সাতক্ষীরায় খাদ্য অধিকার আইন চাই শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত (ভিডিও)

বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন। দেশে যথেষ্ট পরিমানে খাদ্যশস্য উদপাদিত হচ্ছে। কিন্তু সেই খাদ্য যথাযথভাবে বন্টন না হওয়ার কারণে সকলে পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্য পাচ্ছে না। সকল নাগরিককে পুষ্টিমানস্পন্ন খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে খাদ্য নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করতে হবে।

সেজন্য খাদ্য নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন জরুরি। খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। রবিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে খাদ্য অধিকার প্রচারাভিযান সপ্তাহ উপলক্ষ্যে খানি-বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ও বেসরকারি সংগঠন প্রগতি আয়োজিত ‘খাদ্য অধিকার আইন চাই’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মুনসুর আহমেদ।

উন্নয়নকর্মী ফারুক রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রগতির প্রধান নির্বাহী ও দক্ষিণের মশাল পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম।

অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ বানার্জি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী, সাবেক সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ, নাগরিক কমিটির আহবায়ক আনিসুর রহিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ এখন খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ং সম্পূর্ণ। কিন্তু দেশে খাদ্য নিরাপত্তা আইন না থাকার কারনে মানুষ পুষ্টিমান সম্মত খাদ্য পাচ্ছেনা। এ জন্য বক্তারা উক্ত সেমিনার থেকে খাদ্য নিরাপত্তা আইন বাস্তবায়নের জোর দাবী জানান। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, মানবাধিকার কর্মী ফারুক রহমান।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ এখন খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ং সম্পূর্ণ। কিন্তু দেশে খাদ্য নিরাপত্তা আইন না থাকার কারনে সকল মানুষ পুষ্টিমানসম্মত খাদ্য পাচ্ছে না। বক্তারা সকলের জন্য পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্য নিরাপত্তা আইন প্রণয়ণের জোর দাবি জানান।

শিশুপাচার প্রতিরোধে কমিটির মাসিক প্রতিবেদন প্রনয়নে সামর্থ বৃদ্ধি বিষয়ক সভা (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিনিধি: শিশু পাচার প্রতিরোধ ও সুরক্ষায় উপজেলা মানবপাচার প্রতিরোধ কমিটির প্রতিবেদন প্রনয়ণে সামর্থ বৃদ্ধি বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে শহিদ স. ম আলাউদ্দিন মিলনায়তনে ইনসিডিন বাংলাদেশ’র উদ্যোগে সভায় জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেনে সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম। সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ইনসিডিন বাংলাদেশর সমন্বয়ক এড. মো. রফিকুল ইসলাম খান।

 

অন্যনাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহিদুর রহমান, স্বদেশ পরিচালক মাধব দত্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্চিব কুমার, ক্রিসেন্টের নির্বাহী পরিচালক আব্দুল হাই সিদ্দিকী, সদর থানার এসআই হাবিবুর রহমান, ইনসিডিন বাংলাদেশর সাতক্ষীরার প্রতিনিধি ল’ইয়ার সাকিবুর রহমান, শিশু প্রতিনিধি সুজিত পাল, মারজানসহ উপজেলা মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সদস্যরা।

এসময় বক্তরা বাল্যবিবাহকে নারী ও শিশু পাচারের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করে বাল্য বিবাহ বন্ধের দাবী করেন। পাচারের সাথে যুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবী করেন।

লিগ্যাল এইড কমিটির কর্মশালায় শেখ মফিজুর রহমান: বাংলাদেশ কল্যাণকর রাষ্ট্রের চরিত্র পাচ্ছে (ভিডিও)

বদিউজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এবং জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ কল্যনকর রাষ্ট্রের চরিত্র পাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের আইনি অধিকার সু-নিশ্চিত করতে হবে, সেই আইনি অধিকার যদি আমরা সু-নিশ্চিত করতে পারি- তবেই আমরা বলবো বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে এগিয়েছে, বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে সম্মুখের পানে ধাববান হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডার মতো একটি কল্যাণকর রাষ্ট্রের দিকে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, পৃথিবীকে বদলাতে হলে, আগে নিজেকে বদলাতে হবে, লোভ-হিংসা থেকে দূরে থাকতে হবে।

