মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সুরক্ষা দিবস: পৃথিবীর অদৃশ্য ছাতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সুরক্ষা দিবস: পৃথিবীর অদৃশ্য ছাতা

সাকিবুর রহমান বাবলা

পৃথিবীর আকাশে এমন এক অদৃশ্য প্রহরী রয়েছে, যাকে আমরা চোখে দেখি না, অথচ যার ওপর নির্ভর করছে জীবনের নিরাপত্তা। সেই প্রহরীর নাম ওজোন স্তর। স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনের এই স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির বড় একটি অংশ শোষণ করে মানুষ, প্রাণী, উদ্ভিদ ও সামুদ্রিক জীবজগতকে সুরক্ষা দেয়। তাই ওজোন স্তরকে পৃথিবীর অদৃশ্য ছাতা বললেও অত্যুক্তি হয় না।

প্রতি বছর ১৬ সেপ্টেম্বর পালিত হয় আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সুরক্ষা দিবস। ১৯৯৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (এ/আরইএস/৪৯/১১৪) এই দিবস ঘোষণা করে। দিনটি ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক মন্ট্রিয়ল প্রটোকল-এর স্মরণে নির্ধারিত।

ওজোন স্তর: তিনটি অক্সিজেন পরমাণু দিয়ে গঠিত (ও₃) ওজোন গ্যাসের একটি ঘন স্তর। এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫ থেকে ৪০ কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থান করে, যা পৃথিবীর প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন বা সুরক্ষাবলয় হিসেবে কাজ করে। আর এই ওজোন স্তর ক্ষয়ের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল মানুষের তৈরি ক্লোরোফ্লোরোকার্বন, হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইডসহ বিভিন্ন ওজোন-ক্ষয়কারী পদার্থ। রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, অ্যারোসলসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি ও শিল্পপণ্যে এগুলোর ব্যাপক ব্যবহার হতো। এসব রাসায়নিক বায়ুম-লের ওপরের স্তরে পৌঁছে সূর্যের বিকিরণের প্রভাবে সক্রিয় ক্লোরিন ও ব্রোমিন মুক্ত করে, যা ওজোন অণু ধ্বংসের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

বিশেষ করে অ্যান্টার্কটিকার ওপর ভয়াবহ ওজোন স্তর ক্ষয়ের ঘটনা বিজ্ঞানীদের সতর্ক করে দেয়। স্পষ্ট হয়ে ওঠেÑএটি কোনো এক দেশের সমস্যা নয়; এটি গোটা মানবজাতির সংকট। এই সংকট মোকাবিলায় ১৯৮৫ সালের ভিয়েনা কনভেনশন আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করে। এর দুই বছর পর ১৯৮৭ সালে আসে মন্ট্রিয়ল প্রটোকল। ওজোন-ক্ষয়কারী পদার্থ উৎপাদন ও ব্যবহার ধাপে ধাপে বন্ধ করার মাধ্যমে এটি পরিবেশ কূটনীতির ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ৯৯ শতাংশ ওজোন-ক্ষয়কারী পদার্থের ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। ২০০৯ সালে বিশ্বের সব দেশ মন্ট্রিয়ল প্রটোকল অনুমোদন করে, যা আন্তর্জাতিক পরিবেশ সহযোগিতার ইতিহাসে এক বিরল সাফল্য। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে কিগালি সংশোধনীর মাধ্যমে হাইড্রোফ্লুওরোকার্বন (এইচএফসি) ব্যবহার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এইচএফসি সরাসরি ওজোন স্তর ধ্বংস না করলেও এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস। ফলে কিগালি সংশোধনী বাস্তবায়নের মাধ্যমে ওজোন সুরক্ষার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হচ্ছে।

ওজোন সুরক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি, ওজোন সচিবালয় এবং বহুপক্ষীয় তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অর্থায়ন, প্রযুক্তি ও সক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়তা দিয়ে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে রূপান্তর ত্বরান্বিত করা হচ্ছে। বাংলাদেশও এ বৈশ্বিক উদ্যোগের দায়িত্বশীল অংশীদার। বাংলাদেশ ২ আগস্ট ১৯৯০ মন্ট্রিয়ল প্রটোকলে যোগ দেয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সংশোধনী অনুমোদনের পাশাপাশি ২০২০ সালের ৮ জুন কিগালি সংশোধনী অনুমোদন করে।

দেশে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ওজোন সেল গঠন করে ওজোন-ক্ষয়কারী পদার্থ নিয়ন্ত্রণ, বিকল্প প্রযুক্তির প্রসার এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতে সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ চলছে। রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং খাতের দ্রুত সম্প্রসারণের কারণে বাংলাদেশের জন্য পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তিতে দ্রুত রূপান্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ট্রিয়ল প্রটোকলের সাফল্যের কারণে ওজোন স্তর এখন ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের পথে। বর্তমান বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, নীতিগুলো অব্যাহত থাকলে বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলে প্রায় ২০৪০ সালের দিকে, আর্কটিক অঞ্চলে ২০৪৫ সালের দিকে এবং অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলে ২০৬৬ সালের দিকে ওজোন স্তর ১৯৮০ সালের মাত্রার কাছাকাছি ফিরে আসতে পারে। এই সাফল্য প্রমাণ করেÑবিজ্ঞানকে গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক ঐক্য গড়ে তুললে বৈশ্বিক পরিবেশগত সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।

