কলারোয়ার কাজিরহাটে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নের কাজিরহাট বাজারে শনিবার ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ব্যাংকের খুলনা বিভাগীয় জোনাল হেড ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাকসুদুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সাবেক আহ্বায়ক সাজেদুর রহমান খান চৌধুরী মজনু, যুদ্ধকালীন কমান্ডার আব্দুল গাফফার, কেরালকাতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ.সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ সরদার, কাজিরহাট বাজার কমিটির সভাপতি ও কলারোয়া উপজেলা আ’লীগের সহ.সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান ভিপি মোরশেদ আলী, উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান ও কেরালকাতা ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মশিয়ার রহমান, এড. আশরাফুল আলম বাবু, কাজিরহাট বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আয়ুব আলী। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা সহকারী অফিসার সরদার মিজানুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আকছেদ আলী, কলারোয়া উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি শফিউল আলম শফি, শিক্ষাবিদ আমির আলী, আব্দুল হামিদ সরদার, সাবেক বিআরডিবি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর, মাস্টার আমিরুল ইসলাম, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মামুনুর রশীদ, ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম, আব্দুল ওয়াদুদ, আশরাফ আলি প্রমুখ।

কামারবায়সায় ৮দলীয় ভলিবল টুর্নামেন্টে ঝাউডাঙ্গা কলেজ চ্যাম্পিয়ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদর উপজেলার কামাবায়সায় ৮দলীয় ভলিবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঝাউডাঙ্গা কলেজ ভলিবল দল। শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় মাঠে দিনভর এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করে কামারবায়সা তরুণ সংঘ। বিকেলে ফাইনালে ২-০ গেমে তুজুলপুর ভলিবল দলকে পরাজিত করে ঝাউডাঙ্গা। এদিকে, টুর্নামেন্টের ১ম খেলায় ঝাউডাঙ্গা কলেজ ২৫-২২ ও ২৫-২০ পয়েন্টে গোয়ালচাতরকে পরাজিত করে। ২য় খেলায় তুজুলপুরের কাছে ২৭-২৫, ২২-২৫ ও ২৫-১৭ পয়েন্টে কাকডাঙ্গা পরাজি হয়। নিজেদের প্রথম খেলায় প্রতিপক্ষ দল অনুপস্থিতিতে জয়ী হয়ে সেমিফাইনালে ওঠে কলারোয়া ভলিবল দল। তবে ১ম সেমিতে তুজুলপুরের কাছে ২-০ গেমে পরাজিত হয় কলারোয়া। ২য় সেমিফাইনালে গোয়ালচাতরকে ২-০গেমে পরাজিত করে ঝাউডাঙ্গা। ম্যাচগুলো পরিচালনা করেন পাপন, সরোয়ার, মুকুল হোসেন, আব্দুল্লাহ, আহসান, মাগফুর প্রমুখ। চ্যাম্পিয়ন দলকে সাড়ে ৩হাজার টাকা প্রাইজমানি ও রানার্সআপ দলকে দেড়হাজার টাকা প্রাইজমানি প্রদান করা হয়। এর আগে সকালে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বাঁশদহা ইউপি চেয়ারম্যান এসএম মোশাররফ হোসেন। সেসময় উপস্থিত ছিলেন ৪নং ওয়ার্ডের  ইউপি সদস্য আরিজুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, কলারোয়া নিউজের ক্রীড়া রিপোর্টার হাবিবুর রহমান রনি, আয়োজক তরুণ সংঘের মেহেদি হাসান, জাহিদ হাসান, রাজিব হোসেনসহ অন্যরা।

 

কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ইউপি সাবেক মেম্বর ওয়াজেদ আলীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

কেঁড়াগাছি (কলারোয়া) সংবাদদাতা: কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের সাবেক মেম্বর আব্দুল ওয়াজেদ আলী সরদারের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। ২০১১সালের ৬ ডিসেম্বর ইন্তেকাল করেন প্রবীন ওই ব্যক্তি। জীবদ্দশায় তিনি দীর্ঘ ৪৫ বছর যাবৎ একটানা কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বর ছিলেন। তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কেঁড়াগাছি মসজিদে রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়ানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি প্রয়াতের পৌত্র কুয়েত প্রবাসী খায়রুল আলম কাজলের সহযোগিতায় স্থানীয় অসহায় গরীবদের মাঝে কিছু শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