তিনি শনিবার বেলা ১১টায় কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে এবং কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটির সহযোগিতায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটির আইনগত সহায়তা প্রদান বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম আফজাল হোসেন হাবিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন, ভারপ্রাপ্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হুমায়ন কবীর, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহম্মেদ, আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. এম শাহ-আলম, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু, কলারোয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, জজ কোর্টের পিপি এড. আব্দুল লতিফ ও অতিরিক্ত পিপি এড. তপন কুমার দাস। এছাড়া অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, তালা সরকারি কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল আব্দুল লতিফ, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড. তোজাম্মেল হোসেন তোজাম, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির পর্যবেক্ষক সদস্য ও প্যানেল আইনজীবী সাংবাদিক খায়রুল বদিউজ্জামান ও মানবাধিকার কর্মী এড. রঘুনাথ মন্ডল প্রমূখ।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্যে জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান বলেন, যে লক্ষ্য নিয়ে আমাদের বীর মক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছিল, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও আমরা সেই লক্ষ্যে পৌছাতে পারিনি, শুধু দেশ স্বাধীন করলেই কিছু হবেনা, রাজনৈতি এবং অর্থনৈতিক মুক্তি দরকার, সেই মুক্তির লক্ষ্যে আমাদের কাজ করতে হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, নিশ্চয় আমাদের সু-দিন ফিরে আসবে, সেই সু-দিনের অপেক্ষায় আমরা আছি। একটি কল্যানকর মহা-মানবিক সমাজ গড়ার দিকে যদি আমরা এগিয়ে চলতে পারি তবেই আমাদের সেই সু-দিন ফিরে আসবে।

উক্ত কর্মশালায় লিগ্যাল এইড আইন ২০০০ এর উপর সাধারণ আলোচনা করেন, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসমিন নাহার।

এছাড়া সহ¯্রাধীক সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন, কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর, মহিলা মেম্বর, মসজিদের ইমাম, মুক্তিযোদ্ধা, স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। সমগ্র কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ সালমা আক্তার।

 

বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় হাজারো মমবাতি প্রজ্বলন (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক: শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের শহিদ মিনার বেদিতে সন্ধ্যায় হাজারো মমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। প্রশাসনের বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত থেকে মমবাতি প্রজ্বলন করেন। এরপর সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশিষ চৌধুরির সঞ্চলনায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শহীদদের স্মরণ করে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সাংসদ এড. মোস্তফা লুৎফুল্যাহ, জেলা পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা হাসানুজ্জামান ও মুক্তিযোদ্ধা কন্যা লায়লা পারভীন সেঁজুতি প্রমুখ। বিস্তারিত আসছে——–

তালায় যথাযোগ্য মর্যদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক: তালা উপজেলায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে তালা উপজেলা চত্বর থেকে সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লার নেতৃত্বে একটি র‌্যালি বের হয়।
র‌্যালিটি তালা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজ, তালা মহিলা কলেজ ও সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে উপজেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ এনামুল হোসেন, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তাহের সভাপতি, বিশ^জিৎ সম্পাদক নির্বাচিত (ভিডিও)

মীর মোস্তফা আলী: বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (বিটিএ) সাতক্ষীরা জেলা শাখার সম্মেলন ও ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হল রুমে এ সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিটিএ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ বজলুর রহমান।
এ সময় বিটিএ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কারিমা ম্যামিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু তাহেরের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিটিএ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কাওছার আলী শেখ, সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ আবুল কাসেম।
সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ধীমান চন্দ্র বিশ^াস, সভাপতি খুলনা মহানগর কমিটি ও কেন্দ্রীয সহ সংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক খুলনা অঞ্চল মিয়া তৌহিদুর রহমানসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিটিএ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচিব বিশ^জিৎ রায়।
সম্মেলন শেষে ২য় অধিবেশনে কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু তাহেরকে সভাপতি ও বিশ^জিৎ রায়কে সাধারণ সম্পাদক, রাশিদা বেগমকে মহিলা সম্পাদক, মাখম লাল বিশ^াস, মোঃ আব্দুস সবুর ও মোঃ সাইফুল্লাহ বাহারকে সহ-সভাপতি হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়।

পাটকেলঘাটা তৈলকুপী গ্রামে ২৪ দলীয় মিনি নাইট ক্রিকেট টুনামেন্ট খেলা (ভিডিও)

পাটকেলঘাটার তৈলকুপী গ্রামে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৪ দলীয় মিনি নাইট ক্রিকেট টুনামেন্ট খেলা বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পাটকেলঘাটার তৈলকুপী তরুণ সংঘের উদ্যোগে এই খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাটকেলঘাটা থানার ওসি তদন্ত মো. জিল¬াল হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিনিস্টার গ্রুপের রিজিওনাল ম্যানেজার হাসানুর রহমান হাসান, শেখ সানজিদুল হক ইমন, মেম্বর আব্দুল হামিদ, জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। ২৪ দলীয় মিনি নাইট ক্রিকেট টুনামেন্টে উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ে ক্রিকেট টিম অংশগ্রহণ করে। খেলায় চ্যাম্পিয়ন দলকে ৬,০০০ টাকা ও রানার্সআপ দল কে ৪,৫০০ টাকা পুরষ্কার দেওয়া হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

