এতো হারের পরও শীর্ষেই পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১০ উইকেটে হেরে গেছে সফরকারী পাকিস্তান। এর মধ্য দিয়ে টানা তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারলো দেশটি।
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ১-২ ব্যবধানে হারের পর ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার কাছে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হারে পাকিস্তান। গত ১০ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটি টি-টোয়েন্টিতে জয় পেয়েছে বাবর আজমরা। এর মধ্যে একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। বাকি আট ম্যাচেই হার দেশটির। তবে তারপরও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারে পাক সমর্থকরা। টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে এখনও শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে দলটি।

সদ্য প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে ২৭০ রেটিং নিয়ে টেবিলের একে অবস্থান করছে পাকিস্তান। ২০১৮ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে সর্বশেষ দ্বিপাক্ষিক টিচ-টোয়েন্টি সিরিজ জেতে তারা। সেবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিউজিল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছিলো পাকিস্তান।

শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানকে নাস্তানাবুদ করে টেবিলের দুইয়ে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানের চেয়ে তাদের রেটিংয়ের ব্যবধান মাত্র ১। টেবিলের ৯ নম্বরে আছে বাংলাদেশ।

ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম। বোলারদের মধ্যে ইমাদ ওয়াসিম আছেন দুইয়ে। শীর্ষে আছেন আফগানিস্তানের স্পিনার রশিদ খান। অলরাউন্ডার র‌্যাঙ্কিংয়ে সবার উপরে অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। পরের স্থানেই বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।

টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে ১-এ ভারত। ইংল্যান্ডকে টপকে ২ এ উঠে এসেছে নিউজিল্যান্ড। টাইডগাররা আছে ৯-এ। ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে আছে বিশ্বকাপজয়ী ইংল্যান্ড। ভারত ২-এ এবং বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।

স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ জেলা শাখার বর্ধিত সভা

স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ জেলা শাখার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিনেরপোতায় অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজে শুক্রবার দুপুরে সংগঠনের জেলা শাখার আহ্বায় প্রভাষক এম সুশান্ত’র সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আব্দুল মালেকের পরিচালনায় বর্ধিত সভায় বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু পেশাভিত্তিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, কলারোয়ার সভাপতি ইউনুস আলী, কালিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, দেবহাটার সভাপতি আব্দুল আজিজ, আশাশুনির সাংগাঠনিক সম্পাদক ইয়াহিয়া ইকবাল, সদরের সভাপতি মীম সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাংগাঠনিক সম্পাদক রুস্তম আলী, শিক্ষক আব্দুল্রাহ আল মামুন, মন্ময় মনির, আব্দুর রউফ, আবুল কাশেম, তহমিনা বিলকিস, মিজানুর রহমান, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, প্রদীপ পাল, আব্দুল ওহাব, অরূপ কান্তি সানা প্রমুখ। সভায় আসন্ন মুজিব বর্ষ পালন, শিক্ষকদের দাবি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে সংগঠনের পক্ষ থেকে আলোচনা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

‘বুলবুল’ সতর্কতা, পশ্চিমবঙ্গের সব স্কুল বন্ধের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তীব্র গতি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়া বুলবুল ভারত ও বাংলাদেশের সুন্দরবনের দিকে ক্রমশ এগোচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কতা হিসেবে শনিবার দুই ২৪ পরগণাসহ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় সব প্রাথমিক স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেখানকার প্রাথমিক শিক্ষা দফতর। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার মধ্যরাতে সুন্দরবন অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে ‘বুলবুল’।

পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষা দফতর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আলিপুর আবহাওয়া দফতর থেকে ঝড়ের পূর্বাভাস পাওয়ার পর আগাম সতর্কতা বজায় রাখতে স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া ও উপকূলবর্তী এলাকায় বন্ধ থাকবে প্রাথমিক স্কুল।

এরইমধ্যেই জেলায় জেলায় এই নির্দেশ পাঠিয়েও দিয়েছে দফতর। এর আগে মে মাসে ফণী প্রকোপ থেকে বাঁচতে আগাম সতর্কতা জারি করেছিল রাজ্য সরকার।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় অংশে ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাস বইবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। একারণে এরইমধ্যে সেখানে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে তারা।

শুক্রবার দিনে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। উপকূলীয় অংশে রয়েছে দামকা হওয়ার দাপট। বর্তমানে বুলবুল পারাদ্বীপ থেকে ৩৫০ কিমি দক্ষিণ পশ্চিম ও সাগর থেকে ৬০০ কিমি দূরে অবস্থান করছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে বুলবুল পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ উপকূলের আরও কাছাকাছি আসবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

