শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

মিনা শিশুদের জন্য জনপ্রিয় টিভি কার্টুন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
মিনা শিশুদের জন্য জনপ্রিয় টিভি কার্টুন

প্রকাশ ঘোষ বিধান

মিনা হলো দক্ষিণ এশিয়ার শিশুদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শিক্ষামূলক অ্যানিমেশন কার্টুন। ইউনিসেফ এর উদ্যোগে শিশুদের অধিকার রক্ষা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই কার্টুনটি তৈরি করা হয়। ১৯৯০-এর দশক থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এটি বাংলাভাষী শিশুদের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

মিনা কার্টুনটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য নয়, বরং এর প্রতিটি পর্বের পেছনে একটি গভীর সামাজিক বার্তা থাকে। মিনাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য তার বাবার সম্মতি আদায়ের গল্প। ডায়রিয়া প্রতিরোধে খাবার স্যালাইন তৈরি, বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার এবং হাত ধোয়ার গুরুত্ব। ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে খাবার বা শিক্ষার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু পাচার রোধে সচেতনতা তৈরি করা।

কার্টুনের প্রধান চরিত্র মিনা। সে একজন ৯ বছর বয়সী সাহসী, বুদ্ধিমান ও অনুসন্ধিৎসু মেয়ে, যে তার গ্রামের নানা সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়। মিনার ছোট ভাই রাজু। সে মিনার সাথে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নেয়। মিনার পোষা তোতাপাখি মিঠু। মিঠু অত্যন্ত চতুর এবং মিনার বিশ্বস্ত সঙ্গী, যে অনেক বিপদে মিনাকে বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করে। মিনার পোষা গরু লালি।
প্রতি বছর ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মীনা দিবস পালন করা হয়। ইউনিসেফের সহায়তায় ১৯৯৮ সাল থেকে এই দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে। যার মূল উদ্দেশ্য হলো; শিশুদের বিশেষ করে কন্যাসন্তানদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য সচেতনতা, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং সমঅধিকার রক্ষা করা।

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন ভাষায় নির্মিত একটি জনপ্রিয় টিভি কার্টুন মীনা। ১৯৯৩ সালে প্রথম বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে বিভিন্ন সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি এবং শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের একটি অংশ হিসেবে ইউনিসেফের সহায়তায় এই কার্টুন ধারাবাহিকটি নির্মিত হয়। কার্টুন ধারাবাহিকের মূল চরিত্র বাংলা ভাষায় নির্মিত কার্টুনগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র। মীনা কার্টুন শুধু বাংলায় তৈরি হয়নি। বাংলা, হিন্দি, ইংরেজি, নেপালি-সহ ২৯টি ভাষায় মীনা তৈরি হয়েছে। মীনা কার্টুনের মীনা চরিত্রের রূপদানকারী বিখ্যাত ভারতীয় কার্টুনিস্ট রাম মোহন এবং ইউনিসেফের নিল ম্যাককি ছিলেন কার্টুন সিরিজটির স্্রষ্টা।

মীনা দিবস হলো শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ ও অধিকার নিশ্চিত করার একটি সচেতনতামূলক উৎসব। বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের জন্য মীনা কার্টুন প্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আয়োজিত বিভিন্ন ইভেন্ট। শিশুদের অধিকার নিয়ে সচেতনতামূলক নাটক ও র‌্যালির আয়োজন করা হয়। গল্প বলা বা কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের পুরস্কৃত করে উৎসাহিত করা হয়।

মীনা কার্টুনের প্রধান চরিত্র মীনা শিক্ষার জন্য নানা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে। দক্ষিণ এশিয়ায় ছেলে ও মেয়ে শিশুর মধ্যে যে বৈষম্য করা হতো, তা দূর করতে মীনা একটি প্রতীকী চরিত্র। এই দিনে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে শিশুদের শেখানো হয় যে ছেলে ও মেয়ে উভয়ই সমান সুযোগ পাওয়ার অধিকারী। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, খাওয়ার আগে হাত ধোয়া, নিরাপদ পানি ব্যবহার এবং সঠিক পুষ্টি গ্রহণের মতো প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধিগুলো মীনা দিবসে শিশুদের খেলার ছলে ও আনন্দের মাধ্যমে শেখানো হয়। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, শিশুশ্রম বন্ধ এবং শিশুদের যেকোনো ধরনের নির্যাতন থেকে রক্ষা করার সচেতনতা তৈরিতে এই দিবসটি বড় ভূমিকা রাখে।

