শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

অপেক্ষার ওপারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ
অপেক্ষার ওপারে

জহুরুল হক জুলু
কেন এত সহজে নিজের দিনগুলোর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দাও?
অসমাপ্ত পথকে কেন শেষ বলে ধরে নাও?
সব দরজা প্রথম কড়ায় সাড়া দেয় না।
অনেক প্রবেশপথ খুলে যায় নির্ধারিত মুহূর্তে।
অন্ধকার কখনো আলোর প্রতিদ্বন্দ্বী নয়।
সে কেবল ভোরের আগমনের পূর্বভূমিকা।
মাটির গভীরে লুকিয়ে থাকা বীজও
নিজের ঋতুর জন্য নীরবে স্থির থাকে।

সব আকাক্সক্ষার আলাদা আলাদা ঋতু আছে।
কিছু স্বপ্ন সময়ের দীর্ঘ সিঁড়ি বেয়ে ওঠে।
ধৈর্য তাদের ডানায় বাতাস জোগায়।
তারপর তারা নিজেরাই দিগন্ত চিনে নেয়।

যাদের স্পর্শে হৃদয় ক্লান্ত হয়ে পড়ে,
তাদের দিয়েই পৃথিবীর পরিচয় শেষ হয় না।
এখনো অনেক নির্মল মুখ আলো বহন করে।
তাদের কাছে পৌঁছাতে বিশ্বাসের পথ ধরে হাঁটতে হয়।

অবিশ্বাস জমতে জমতে দৃষ্টিও ভারী হয়ে যায়।
তখন প্রস্ফুটিত বাগানও অনুর্বর মনে হয়।
অথচ নিঃশব্দে জন্ম নিচ্ছে নতুন সব অঙ্কুর,
যাদের খবর এখনো চোখ পায়নি।

জীবনের সব উত্তর সংখ্যায় মাপা যায় না।
কিছু প্রাপ্তি আসে অচেনা বাঁকের পর।
যা হারিয়ে গেছে বলে মনে হয়,
সেটিও অনেক সময় নতুন দিশার সূচনা করে।

ঝড় শুধু ভেঙে দেয় না,
ভিতরের দৃচতাকেও চিনিয়ে দেয়।
শূন্যতা শুধু কেড়ে নেয় না,
আগামী পূর্ণতার জন্য স্থানও তৈরি করে।

তাই প্রতিটি দিনকে সম্ভাবনার চোখে দেখো।
প্রতিটি ব্যর্থতাকে অভিজ্ঞতার আলোয় পড়ো।
যে মুহূর্ত আজ অসম্পূর্ণ মনে হচ্ছে,
সেখানেই হয়তো আগামী বিস্ময়ের বীজ রোপিত আছে।

একদিন ফিরে তাকিয়ে বুঝবে
বিলম্ব মানেই বঞ্চনা ছিল না।
যা অপেক্ষা বলে মনে হয়েছিল,
সেটিই তোমার জীবনের সবচেয়ে সঠিক সময় ছিল।

ভুলের মাঝেই পূর্ণতার সন্ধান
অরুণ সান্যাল
ভুলের গহীনেই তো লুকিয়ে থাকে পূর্ণতার মায়া
ব্যর্থতার দহনে পুড়ে তৈরি হয় সাফল্যের ছায়া।
পথ চলতে হোঁচট খাওয়া মানেই তো শেখার শুরু,
অন্ধকার চিরে আসে আলো, কাটে সব দ্বিধা-গুরু।

ভাঙা কলমেই তো লেখা হয় জীবনের শ্রেষ্ঠ কাব্য
অপূর্ণতার খাতায় গড়ি সাফল্যের নতুন গন্তব্য।
ত্রুটিগুলোই শিক্ষা হয়ে দেয় বেঁচে থাকার রসদ,
খুঁতের আড়ালেই তো লুকিয়ে আছে আনন্দের হিল্লোল।

ভুলকে আপন করে নিয়েই গড়ি আগামীর সেতু
অসম্পূর্ণ মানুষই তো খোঁজে পূর্ণতার পরম হেতু।

Ads small one

খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার তুয়ারডাঙ্গার মুচির কোনা এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর উপকূলীয় ওয়াপদা বেড়িবাঁধে ধস নেমেছে। খবর পেয়ে দ্রুত জিওটিউব ফেলে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর শাখা কর্মকর্তা (এসও) আলমগীর হোসেন জানান, দুপুরে বেড়িবাঁধের আনুমানিক ৩০০ ফুট ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং বিকল্প বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত কাজ শেষ না হলে জোয়ারের পানি ঢুকে খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের ১৫ থেকে ২০ হাজার বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পাউবোকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন উপলক্ষে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আগামী ১২ আগস্ট এ দিনব্যাপী চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পির ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল স্থানে লিফলেট বিতরণ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ যেন কোনো খরচ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই ক্যাম্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পার-কুখরালীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধানের বীজতলায় ঘাস মারার বিষ প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে।
পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু সাইদ জানান, তাঁর বাবা ২০০২ সালে জব্বার সরদারের কাছ থেকে জমিটি কেনেন। কিন্তু বিআরএস রেকর্ডে ভুলবশত প্রতিপক্ষের নাম ওঠায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে মামলা (নং ১৯৩৭/২৫) চলমান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মৃত জব্বার সরদারের ছেলে আব্দুর রকিব জমিতে ফসল না করার জন্য পূর্বে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর জমিতে গিয়ে দেখা যায় বীজতলার চারাগুলো বিষ প্রয়োগের কারণে মরে গেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুর রকিব। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবু সাইদ এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।