শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

ঈদে কত খরচ করলেন? সব হিসাব চাইতে পারে এনবিআর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
ঈদে কত খরচ করলেন? সব হিসাব চাইতে পারে এনবিআর

 

ঈদ এলেই সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের হাতে বাড়তি টাকা আসে উৎসব বোনাস হিসেবে। সেই টাকায় নতুন পোশাক কেনা, পরিবার-পরিজনের জন্য উপহার, আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে যাওয়া, ঘোরাঘুরি কিংবা নানা ধরনের কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন অনেকেই। সারা বছরের অপেক্ষার পর ঈদের এই অতিরিক্ত আয় যেন কিছুটা স্বস্তি এনে দেয় মধ্যবিত্ত পরিবারে।

তবে অনেক করদাতা এখনো জানেন না—ঈদের বোনাস বা উৎসব ভাতাও আয় হিসেবে গণ্য হয় এবং সেটি আয়কর রিটার্নে দেখাতে হয়। শুধু তাই নয়, ঈদ উপলক্ষে কত টাকা খরচ করা হয়েছে, সেই তথ্যও জীবনযাত্রার ব্যয়ের অংশ হিসেবে আয়কর নথিতে উল্লেখ করতে হয়।

কর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল বেতনের বাইরে উৎসব বোনাস, বৈশাখী ভাতা, ইনসেনটিভ, চিকিৎসা ভাতা, যাতায়াত ভাতা কিংবা অন্য যেকোনো আর্থিক সুবিধা আয় হিসেবেই বিবেচিত হয়। ফলে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এসব তথ্য গোপন করা বা বাদ দেওয়া ঠিক নয়। কারণ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এখন করদাতার আয় ও ব্যয়ের সামঞ্জস্যও গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ ঈদের বোনাসের তথ্য

বাংলাদেশে প্রতিবছর লাখো চাকরিজীবী ঈদ উপলক্ষে এক বা একাধিক উৎসব বোনাস পান। সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়মে উৎসব ভাতা দেওয়া হয়। একইভাবে বেসরকারি খাতের কর্মীরাও প্রতিষ্ঠানভেদে ঈদ বোনাস পান। অনেকে আবার কর্মদক্ষতা বা বিশেষ পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেও অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা পান।

কর কর্মকর্তারা বলছেন, একজন ব্যক্তি বছরে যত আয় করেন, তার সবকিছুই আয়কর রিটার্নে প্রতিফলিত হওয়া উচিত। অনেকেই মনে করেন, উৎসব বোনাস আলাদা সুবিধা হওয়ায় সেটি না দেখালেও সমস্যা নেই। বাস্তবে এটি ভুল ধারণা।

কারণ, বোনাসের টাকা ব্যাংক হিসাবে জমা হয়, মোবাইল ব্যাংকিং বা ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন হয় এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা নথিভুক্ত থাকে। ফলে ভবিষ্যতে আয় ও ব্যয়ের অসামঞ্জস্য দেখা দিলে কর কর্মকর্তাদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে।

আয় আর খরচ—দুটোই দেখাতে হবে

কর বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু আয় দেখালেই দায়িত্ব শেষ হয় না। একজন করদাতা বছরে কী পরিমাণ খরচ করছেন, সেটিও আয়কর রিটার্নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ঈদ উপলক্ষে পোশাক কেনা, আত্মীয়স্বজনকে উপহার দেওয়া, কোরবানির পশু কেনা, ভ্রমণ, দাওয়াত, ঘর সাজানো কিংবা অন্যান্য উৎসব ব্যয়—সবকিছুই জীবনযাত্রার খরচের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

আয়কর রিটার্নের সঙ্গে জমা দেওয়া আইটি-১০বি ফরমে জীবনযাত্রার ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য দিতে হয়। সেখানে “উৎসব ও অন্যান্য বিশেষ ব্যয়” নামে একটি আলাদা অংশ রয়েছে। ওই অংশে ঈদকেন্দ্রিক ব্যয়ের তথ্য উল্লেখ করতে হয়।

কর কর্মকর্তারা মূলত দেখতে চান—একজন করদাতার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে তাঁর জীবনযাত্রার ধরন ও ব্যয়ের মিল আছে কি না। যদি দেখা যায়, আয় তুলনামূলক কম দেখানো হয়েছে কিন্তু ব্যয় অনেক বেশি, তাহলে কর বিভাগ বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করতে পারে।

এনবিআর কেন জীবনযাত্রার তথ্য জানতে চায়

আয়কর কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমানে কর ব্যবস্থায় শুধু আয় নয়, একজন মানুষের আর্থিক জীবনধারাও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। একজন ব্যক্তি কত আয় করেন, কোথায় থাকেন, কীভাবে জীবনযাপন করেন, কী পরিমাণ খরচ করেন—এসব তথ্য কর বিশ্লেষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

এনবিআরের দৃষ্টিতে একজন করদাতার জীবনযাত্রা তাঁর আয়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কেউ যদি রিটার্নে সীমিত আয় দেখান কিন্তু ঈদে বড় অঙ্কের কেনাকাটা করেন, দামি গাড়ি ব্যবহার করেন বা উচ্চ ব্যয়সম্পন্ন জীবনযাপন করেন, তাহলে কর বিভাগ তাঁর আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

কর প্রশাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ডিজিটাল আর্থিক লেনদেন বাড়ার ফলে এখন আয়-ব্যয়ের তথ্য যাচাই আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। ব্যাংক হিসাব, ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার, সম্পদ ক্রয়, ভ্রমণ ব্যয়সহ নানা তথ্য কর বিভাগের নজরদারির আওতায় আসছে।

