শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা আজ শুক্রবার (১ মে)। দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা সাড়ম্বরে উদযাপন করবে। এ উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশজুড়ে বৌদ্ধ বিহারগুলোতে বুদ্ধ পূজা, প্রদীপ প্রজ্বলন, শান্তি শোভাযাত্রা, ধর্মীয় আলোচনা সভা, প্রভাত ফেরি, সমবেত প্রার্থনা, আলোচনা সভা ও বুদ্ধ পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও মানব জাতির সর্বাঙ্গীণ শান্তি ও মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, মহামতি বুদ্ধ আজীবন একটি সৌহার্দ্যময় ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নিরন্তর প্রয়াস চালিয়েছেন। ‘অহিংস পরম ধর্ম’ বুদ্ধের এই অমিয় বাণী আজও সমাজে শান্তির জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। আজকের এই অশান্ত ও সংঘাতময় বিশ্বে যুদ্ধ-বিগ্রহ, ধর্ম-বর্ণ-জাতিগত হানাহানি রোধসহ সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহামতি বুদ্ধের দর্শন ও জীবনাদর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে আমি মনে করি।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহামতি গৌতম বুদ্ধ আজীবন মানুষের কল্যাণে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা, সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করেছেন। গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা শান্তি, সহনশীলতা, মৈত্রী, করুণা ও অহিংসার চিরন্তন বাণী বহন করে। বর্তমান বিশ্বে যখন সংঘাত, বিদ্বেষ ও অসহিষ্ণুতা নানা সংকট সৃষ্টি করছে, তখন গৌতম বুদ্ধের সহমর্মিতা, মানবিকতা ও শান্তির বাণী আমাদের জন্য গভীর প্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।

গৌতম বুদ্ধের শুভজন্ম, বোধিজ্ঞান ও নির্বাণ লাভ বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে বুদ্ধপূর্ণিমা নামে পরিচিত। বৌদ্ধ ধর্ম মতে, আড়াই হাজার বছর আগে এই দিনে মহামতি গৌতম বুদ্ধ আবির্ভূত হয়েছিলেন। তার জন্ম, বোধিলাভ ও মহাপ্রয়াণ বৈশাখী পূর্ণিমার দিনে হয়েছিল বলে এর (বৈশাখী পূর্ণিমা) অপর নাম দেওয়া হয় ‘বুদ্ধ পূর্ণিমা’।

‘জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক’ এই অহিংস বাণীর প্রচারক গৌতম বুদ্ধের আবির্ভাব, বোধিপ্রাপ্তি আর মহাপরিনির্বাণ– এই স্মৃতি বিজড়িত এই দিনটিকে বুদ্ধ পূর্ণিমা হিসাবে পালন করেন বুদ্ধ ভক্তরা।

‘বুদ্ধ পূর্ণিমা’ উপলক্ষে জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিকগুলো বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করবে এবং বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে।

সাধারণত দেশজুড়ে বিহারগুলোর চূড়ায় জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন এবং ভোরবেলায় ত্রিপিটকের পবিত্র শ্লোক পাঠের মাধ্যমে এই উৎসব শুরু হয়।

বাংলাদেশ বৌদ্ধ ফেডারেশন (বিবিএফ) মেরুল বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে একটি আলোচনা সভাসহ দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। আলোচনা সভায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়া চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার, কুমিল্লা, বরগুনা, রংপুর ও সিলেটের বৌদ্ধ অধ্যুষিত অঞ্চলেও বুদ্ধ পূর্ণিমা পালিত হবে।

Ads small one

কুলিয়ার পি কে বি ফুটবল মাঠে ‘বিবাহিত বনাম অবিবাহিত’ প্রীতি ম্যাচ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
কুলিয়ার পি কে বি ফুটবল মাঠে ‘বিবাহিত বনাম অবিবাহিত’ প্রীতি ম্যাচ

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার ১ নম্বর কুলিয়া ইউনিয়নের পি কে বি ফুটবল মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বিবাহিত বনাম অবিবাহিত’ দলের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রামীণ সৌহার্দ্য বৃদ্ধি ও স্থানীয় যুবসমাজকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ ম্যাচের আয়োজন করা হয়। ম্যাচটি পরিচালনা করেন রবিউল ইসলাম ও স্থানীয় চিকিৎসক আশরাফুল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ১ নম্বর কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনজুরুল মোরশেদ মিলন এবং কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু। এ ছাড়া স্থানীয় অন্যান্য নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মাঠে উপস্থিত ছিলেন।
খেলা শেষে অতিথিরা বিজয়ী ও বিজিত দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বক্তারা বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন ও যুবসমাজকে সঠিক পথে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

এই পৃথিবী বড়ই অভাগা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
এই পৃথিবী বড়ই অভাগা