দক্ষিণ এশিয়ায় ছেলে ও মেয়ে শিশুর মধ্যে যে বৈষম্য করা হতো, তা দূর করতে মীনা একটি প্রতীকী চরিত্র। মীনা কার্টুন চরিত্রটি শিশুদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়, যার মাধ্যমে শিক্ষণীয় বার্তাগুলো সহজে তাদের মধ্যে পৌঁছে যায়। এই দিনে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে শিশুদের শেখানো হয় যে ছেলে ও মেয়ে উভয়ই সমান সুযোগ পাওয়ার অধিকারী।
লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

লবণাক্ততার সঙ্গে লড়াই: সাতক্ষীরার নারীদের হাতে বদলাচ্ছে উপকূলের কৃষি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
লবণাক্ততার সঙ্গে লড়াই: সাতক্ষীরার নারীদের হাতে বদলাচ্ছে উপকূলের কৃষি

তারিক ইসলাম

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সাতক্ষীরার উপকূলীয় জীবনযাত্রা দিন দিন আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের পাশাপাশি মাটির অতিরিক্ত লবণাক্ততা এ অঞ্চলের প্রচলিত কৃষিকে একসময় প্রায় অনিশ্চিত করে তুলেছিল। বছরের পর বছর লোনাপানির প্রভাবে উর্বর জমিগুলো হারিয়েছে উৎপাদনক্ষমতা। তবে জীবিকার তাগিদ এবং প্রকৃতির প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার অদম্য প্রচেষ্টা অনেক পরিবর্তন এনেছে। এই পরিবর্তনের অগ্রভাগে রয়েছেন সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার প্রান্তিক নারীরা।

একসময় উপকূলীয় এলাকার বসতভিটার চারপাশে লবণাক্ততার কারণে চারাগাছ বাঁচিয়ে রাখাই ছিল কঠিন। শাকসবজি তো দূরের কথা, লোনাপানির প্রভাবে অনেক গাছপালাও টিকতে পারত না। তবে সময়ের সঙ্গে সেই চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থার প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে কাজে লাগিয়ে নারীরা এখন বাড়ির আঙিনায় বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করছেন।

এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে জলবায়ুসহিষ্ণু কৃষিপদ্ধতির প্রয়োগ। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, উঁচু বেড তৈরি করে চাষাবাদ, মাচা পদ্ধতি ও মালচিং প্রযুক্তির ব্যবহার লবণাক্ততার প্রভাব মোকাবিলায় সহায়ক হচ্ছে। এসব পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদিত হচ্ছে বেগুন, ঢ্যাঁড়স, লাউ, মিষ্টিকুমড়াসহ বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর সবজি।

এই উদ্যোগের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ। যে নারীরা একসময় পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগতেন, তাঁদের অনেকেই এখন বসতভিটার সামান্য জায়গায় সবজি উৎপাদন করে পরিবারের চাহিদা মেটাচ্ছেন। কোনো কোনো পরিবার উদ্বৃত্ত সবজি স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয়ও করছে। এতে একদিকে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে, অন্যদিকে নারীদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও আত্মনির্ভরশীলতার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তাঁদের এই উদ্যোগ প্রমাণ করছে, সঠিক জ্ঞান, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে প্রতিকূল পরিবেশেও কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করা সম্ভব।