পঞ্চগড়ে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ অটোযাত্রীর

অনলাইন ডেস্ক: পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় বাসচাপায় অটোরিকশার সাত যাত্রী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া মহাসড়কের মাগুরমারি চৌরাস্তা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- তেঁতুলিয়া উপজেলার ডাকবদলি মাঝিপাড়া এলাকার মজিবুল হকের ছেলে লাবু ইসলাম, লাবুর স্ত্রী মুক্তি বেগম, সাতমেড়া ইউপির চেকরমারী এলাকার জয়নালের ছেলে অটোচালক রফিক, রায়পাড়া এলাকার মফিজ আলীর ছেলে মাকুদ হোসেন, অমরখানা ইউপির বসির উদ্দীনের ছেলে আকবর আলী, আকবরের স্ত্রী নূরীমা ও নার্গিস।

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক ওয়াদুদ হোসেন বলেন, দুপুরে মাগুরমারি চৌরাস্তা এলাকায় অটোরিকশাটি মোড় নিচ্ছিল। এ সময় পঞ্চগড় জেলা শহর থেকে ছেড়ে আসা একটি বাস অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশার সাত যাত্রীর মধ্যে পাঁচজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। স্থানীয়রা নববধূ মুক্তি ও আকবরকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাদেরও মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে করণীয় আমলসমূহ

অনলাইন ডেস্ক: মাঝেমধ্যে প্রকৃতি বিরূপ রূপ ধারণ করে। রুঢ় ও রুষ্ট হয়, যাকে আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে থাকি। যেমন ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস, ভারী বর্ষণ, বন্যা, খরা, দাবানল, শৈত্যপ্রবাহ; দুর্ভিক্ষ, মহামারি, ভূমিকম্প, সুনামি প্রভৃতি।

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা কিছু কিছু বিপদ-আপদ বা বালা-মুসিবত দিয়ে মানুষকে সতর্ক করেন। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনুল কারিমে বলেন,

وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ بِشَيْءٍ مِّنَ الْخَوفْ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِّنَ الأَمَوَالِ وَالأنفُسِ وَالثَّمَرَاتِ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ

الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُم مُّصِيبَةٌ قَالُواْ إِنَّا لِلّهِ وَإِنَّـا إِلَيْهِ رَاجِعونَ

أُولَـئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ وَأُولَـئِكَ هُمُ الْمُهْتَدُونَ

‘আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান, মাল ও ফলফলাদির ক্ষতির মাধ্যমে। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও। যারা, নিজেদের বিপদ-মুসিবতের সময় বলে, ‘নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয় আমরা আল্লাহরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী’, তাদের ওপরই রয়েছে তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও রহমত এবং তারাই হিদায়াতপ্রাপ্ত।’ (সূরা: বাকারা, আয়াত: ১৫৫-১৫৭)

দুর্যোগের সময় করণীয় সুন্নত আমল: প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় কিছু সুন্নত আমল করার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচার সুযোগ রয়েছে। হাদিস শরিফে আছে, যখন কোথাও ভূমিকম্প সংঘটিত হয় অথবা সূর্যগ্রহণ হয়, ঝোড়ো বাতাস বা বন্যা হয়, তখন সবার উচিত মহান আল্লাহর কাছে তওবা করা, তাঁর কাছে নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা, মহান আল্লাহকে স্মরণ করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা। এ ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘দ্রুততার সঙ্গে মহান আল্লাহর জিকির করো, তাঁর নিকট তওবা করো।’ (বুখারি ২/৩০; মুসলিম ২/৬২৮)।

মহান আল্লাহর জিকিরের সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে নামাজ পড়া, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত বা দোয়া-দরুদ পাঠ করা। দুর্যোগের সময় জিকিরের আরো উপায় হতে পারে ইস্তিগফার, তসবি পাঠ ইত্যাদি। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, প্রচণ্ড ঝোড়ো হাওয়া বইলে রাসূলুল্লাহ (সা.) মসজিদে যেতেন এবং নামাজে মশগুল হতেন। (মিশকাত শরিফ: ৬৯৬)।

সাহাবিদের জীবনে আমরা দেখি, বিপদে-মুসিবতে তাঁরা নামাজে দাঁড়াতেন ও ধৈর্য ধারণ করতেন। (মিশকাতুল মাসাবিহ: ৫৩৪৫)। ঝড়-তুফানের প্রাদুর্ভাব ঘটলে তাকবির (আল্লাহু আকবার (আল্লাহ মহান)) বলা ও আজান দেওয়া সুন্নত। (তবে এই আজানে ‘হাইয়া আলাছ ছলাহ’ (নামাজের জন্য আসো) ও ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’ (সফলতার জন্য আসো) বাক্যদ্বয় বলার প্রয়োজন নেই)।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাঁচার উপায়: মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে আশরাফুল মখলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। তিনি অযথা কাউকে শাস্তি দিতে চান না। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ হলো আল্লাহ তাআলার অসন্তুষ্টি। আল্লাহর আজাব থেকে বাঁচার জন্য আমল পরিশুদ্ধ করতে হবে। যে আমলে আল্লাহ খুশি হন, সে আমল বেশি বেশি করতে হবে। নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ইত্যাদি ভালো কাজ করতে হবে। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, ‘সদকা আল্লাহর অসন্তুষ্টিকে নিভিয়ে দেয় এবং অপমৃত্যু রোধ করে।’ (তিরমিজি শরিফ: ৬০০)।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহ করুণ এক রুপ হলো বজ্রপাত, যা মহান রাব্বুল আলামিনের শক্তিমত্তা ও ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআন মজিদে রয়েছে,

وَيُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلاَئِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ وَيُرْسِلُ الصَّوَاعِقَ فَيُصِيبُ بِهَا مَن يَشَاء وَهُمْ يُجَادِلُونَ فِي اللّهِ وَهُوَ شَدِيدُ الْمِحَالِ

‘তাঁর প্রশংসা পাঠ করে বজ্র এবং সব ফেরেশতা, সভয়ে। তিনি বজ্রপাত করেন, অতঃপর যাকে ইচছা, তাকে তা দ্বারা আঘাত করেন; তথাপি তারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতন্ডা করে, অথচ তিনি মহাশক্তিশালী।’ (সূরা: রাআদ, আয়াত: ১৩, পারা: ১৩)।

ঘূর্ণিঝড় ও ঝড়ো বাতাসে যে দোয়া পড়বেন: হাদিসে ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প, প্রবল বাতাস ও মেঘ-বৃষ্টিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মুক্ত থাকার অনেক দোয়া রয়েছে। এ দোয়াগুলো পড়ে নিজের জন্য এবং ঘূর্ণিঝড়সহ সব দুর্যোগে আক্রান্তদের জন্য দোয়া করা উচিত।

নিম্নে দোয়াগুলো তুলে ধরা হলো-

ঘূর্ণিঝড়ে পড়ার দোয়া: বান্দার জন্য বাতাস মহান আল্লাহ তায়ালার অনেক বড় নেয়ামত। কারণ মানুষ বাতাস ছাড়া বাঁচতে পারে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা বাতাসকে গালি দিও না। তবে যদি তোমরা একে তোমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দেখতে পাও, তবে এ দোয়া করবে-

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা মিন খাইরি হাজিহির রিহি ওয়া খাইরি মা ফিহা ওয়া খাইরি মা উমিরাত বিহি, ওয়া নাউজুবিকা মিন শাররি হাজিহির রিহি ওয়া শাররি মা ফিহা ওয়া শাররি মা উমিরাত বিহি’ (তিরমিজি, মিশকাত)।​

অর্থ: হে আল্লাহ! আমরা তোমার নিকট এ বাতাসের ভালো দিক, এতে যে কল্যাণ রয়েছে তা এবং যে উদ্দেশ্যে তা নির্দেশপ্রাপ্ত হয়ে এসেছে তার উত্তম দিকটি প্রার্থনা করছি। এবং তোমার নিকট এর খারাপ দিক হতে, এতে যে অকল্যাণ রয়েছে তা হতে এবং এটা যে উদ্দেশ্যে আদেশপ্রাপ্ত হয়ে এসেছে তার মন্দ দিক হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

মেঘের গর্জনে পড়ার দোয়া: হজরত আব্দুল্লাহ ইবন যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন মেঘের গর্জন শুনতেন তখন কথা বলা বন্ধ করে দিতেন এবং পবিত্র কোরআন মাজীদের এই আয়াত তিলাওয়াত করতেন-

উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাজি ইউসাব্বিহুর রা`দু বিহামদিহি ওয়াল মালাইকাতু মিন খিফাতিহি।’ (মুয়াত্তা)

অর্থ: ‘পাক-পবিত্র সেই মহান সত্তা- তাঁর প্রশংসা পাঠ করে বজ্র এবং সব ফেরেশতা, সভয়ে।’

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মেঘের গর্জন শুনলে বা বিদ্যুতের চমক দেখলে সঙ্গে সঙ্গেই এই দোয়া করতেন-

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা বিগজাবিকা ওয়া লা তুলহিকনা বিআ’জাবিকা, ওয়া আ’ফিনা ক্ববলা জালিকা।’ (তিরমিজি)

অর্থ: ‘হে আমাদের প্রভু! তোমার ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমাদের মেরে ফেলো না আর তোমার আযাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না। বরং এর আগেই আমাদেরকে ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করে নিও।’

ঝড় তুফানে পড়ার দোয়া:

উচ্চারণ: `আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়ালা আলাইনা।’ (বুখারি)

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাদের থেকে ফিরিয়ে নাও, আমাদের ওপর দিয়ো না।’