কলারোয়া বাজারের নৈশপ্রহীদের মাঝে কম্বল বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়া বাজারের ১৬জন নৈশপ্রহরীকে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় এগুলো বিতরণ করেন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আ.লীগের নতুন সাধারণ সম্পাদক আলিমুর রহমান। এসময় বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কলারোয়ার বোয়ালিয়া এড. কিনুলাল স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ঘোনা

কেঁড়াগাছি (কলারোয়া) সংবাদদাতা: কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়ায় প্রয়াত এড. কিনুলাল স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিতে সাতক্ষীরার বাঁশদহা ফুটবল একাদশকে ১-০ গোলে হারিয়ে ঘোনা ফুটবল একাদশ ফাইনালে উঠেছে। শুক্রবার বিকালে বোয়ালিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত খেলার প্রথমার্ধে উভয় দল আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেললেও গোলশুন্য ড্র থাকে। বিরতীর পর দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মুহুর্তে ঘোনার ৮নং জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় শাহেদ জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন। খেলাটি পরিচালনা করেন মাসউদ পারভেজ মিলন। তাকে সহযোগিতা করেন মিয়া ফারুক হোসেন স্বপন ও আনোয়ার হোসেন। ধারাভাষ্য প্রদান করেন আবুল বাশার। বিপুল সংখ্যাক দর্শকের পাশাপাশি খেলাটি উপভোগ করেন ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ভূট্টোলাল গাইন, কৃষক লীগের সভাপতি আব্দুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক আরশাদ আলী, মাস্টার শফিকুল ইসলাম, মেম্বার মহিদুল ইসলাম, যুবলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম প্রমুখ। আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, আগামী ১৫ ডিসেম্বর রবিবার বিকালে একই মাঠে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনাল খেলায় স্থানীয় আসাদ এন্টারপ্রাইজ ফুটবল দলের মোকাবেলা করেবে ঘোনা ফুটবল একাদশ।

কলারোয়ার কাজীরহাটে ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে পানিকাউরিয়া 

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ার কাজীরহাটে ৮দলীয় বন্ধন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ২য় খেলায় টাইব্রেকারে ৪-১ গোলে বলিয়ানপুর ফুটবল একাদশকে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে পানিকাউরিয়া ফুটবল একাদশ। শুক্রবার বিকেলে কাজীরহাট হাইস্কুল মাঠে কাজীরহাট প্রগতী সংঘ আয়োজিত টুর্নামেন্টের ১ম রাউন্ডের এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলার প্রথমার্ধে ও দ্বিতীয়ার্ধের নির্ধারিত সময়ে গোল শুন্য ড্র থাকে। পরে সরাসরি টাইব্রেকারে ৪-১ গোলে বলিয়ানপুর ফুটবল একাদশকে হারিয়ে পানিকাউরিয়া ফুটবল একাদশ জয়লাভ করে। ম্যাচটি পরিচালনা করেন রাশেদুজ্জামান রাশেদ। তাকে সহযোগিতা করেন রুহুল আমিন ও আবু সাঈদ। ধারাভাষ্যে ছিলেন ইনতাজ আলি ও মিজানুর রহমান। আগামী ৮ নভেম্বর রবিবার বিকেলে একই মাঠে শার্শার বাইকোলা ফুটবল একাদশ ও কলারোয়া সোনাবাড়িয়া ফুটবল একাদশ পরস্পর মুখোমুখি হবে বলে আয়োজক কমিটি জানান।

কলারোয়ায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেকের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য সদ্য প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক (৭৫) এর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে দাফনের আগে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বৃহষ্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক ইন্তেকাল করেন (ইন্না…রাজিউন)। তিনি ভাদিয়ালী গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের পুত্র। কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। গার্ড অব অনার প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরএম সেলিম শাহনেওয়াজ, থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহা. রাজিব হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলী, সোনাবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান এসএম মনিরুল ইসলাম প্রমুখ। পরে মরহুমকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

