের অনুসারী জামায়াত নেতা শাহবাজ আলী আওয়ামী লীগে ভিড়েই পেয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদকের পদ। উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের জামায়াত নেতা আব্দুল মজিদ গাজীর পুত্র আব্দুল মুমিনও ছিলেন জামায়াতের অনুসারী। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির আত্মীয় হওয়ার সুবাদে ক্ষমতার পালাবদলের পরই ভিড়ে গেছেন আওয়ামী লীগে। কব্জা করেছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ।
উপজেলা সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য শেখ রোকনুজ্জামান ছিলেন জামায়াতের রুকন। বর্তমানে তিনি ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। এ ছাড়া উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারটিও দখল করে আছেন একসময়কার বনদস্যুদের পৃষ্ঠপোষক ও খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল হত্যা প্রচেষ্টা মামলার আসামি মো. আমিরুল ইসলাম।
এ ছাড়া এ উপজেলায় আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড কমিটির অধিকাংশ নেতৃত্বও এসেছে জামায়াত-বিএনপি থেকে। এসব অনুপ্রবেশকারীদের দাপটে উপজেলা আওয়ামী লীগে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। উপজেলার একাধিক আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছ থেকে জানা যায়, বিএনপি ও জামায়াত-শিবির থেকে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ শুরু হয় ২০০৯ সাল থেকে। আর এই অনুপ্রবেশ ¯্রােতের আকার ধারণ করে গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী বিএনপি-জামায়াত নেতা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালানো এবং পথসভায় জামায়াত নেতাদের মাধমে তার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করার পর থেকে। বর্তমানে বাস্তবতা এমন যে, এসব নব্য আওয়ামী লীগারদের দাপটে কয়রা উপজেলার মূল ¯্রােতের আওয়ামী লীগাররাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।
কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গাজী আজিজুল হক জানান, বিভিন্ন দলের অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত নেতাদের দাপটে তাদের রাজনীতি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন ত্যাগী নেতাকর্মী অভিযোগ করেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের দায়িত্বশীল নেতারা নিজ নিজ স্বার্থে বিএনপি, জামায়াত, জাপাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে বিতর্কিতদের অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছেন। তাদের দাপটে ত্যাগী নেতাকর্মীরা অসহায় হয়ে পড়েছেন।
কয়রা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বটকৃষ্ণ ঢালী বলেন, কয়রা উপজেলার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিশৃঙ্খলা করছেন উপজেলা আ.লীগ সভাপতি জি এম মোহসিন রেজা। তিনি দলের গঠনতন্ত্র না মেনেই এলাকায় ইচ্ছামতো দলের বিভিন্ন কমিটি করছেন। এসব কমিটিতে স্থান দিয়ে দলে অনুপ্রবেশকারীদের পুনর্বাসন করছেন তিনি। তাই তার সুপারিশ করা কমিটিগুলো আগামী ২৮ নভেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আগেই বাতিল করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোহসিন রেজার মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে কয়রা সদরের বাসায় গেলে জানানো হয়, তিনি খুলনায় অবস্থান করছেন।
এদিকে দলে অনুপ্রবেশকারী তালিকা প্রস্তুতের পর চরম আতঙ্ক জেঁকে বসেছে এসব অনুপ্রবেশকারী নেতাকর্মীদের মধ্যে। তালিকায় কার নাম আছে আর কার নাম নেই তা জানতে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছেও বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর নিচ্ছেন তারা। এ প্রসঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুন-আর রশিদ বলেন, বিভিন্ন সময় দলে অনুপ্রবেশকারী বিতর্কিতরা আগামীতে দলের কোনো স্তরেই স্থান পাবে না। সে জন্য দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিতদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

র‌্যাবের অভিযানে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবলীগ নেতা আটক