শিশু পাচার প্রতিরোধ ও সুরক্ষায় বিচার ব্যবস্থার প্রয়োজনীতা সভা (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিনিধি: আইন সহায়তা প্রচারণা এবং শিশু পাচার প্রতিরোধ ও সুরক্ষায় সরকারি সেবা সহায়তা হটলাইনে ইউডিসি’র ভূমিকা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সভা কক্ষে ইনসিডিন বাংলাদেশ এ সভার আয়োজন করে।
লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব সিনিয়র সহকারী জজ সালমা আক্তারের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনসিডিন বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক এড. মোঃ রফিকুল ইসলাম খান। সদর উপজেলার ১৪টি ইউডিসির উদ্যোক্তা, পৌর তথ্য উদ্যোক্ততা, কোর্ট সাব ইন্সেপেক্টর গোলাম কুদ্দুস, সদর থানার নারী শিশু হেল্প ডেস্ক কর্মকর্তা ও ইনসিডিন বাংলাদেশ এর জেলা সমন্বকারী লইয়ার সাকিবুর রহমান বাবলা প্রমুখ।
সভায় অংশগ্রহণকারী সকলের সম্মানির অর্থ সাধারণ মানুষের খরচ দেওয়ার জন্য লিগ্যাল এইডের ফান্ডে জমা করা হয়।

বান্দররা জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল অর্জনকে ধুলায় মিশিয়ে দিচ্ছে: হুইপ স্বপন (ভিডিও)