কোন বছরের বোনাস কখন দেখাবেন

কর বিশেষজ্ঞদের মতে, যে অর্থবছরে বোনাস পাওয়া হবে, পরবর্তী রিটার্নে সেটি দেখাতে হবে। অর্থাৎ ২০২৬ সালের ঈদে কেউ যে বোনাস পেলেন, সেটি ২০২৬-২৭ করবর্ষের রিটার্নে আয় হিসেবে যুক্ত হবে। একইভাবে ওই ঈদে করা ব্যয়ও জীবনযাত্রার খরচের অংশ হিসেবে দেখাতে হবে।

অনেকে ভুল করে মনে করেন, ছোটখাটো উৎসব ব্যয় দেখানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু কর কর্মকর্তারা বলছেন, বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য রিটার্ন দাখিলের জন্য আয় ও ব্যয়ের সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য দেওয়া জরুরি।

বাড়ছে টিআইএনধারী, বাড়ছে নজরদারিও

বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) রয়েছেন। তবে প্রতিবছর নিয়মিত রিটার্ন জমা দেন প্রায় ৪০ থেকে ৪২ লাখ করদাতা।

কর প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার করজাল বাড়ানোর পাশাপাশি রিটার্নের তথ্য বিশ্লেষণেও গুরুত্ব দিচ্ছে। শুধু টিআইএন নেওয়া নয়, সঠিক তথ্য দিয়ে নিয়মিত রিটার্ন জমা দেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চায় এনবিআর।

তাদের মতে, স্বচ্ছ আয়-ব্যয়ের তথ্য দিলে ভবিষ্যতে করদাতাদের অপ্রয়োজনীয় জটিলতায় পড়তে হবে না। বরং আয় ও ব্যয়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরলে কর ব্যবস্থার ওপর আস্থা বাড়বে এবং করদাতাও নিরাপদ থাকবেন।

Ads small one

সাতক্ষীরায় কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বিষয়ক শাখা ব্যবস্থাপক ও কর্মকর্তাদের নিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি ব্যাংক সাতক্ষীরার মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়ের আয়োজনে শনিবার দুপুরে মোজাফফার গার্ডেন এন্ড রিসোর্টে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

 

সাতক্ষীরার মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক এস এম এ কাইয়ুমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় মহা ব্যবস্থাপক মোঃ আবু হাশেম মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিভাগীয় নিরীক্ষা কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সাহা, উপব্যবস্থাপক শাহনেওয়াজ মোহাম্মদ মোস্তফা ফয়সাল, আঞ্চলিক নিরীক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিহাদুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, কর্মকর্তা ও শাখা ব্যবস্থাপকদের সাধারণ মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। সরকার যে সুযোগ দিয়েছে সেটা যেন মানুষের কল্যাণে কাজ হয়। একজন কৃষকও গ্রাহক ব্যাংকে এসে কষ্ট পেয়ে ফিরে না যায়।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কৃষি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কাজী মাসুদুল হক ও মৃত্যুঞ্জয় কুমার বিশ্বাস।

 

তালা প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৫ অপরাহ্ণ
তালা প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রেসক্লাব ভবনে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সেলিম হায়দার।

সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক হোসেন জোয়ার্দ্দারের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা গাজী সুলতান আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমান, সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান রাজু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফি, সাহিত্য সম্পাদক অর্জুন বিশ্বাস ও তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক রিয়াদ হোসেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া সম্পাদক কাজী লিয়াকত হোসেন, প্রচার সম্পাদক সেকেন্দার আবু জাফর বাবু, উপ-প্রচার সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ,
সমাজকল্যাণ সম্পাদক আজমল হোসেন জুয়েল, কার্যনির্বাহী সদস্য কে. এম. শাহিনুর রহমান, আজিজুল ইসলাম, শেখ বিলাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সুমন রায় গনেশ, মো. ইমরান হোসেন, তাপস সরকার ও মো. রফিকুল ইসলাম নয়ন।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসক্লাবের ব্যাংক একাউন্ট খোলা এবং সদস্যদের পরিচয়পত্র তৈরির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভাপতি তাঁর বক্তব্যে পারস্পরিক ঐক্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে প্রেসক্লাবের সার্বিক অগ্রগতিতে সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

সভা শেষে অসুস্থ সাহিত্য সম্পাদক অর্জুন বিশ্বাসের মাতা এবং কার্যনির্বাহী সদস্য রোকনুজ্জামান টিপুর আশু সুস্থতা কামনা করা হয়। একই সঙ্গে সদস্য তাপস সরকারের চাচির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

সারা দেশে মাঝারি বৃষ্টিপাত, বজ্রপাতের সতর্কতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
সারা দেশে মাঝারি বৃষ্টিপাত, বজ্রপাতের সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক: সারা দেশে আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

 

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর)) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস এই তথ্য জানিয়েছে।

 

আবহাওয়া বুলেটিনে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহী ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেটে ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে কক্সবাজারে ১৯৫ মিলিমিটার।

 

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপটি বিরাজমান রয়েছে। এটি ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সঙ্গে মিলিত হতে পারে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

 

বর্ধিত আগামী পাঁচদিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

 

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বৃষ্টিপাতের পরিমাপ অনুযায়ী: ২৪ ঘণ্টায় ১ থেকে ১০ মিলিমিটার হচ্ছে হালকা বৃষ্টিপাত। ১১ থেকে ২২ মিলিমিটার মাঝারি ধরনের, ২৩ থেকে ৪৩ মিলিমিটার মাঝারি ধরনের ভারী, ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার ভারী এবং ৮৮ মিলিমিটার হচ্ছে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ধরা হয়।