রাজকারদের তালিকা প্রকাশ করা হবে: লুৎফুল্লাহ এমপি

আরিফ মাহমুদ: সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ বলেছেন, ‘এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে আমাদের জানা যেমন প্রয়োজন, তেমনি রাজাকারদের সম্পর্কেও জানা দরকার। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মুখ থেকে জেনে রাজাকারদের নামের তালিকা প্রকাশ করা উচিৎ। নতুন প্রজন্মের কাছে ৬ ডিসেম্বর কলারোয়া মুক্ত দিবসকে স্মরণীয় দৃশ্যমান রাখতে ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে।’

৬ ডিসেম্বর কলারোয়া পাকহানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। লুৎফুল্লাহ এমপি আরো বলেন, ’মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মানে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে পারলে সোনার বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরএম সেলিম শাহনেওয়াজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাংসদ ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা বিএম নজরুল ইসলাম, যুদ্ধকালীন কমান্ডার মোসলেম উদ্দীন ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফ্ফার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন ও কলারোয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহা. রাজিব হোসেন।

এসময় মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পাবলিক ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এড.শেখ কামাল রেজা। আলোচনা অনুষ্ঠানের আগে ৭১’র রণাঙ্গণের বেশে বর্ণাঢ্য ‘বিজয় র‌্যালি’ বের হয়। এদিকে, এর আগে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে ৬ ডিসেম্বর কলারোয়া মুক্ত দিবস উদযাপন করা হয়। সকালে জাতীয় পতাকা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পতাকা উত্তোলন করা হয়। পৌরসদরের তুলশীডাঙ্গা খাদ্য গুদাম মোড়ে নির্মিত উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ও কলারোয়া ফুটবল মাঠের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গণকবরে পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়। পুষ্পমাল্য অর্পন করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষে প্রশাসক ইউএনও সেলিম শাহনেওয়াজ, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলী গাজী, মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, কপাই’র সাধারণ সম্পাদক এড. শেখ কামাল রেজা প্রমুখ।

নানা আয়োজনে কলারোয়া মুক্ত দিবস পালিত হচ্ছে (ভিডিও)

মীর মোস্তফা আলী: জাতীয় পতাকা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পতাকা উত্তোলন, গণ কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, র‌্যালী ও আলোচনাসভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে ৬ ডিসেম্বার কলারোয়া উপজেলা মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকাল ১০ টায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চত্তর থেকে সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড, যুব কমান্ড, আওয়ামী লীগ ও সুশিল সমাজ এর অংশ গ্রহণে র‌্যালীটি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ থেকে উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্তরে আলোচনা সভায় এসে মিলিত হয়।
এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা বিএম নজরুল ইসলাম, কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টুসহ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে ১৬দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা শনিবার

কেঁড়াগাছি (কলারোয়া) সংবাদদাতা: কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে ১৬দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা আগামি ৭ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনাল খেলায় শার্শার বাগুড়ি-বেলতলার আমবাগান ফুটবল একাদশ ও সাতক্ষীরার ভাড়–খালী ফুটবল একাদশ পরষ্পর মুখোমুখি হবে। স্থানীয় কেঁড়াগাছি সোনামাটি যুব সংঘ আয়োজিত ‘মাদক মুক্ত সমাজ গঠনের’ লক্ষ্যে কেঁড়াগাছি ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনাল খেলা উপভোগ করার জন্য ক্রীড়ামোদীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটি।

কলারোয়ার লোহাকুড়ায় অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের লোহাকুড়ায় অসহায় গরীব মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড লোহাকুড়ার ২০জন অসহায় ব্যক্তির মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। স্থানীয় লোহাকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে এ শীতবস্ত্র বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন লাঙ্গলঝাড়া ইউপি চেয়ারম্যান প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য শরিফুল দৌলা, মহিলা ইউপি সদস্য ফেরদৌসি আরা, ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মুজিবর রহমান, বিপ্লব হোসেন, এশার উল্লাহ, শামীম হোসেন, আবু বক্কার, শরাফত উল্লাহ, এসএম গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক এসএম শোভন প্রমুখ।