পত্রদূত ডেস্ক: র‌্যাবের অভিযানে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৪৭ পিস ইয়বা। আটককৃত দুই যুবক শহরের ইটাগাছা পূর্বপাড়ার আব্দুর রাজ্জাক সরদারের ছেলে মোঃ ইলিয়াস কবির এবং গড়েরকান্দার আনিস গাজীর ছেলে মোঃ আশিক গাজী। আটক মোঃ ইয়াছিন কবির পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক।
র‌্যাব সাতক্ষীরা ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক এএসপি মোঃ শাহিনুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত পৌনে ৮টার দিকে তাঁর নেতৃত্বে র‌্যাব সদস্যরা শহরের গড়েরকান্দার বাদামতলী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় উক্ত দুই যুবককে ইয়াবাসহ হাতে নাতে আটক করা হয়। জব্দকৃত আলামত ও গ্রেপ্তারকৃত আসামীদ্বয়কে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

‘আন্টি’ ডাক শুনে ক্ষেপে গেলেন স্বরা

অনলাইন ডেস্ক: স্বরা ভাস্করকে ‘আন্টি’ বলে ডেকে ফেলেছিল ৪ বছর বয়সের এক শিশু। বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের সময়ই স্বরাকে ‘আন্টি’ বলে ডাকায় ওই শিশু শিল্পীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন তিনি। যে ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই পাল্টা আক্রমণ করা হয় বলিউড অভিনেত্রীকে। সম্প্রতি স্বরা ভাস্করের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। যেখানে দেখা যায়, একটি কমেডি শোয়ে হাজির হয়েছেন স্বরা।  সেখানে তিনি বেশ রসিয়ে বলতে শুরু করেন, কোনও একটি দক্ষিণী বিজ্ঞাপনের শুটিং করছিলেন তিনি। সেখানে ৪ বছরের এক শিশু তাকে ‘আন্টি’ বলে ডাকে। যা শুনে ক্ষেপে যান স্বরা। ৪ বছরের ওই শিশুকে এরপর অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করেন এই অভিনেত্রী।

শুধু তাই নয়, ওই শিশুকে ‘শয়তানের বংশধর’ বলেও উল্লেখ করতে শোনা যায় স্বরাকে। বলিউড অভিনেত্রীর ওই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরই সরব হন নেটিজেনরা। ৪ বছরের এক শিশুকে কীভাবে অশালীন ভাষা প্রয়োগ করে গালাগালি দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকে। পাশাপাশি স্বরা ভাস্করকে এখন থেকে গোটা ভারতে আন্টি বলে ডাকা হবে বলেও মন্তব্য করতে শুরু করেন অনেকে। ওই ঘটনার পরই স্বরা ভাস্করের বিরুদ্ধে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

১৫ বছর বয়সী গায়িকাকে যৌনতার প্রস্তাব অনু মালিকের

অনলাইন ডেস্ক:  সংগীত পরিচালক অনু মালিকের বিরুদ্ধে অনেক গায়িকাই এর আগে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন। এবার সেই তালিকায় যোগ হলেন গায়িকা শ্বেতা পণ্ডিত। তিনিও অনু মালিকের নোংরা হাতের ছোঁয়া থেকে পার পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। বলিউডে #MeToo আন্দোলন শুরু হওয়ার পর খানিকটা মনে শান্তি পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কারণ, এর আগে কখনই বলিউডের মিউজিক কম্পোজার অনু মালিকের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেননি তিনি। কয়েকদিন আগেই অনু মালিকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন গায়িকা নেহা ভাসিন। এর পর শ্বেতার প্রসঙ্গ টেনে এনে ফের একবার অনু মালিককে এক হাত নিয়েছেন নেহা। তার পরিপ্রেক্ষিতে শ্বেতা টুইট করে লিখেছেন, ২০১৯-এও আমরা নিগৃহীতাকে প্রশ্ন করি।দুই দশক ধরে এই ইন্ডাস্ট্রিতে গায়িকা হওয়া সত্ত্বেও এত নোংরা মানসিকতার লোক দেখতে হয়। ২০০১ সালে যখন আমার সঙ্গে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে তখন আমি একজন স্কুলের ছাত্রী। শ্বেতার বয়স তখন মাত্র ১৫। তখনই অনু মালিক তার শরীরে হাত দিয়েছিলেন। বিছানায় যাওয়ার প্রস্তাবও করেন তিনি। কিন্তু কোনমতে তখন নিজেকে বাঁচিয়ে বের হয়ে আসেন শ্বেতা। এ গায়িকা বলেন, সিনিয়ররা সব সময় সম্মানের পাত্র। কিন্তু এমন আচরণ তাদের সম্মানের জায়গা থেকে নামিয়ে দেয়। আমি তখন কিছু বলতে পারিনি। মিটু ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এখন অনেকেই সরব হচ্ছেন যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে। তাই অনু মালিকের মুখোশও উন্মোচিত হওয়া দরকার।

জাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা, বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন

অনলাইন ডেস্ক:  জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এতেও আন্দোলন না থামিয়ে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করেছে আন্দোলনকারীরা। এদিকে আজ সকালে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।

আজ বুধবার সকাল থেকে ফের আন্দোলন শুরু করেছেন আন্দোলনকারীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি স্থানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের পাশ থেকে অবস্থান তুলে নেয়ার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। পরবর্তী আন্দোলন আরও জোরালো করতেই সাময়িকভাবে রাতের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।

আজ বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে আগামী আন্দোলন শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। সকাল ৯টায় বিক্ষোভ মিছিল ও ১০টায় অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সংহতি সমাবেশ করবেন আন্দোলনকারীরা।

এর আগে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনের এ হামলায় আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্যাম্পাস বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়। তবে পরে নির্দেশনা সংশোধিন করে বুধবার সকাল ৮টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কৃষক লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: কৃষক লীগের দশম জাতীয় সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আজ বুধবার বেলা সোয়া ১১টায় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

স্বাধীনতার পর অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে চাষাবাদে কৃষককে সহযোগিতা দেওয়া ও কৃষির সমৃদ্ধির জন্য ১৯৭২ সালে ১৯ এপ্রিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ কৃষক লীগ নামে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। তবে কৃষক লীগ নামে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তাঁর নেতারা তৃণমূলে কৃষকের পাশে কতটা দাঁড়াতে পেরেছেন, তা প্রশ্নবিদ্ধ রয়েছে স্বয়ং দলের মধ্যে। আর এসব প্রশ্ন রেখে আজ বুধবার শুরু হয়েছে আওয়ামী লগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের দশম জাতীয় সম্মেলন।

কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন কৃষক নেতা আবদুর রব সেরনিয়াবাত। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যা করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত নয়বার সম্মেলন হয়েছে কৃষক লীগের। দশম সম্মেলনকে ঘিরে কৃষক লীগের পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে।

সম্মেলনকে ঘিরে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে সাজসাজ রব দেখা গেছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নিজ নিজ পক্ষে জোর লবিং-তদবিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংগঠনটির নেতারা।

সম্মেলনে আরো উপস্থিত আছেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, আাওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আা ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এনামুল হক শামীম, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় সদস্য মারুফা আক্তার পপিসহ আরো অনেকে।

ক্যাসিনো সম্রাটের নামে চার্জশিট দিয়েছে র‌্যাব

অনলাইন ডেস্ক:   যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ক্যাসিনো সম্রাট খ্যাত ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে র‌্যাব। রাজধানীর রমনা থানায় অস্ত্র আইনে করা মামলায় বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক।

প্রসঙ্গত, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম আসার পর থেকেই তাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। অভিযান শুরুর পর খোঁজ মিলছিল না সম্রাটের। এরপর তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। এরপর ৫ অক্টোবর রাত থেকেই তার গ্রেপ্তার হওয়ার খবর চাউর হলেও পরদিন সকালে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তার সঙ্গে এনামুল হক আরমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে তার ছয় মাসের জেল দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। র‌্যাব-১ বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় সম্রাটের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে। দুই মামলার বাদী র‌্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক।

