চার মাসে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে রাজস্ব আদায় প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা


প্রকাশিত : December 2, 2019 ||

আমিরুজ্জামান বাবু: মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা পাসপোর্ট প্রার্থীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। ২০১৯-২০ অর্থ বছরের প্রথম চার মাসে সাতক্ষীরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট রাজস্ব আদায় হয়েছে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৬৯ হাজার টাকা।

এই বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক সাখওয়াত হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমি এবং আমার অফিসের স্টাফরা পাসপোর্ট প্রার্থীদের সেবা দিতে প্রস্তুত। শুধু একটু ধৈর্য্য ধারন করে শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে লাইনে দাঁড়ালে আমাদের কাজের সুবিধা হবে এবং সবাইকে দ্রুত সেবা দিতে পারবো। কিছু দুষ্ট প্রকৃতির মানুষ আছে যারা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে অফিসের স্টাফদের বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করতো। আমরা ইতোমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে চিহ্নিত করেছি। পাসপোর্ট ডেলিভারী দিতে দেরী হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের দেশের ৬৯টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসসহ বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের পাসপোর্ট বই তৈরি হয় ঢাকা থেকে এবং ২০১০ সালে ডিজিটাল হওয়ার পরে বই তৈরির জন্য যে মেশিন লাগানো হয়েছিল তার তুলনায় বর্তমান এখন চাহিদা দ্বিগুন। যার ফলে ঠিক সময়মতো ঢাকা থেকে ডেলিভারী দিতে পারে না, তবে চলতি মাসের শেষ দিকে ই-পাসপোর্ট চালু হয়ে গেলে এই ভোগান্তি দূর হয়ে যাবে। অফিসে পাসপোর্ট করতে আশা ধুলিহরের আব্দুল মজিদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ভাই, এখানে খুব কড়া, ঘুষ নেওয়ার লোক থাকলে কি আর লাইন দিতে হয়, বোঝেননা! দেবহাটার পারুলিয়া থেকে আমেনা বেগম নামে এক মহিলা তার পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য এসেছেন। তার সাথে কথা হলে তিনি জানান, আগের মতো এখন আর কোন দালাল নেই। কেউ ঘুষও চায়নি। তাই লাইনে দাঁড়িয়ে ফরম জমা দিয়ে বাড়ি যাব। কোন ঘুষ লাগেনি-এই ভাল।

সার্বিক বিষয়ে সহকারী পরিচালকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের ‘ক্লিন সাতক্ষীরা গ্রীন সাতক্ষীরা’ কর্মসূচীকে সমর্থন জানিয়ে আমি এ জেলায় যত সময় চাকরি করবো আমার অফিসকে ঘুষ এবং দুর্নীতিমুক্ত রেখে সবাইকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবো-ইনশাল্লাহ্।