উচ্চারণ: `আল্লাহুম্মা ইন্নি আস্আলুকা খায়রাহা ওয়া খায়রা মা ফিহা- ওয়া খায়রা মা উরসিলাতবিহি; ওয়া আউযুবিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা ফিহা ওয়া শাররি মা উরসিলাতবিহি।`

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এর মঙ্গল, এর মধ্যকার মঙ্গল ও যা নিয়ে তা প্রেরিত হয়েছে, তার মঙ্গলসমূহ প্রার্থনা করছি এবং আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এর অমঙ্গল হতে, এর মধ্যকার অমঙ্গল হতে এবং যা নিয়ে তা প্রেরিত হয়েছে, তার অমঙ্গলসমূহ হতে।’

ভূমিকম্পসহ যাবতীয় দুর্যোগ থেকে বাঁচার দোয়া:

উচ্চারণ: ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ।’ (বুখারি ও মুসলিম)

উচ্চারণ: ‘লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনজ জ্বালিমিন।’ (সুরা আম্বিয়া : আয়াত ৮৭)

বিপদাপদ থেকে আত্মরক্ষায় প্রতিদিনের দোয়া: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেহ সকাল এবং সন্ধ্যায় নিন্মোক্ত দোয়াটি পড়বে; তাকে কোনো বিপদাপদ, বালা-মুছিবত স্পর্শ করবে না-

উচ্চারণ: ‘বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূররু মাআস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামিই ওয়াহুয়া সামিয়ুল আলিম।’ (তিরমিজি, ইবনু মাজাহ, মিশকাত)।

এ সব বিপদকালীন সময়ে বিশ্বনবী (সা.) বেশি বেশি তাওবা ও ইসতেগফার করতেন এবং অন্যদেরকেও তা পড়তে নির্দেশ দিতেন।

সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত ঘূর্ণিঝড়, প্রবল ঝড়ো বাতাস, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ সব ধরনের দুর্যোগে এ দোয়াগুলোর মাধ্যমে মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার নিকট আশ্রয় লাভে রোনাজারি করা। আল্লাহুম্মা আমিন।

চীনে ছোটদের ভিডিও গেম খেলার ওপর কারফিউ জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীনে ছোটদের ভিডিও গেমের প্রতি আসক্তি দূর করতে অনলাইনে ভিডিও গেম খেলার ওপর কারফিউ ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। এই নিষেধাজ্ঞার অধীনে আঠারো বছরের কম বয়সী গেমাররা রাত ১০টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত কোনো গেম খেলতে পারবে না। এছাড়া তাদেরকে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৯০ মিনিট এবং সাপ্তাহিক ছুটি ও সাধারণ ছুটির দিন সর্বোচ্চ ৩ ঘন্টার বেশি গেম খেলার সুযোগ দেয়া হবে না।

দেশটির শিশু-কিশোরদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ানো এই ভিডিও গেম আসক্তি দূর করতে চীন সরকারের নেয়া সর্বশেষ পদক্ষেপ এটি।

মঙ্গলবার সরকার প্রণীত গেম খেলার এই নতুন নিয়ম-কানুন প্রকাশ করা হয়, যেখানে ছোটদের গেম খেলার জন্য নির্ধারিত সময়েরও উল্লেখ করা আছে।

অনলাইনে গেম খেলার জন্যে ৮ থেকে ১৬ বছর বয়সী গেমারদের মাসে ২০০ ইউয়ান (২৯ ডলার) এবং ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী গেমারদের মাসে ৪০০ ইউয়ান (৫৮ ডলার) তাদের গেমিং অ্যাকাউন্টে খরচ করতে হবে।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ গেমিং মার্কেট হচ্ছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রের পরই তাদের অবস্থান। প্রতিবছর দেশটি এই খাত থেকে বিশাল পরিমাণ অর্থ আয় করে থাকে।

২০১৮ সালে চীন সরকার গেমিংয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের জন্য একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠন করে। শিশুদের মধ্যে দৃষ্টিক্ষীণতার সমস্যা বেড়ে যাওয়ার পর সরকার এই পদক্ষেপ নেয়। বিশ্বের খ্যাতনামা ভিডিও গেম কোম্পানিগুলো চীনের এই পদক্ষেপে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।

তবে কিছু সমস্যা রয়েই গেছে। যেমন – বয়স যাচাই কীভাবে করা হবে এবং এসব নিয়ম কানুন মানা হচ্ছে কীনা, সেটা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে ইত্যাদি। চীন সরকার বলছে, এখন যে নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে তা শুধু অনলাইন গেমিংয়ের ক্ষেত্রেই কার্যকর হবে।

গত বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গেমিংয়ের আসক্তিকে একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে। এটিকে ‘গেমিং ডিজঅর্ডার’ বলে বর্ণনা করা হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মনো চিকিত্সকদের সংগঠন সাইক্রিয়াট্রি অ্যাসোসিয়েশন এখনো এটিকে কোন স্বাস্থ্য সমস্যা বলে স্বীকৃতি দেয়নি। তাদের মতে, এটি নিয়ে আরো গবেষণা দরকার।

এদিকে বিশ্বের কয়েকটি দেশের সরকার অতিরিক্ত গেম খেলাকে একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অনেক দেশে গেমিংয়ের আসক্তি কমানোর জন্য ক্লিনিকও আছে।

সূত্র: বিবিসি

যেভাবে দেখবেন ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’এর অবস্থান?