পত্রদূত ডেস্ক: জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ইতিবাচক দিক এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতির নেতিবাচক বিষয়গুলো তুলে ধরে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহামুদ স্বপন এমপি। তিনি একটি গল্প দিয়ে তার বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে কিছু বান্দর বিশৃঙ্খলা করছে। বান্দররা জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল অর্জনকে ধুলায় মিশিয়ে দিচ্ছে। এই বান্দরদের আবার পৃষ্টপোষকতা করে মঞ্চে বসে থাকা কিছু নেতা। ছবি তোলে, ছবি নামায়। চেনা বাউনের পৈতে লাগে না। রাজপথ থেকে, গ্রাম থেকে, মাঠ থেকে উঠে আসা মুনসুর আহমেদ সাহেব-আজকের সভার সভাপতি। ওনার নাকি বিলবোর্ড লাগে। কন-যাই কই। রাজনীতিটা যাচ্ছে কোথায়? নজরুল সাহেবকে আমরা চিনিনা? তাকে চেনে না সাতক্ষীরায় এমন কোন মানুষ আছে ? খুলনা বিভাগের সবাই তো নজরুল সাহেবকে চিনে। ভদ্র মানুষ-ভালো মানুষ হিসেবে চেনে। তার আবার বিল বোর্ড লাগে কেন? ওনাদেরও বান্দরের কাতারে সামিল করতে হবে।
স্বপন তার বক্তব্যে বলেন, জননেত্রী আমাকে দয়া করে জাতীয় পতাকা দিয়েছে। আমাকে তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। দেশ পরিচালনা করে শেখ হাসিনা। আইন করে সংসদ। আইন করা হলো তিনজন মোটরসাইকেলে উঠা যাবেনা। কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো যাবে না। শেখ হাসিনাকে মানবো, আবার তার করা আইন মানবো না- তা হবে না। আমি ছাত্রলীগ করি-যুবলীগ করি, স্বেচ্ছাসেবক লীগ করি, আমি ত্যাগী নেতা। আমি লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেল চালাবো? আমি খুলনা থেকে আসার সময় এই বান্দরগুলো গেছে রিসিভ করতে। আমি কি জমিদার, আমি কী রাজা ? এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, আইন অমান্য করে আমাকে রিসিভ করতে হবে? ওই বান্দরদের চীফ বান্দরকে দিলাম ঝাড়ি। পরে দেখি এই বান্দরগুলো মোটরসাইকেল নিয়ে মহড়া দিচ্ছে। মানুষের সাথে এমন ব্যবহার করছে মানুষ যাতে আওয়ামী লীগকে ভোট না দেয়। এদের প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, যারা নেতা আছেন তাদের বলছি- ওই বান্দর বাহিনী প্রর্দশন করে নেতা হওয়া যাবে না। যারা গোপালগঞ্জে বিএনপি করে তারা সহি বিএনপি। আর সাতক্ষীরা, বগুড়া ও জয়পুরহাটে যারা আওয়ামী লীগ করে তারা সহি আওয়ামী লীগ। এরাই আপনাদের নেতা বানিয়েছে। ওনারা আপনাদের পিছনে আছেন বলেই আপনারা নেতা। সাতক্ষীরায় আসার আগে আমার সামনের বান্দর বাহিনীর ধমকানোর কারণে আওয়ামী লীগের অনেক ভোট কমে গেছে। আমি জাতীয় সংদের হুইপ হয়েও ওই বান্দরগুলোর কারণে আইন অমান্য করে আসলাম। এ জন্য আমি দু:খিত, আমি ক্ষমাপ্রার্থী।
স্বপন আরো বলেন, গুন্ডা হুন্ডার রাজনীতি জিয়াউর রহমানের রাজনীতি। একজনকে দেখলাম চোখে কালো সানগ্লাস পরে দাঁড়িয়ে আছে। তাকে দেখে মনো হলো মেজর জিয়াউর রহমান। তাকে দেখে মনে হল মহারাজা। এই মহারাজা এবং বান্দরগুলো দলকে খুুবলে খুবলে খাচ্ছে। এরা দলকে ধ্বংস করছে। নেতৃবৃন্দ যারা আছেন তাদের বলি গুন্ডা বাহিনী-হুন্ডা বাহিনী দিয়ে রাজনীতি হবে না। সরকারি দল উঠতেও দোষ বসতেও দোষ। সরকারে থাকলে দোষ হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে একটি ভোট কমেছে? কিন্তু অনেক নেতার কারণে ভোট কমেছে। শেখ হাসিনার অহংকার নেই। অনেক নেতাকর্মী দামী দামী জিনিস পরে ঘুরে বেড়াবো। নেতার কারণে ভোট বাড়ে-আমাদের জন্য কমে। তার জন্য ভোট না বাড়লে আমরা কোথায় হারিয়ে যেতাম।
শেখ হাসিনা তার মায়ের কাছ থেকে বাবার কাছ থেকে নেতাকর্মীদের আদর করার শিক্ষা নিয়েছে সেই শিক্ষা তিনি ভোলেননি। বঙ্গবন্ধুর সাথে খন্দকার মোস্তাকসহ অনেক বেইমানি করেছে। কিন্তু তৃণমুলের নেতারা তার সাথে বেইমানী করেনি। এই তৃণমুলের নেতারকর্মীদের কারণে মইনুদ্দীন-ফকরুদ্দীন সরকারকে হটিয়েছে।
তিনি সাতক্ষীরা ইতিহাস ঐতিহ্য ও ইতিবাচক বিভিন্ন তুলে ধরে বলেন, এই সাতক্ষীরা খান বাহাদুর আহসান উল্লা, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মভূমি, ডেপুটি স্পিকার জালাল উদ্দিন হাসেমি সাহেবের জন্মভূমি, ডা. এমআর খানের মতো মানুষের জন্মভূমি, সেকেন্দার আবু জাফর, আবেদ খানের জন্মভূমি। ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতি অঙ্গনের অনেক মানুষের জন্মভূমি। সৌম্য এবং কাটার মোস্তাফিজ-যারা দেশকে বিশ^র কাছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে তাদের জন্মভূমি এই সাতক্ষীরা। সাবিনা ইয়াসমিন, তারিক আনাম, খায়রুল বাসার, আফজাল হোসেন, জয়ন্ত চট্রোপধ্যায়, ফাল্গুনি হামিদ, পরি মনি, মৌসুমি হামিদের জন্মভূমিও এই সাতক্ষীরা। কিন্ত সাতক্ষীরা পিছিয়ে থাকবে কেন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, শত বছরের যত উন্নয়ন হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ১৯ সাল পর্যন্ত তার চেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে। তিনি কিছু চাননি তিনি চেয়েছেন মানুষ যেন ভালোভাবে নিশ^াস নিতে পারে-মর্যদার সাথে বাঁচতে পারে এটাই তার চাওয়া। আমাদের অঙ্গীকার হোক শেখ হাসিনার মতো মানুষকে ভালোবেসে মানুষের মনকে জয় করে সাতক্ষীরাকে আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলবো।

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন উদ্বোধন (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক: সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন শুরু হয়েছে। কাউন্সিল উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য পীযুস কান্তি ভুট্টাচার্য। প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহামুদ এমপি, শ্রম ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কার্যনির্বাহী সদস্য এসএম কামাল হোসেন, এড. আমিরুল আলম মিলন ও মারুফা আক্তার পপি।

জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের পর পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে কাউন্সিল উদ্বোধন করা হয়। পরে স্থানীয় শিল্পীরা জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে এবং সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের কলারোয়া শাখার উদ্বোধন (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিনিধি: আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ১৭৮ তম শাখা হিসেবে কলারোয়া শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২ কলারোয়া বাজারস্থ নিজস্ব কার্যলয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান পরিচালক মোঃ আনেয়োর হোসেন।
আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও ফরমান আর চৌধুরীর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের খুলনা জোনের এক্সকিউটিভ মঞ্জুর হাসান, কলারোয়া শাখার শাখা ব্যবস্থাপক খালেদ আল মাসুদ প্রমুখ।
বক্তার বলেন, কাজের মধ্যদিয়ে আল আরাফাহ্ কলারোয়র শ্রেষ্ঠ ব্যাংক হিসেবে পরিচিত হবে। আধুনিক ব্যাংক হিসেবে পরিচিতি পাবে।