সাতক্ষীরার উপকূলীয় নারীদের এই উদ্যোগ শুধু ব্যক্তিগত বা পারিবারিক স্বাবলম্বিতার উদাহরণ নয়; এটি জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার (অভিযোজন) একটি কার্যকর দৃষ্টান্ত। উপকূলীয় কৃষিকে টেকসই করতে হলে তাঁদের এ উদ্যোগের পরিধি আরও বাড়াতে হবে। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সহজ শর্তে ঋণ, মানসম্মত কৃষি উপকরণ, বীজ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা এবং হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি উৎপাদিত সবজি বাজারজাতকরণেও সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রকৃতির বৈরিতা ও লবণাক্ত মাটির সঙ্গে লড়াই করে সাতক্ষীরার নারীরা যে সবুজ সম্ভাবনার সূচনা করেছেন, তা উপকূলীয় কৃষির জন্য আশাব্যঞ্জক। যথাযথ নীতিগত সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তাঁদের এই উদ্যোগ উপকূলীয় অর্থনীতি, পারিবারিক পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

লেখক: তারিক ইসলাম, সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

সাতক্ষীরায় ১৭ বিজিবির অভিযানে হেরোইন ও কাঁচামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ১৭ বিজিবির অভিযানে হেরোইন ও কাঁচামাল জব্দ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় ১৭ বিজিবির পৃথক দুটি অভিযানে ১ কোটি ৩৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় হেরোইন ও হেরোইন তৈরির রাসায়নিক কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে জব্দ করা পদার্থগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ৩ নভেম্বর সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাখরা বিওপির একটি টহল দল সীমান্ত এলাকার শাখরা ব্রিজসংলগ্ন বাঁশবাগানে অভিযান চালায়। এ সময় হেরোইন তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত ভারতীয় ‘মার্টিনি ড্রাগস’ লেখা ২০০ মিলিলিটারের পাঁচটি বোতল জব্দ করা হয়। এসব কাঁচামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

এর দুই দিন পর, ৫ নভেম্বর শাখরা বিওপির কুলিয়া রোডের ঋষিপাড়া বড় বাগান এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ২ কেজি ৬৬ গ্রাম ভারতীয় হেরোইন জব্দ করা হয়। জব্দ করা হেরোইনের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪১ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লাহ জানান, পৃথক দুটি অভিযানে সর্বমোট ১ কোটি ৩৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা মূল্যের হেরোইন ও মাদক তৈরির কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। পরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে জব্দ করা পদার্থগুলো মাদক ও মাদক তৈরির নিষিদ্ধ উপাদান হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

জেমসসহ সাত ব্যান্ডের ৭ ঘণ্টার কনসার্ট, কখন ও কোথায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
জেমসসহ সাত ব্যান্ডের ৭ ঘণ্টার কনসার্ট, কখন ও কোথায়

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে সংগীতানুষ্ঠান ‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’।

এখানে নগরবাউল জেমসসহ দেশের সাতটি ব্যান্ড ৭ ঘণ্টা সংগীত পরিবেশন করবেন।

দর্শকদের জন্য কনসার্টে প্রবেশ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ গান শুনতে কোনো টিকিট লাগবে না।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে এই কনসার্ট। এতে জেমসের ‘ছাড়াও অংশ নেবে ‘মাইলস’, ‘ওয়ারফেজ’, ‘শিরোনামহীন’, ‘আর্টসেল’, ‘মেকানিক্স’, ও ‘ফিডব্যাক’।

আয়োজকদের সূচি অনুযায়ী, বিকাল ৩টায় দর্শকদের জন্য ভেন্যুর গেট খুলে দেওয়া হবে। সংগীত পরিবেশনা শুরু হবে বিকেল ৪টায়।

একই মঞ্চে দেশের সাতটি জনপ্রিয় ব্যান্ডের পরিবেশনা ঘিরে সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে ইতিমধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জেমস, ওয়ারফেজ, মাইলস ও আর্টসেলের পরিবেশনা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন তাদের ভক্তরা।

কনসার্টে অংশ নেওয়ার খবর জানিয়ে শ্রোতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে ব্যান্ড ওয়ারফেজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যান্ডটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘একটি শহর, একটি মঞ্চ, সাতটি আইকনিক সংগীত পরিবেশনা। ঐক্য ও সংহতির এক অনন্য চেতনা। প্রস্তুত হোন এক অবিস্মরণীয় সংগীত আয়োজনের জন্য।’