অনলাইন ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর জন্য দেশের ৯ জেলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। এছাড়া চট্টগ্রামসহ উপকূলী পাঁচ জেলায় ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেওয়া হয়েছে। তবে কক্সবাজার থাকবে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেতের আওতার মধ্যে। এসব অঞ্চলের লোকজনকে নিরাপদে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আব্দুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে বুলবুল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। এ কারণে ৫-৭ ফুট পর্যন্ত উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।যেসব জেলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেতমোংলা ও পায়ার বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেত আওতায় থাকবে।যেসব জেলায় ৬ নম্বর বিপদ সংকেতচট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৬ নম্বর বিপদ সংকেদ দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলী জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরমসূহ ৬ নম্বর বিপদ সংকেত আওতায় থাকবে। কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ও মুন ফেজ এর প্রভাবে উপকূলী জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্মাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫-৭ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পযন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’এর অবস্থান কোথায় সেটা জানতে সবাই খোঁজ খবর রাখছেন। তাদের জন্য নিচে লিংক দেওয়া হলো:

 

৯ জেলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

অনলাইন ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর জন্য দেশের ৯ জেলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। এছাড়া চট্টগ্রামসহ উপকূলী পাঁচ জেলায় ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেওয়া হয়েছে। তবে কক্সবাজার থাকবে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেতের আওতার মধ্যে। এসব অঞ্চলের লোকজনকে নিরাপদে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আব্দুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। শনিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে বুলবুল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। এ কারণে ৫-৭ ফুট পর্যন্ত উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।

যেসব জেলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

মোংলা ও পায়ার বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেত আওতায় থাকবে।

যেসব জেলায় ৬ নম্বর বিপদ সংকেত

চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৬ নম্বর বিপদ সংকেদ দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলী জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরমসূহ ৬ নম্বর বিপদ সংকেত আওতায় থাকবে। কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

 

 

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ও মুন ফেজ এর প্রভাবে উপকূলী জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্মাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫-৭ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পযন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলের লোকজন ও গবাদিপশু সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিতে পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে পারে যেসব এলাকায় সেখানকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ও উপজেলায় এ বিষয়ে সতর্কতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে।’

শুক্রবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘ঘূর্ণিঝড় বুলবুল’ সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা, করণীয় ও প্রস্তুতি বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে উপকূলীয় ৭ জেলা— খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়খালী, ভোলা এবং পিরোজপুরে ২ হাজার করে মোট ১৪ হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট এবং নগদ ১০ লাখ করে ৭০ লাখ টাকা, ২০০ মেট্রিকটন করে ১৪০০ মেট্রিকটন চাল। নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ৫ লাখ করে মোট ৩০ লাখ টাকা, ১০০ মেট্রিকটন করে ৬০০ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেওয়া  হয়েছে।  চাহিদা অনুযায়ী আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে।’

 

 

খোলা কলাম: সুস্থ দেশীয় সংস্কৃতি চর্চায় তরুণদের ভূমিকা

খাদিজা ইসলাম মেঘনা: একটি জনগোষ্ঠীর হাজার বছরের অভিজ্ঞতা তার সংস্কৃতি। এই অভিজ্ঞতা জনগোষ্ঠী অর্জন করে তার জীবনযাপনের নানাবিধ উপাদানের মধ্য দিয়ে। এসব উপাদানের মাত্রা ব্যাপক। এই ব্যাপক মাত্রার উপাদান জনগোষ্ঠীর জীবনে সবসময় একরকম থাকে না। উপাদানের সঙ্গে নারী-পুরুষের সম্পর্কের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইতিবাচক ও নেতিবাচক ভাবনার সংমিশ্রণ ঘটে-তা বহুবিধ চেতনার একটি স্রোতে প্রবাহিত হয়। ফলে তা হতে পারে দুর্বল, অসুস্থ; হতে পারে পরিশীলিত, হতে পারে রুচি ও অরুচীশীল। এটি নির্ভর করে, সেই জনগোষ্ঠীর তরুণরা কীভাবে নিজেদের গড়ে তুলছে তার মৌল সত্যের ওপর।

