কলারোয়ায় পেয়াজের ঝাঁঝ কমছেই না: বিক্রেতাদের ইচ্ছামাফিক দাম, মূল্য নির্ধারণের দাবি ক্রেতাদের


প্রকাশিত : নভেম্বর ৮, ২০১৯ ||

আরিফ মাহমুদ: গত ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত সরকার পেয়াজ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। পেয়াজকে রপ্তানি নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকাভুক্ত করে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এরআগে ১৩ সেপ্টেম্বর দেশটি পেয়াজ রপ্তানিতে ন্যূনতম মূল্য টনপ্রতি ৮৫০ ডলারে বেঁধে দেয়। এরপর থেকে সেই যে পেয়াজের দাম বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে তা আর কমছে না। মূল্য বৃদ্ধিতে পেয়াজের ঝাঁঝও বৃদ্ধি পেয়েছে।

জেলার কলারোয়ায় পেয়াজের ঝাঁঝ কমছেই না। পেয়াজ বেচাকেনায় সম্পৃক্ত স্থানীয় বিক্রেতাদের ইচ্ছামাফিক ও লাগামহীন দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ ক্রেতারা হয়ে পড়েছেন দিশেহারা। জানা গেছে, কলারোয়া বাজারে পেয়াজের দাম কোন দোকানে ১৫০ টাকা, কোথাও ১৪০ টাকা, তবে প্রকারভেদে ১২০ টাকা কেজি দরের নিচে নেই। এতো অধিকমূল্যে যেমন ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা ঠিক তেমনি কিছু দোকানদারদের রূঢ় ব্যবহারে ব্যথিত হচ্ছেন তারা।

ভূক্তভোগি আফজাল হোসেন পলাশ অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার কলারোয়া বাজারের একটি আড়ত থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরের পেয়াজ কিনি। পরে অন্য দোকানে গিয়ে শুনি পেয়াজের দাম ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। তখন প্রথম দোকানদারের কাছে গিয়ে দামের বিষয়টি জানালে তিনি অত্যন্ত খারাপ আচরণ করেন।’ পলাশের মতো আরো অনেক ক্রেতারা জানান, ‘পেয়াজ একে তো দাম বেশি দিয়ে কিনতে বাধ্য হচ্ছি আবার অনেক দোকানদারদের খারাপ আচরণ আমাদের ব্যথিত করছে। আমরা যেনো তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছি।’ সাধারণ ক্রেতারা অভিযোগ করে বলছেন, ‘সারাদেশে পেয়াজের দাম বৃদ্ধিকে পুঁজি করে স্থানীয় অনেক বিক্রেতা পেয়াজ মুজদ রেখে কৃত্রিমভাবে দাম আরো বৃদ্ধি করছেন। সাধারণ ক্রেতাদের কাছে অধিক মুনাফায় পেয়াজ বিক্রি করছেন। আবার ইউএনও/এসিল্যান্ড অভিযানে গেলে তাদের কাছে পেয়াজের দাম কম বলা হয়ে থাকে।’ ক্রেতাদের দাবি, ‘নিয়মিত বাজার মনিটরিং, পেয়াজের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ ও নির্ধারিত মূল্যের বেশি দাম নিলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিলে পেয়াজের দাম অনেকটাই কমে যাবে।’ কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরএম সেলিম শাহনেওয়াজ বলেন, ‘বিষয়টি আমি দেখবো।’