কলারোয়ায় পরিবার পরিকল্পনা সেবা সপ্তাহ পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে অ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সকালে ‘পরিবার পরিকল্পনা সেবা গ্রহণ করি, কৈশরকালীন মাতৃত্ব রোধ করি’- শীর্ষক স্লোগানে ওই সভা উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরএম সেলিম শাহনেওয়াজ। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মহাসীন আলী, সমাজসেবা অফিসার শেখ ফারুক হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোজাফ্ফার উদ্দীন, সমবায় অফিসার নওশের আলী, ভিআরডিও কানাই চন্দ্র মন্ডল প্রমুখ। এসময় স্বাস্থ্য বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠ পরিদর্শক কামাল হোসেন।

কলারোয়ায় ৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক দুই

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় ৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের উপজেলার ব্রজবাকসা গ্রামের জনৈক ইকবাল দালালের বাড়ি থেকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার কলারোয়া থানার অফিসার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) মো. রাজিব হোসেনের নেতৃত্বে এসআই রঞ্জন কুমার, এসআই মাসুদুজ্জামান, এএসআই সাগর হোসেন, এএসআই মফিজুর ইসলাম, এএসআই আছাবুর সরদার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ওই স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময়  উপজেলার কিসমত ইলিশপুর গ্রামের হারুন অর রশিদ মোড়লের ছেলে আক্তারুল মোড়ল (২৯) ও জামাল মোড়লের ছেলে রাজু মোড়ল (২০) কে আটক করা হয়। আটককৃত দুই ব্যক্তির কাছ থেকে ৮০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে কলারোয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কলারোয়ায় আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালন

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় ২৮তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২১তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তর আয়োজিত কর্মসূচীর মধ্যে ছিলো: আলোচনা সভা ও র‌্যালি। বৃহস্পতিবার দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরএম সেলিম শাহ্ নেওয়াজের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ ফারুক হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মহাসীন আলি, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাফফর উদ্দীন, সমবায় কর্মকর্তা নওশের আলি, উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ, প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষক হাসানুল ইসলাম, কলারোয়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক আতাউর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক এমএ সাজেদ, উপজেলা সাংবাদিক পরিষদের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গণমৈত্রীর পরিচালক মেহেদী হাসান। এর আগে সকালে প্রতিবন্ধী দিবসের এক র‌্যালি কলারোয়া পৌর শহর প্রদক্ষিণ করে।

আজ গৌরবোজ্জ্বল ‘কলারোয়া মুক্ত’ দিবস: যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে দিবসটি