সুস্থ সাংস্কৃতিক চেতনা একটি জাতির জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের সহায়ক শক্তি। এ শক্তি ছাড়া মানুষের জীবনযাপন ¤্রীয়মাণ হয়ে পড়ে-উপলব্ধিতে, আচার-আচরণে এবং মৌলিক সত্যে। সংস্কৃতি জনগোষ্ঠীর জীবনযাপনের মূলসূত্র নির্ধারণ করে। ভালোমন্দ বোধ তৈরির মাপকাঠিও সংস্কৃতি। সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য ছাড়া জনগোষ্ঠী তার জীবনপ্রবাহকে সচল রাখতে পারে না। সংস্কৃতির প্রবাহ অসুস্থ হলে চোরাবালিতে পথ হারায় জীবনদর্শন। এর ফলে জনগোষ্ঠী যাযাবর মানুষের মতো উদ্বাস্তু শরণার্থী জাতিতে পরিণত হয়।

সংস্কৃতির নানা উপাদন থাকে এবং তা গ্রহণ-বর্জনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়। এক সময় এ দেশে সতীদাহ প্রথা প্রচলিত ছিল। স্বামীর মৃত্যুর পরে জীবিত নারীকে সহমরণের জন্য চিতায় তুলে দেয়া হতো। শাস্ত্রের বিধান এমন কঠিন ছিল। শুভবুদ্ধিসম্পন্ন প্রাগ্রসর চেতনার মানুষ এই ব্যবস্থা আইন করে নিষিদ্ধ করেছেন। তাতে শাস্ত্রের কোনো ক্ষতি হয়নি। আলোকিত হয়েছে নারীর জীবন।

বাংলা বর্ষপঞ্জিতে একসময় অগ্রহায়ণ ছিল শুরুর মাস। এখন বাংলা বর্ষশুরুর মাস বৈশাখ। বাঙালির নববর্ষ শুধু বাংলা ক্যালেন্ডারের একটি দিন মাত্র নয়। এর নানামুখী মাত্রা আছে, আছে গভীর ব্যাপক অর্থবহ শেকড়-সন্ধানী অনুপ্রেরণা। বাংলা সন বাঙালির দিনযাপনের সঙ্গে যতটা না সম্পৃক্ত তার চেয়ে অনেক বেশি সম্পৃক্ত জাতিগোষ্ঠীর মানবিক বোধের সাধনা-সাংস্কৃতিক পরিচয়ের দীপশিখায়।

মাতৃভাষা সংস্কৃতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মাতৃভাষাকে বাদ দিয়ে কোনো জাতি তার গৌরবের জায়গা তৈরি করতে পারে না। সংস্কৃতি পরিশীলিত হয় ভাষার মর্যাদাকে সমুন্নত করে। আর তাই মায়ের মুখের ভাষাকে ভূলুন্ঠিত হতে দেয়নি বাংলার তরুণরা। বাংলাদেশের তরুণরা ভাষা আন্দোলনে জীবন দান করে ছিনিয়ে এনেছিল মাতৃভাষাকে। জাতির পিতা যেমন বিশ^সভায় একটি নতুন দেশের হাজার বছরের চলমান ও রক্তমাখা বাংলা ভাষা’য় ভাষণ দিয়ে চির জাগরুক করে রেখেছন বাংলা ভাষা আর বাঙালি পোশাক।

গণমাধ্যম সংস্কৃতির অন্যতম উপাদান। ইতিহাসের বিভিন্ন সন্ধিক্ষণে সময় ও জীবনের প্রয়োজনে রুখে দাঁড়িয়েছিল গণমাধ্যম। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অবরুদ্ধ দেশবাসী স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র এবং বিবিসি শোনার জন্য উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করতো। দুটো বেতার কেন্দ্রে থেকে প্রচারিত খবরের প্রতিটি অক্ষর, এমন কি সংবাদ পাঠকের কন্ঠস্বর এবং নি:শ্বাস পর্যন্ত মানুষের বিশ্বাসের জগতে থিতু হয়ে থাকতো।

বাঙালির ঐক্যের শ্রেষ্ঠ সময় ছিল একাত্তর। সেসময় গ্রামেগঞ্জে, শহরে গৃহবন্দি নারী-পুরুষ কান পেতে রাখতো মুক্তিযোদ্ধার পায়ের শব্দ শোনার জন্য। মুক্তিযোদ্ধার আগমনকে ঘিরে প্রতীক্ষার অবসান ঘটতো নারীর। শত্রু সেনার ভয় উপেক্ষা করে রাতের অন্ধকারে কিংবা দিনের আলোয় ঘরের দরজা খুলে দিত নারী। যোদ্ধা ছেলেরা যদি বলতো-মা ভাত দাও! তখন প্রবল দখিনা বাতাসে উড়ে যেতো নারীর ভয়। স্বপ্ন ফুটে উঠতো ঘরের চালে, যেন পূর্ণিমার আলোতে স্নান করার অলৌকিক কাজ সম্পন্ন হতো নারীর জীবনে। এক আশ্চর্য সময়ের বিশাল ব্যাপ্তি ছিল জীবনে। সংস্কৃতি হয়ে উঠেছিল অবিনাশী জীবনের বাতিঘর।