ওজোন স্তর রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকার বা আন্তর্জাতিক সংস্থার নয়। নতুন ফ্রিজ বা এসি কেনার সময় ওজোন-নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি বেছে নিতে হবে। পুরোনো যন্ত্রের’ হিমায়ক গ্যাস’ যেন অসতর্কভাবে বায়ুম-লে না ছড়ায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় ভোগ কমাতে হবে এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য ব্যবহারে উৎসাহ দিতে হবে। পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

ওজোন স্তর আমাদের চোখে দেখা যায় না, কিন্তু এর সুরক্ষা ছাড়া পৃথিবীর জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই ১৬ সেপ্টেম্বর শুধু একটি দিবস পালনের দিন নয়; এটি বৈশ্বিক দায়িত্ব ও ঐক্যের কথা স্মরণ করার দিন। আসুন, সবাই মিলে ওজোন স্তর রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই।

Ads small one

তালায় দুর্গোৎসবের আমেজ, নিরাপত্তায় সজাগ প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
তালায় দুর্গোৎসবের আমেজ, নিরাপত্তায় সজাগ প্রশাসন

তালা প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে তালা উপজেলাজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রতিমায় রংতুলির শেষ আঁচড়, ম-পে সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজক ও প্রতিমাশিল্পীরা। উপজেলায় এবার ১২টি ইউনিয়নে মোট ২০২টি পূজাম-পে দুর্গোৎসব উদ্যাপনের প্রস্তুতি চলছে।

উপজেলা পূজা উদ্যাপন ফ্রন্ট সূত্রে জানা গেছে, পাটকেলঘাটা থানার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নে ৮৭টি এবং তালা থানার আওতাধীন সাতটি ইউনিয়নে ১১৫টি পূজাম-প রয়েছে। উৎসব নির্বিঘœ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রতিটি ম-পে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পুলিশি টহল এবং আনসার ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েনের ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমাশিল্পী বিশ্বজিৎ কুমার ম-ল ও পুরোহিত তপন হালদার জানান, ম-পগুলোতে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। তালা থানার এসআই (ওসির চার্জ) মহাসীন আলী, পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোফাজ্জেল হোসেন এবং তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা জানান, পূজা চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরোপুরি সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

সাতক্ষীরায় ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একব্যক্তির মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একব্যক্তির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নুরুজ্জামান গাজী (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত শামছুদ্দিন গাজীর (নূরী) ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর দেবনগর গ্রামের রফিকুল মোল্লার বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে ট্রান্সফর্মারের ঢাকনা খোলার পর ভিতরকার জিনিসপত্র মাথায় পড়ে ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারাত্মক জখম হন নুরুজ্জামান। পরে চোর চক্রটি একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসে। সোমবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। চুরির ওই ঘটনায় রফিকুল মোল্লা থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, ঘটনার রাতে নুরুজ্জামানসহ অন্যরা ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে হাইভোল্টেজ তারের সংস্পর্শে আসেন। পুলিশের ঝামেলার ভয়ে তাঁকে কোনো সরকারি হাসপাতালে না নিয়ে বাড়িতে রেখে গোপনে চিকিৎসার চেষ্টা করা হয়। পরে সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যুর খবর জানাজানি হলে পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঝাউডাঙা অফিসের এজিএম মোছা. মারিয়া ছিদ্দিকা জুঁই জানান, উত্তর দেবনগরের রফিকুল মোল্লার ট্রান্সফর্মার চুরির ঘটনায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। নুরুজ্জামান ওই ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়েই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

 

সম্পাদকীয়/চাল ও ডিমের বাজার: নি¤œআয়ের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/চাল ও ডিমের বাজার: নি¤œআয়ের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

নিত্যপণ্যের লাগাতার ঊর্ধ্বগতিতে দেশের সাধারণ ও নি¤œআয়ের মানুষের জীবনযাত্রা ক্রমেই অসহনীয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে চাল, ডাল, তেল, সবজির পাশাপাশি ডিম ও মাংসের মতো আমিজাতীয় খাদ্যের দাম যেভাবে নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে, তাতে সাধারণ মানুষের সংসার চালানো এক কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একদিকে কর্মসংস্থানের সংকোচন এবং আয়ের স্থবিরতা, অন্যদিকে লাগামহীন ব্যয়Ñএই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে অসংখ্য মানুষ ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ছেন। সামান্য সঞ্চয়ের সুযোগ তো দূরের কথা, দৈনিক প্রয়োজন মেটাতেই এখন হিমশিম খাচ্ছে বেশিরভাগ পরিবার।
সাম্প্রতিক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে চাল ও পেঁয়াজের দাম উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। মিনিকেট ও নাজিরশাইলের মতো সরু ও মাঝারি চালের দাম কেজিতে দুই থেকে চার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। একইভাবে প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়ে পৌঁছেছে দেড়শ টাকার ওপরে। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি তেলের মূল্য এবং ধানের চড়া দামের কথা বলা হলেও, পাইকারি ও খুচরা বাজারের এই ফারাক ও অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। উৎপাদন থেকে শুরু করে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত বিপণন প্রক্রিয়ায় তদারকি ও জবাবদিহির অভাব না থাকলে পণ্যের এই কৃত্রিম বা অযৌক্তিক দাম বৃদ্ধি রোধ করা সম্ভব নয়।

বাজার ব্যবস্থাপনার এই অস্থিরতা জনজীবনে গভীর সংকট তৈরি করেছে। শুধু অজুহাত দিয়ে পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা বন্ধ করতে হলে বাজার মনিটরিং আরও কঠোর করতে হবে। সরবরাহ চেইনে কোনো সিন্ডিকেট বা অনিয়ম কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চাপ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও বেশি বিপন্ন করে তুলবে, যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।