কলারোয়া প্রতিনিধি: আজ ৬ ডিসেম্বর, শুক্রবার ‘কলারোয়া মুক্ত’ দিবস। একাত্তরের আগুনঝরা এই দিনে কলারোয়া এলাকা পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়। কলারোয়ার আকাশে ওড়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। মুক্তিকামী মানুষের উল্লাসে মুখরিত হয় পাকবাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞে ক্ষত-বিক্ষত কলারোয়া। গৌরবোজ্জ্বল এদিনটি এবারও পালিত হচ্ছে যথাযোগ্য মর্যাদায়। সূত্রমতে, মহান মুক্তিযুদ্ধে কলারোয়ার ৩৪৩জন বীরসন্তান অংশ নেন। এরমধ্যে শহিদ হন ২৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। কলারোয়া অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে প্রবাসী সংগ্রাম পরিষদ। কলারোয়া এলাকা ছিল মুক্তিযুদ্ধে ৮নং সেক্টরের অধীন। একাত্তরে কলারোয়া এলাকায় পাক-বাহিনীর আক্রমণে সর্বপ্রথমে শহিদ হন মাহমুদপুর গ্রামের আফছার সরদার। এরপর এপ্রিলে পাকবাহিনী কলারোয়ার পালপাড়ায় হামলা চালিয়ে গুলি করে মর্মান্তিকভাবে হত্যা করে ৯ জন কুম্ভকারকে। পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম যুদ্ধ পরিচালনা করেন কলারোয়ার ২ বীর যোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দিন ও আব্দুল গফ্ফার। সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে সংঘটিত এক রক্ষক্ষয়ী যুদ্ধে ৬ শতাধিক পাকসেনা নিহত হয়। কলারোয়ায় পাকসেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের কয়েকটি বড় ধরনের সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এরমধ্যে ১৮ সেপ্টেম্বরের বালিয়াডাঙ্গা যুদ্ধ উল্লেখযোগ্য। এই যুদ্ধে ২৯ জন পাকসেনা নিহত হয়। শহিদ হন ১৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। এছাড়া ১৭ সেপ্টেম্বর কলারোয়ার কাকডাঙ্গার যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড আক্রমণের মুখে পাকসেনারা কাকডাঙ্গা ঘাঁটি ছাড়তে বাধ্য হয়। এর আগে ২৭ আগস্ট সমগ্র চন্দনপুর এলাকা পাকবাহিনী মুক্ত হয়। অক্টোবরের শেষ দিকে মুক্তিযোদ্ধারা কলারোয়ার পাশ্ববর্তী বাগআঁচড়ায় দু:সাহসিক হামলা চালিয়ে ৭ জন পাক রেঞ্জারকে হত্যা করেন। খোরদো এলাকাও বীরযোদ্ধারা পাক বাহিনীমুক্ত করে ফেলেন। কলারোয়ার বীরযোদ্ধাদের লাগাতার সফল অপারেশনের মুখে কোণঠাসা হয়ে পড়ে পাক বাহিনী। পাক হানাদাররা যখন বুঝতে পারলো যে তাদের পরাজয় নিশ্চিত ও আসন্ন তখন তারা ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পরিকল্পনা করে। এরই অংশ হিসেবে ৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২ টা ১ মিনিটে কলারোয়ার বেত্রবতী নদীর লোহার ব্রীজ মাইন বিস্ফোরণে উড়িয়ে দিয়ে পাকসেনারা পালিয়ে যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় বিজয়ী মুক্তিযোদ্ধারা নৌকাযোগে নদী পার হয়ে এসে কলারোয়া বাজার নিয়ন্ত্রণে আনেন। সময় তখন ভোর ৫ টা ১৫ মিনিট। এভাবে একেকটি সফল অপারেশনের মধ্য দিয়ে অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকবাহিনীর কবল থেকে কলারোয়ার মাটিকে মুক্ত করেছিলেন আজকের এই দিনে। কলারোয়া থানা চত্বরে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে সবুজের বুকে রক্তসূর্য খচিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান মুক্তিকামী বীরযোদ্ধা ও জনতা। শুধু মুক্তিযোদ্ধারা নন কলারোয়ার মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকদের কথা মানুষের স্মৃতিপটে আজও অমলিন। তাঁরা মেধাও প্রজ্ঞা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পাশপাশি তাঁদের প্রতিও জাতি জানায়, সশ্রদ্ধ সালাম। তাঁরা হলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রয়াত মমতাজ আহম্দে, তাঁর ভাই শহিদ এসএম এন্তাজ আলি, স্বর্গীয় শ্যামাপদ শেঠ, ভাষাসৈনিক প্রয়াত শেখ আমানুল্লাহ, বিএম নজরুল ইসলামসহ অনেকেই। মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব, আত্মত্যাগ ও সংগঠকদের সুচিন্তিত দিক নির্দেশনায় অবশেষে কলারোয়ার পবিত্র ভূমি পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত হয় ৬ ডিসেম্বর। আজ শুক্রবার দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কলারোয়া উপজেলা কমান্ড ও উপজেলা প্রশাসন গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে: সকাল ৮টায় জাতীয় পতাকা  ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পতাকা উত্তোলন, সকাল ৮-১৫ মিনিটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, সাড়ে ৮টায় গণকবরে পুস্পমাল্য অর্পণ, সকাল ১০টায় একাত্তরের বেশে মুক্তিযোদ্ধা-জনতার বিজয় র‌্যালি, বেলা ১১ টায় কলারোয়া ফুটবল ময়দানের স্বাধীনতা স্তম্ভ চত্ত্বরে  পাক হানাদারমুক্ত দিবসের আলোচনা সভা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ’র উপস্থিত থাকার কথা। সমগ্র কর্মসূচিতে কলারোয়ার মুক্তিকামী সর্বস্তরের জনতাকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের প্রশাসক আরএম সেলিম শাহ্ নেওয়াজ ও  উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গোলাম মোস্তফা।