এখনও মানুষ আছে মানুষকে জাগিয়ে তোলার জন্য। এখনও সঙ্গীত-নাটক-সাহিত্য-শিল্প আছে মানুষকে উজ্জীবিত রাখার জন্য। এখনো বাংলা নববর্ষ, নবান্ন উৎসব আছে মানুষকে ঐক্যের ডাক দেয়ার জন্য। এখনো অমর একুশের চেতনা আছে পথ নির্ধারণ করে দেয়ার জন্য। এখনো শহীদ মিনার আছে মানুষকে সংগ্রামের পথে ডেকে তোলার জন্য। একাত্তরের গৌরব আছে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য।

মৌলবাদী জঙ্গি-সন্ত্রাসীরা যখন ভাস্কর্য ভাঙে, তার বিপরীতে তরুণ ছেলেমেয়েরা সাংস্কৃতিক গণজাগরণে প্রতিরোধের অবিনাশী আয়োজন করে। এখনো শান্তির পক্ষে আছে নাটক, গণসঙ্গীত, অবিনাশী কবিতার পংক্তিমালা, পেমের পল্লীগীতি, ইতিহাস ও সামাজিকতার যাত্রাপালা, জারি সারি কবিগান ওয়াজ মাহফিল। এ জাতির হাজার বছরের এসব সংস্কৃতির চর্চা দিয়েই তরুণরা জয় করতে পারে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানবতার হৃদয়কে। এ বাংলাদেশে তারুণ্যের শক্তির আছে নানা উদাহরণ। তারুণ্যের শক্তিই পারে এই আয়োজনকে মানবিক বোধসম্পন্ন মানুষকে মানুষের কাছে নিয়ে যেতে এবং অপসংস্কৃতি প্রতিরোধের বিশাল দেয়ালটি গড়ে তুলতে। হে তরুণ তোমাদের প্রতি রইল জাতির সাদর সম্ভাষণ।

 

 

আজ শনিবার ওয়ার্কার্স পার্টির খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা

আজ শনিবার বেলা ১১টায় নগরীর ক্লে রোডস্থ বসুন্ধরা আবাসিক হোটেলের সেমিনার কক্ষে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিনিধি সভায় উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন-এমপি, পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা-এমপি, পলিটব্যুরোর সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক, প্রফেসর ড. সুশান্ত দাশ, মুস্তফা লুৎফুল্লাহ-এমপি প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

এদিকে খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা সফল করতে আজ শনিবার বিকেল ৪টায় পার্টির কার্যালয়ে ওয়ার্কার্স পার্টির খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির সম্পাদকম-লীর জরুরী যৌথসভা জেলা সভাপতি এড. মিনা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন-মহানগর সভাপতি শেখ মফিদুল ইসলাম, জেলা সাধারণ সম্পাদক আনসার আলী মোল্লা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক এসএম ফারুখ-উল-ইসলাম, জেলা ও মহানগরের সম্পাদকম-লীর সদস্য দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, গৌরাঙ্গ প্রসাদ রায়, মনির আহমেদ, খলিলুর রহমান, আব্দুস সাত্তার মোল্লা, নারায়ণ সাহা, আমিরুল ইসলাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

ঘুর্ণিঝড় বুলবুল: আমাদের করণীয়

ঘুর্ণিঝড় বুলবুল দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। বিশেষ করে খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা ও সাতক্ষীরায় ঘুর্ণিঝড়টি আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঝড়টির ২টি মূখ। তার একটি ওড়িষ্যার দিকে যাবে অন্যটি পশ্চিমবঙ্গের কাছাকাছি জেলাগুলিকে আঘাত হানতে পারে। সুন্দরবন সাবক্লাষ্টার ও স্বদেশ সংস্থার পক্ষ থেকে নাগরিক সচেতন বার্তায় এ কথা বলা হয়েছে। এজন্য সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী। সেগুলো হলো- এই সকল জেলার মাছ ধরার ট্রলারগুলি যারা বন্দর ছেড়ে চলে গেছে তাদের দ্রুত ফিরিয়ে আনা, যাতে করে নতুনভাবে কোন ট্রলার মাছ ধরতে না যায় সেই ব্যবস্থা করা, মহাজন এবং ট্রলার মালিকদের সচেতন করা। যেহেতু ঝড়টির ২টি মূখ এখন যদি প্রকৃতির কারণে ২টি মূখ এক হয়ে যায় তাহলে অধিক তর শক্তিশালী হয়ে মারাত্মকভাবে আমাদের উপকূলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হানতে পারে। আমাদের উচিত স্থানীয় প্রশাসন এবং প্রচার করা যায় এমন মাধ্যমগুলির সহায়তায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা। কমিউনিটি রেডিওতে সম্ভাভ্য ভয়াবহতা প্রচারের মাধ্যমে সকল মহলকে সচেতন করা। স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সব সময় যোগাযোগ অব্যাহত রাখা। সকল পর্যায়ে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত থাকা। জরুরী প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র, উদ্ধার যন্ত্র গুছিয়ে রাখা। শিশুদের সুরক্ষা, পঙ্গু, বয়স্ক মানুষের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