শিশু পাচার প্রতিরোধ ও সুরক্ষায় বিচার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা বিষয়ক সভা (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিনিধি: আইন সহায়তা প্রচারণা এবং শিশু পাচার প্রতিরোধ ও সুরক্ষায় বিচার ব্যবস্থার প্রয়োজনীতা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বিকাল ৩টায় চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সম্মেলন কক্ষে ইনসিডিন বাংলাদেশ এ সভার আয়োজন করে।

লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব সিনিয়র সহকারী জর্জ সালমা আক্তারের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনসিডিন বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক এড. মোঃ রফিকুল ইসলাম খান।সদরের ১৪জন ইউপি সচিব, পৌর সচিব জেলা তথ্য কর্মকর্তা মোজ্জাম্মেল হক, জেলা পরিষদ সদস্য এড. শাহনওয়াজ পারভীন মিলি, এড. বদিউজ্জামান, এড. সেলিনা আক্তার শেলি, ইনসিডিন বাংলাদেশ এর জেলা সমন্বকারী লইয়ার সাকিবুর রহমান বাবলা প্রমুখ।

লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব সিনিয়র সহকারী জর্জ সালমা আক্তার বলেন, জেলা লিগ্যাড অফিস শুধুমাত্র আইনী সহায়তা দিয়ে থাকে না পাশাশাপি আইনী পরামর্শ দিয়ে থাকে।আমাদের এখানে অনেক অভিজ্ঞ বিচারকরা আছেন এখানে এসে সঠিক আইনী পরামর্শ নিতে পারবেন। কোন মামলায় যাদের খরচ চালানোর সামর্থ নেই তাদের সকল প্রকার খরচ লিগ্যাল এইডের পক্ষ থেকে সাপোর্ট দেওয়া হয়ে থাকে।রায় প্রকাশ হওয়ার পর যদি কেউ আপিল করতে চাই তাকেও আমার বিভিন্ন সহযোগিতা করে থাকি।

হাইকোর্টে যেতে চাইলে তার খরচ লিগ্যাল এইড দিয়ে থাকে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জেলা লিগ্যাল এইড ক্লাইন্ডের পাশে থাকেন। এসব বিষয়ে সাধারণ মানুষকে জানানোর অনুরোধ করেন তিনি।
সভায় উপস্থিত সকলের সম্মানির টাকা সাধারণ মানুষের খরচ দেওয়ার জন্য লিগ্যাল এইডের ফান্ডে জমা করা হয়।

জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল আজ: অপরূপ সাজে সেজেছে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক (ভিডিও)

এসএম শহীদুল ইসলাম: জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল আজ। এ কাউন্সিলকে ঘিরে চলছে সাজ সাজ রব। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশে চলছে প্রচার প্রচারণা। কাউন্সিলকে স্বাগত জানিয়ে সকাল সন্ধ্যা চলছে মিছিল শোভাযাত্রা। বিলবোড, ব্যানার, ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে শহরের সর্বত্র। আজ ১২ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে। এ উপলক্ষে তৈরী হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল। শহিদ মিনার বেদিমূলে তৈরি হয়েছে বিশাল মঞ্চ। নেতা-কর্মীদের মাঝে বইছে বাঁধভাঙাা আনন্দ ও উচ্ছ্বাস।

শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের প্রবেশ দ্বারে জেলা আওয়ামী লীগের সৌজন্যে নির্মিত হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনা তোরণ। প্রবেশদ্বারের দক্ষিণ পাশে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামের সৌজন্যে নির্মিত হয়েছে শেখ সারহান নাসের তন্ময় তোরণ।

উত্তর পাশেও নির্মাণ করা হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তোরণ। গোটা প্যান্ডেল জুড়ে শোভা পাচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়, জাতির জনকের দৌহিত্র শেখ সারহান নাসের তন্ময়সহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের ছবি সম্বলিত সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদ প্রত্যাশী নেতাদের ছবি।

পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে গোটা এলাকা। তোরণে তোরণে শোভা পাচ্ছে শহর। কাউন্সিলের সাফল্য কামনা করে ফেস্টুনে ফেস্টুনে তুলে ধরা হয়েছে প্রিয় নেতাদের ছবি ও পরিচিতি। বিলবোর্ডে জানানো হয়েছে মুজিবীয় শুভেচ্ছা।

