বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

‘আর্জেন্টাইনরা আমাদের কিছুই দেয়নি’, মেসির বিদায়ী ম্যাচে বেনিন কোচের ক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ
‘আর্জেন্টাইনরা আমাদের কিছুই দেয়নি’, মেসির বিদায়ী ম্যাচে বেনিন কোচের ক্ষোভ

লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচে প্রতিপক্ষ ছিল বেনিন। তবে ম্যাচশেষে আর্জেন্টিনার আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বেনিনের কোচ জেরনো রোর।

ম্যাচশেষে লিওনেল মেসির সঙ্গে ছবি তোলা কিংবা জার্সি বদল করতে পারেননি বেনিনের খেলোয়াড়েরা। এমনকি আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমের কাছেও যেতে দেওয়া হয়নি তাদের। এমন অভিযোগ করেছেন তাদের কোচ জেরনো রোর।

ফরাসি রেডিও আরএমসির এক অনুষ্ঠানে নিজের হতাশার কথা জানান রোর। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা অত্যন্ত কঠিন ছিল। আমরা চেষ্টা করেছি। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, আর্জেন্টাইনরা আমাদের কিছুই দেয়নি। মেসির সঙ্গে কোনও ছবি নয়, কোনও জার্সিও নয়। এমনকি আমাদের টানেলে বা ড্রেসিংরুমেও ঢুকতে দেওয়া হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিরাপত্তাকর্মীরা কাউকেই ঢুকতে দেয়নি। কয়েকজন খেলোয়াড় জার্সি বদল করতে গিয়েছিল। আমরা বুঝতে পেরেছিলাম কাজটা কঠিন হবে। আমরা সবকিছু চেষ্টা করেছি, কিন্তু কিছুই পাইনি।’

বেনিনের পক্ষ থেকেও মেসির জন্য উপহার দেওয়ার চেষ্টা ছিল। দেশটির জাতীয় পতাকার রংয়ের আদলে সাজানো লাল, হলুদ ও সবুজ রঙের ফুলের তোড়া নিয়ে গিয়েছিল তারা। কিন্তু সেটিও মেসির কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানান রোর।

তবে শেষ পর্যন্ত মেসির একটি স্মৃতি ঠিকই সঙ্গে করে ফিরেছেন বেনিন কোচ। ২০১৮ সালের মেসির একটি জার্সি তিনি আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির হাতে দেন। স্কালোনি সেটিতে স্বাক্ষর করিয়ে পরে জার্সিটি রোরকে ফিরিয়ে দেন।

রোর বলেন, ‘আমি মেসির ২০১৮ সালের একটি জার্সি স্কালোনিকে দিয়েছিলাম। তিনি মেসির কাছ থেকে সেটিতে স্বাক্ষর করিয়ে আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। এটাই শুধু পেয়েছি।’

Ads small one

দেবহাটায় বাল্যবিবাহকে লালকার্ড দেখানো কিশোরীদের মাঝে প্রণোদনার চেক প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় বাল্যবিবাহকে লালকার্ড দেখানো কিশোরীদের মাঝে প্রণোদনার চেক প্রদান

সংবাদদাতা: ‘আর নয় বাল্যবিয়ে, এগিয়ে যাব স্বপ্ন নিয়ে, করলে সঞ্চয় ২০০ টাকা, সরকার দেবে ৪০০ টাকা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার দেবহাটায় কিশোরী ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে কিশোরীদের মধ্যে বিনামূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উপকরণ এবং সঞ্চয়ের বিপরীতে প্রণোদনার চেক বিতরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) উপজেলার সখীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) পরিচালিত ইরেসপো প্রকল্পের আওতায় সখীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় পল্লী উন্নয়ন কিশোরী সংঘ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধের পাশাপাশি কিশোরীদের মধ্যে সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা, শিক্ষা অব্যাহত রাখা এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানো এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। নিয়মিত সঞ্চয়ের মাধ্যমে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় কাজে অর্থনৈতিক সহায়তার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ইরেসপো প্রকল্পের আওতায় ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া সখীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উপকরণ এবং সঞ্চয়ের বিপরীতে প্রণোদনার চেক হস্তান্তর করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের জমাকৃত সঞ্চয় ৬৩ হাজার ৮০০ টাকা এবং সরকার প্রদত্ত প্রণোদনা হিসেবে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯১৯ টাকা দেওয়া হয়।