দেবহাটায় সাংবাদিক আরকে বাপ্পার পিতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় মোহনা টিভি ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল পত্রিকার সাংবাদিক আরকে বাপ্পার পিতা সাবেক স্কুল শিক্ষক মরহুম সৈয়দ আবুল কালামের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম্মা মরহুমের দেবহাটা উপজেলা সদরস্থ নিজস্ব বাসভবনে মরহুমের পরিবারবর্গের আয়োজনে সকাল থেকে কোরআনখানি ও পরে বাদ জুম্মা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন উপজেলা জামে মসজিদের ইমাম মুফতি আব্দুর রহমান ও হাফেজ আরশাদ আলী। মিলাদ মাহফিলে এলাকাবাসী, সাংবাদিক ও মুসল্লিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, মরহুম সৈয়দ আবুল কালাম সুশীলগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করাকালীন ২০০৩ সালে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরে দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে তিনি ২০১৩ সালের ৯ নভেম্বর খুলনা আবু নাসের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

পাটকেলঘাটায় ১৬ দলীয় মিনি ডে-নাইট ক্রিকেট টুনামেন্ট

মিনিস্টার ফ্রিজের সৌজন্য পাটকেলঘাটার জুজখোলা যুব সংঘের উদ্যোগে ১৬ দলীয় মিনি ডে-নাইট ক্রিকেট টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় জুজখোলা প্রাইমারী স্কুল মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন মিনিস্টার মাইওয়ান গ্রুপের রিজিওনাল ম্যানেজার হাসানুর রহমান হাসান, শেখ সানজিদুল হক ইমন, ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম, শেখ মাহবুবুর রহমান। খেলাটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জুজখোলা যুব সংঘের কমিটির সভাপতি রাজু আহমেদ, মনি, তুহিন, শাহিনুর রহমান, জুয়েল, হাবিবুর রহমান, সবুজ প্রমুখ।

এসময় খেলার চ্যাম্পিয়ন দলকে ৫ হাজার টাকা ও রানার্সআপ দলকে ৩ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। খেলাটি পরিচালনা করেন ফিরোজ হোসেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

পাটকেলঘাটা খলিষখালীতে যুবককে ফোনে ডেকে অস্ত্রাঘাতে জখম 

নিজস্ব প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা খলিষখালীতে রাজু নামের এক যুবককে ফোনে ডেকে নিয়ে সুমন নামের এক বখাটে যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় খলিষখালির কাদাকাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত রাজু জানায়,  পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে বখাটে সুমন ফোনে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাকে জখম করে। এলাকবাসি তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

কাশিমাড়ী ইমাম সমিতির সভাপতি আকবর হোসেন আর নেই: শোক

রবিউল ইসলাম, কাশিমাড়ি (শ্যামনগর): শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়ন ইমাম সমিতির সভাপতি কাশিমাড়ী খেজুর আটি শেখ বাড়ি জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আকবর হোসেন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্ল¬াহি…রাজিউন)। শুক্রবার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে স্ট্রোকজনিত কারণে তিনি নিজ বাড়ি উপজেলার পূর্ব গোবিন্দপুর গ্রামে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র, ২ কন্যা, পিতা -মাতা, ভাই-বোন, নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

শুক্রবার জুম্মা বাদে পূর্ব গোবিন্দপুর দারুস সালাম জামে মসজিদে জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন জয়নগর আমিনিয়া হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা এইউএম গোলাম বারী।

এসময় মরহুমের জানাযা নামাজে উপস্থিত ছিলেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন কাশিমাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান এসএম আব্দুর রউফ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে অত্র এলাকার ৫-৬ শতাধিক মুসল্ল¬ী উপস্থিত ছিলেন। মরহুম মাওলানা আকবর হোসেনের মৃত্যুতে আরও শোক জানিয়েছেন দৃষ্টিনন্দন দারিদ্র্য কল্যাণ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রশিদ ঢালী, সহ-সভাপতি ডিএম মফিজুর রহমান গাজী কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক আলাউদ্দিন গাজী, ক্রিড়া সম্পাদক জাহাঙ্গীর গাজী, সাহিত্য সম্পাদক জিএম আব্দুস সালাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল গফফার মিঠু প্রমুখ।