এদিকে ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে কাউন্সিলের সাফল্য কামনা করে শুভেচ্ছা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্লোগানে-স্লোগানে মুখরিত করে জেলা শহরে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা তাদের পছন্দের নেতার পক্ষে চালিয়েছেন প্রচার-প্রচারণা। তবে সম্মেলনের সফলতা কামনা করে গোটা জেলার নেতৃবৃন্দ আগামীর নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছেন। কে ধরবেন হাল? কে হচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের কান্ডারী? কে হাসবেন বিজয়ের হাসি? এমন নানা অজানা প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে আজকের সম্মেলনের কেন্দ্রীয় অতিথিবৃন্দের মুখ থেকে। জেলাবাসি অধীর আগ্রহে সে উত্তরের প্রতীক্ষায়।

এদিকে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ককে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছে। সাজানো হয়েছে অপরূপ সৌন্দর্যের মোড়কে। সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতৃবৃন্দ।

আজ বৃহস্পতিবার শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য পীযুস কান্তি ভুট্টাচার্য। প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের উপস্থিত থাকবেন বলে আমন্ত্রণপত্রে উল্লেখ করা হলেও তিনি আসছেন কিনা সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন আওয়ামী লীগৈর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহামুদ এমপি, শ্রম ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কার্যনির্বাহী সদস্য এসএম কামাল হোসেন, এড. আমিরুল আলম মিলন ও মারুফা আক্তার পপি। সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শেখ সারহান নাসের তন্ময় এমপি।

জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঘিরে চলছে শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি: কে হচ্ছেন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক? (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক: কে হচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক: এনিয়ে চলছে জোর জল্পনা কল্পনা। যারা আছেন তারাই থাকবেন, নাকি নতুন কেউ নেতৃত্বে আসবেন এনিয়ে দৃষ্ঠি এখন সবার সম্মেলনকে ঘিরে। শুরু হয়েছে উৎসব মুখর পরিবেশ। সম্মেলনস্থল শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক এলাকা সাজানো হয়েছে, রং বে রং এর ব্যনার ফেষ্টুনে। সেইসাথে কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে বৃহৎ পরিসরের বেশ কয়েকটি তোরণ।
বৃহস্পতিবার শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে সম্মেলনের উদ্বোধন করছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য পীযুস কান্তি ভুট্টাচার্য। প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের উপস্থিত থাকবেন বলে আমন্ত্রণপত্রে উল্লেখ করা হলেও তিনি আসছেন কিনা সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন আওয়ামী লীগৈর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপি, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহামুদ এমপি, শ্রম ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কার্যনির্বাহী সদস্য এসএম কামাল হোসেন, এড. আমিরুল আলম মিলন ও মারুফা আক্তার পপি। সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শেখ তন্ময় এমপি।

