সাতক্ষীরার নতুন জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ


সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকালে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব হলরুমে প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি সামিউল আযম মনিরের সভাপতিত্বে ও স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সভায় প্রেসক্লাবের অর্থনৈতিক বিষয়, কার্যনির্বাহী সদস্য সংখ্যা পুনঃগঠন, সাধারণ পরিষদ সদস্য সংখ্যার তালিকা প্রকাশ, সকল সদস্যদের রিপোর্টিং বিষয়ে গুরুত্বারোপ, কেয়ারটেকারের নিয়মিত উপস্থিতি, প্রেসক্লাবের আয়-ব্যয় সহ অন্যান্য বিষয়ে বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম মোস্তফা কামাল, সহ-সভাপতি জাহিদ সুমন, সাংগাঠনিক সম্পাদক জি এম আব্দুল কাদের, দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান মারুফ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হাজী মুরাদ, কার্যনির্বাহী সদস্য রনজিৎ বর্মন, আবু সাইদ প্রমুখ।
কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় মৎস্যচাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের(৩য় পর্যায়) আওতায় প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার কলারো উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত এ উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলল বিভাগীয় সহকারী পরিচালক মঞ্জুরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য অফিসার জিএম সেলিম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির মুখপাত্র সাবেক অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা। ঘেরে বাগদা ও গলদা চিংড়ি চাষ পদ্ধতি বিষয়ে মৎস্যচাষিদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শেষে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে এই প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ করা হয়।
পত্রদূত ডেস্ক: মাশরুমÑএক সময় যা ছিল কেবল দামী রেস্টুরেন্টের মেন্যুতে সীমাবদ্ধ, তা এখন সাধারণ মানুষের পাতে পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে কৃষি বিভাগ। মাশরুম চাষের সম্প্রসারণ, পুষ্টির উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের লক্ষ্যে খুলনা বিভাগে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে আঞ্চলিক মাশরুম মেলা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) খুলনা শহীদ হাদিস পার্কে এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, “অল্প শ্রম, সামান্য পুঁজি আর খুব অল্প জায়গাতেই মাশরুমের লাভজনক ফলন সম্ভব। এই মেলার মাধ্যমে আমরা নতুন এক বার্তা পেলাম। এখন আর শুধু স্যুপ নয়, মাশরুম থেকে কেক, চিপস ও পাউডার তৈরি করে বাজারজাত করা সম্ভব।”
তিনি আরও বলেন, মাশরুমের রয়েছে ব্যাপক ঔষধি গুণ। এটি চাষ করে বিশেষ করে নারীরা স্বাবলম্বী হতে পারেন, যা দারিদ্র্য বিমোচনে বড় ভূমিকা রাখবে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ‘কৃষক কার্ড’ কৃষিতে নতুন বিপ্লব ঘটাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শহীদ হাদিস পার্কে আয়োজিত এই মেলায় খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা উদ্যোক্তারা অংশ নিয়েছেন। মেলায় স্টল সংখ্যা ২২টি। তাজা মাশরুমের পাশাপাশি মাশরুম দিয়ে তৈরি নানা প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও প্রসাধনী। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ (কী-নোট পেপার) উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মোছা. আক্তার জাহান কাঁকন। তিনি মাশরুমের পুষ্টিগুণ ও চাষ পদ্ধতির বৈজ্ঞানিক দিকগুলো তুলে ধরেন। হর্টিকালচার উইং-এর পরিচালক ড. মো. হজরত আলী মাশরুমকে ভবিষ্যতের ‘সুপার ফুড’ হিসেবে আখ্যা দেন।
খুলনা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের সভাপতি মোল্যা কবীর হোসেনসহ সফল মাশরুম উদ্যোক্তারা। উদ্বোধনের আগে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মাশরুম চাষে আগ্রহ বাড়াতে মেলা প্রাঙ্গণে দর্শকদের জন্য হাতে-কলমে তথ্য প্রদানের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।