দেবহাটার গাজিরহাটে যাত্রী ছাউনীর ছাদ ঢালাই উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের গাজিরহাট যাত্রীছাউনীর ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করলেন দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান এবং সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য আল ফেরদাউস আলফা।
বুধবার সকাল ১০টায় জেলা পরিষদের অর্থায়নে গাজিরহাট যাত্রীছাউনী ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ৪নং নওয়াপাড়া ইউনিয়ন কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা শান্তিরঞ্জন সরকার, সহকারী প্রকৌশলী সেলিম রেজা, ইউপি সদস্য নুরুজ্জামান সরদার, মেসার্স ফাইম এন্টারপ্রাইজ’র ঠিকাদার খাইরুল ইসলাম বাবুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

খুলনা জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক মামলার ৪ জনসহ গ্রেপ্তার ১৬

অনলাইন ডেস্ক: খুলনা জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে ৫ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৬ নভেম্বর সকাল ৮টা পযর্ন্ত ২৪ ঘন্টায় ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীসহ মোট ১৬ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে এসব মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজা ও ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় এবং মোট ৩ টি মাদক মামলা রুজু করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক মামলার ৫ জনসহ গ্রেপ্তার ২৩

অনলাইন ডেস্ক: সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে মাদক মামলার ৫ জনসহ ২৩ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানের সময় পুলিশ ৪৫ পিস ইয়াবা, ১৫ বোতল ফেন্সিডিল ও ৭০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) থেকে আজ বুধবার (৬. নভেম্বর) সকাল পর্যন্ত সাতক্ষীরার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামীদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাতক্ষীরা সদর থানা ১০ জন, কলারোয়া ১ জন, তালা ২ জন, কালিগঞ্জ ২ জন, শ্যামনগর ৩ জন ও আশাশুনি ৫ জন। তিনি আরো বলেন, আসামীদের বিরুদ্ধে মাদক ও নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও সদর ও কলারোয়া থানায় আটককৃত ৫ জনসহ অপ্সাতনামাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে ৬ টি মামলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল এসোসিয়েশন এর অভিনন্দন

গত ১ নভেম্বর ২০১৯ সারা দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল এসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচনে ডাঃ বাবু-ডাঃ আমিন পরিষদ বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হওয়ায় সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল এসোসিয়েশন-এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সংগঠনের সাতক্ষীরা জেলা সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উক্ত কমিটিতে সাতক্ষীরা জেলা থেকে ডাঃ এ.কে.এম মসিউর রহমানকে সদস্য নির্বাচিত করায় জেলার সকল ডিপ্লোমা চিকিৎসকসহ সারা দেশের ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে আগামী দিনে সঠিক ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রদানপূর্বক বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল এসোসিয়েশ কে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে দাঁড় করানো জন্য নেতৃবৃন্দের প্রতি উদাত্ত আহবান জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ফের বিয়ে করলেন স্মিথ

স্পোর্টস ডেস্ক : দ্বিতীয় বারের জন্য বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথ। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা রোমি লানফ্রানচির সঙ্গে ২ নভেম্বর গাঁটছড়া বাঁধলেন দেশটির সর্বকনিষ্ঠ এ অধিনায়ক।

বিয়ের খবরটি নিজেই টুইট করে অনুসারীদের জানিয়েছেন ৩৮ বছর বয়সী স্মিথ। বিয়ের একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘২ নভেম্বর অসাধারণ একটা দিন গেল।’

এটা স্মিথের দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে আইরিশ গায়িকা মর্গ্যান ডিয়েনেকে বিয়ে করেন তিনি। ২০১১ সালের আগস্টে কেপটাউনে স্মিথ-ডিয়েনের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছিলো। তাদের সংসারে মেয়ে ক্যাডেন্স ক্রিন্সিন স্মিথ ও ছেলে কার্টার ম্যাকমরিন স্মিথ রয়েছে।