এদিকে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সম্মেলনে দলের জেলা কমিটির মর্যদা সম্পন্ন খুলনা জেলা ও মহানগরের দুটি কমিটিরই সাধারণ সম্পাদক পদে এসেছেন নতুন মুখ। গত নভেম্বর মাস থেকে সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন শুরু হয়েছে। তবে, সব জেলাতেই হাইকমান্ড থেকে গঠিত কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের পরবর্তী নেতৃত্বে কারা আসছেন সেটা নির্ভর করছে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের উপর। তারপরও গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করা হচ্ছেন তা নিয়ে জেলাবাসীর আগ্রহের কমতি নেই। আবার অনেকে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদ চেলেও ভিতরে ভিতরে চেষ্টা করছেন সহ-সভাপতি, যুগ্ম সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পত পেতে। তবে, একমাত্র এড. আজাহারুল ইসলাম নিজেকে সহ-সভাপতি পদের প্রার্থী ঘোষণা ছাড়া অন্য কারো এ ধরণের ঘোষণা দিতে দেখা যায়নি। তবে, একাধিক সূত্র জানিয়েছে যার নাম আগের কমিটিতে নিচের দিকে ছিল এমন অনেকেই এবার উপরে উঠার জন্য ভিতরে ভিতরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এক্ষেত্রে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদে প্রচারণা চালালেও ১নং সহ-সভাপতি, ১ নং যুগ্ম সম্পাদক, ১নং সাংগঠনিক সম্পাদক পদ হলে কেউ কেউ সন্তুষ্ঠ হবেন বলে জানা গেছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পদকের দুটি পদে ব্যক্তিগতভাবে আগ্রহী এবং আগ্রহ না থাকলেও প্রচারণা চলেছে প্রায় একডজন নেতার পক্ষে। এখন পর্যন্ত সভাপতি পদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রচারণায় নাম এসেছে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্ঠামন্ডলীর সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি। তাকে সভাপতি হিসেবে দেখার আগ্রহ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার পক্ষে তার কিছু তরুণ সমর্থককে প্রচারণা চালায়। তিনি বর্তমান সময়ে সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়নের রূপকার। তার নেতৃত্বেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। জেলা পর্যায়ের আরো একটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠান নলতা ম্যাটস। সর্বজন শ্রদ্ধেয় এই নেতার পক্ষে কেউ কেউ প্রচারণা চালালেও তাঁর ব্যক্তিগত কোন আগ্রহের কথা শোনা যাইনি।
পেশায় রাজনীতিক জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য মুনসুর আহমেদ। আজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত থেকেছেন। তারপক্ষে কর্মী সমর্থকরা দোয়া ও সমর্থন চেয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এছাড়া ব্যানার ফেস্টুন ভরে গেছে শহরের শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক এলাকাসহ বিভিন্নস্থানে। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে সংসদ সদস্য এবং জেলা পরিষদের প্রশাসকও ছিলেন। তিনি গত প্রায় অর্ধ শতক আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে থেকে দলের নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন।
প্রচারণা চলছে, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে। তিনি দলের জেলা সভাপতি ছিলেন। এছাড়া সাতক্ষীরা-১ আসন (তালা-কলারোয়া) এর সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তার হাত দিয়ে সাতক্ষীরা বাইপাস সড়ক, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, কপোতাক্ষ খনন প্রকল্পসহ দৃশ্যমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ হয়। সভাপতি পদ হারানোর পূর্বে ও পরে তিনি বিগত দুটি সংসদ নির্বাচনেও দলের মনোনয়ন বঞ্চিত হন। তিনি ক্লিন ইমেজের একজন নেতা। দলের সভাপতি পদ পুনরুদ্ধারে তার পক্ষে চলছে ব্যাপক প্রচারণা।
প্রচারণা চলছে, সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবির পক্ষে। তিনি সাতক্ষীরা সদর আসন থেকে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্নস্থানে ব্যানার ফেস্টুন ভরে গেলেও তারপক্ষের কেউ কেউ মনে করছেন যদি কোন পরিবর্তন আসে সেক্ষেত্রে তিনিই হবেন দলের পরবর্তী সভাপতি। দলের প্রায় সকলস্তরে গ্রহণযোগ্য ক্লিন ইমেজের মো. নজরুল ইসলাম গত ১৫ বছর সুনামের সাথে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। একজন খাটি ভদ্র লোক তিনি। তাকে দলের প্রাণ ভোমরাও মনে করেন অনেকে। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে জনসেবা করছেন। কোন পরিবর্তন না হলে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনিই থেকে যাচ্ছেন এটা মনে করেন অধিকাংশ মানুষ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের প্রায় অনেকটা জায়গাজুড়ে চলছে দলের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবুর পক্ষে প্রচারণা। এই প্রজন্মের তরুণদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের প্রচারণায় সাতক্ষীরা সদরে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। তিনি সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছিলেন জেলা যুবলীগেরও সাধারণ সম্পাদক।
সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চলেছে, নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী গণ-আন্দোলনে নেতা এবং পঁচাত্তর পরবর্তী জেলায় পুনরায় ছাত্রলীগের কার্যক্রম শুরু করতে সংগঠকের ভূমিকা পালনকারী শেখ সাহিদ উদ্দিনের পক্ষে। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক। তিনি চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ক্লিনহার্ট অপারেশনে যৌথবাহিনীর হাতে চরম নির্যাতনের শিকার হন। তিনি একজন ত্যাগি নেতা হিসেবে পরিচিত।
একই পদে প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা শুরু হয়েছে, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্রর পক্ষে। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি সৈয়দ কামাল বখত সাকির পুত্র।
জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রচারণায় রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়ের ডাকসাইটের ছাত্র নেতা আ.হ.ম তারেক উদ্দীন। জেলার বিভিন্ন এলাকায় রং বে রং এর ফেস্টুন ব্যানারের মাধ্যমে চলেছে তার পক্ষের প্রচারণা। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ সম্পাদক, ছাত্রলীগের বাহাদুর-অজয় নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৯৫ ও ১৯৯৬ সালে শাহাবাগে পিকেটিং করার সময় গ্রেপ্তার হন এবং চরম নির্যাতনের শিকার হন। ২০০৩ সালেও তিনি আর একদফা গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হন।
সাধারণ সম্পাদক পদে প্রচারণার চলছে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহমেদের পক্ষে। তিনি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের বারবার নির্বাচিত সভাপতি ও দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকার সম্পাদক। সাতক্ষীরার ভূমিহীন আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তিনি ৬দফার আন্দোলন, ৬৮-৬৯ এর গণআন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে যশোরের ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া ৬৯ সালে যশোর সিটি কলেজ ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, ৭৪-৭৫ সালে এক কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি এবং যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর তিনি গ্রেপ্তার হয়ে ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হন। কারামুক্তির পর ১৯৭৬ থেকে ৮০ সাল পর্যন্ত যশোর জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ছিলেন। পরবর্তীতে সাতক্ষীরাতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক অতীত বিবেচনায় তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হতে পারেন বলে মনে করেন তার কর্মী সমর্থকরা।
এদিকে যাদের নামে প্রচারণা শুরু হয়েছে তাদের অধিকাংশের রয়েছে ধারাবাহিক রাজনৈতিক কর্মকান্ডের গৌরবোজ্জ্বল অতীত। তাদের রয়েছে ব্যাপক সুখ্যাতি। তাদের কারো কারো হাত ধরে জেলার উন্নয়ন হয়েছে। আওয়ামী লীগকে এগিয়ে নিতেও রয়েছে ব্যাপক ভূমিকা। রয়েছে ব্যাপক ত্যাগ-তিতীক্ষা। জেল জুলুম নির্যাতন ভোগ করেছেন অনেকে।
আবার কেউ চরম দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে অর্থ সম্পদ গড়ে তুলতে তৎপর রয়েছেন। এ ধরণের এক প্রার্থীর একমাত্র অবলম্বন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিন্দা-মন্দ করা। এবারের সম্মেলনকে সামনে রেখে সর্বজন গ্রহণযোগ্য এক নেতার নাম সভাপতি হিসেবে প্রচারে আসার সাথে সাথে উজবুক টাইপের ঐ নেতার সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে নিন্দে-মন্দ শুরু করার চেষ্টা করে। এছাড়া সাতক্ষীরায় আসার পর থেকে গত অর্ধযুগে যাকেই তার প্রতিপক্ষ মনে করেছে তার বিরুদ্ধে গোয়েবেলীয় স্টাইলে প্রাচার-প্রচারণা চালিয়েছেন তার লোকজন। সত্যের সন্ধান করার নামে সত্যকে নির্বাসনে পাঠিয়ে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রাণন্তকর প্রচেষ্টা রয়েছে তার। যদিও তার হাতে ধরেই সাতক্ষীরার স্কুল কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগ ও এমপিও বাণিজ্য, প্রাইমারী স্কুলের পিয়ন নিয়োগ বাণিজ্য, বিভিন্ন অফিস আদালতে কমিশন বাণিজ্য, হাসপাতালের ল্যাব থেকে কমিশন বাণিজ্য, রেজিস্ট্রি অফিস-পাসপোর্ট অফিস-বিআরটিএ-সেটেলমেন্ট অফিসে ভাই ভগ্গর আত্মীয় স্বজনদের কমিশন বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য, ধান-চাল ক্রয়ে কমিশন খাওয়া, বিরোধপূর্ণ জমাজমি দখল, টিআর-কাবিখা লোপাটে পারদর্শীতার অভিযোগ। রয়েছে পায়খানা-প্র¯্রাবের বাথরুম থেকে তোলা তোলার অভিযোগ। টাকার বিনিময়ে জঙ্গি-জামাতকেও আওয়ামী লীগ বানানোর অভিযোগ। রাজনীতিকে ওয়ান টাইম ব্যবসা হিসেবে নিয়ে আখের গোছাতে ব্যস্ত বলে প্রাচারও রয়েছে। যদিও শেষ মূহুর্তে রণেভঙ্গ দিয়ে একটু প্রমোশনের জন্য চেষ্ঠায় রয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