অরুণ সান্যাল
এই পৃথিবী বড়ই অভাগা
এখানে সুখের চেয়ে
চোখের জলের মাত্রা বেশি দাগা।
মানুষের বুকে নেই মানুষের টান,
স্বার্থের বাজারে বিক্রি হয় পবিত্র সব মান।

স্নেহের আলো নিভে যায় স্বার্থের ঝড়ে
বিশ্বাস হারিয়ে যায় শূন্যতার ঘরে।
চোখের পলকে আপন মানুষ অচেনা হয়ে যায়,
ভালোবাসা শুধু আজ বেদনার খেলায় হারায়।

তবুও মানুষ বাঁচে মিথ্যে আশার টানে,
অশ্রু লুকিয়ে রাখে মলিন হাসির গানে।
ক্ষতের ওপর প্রলেপ মেখে পথ চলে একা,
ভাগ্যের সাথে যেন নেই কোনো সুখের লেখা।
তবুও তো এই ধরায় কোনো এক কোণে,
ভালোবাসা বেঁচে থাকে নিঃস্ব মানুষের মনে।

“কথার ভার”

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
“কথার ভার”

 

 

বাপী নাগ
রাগ-অভিমান ভুলে একবার এসো, জমে থাকা কথাগুলো একটু ভাগ করে নিই।
কী হলো, শুনতে পাচ্ছ? এখনও কিছু না-বলা কথা রয়ে গেছে— সময়ের ভাঁজে, নীরবতার আড়ালে।
না না, ভয় নেই! আমার শত দুঃখের ভার তোমায় নিতে হবে না, তোমার সুখের অংশও আমায় দিতে হবে না। শুধু কিছু কথার বিনিময়— হয়তো এতেই মনটা একটু হালকা হবে।
রাগ কোরো না, তোমার রোজনামচায় জমে থাকা কিছু কথা আজ নির্দ্বিধায় আমায় বলতে পারো। আমিও প্রতিদিনের বুকের ভেতর জমে থাকা কিছু অপ্রকাশিত কথা নিঃসংকোচে তোমার হাতে তুলে দিতে চাই।
বাকশক্তি থাকা কালীন কথা বিনিময় ছাড়া বেঁচে থাকা বোধহয় অসম্ভব। কারণ, কিছু নীরবতা শব্দের অপেক্ষায়ই বেঁচে থাকে।
আজ নিরবে, নিঃশব্দে, জমে থাকা অনেক কথা বলতে চাই। নেবে কি আমার কথার ভার? শুনবে কি আমার হৃদয়ের দীর্ঘদিনের নীরব স্বীকারোক্তি?
বিশ্বাস করো, সব কথা অভিযোগ নয়, কিছু কথা শুধু মানুষ হয়ে মানুষের পাশে বসার আকুতি। কিছু কথা ক্ষমা চায়, কিছু কথা ফিরে পেতে চায় হারিয়ে যাওয়া সেই সহজ সম্পর্ক।
হয়তো কথা বললেই দুঃখের যন্ত্রণা পুরোপুরি মুছে যাবে না, তবু বুকের ভারটা একটু হালকা হবে। কারণ, না-বলা কথার চেয়ে বলা কথার আফসোস অনেক কম।
তাই একবার এসো— শুধু কিছুক্ষণ সময় নিয়ে। আজ কথা হোক, কারণ একদিন হয়তো সময় থাকবে, কিন্তু বলার মতো মানুষটি আর থাকবে না।
কথারা কখনও দূরত্ব বাড়ায় না, দূরত্ব বাড়ায় শুধু নীরবতা। তাই এসো, অভিমানের দেয়াল ভেঙে একবার কথা বলি… হিসেব-নিকেশ নয়,আজ শুধু হৃদয়ের দরজাটা খুলে দিই। যদি কিছুই ফিরে না পাই,তবু এই তৃপ্তিটুকু থাকবে—চেষ্টা করেছিলাম,নীরবতাকে হারিয়েকথার আলোয় ফিরে আসতে।
শেষবারের মতো বলছি- এসো, একবার কথা হোক।
হয়তো সব অভিমান মুছে যাবে না, সব প্রশ্নের উত্তরও মিলবে না। তবু কিছু নীরবতার অবসান হবে, কিছু দীর্ঘশ্বাস ফিরে পাবে মুক্তির পথ।
জীবন তো অনিশ্চিত— কে কখন কোন মোড়ে হারিয়ে যায়, তা কেউ জানে না। তাই সময় থাকতে কথাগুলো বলে নিই, ক্ষমাগুলো চেয়ে নিই, ভালোবাসাগুলো জানিয়ে দিই।
কারণ, একদিন হয়তো মানুষ থাকবে না, শুধু থেকে যাবে— না-বলা কিছু কথা….. আর বুকভরা একরাশ আফসোস।