২০১৫ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন স্মিথ-ডিয়েনে। এরপরই রোমির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান স্মিথ। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে রোমি জন্ম দেন স্মিথের তৃতীয় সন্তানের।

মাত্র ২২ বছর বয়সেই দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক হয়েছিলেন গ্রায়েম স্মিথ। ১১৭ টেস্টে ৪৮.২৫ গড়ে করেছেন ৯২৬৫ রান। ২৭টি শতকের পাশাপাশি হাঁকিয়েছেন ৩৮টি অর্ধশতক।

১৯৭ ওয়ানডেতে ৩৭.৯৮ গড়ে ৬৯৮৯ রান করেন স্মিথ। শতক ১০টি ও অর্ধশতক ৪৭টি। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে যান তিনি।

যদি লজ্জা থাকে, আর টুইট করো না

স্পোর্টস ডেস্ক: নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে বাংলাদেশের কাছে প্রথমবার হারের স্বাদ পেলো ভারত। রোববার দিল্লিতে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে যায় রোহিত শর্মার দল। বাংলাদেশের এমন জয়ে ভারতীয় সমর্থকরা রীতিমতো স্তম্ভিত। দুর্বল পারফরম্যান্সের কারণে ভক্তদের সমালোচনার মুখে পড়েছে টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু কে জানতো, ভারতের হারের কারণে ট্রলের শিকার হবেন দেশটির সাবেক ওপেনার বিরেন্দর শেবাগ!

বাংলাদেশকে জয়ের বন্দরে পৌঁছানোর মূল নাবিক ছিলেন মুশফিকুর রহিম। সিরিজে এগিয়ে গেলো টাইগাররা। সিরিজ জিততে হলে রাজকোট ও নাগপুরে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিতে হবে স্বাগতিকদের।

কিন্তু ভারতের হারে শেবাগকে কেন রোষানলে পড়তে হলো? ঘটনার প্রেক্ষাপট আরো আগে। বাংলাদেশ-ভারত সিরিজের প্রচারণা হিসেবে স্টার স্পোর্টস একটি বিজ্ঞাপন বানিয়েছে যেখানে আছেন শেবাগ। বিজ্ঞাপনটিতে ভারতের সাবেক এ ওপেনার আগে কোন ম্যাচে না জেতায় বাংলাদেশকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ব্যঙ্গ করেছিলেন।

কিন্তু এই বিজ্ঞাপনটি ভালোভাবে নিতে পারেনি ভারতীয় সমর্থকরা। অনেকেই মনে করেন এমন বিজ্ঞাপন দেখাও অপমানজনক। ভারতের হারের পর সমর্থকরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। বিজ্ঞাপনে শেবাগকে বলতে শোনা যায়, ‘এখানেই এত উড়ছে, যদি প্রথমবারের মতো ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে জিতে যায়, তবে কী করবে কে জানে।’ এতে ভক্তরা আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং নানাভাবে ট্রলের শিকার হচ্ছেন শেবাগ।

সৌরভ মণ্ডল নামক এক ভক্ত টুইটারে শেবাগকে উদ্দেশ লেখেন, এ ধরনের বিজ্ঞাপন করা বন্ধ করুন। এটা ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য অপয়া।

আল নাঈম লেখেন, বাংলাদেশ তো ম্যাচটি জিতে গেলো। এখন আপনি কী করবেন? নাটক নাকি টুইট?

শেবাগ আগে বলেছিলেন, বাংলাদেশ ম্যাচ জিতলে তিনি টুইট করা ছেড়ে দেবেন। আর সেটাকে খোঁচা দিয়ে আদিত্য পারিক লেখেন, ভাই শেবাগ, যেহেতু বাংলাদেশ জিতেছে তাই তোমাকে এখন টুইট করা ছেড়ে দিতে হবে। পুরুষ মানুষ হও এবং ওয়াদা রক্ষা করো। 

আরেক ভক্ত ফাহিম হোসেন শেবাগকে উদ্দেশ করে লেখেন, যদি তোমার লজ্জা থাকে, আর টুইট করো না।

বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীদের দলে ঠাঁই হবেনা: এসএম কামাল হোসেন

পত্রদূত ডেস্ক: বিতর্কিত, অনুপ্রবেশকারী, সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর কমিটির কোনো পদে আসতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন। জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে সভায় অংশ গ্রহণ করতে তিনি মঙ্গলবার সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজে অবস্থানকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, দলের প্রভাব খাটিয়ে এতোদিন যারা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, জমিদখলসহ নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধে জড়িত হয়ে আওয়ামী লীগের সুনাম নষ্ট করেছে এবং সরকারের প্রতি জনসাধারণের বিরূপ মনোভাব সৃষ্টি করে নিজেদের পকেট ভারী করেছে তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘অ্যাকশনে’ যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা। আর তারই ধারাবাহিকতায় জেলার সকল কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ও বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, অনুপ্রবেশকারীদের ঠাঁই হবেনা। এদিকে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব গঠনের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এক্ষেত্রে বর্তমান কমিটির যারা অনুপ্রবেশকারী এবং অপকর্ম-বিতর্কিত কর্মকা-ে জড়িত তাদের মধ্যে বিরাজ করছে ছিটকে পড়ার আতঙ্ক। তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বরাত দিয়ে বলেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ৫ হাজার নেতার নাম রয়েছে, যারা নানা অপকর্মে বিতর্কিত এবং দলে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। ইতোমধ্যে স্ব-স্ব জেলায় ওই তালিকা পাঠানো হয়েছে। এদিকে, আজ সকাল ১০টায় শহরের তুফান কনভেনশন সেন্টারে (লেকভিউ) জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি। বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন। সভাপতিত্ব করবেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ। সভায় আওয়ামী লীগের উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সকল নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহবান জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম।

আবেগী সেলফি তুলতে গিয়ে হবু বর বেঁচে গেলেও প্রাণ গেল কনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সামনেই বিয়ে। খুশিতে আত্মহারা হয়ে হবু বরের সঙ্গে সেলফি তুলতে গিয়ে মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে গেল সব স্বপ্ন। জানা গেছে, সেলফি তুলার সময় কুয়ায় পড়ে যায় তরুণী। হবু বর অল্পের জন্য বেঁচে গেলেও প্রাণ গেল তরুণীর।

ভারতের চেন্নাইয়ের পাট্টাবিরামের গান্ধীনগরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীর নাম টি মার্সি স্টেফি এবং তার স্বামী ডি আপ্পু। আগামী বছর জানুয়ারিতেই বিয়ে হওয়ার কথা ছিল দুজনের।

রোববার নিজের বাইক নিয়ে মার্সির বাড়িতে তাকে আনতে গিয়েছিলেন ডি আপ্পু। তারপর বেশ কিছুক্ষণ মোটরসাইকেলে দুজনে মিলে ঘুরছিলেন। দুপুরে ভান্দালুরে একটি একটি বাগানবাড়িতে ঢোকেন তারা। সেখানে হুট করেই মার্সির নজরে আসে একটি কুয়া। কুয়া দেখে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে সেখানেই সেলফি তোলার জন্য হবু বরকে অনুরোধ করেন মার্সি। মোটরবাইক থামিয়ে ডি আপ্পু সেলফি তুলতে এগিয়ে এলেই ঘটে এই বিপত্তি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে মার্সিই পড়ে যান ওই কুয়ার ভেতর। আর তাকে বাঁচাতে আপ্পুও লাফ দেন কুয়াতে। সেখানে নামতেই সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে শুরু করেন আপ্পু এবং মার্সি দুজনেই। তাদের চিৎকার শুনে এক কৃষক ঝাঁপ দেন কুয়ার ভেতরে। শত চেষ্টা করেও বাঁচাতে পারেননি মার্সিকে। তিনজনকেই কুয়া থেকে তোলে উদ্ধারকর্মীরা। হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয় মার্সির। আর হবু বর আপ্পু হাসপাতালে মৃত্যুর মুখোমুখি।