পাটকেলঘাটা সরুলিয়া স্কুল মাঠে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক: সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় সরুলিয়া স্কুল মাঠে সরুলিয়া যুব সংঘের উদ্যোগে মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত ৮ দলীয় ফুটবল টুনামেন্টর ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী ওয়াহিদ মুর্শিদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনন্দ টিভির সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি ও মিনিস্টার গ্রুপের রিজিওনাল ম্যানেজার হাসানুর রহমান হাসান, সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মতিয়ার রহমান, লোকনাথ নার্সিং হোমের পরিচালক বাবু পুলক কুমার পাল,সাংবাদিক শেখ সানজিদুল হক ইমন, সাংবাদিক শাহিনুর রহমান শাহিন, সাংবাদিক সরদার জাকির সহ এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের গর্নমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ফাইনাল খেলায় পাইকগাছা ফুটবল একাদশ ৩-২ গোলে আলতাপুর ফুটবল একাদশ কে হারিয়ে পাইকগাছা ফুটবল একাদশ বিজয়ী লাভ করে।

৮ দলীয় ফুটবল টুনামেন্ট খেলায় পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সরুলিয়া যুব সংঘের সভাপতি প্রভাষক বাবু কল্যাণ কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদুর রহমান, প্রচার সম্পাদক ইখতিয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মিন্টু ঘোষ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম ঘোষ প্রমুখ।

বিজয়ী চ্যাম্পিয়ন পাইকগাছা ফুটবল একাদশ দলকে ২৫,০০০/- পঁচিশ হাজার টাকা ও রানার্সআপ আলতাপুর ফুটবল একাদশ দলকে ১৫,০০০/- পনের হাজার টাকা পুরষ্কার দেওয়া হয়।