এ ছাড়া দেবহাটা উপজেলার দুটি বিদ্যালয়ের প্রায় ২০০ কিশোরী বাল্যবিয়ে না করার শপথ নিয়ে প্রকল্পের সুবিধাভোগী হয়েছে বলে জানানো হয়।

সখীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ তহিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মৃদুল সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা। বক্তব্য দেন বিআরডিবি সাতক্ষীরার উপপরিচালক আফরুজ্জামান, দেবহাটা উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা সন্দীপ মন্ডল, শিক্ষার্থী তাহেরা ইসলামসহ অন্যরা।

বক্তারা বলেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। কিশোরীদের শিক্ষা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা, সঞ্চয়ের অভ্যাস ও আত্মনির্ভরশীলতার সুযোগ তৈরি করতে হবে।

আয়োজকেরা জানান, শিক্ষা, সচেতনতা ও সঞ্চয়ের মাধ্যমে কিশোরীদের বাল্যবিয়ের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখা সম্ভব। একই সঙ্গে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে তোলার আত্মবিশ্বাসও তৈরি হবে।

 

আশাশুনিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

oplus_2

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডুর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ও বক্তারা আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র, আশাশুনি থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ শাহিদুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নীলকণ্ঠ সম, বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, জামায়াতের নায়েবে আমির নুরুল আফসার মর্তুজা, পিআইও মোঃ আমিরুল ইসলাম, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস, শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওঃ আবু বকর সিদ্দিক, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগ, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি তুষার কান্তি বোস (পিংকাই) এবং উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার বৈদ্য।

সভায় বক্তারা বলেন, দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যেরও উৎসব। তাই পূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, গুজব, উসকানি কিংবা বিকৃঙ্খলা যাতে সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পূজা মন্ডপগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা আরও বলেন, প্রতিটি পূজা মন্ডপে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিদের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ধরনের গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়লে যাচাই ছাড়া তা প্রচার না করার আহ্বান জানানো হয়।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। প্রতিটি মন্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে জমি দখল, জাল কাগজে ঋণ গ্রহণ ও অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে জমি দখল, জাল কাগজে ঋণ গ্রহণ ও অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

oplus_2

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে মো. মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জমি দখল, জাল কাগজপত্র তৈরি করে ব্যাংক ঋণ গ্রহণ, হুমকি ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. আব্দুল হাই (৫২) নামে এক ব্যবসায়ী।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ৩টায় আশাশুনি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন উপজেলার বুধহাটা গ্রামের মৃত মনিরুদ্দীন সরদারের ছেলে আব্দুল হাই।

লিখিত বক্তব্যে আব্দুল হাই বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বুধহাটা ইউনিয়নে সুনামের সঙ্গে অটো রাইস মিল ও চাতাল ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। পাশাপাশি গত ১০-১৫ বছর ধরে সরকারি কর পরিশোধের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের আশাশুনি শাখার খাদ্যগুদামে চাল সরবরাহ করে আসছেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সহযোগিতা এবং দরিদ্র মানুষের পাশে থাকার দাবিও করেন।

আব্দুল হাই অভিযোগ করেন, তার সুনাম ক্ষুণœ করতে নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত এমান আলী গাজীর ছেলে মো. মিজানুর রহমান গত ৭ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন’ সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

তিনি বলেন, বুধহাটা গ্রামের মৃত তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে মো. মোতাহার হোসেনের কাছ থেকে ৪০৬৮ নম্বর কবলা দলিলের মাধ্যমে তিনি জমি ক্রয় করেন। সংশ্লিষ্ট খারিজ খতিয়ান ২৩০৫ নম্বরের ২৭০৫, ২৭০৬ ও ২৭১০ দাগে জমির উল্লেখ রয়েছে। তার দাবি, ক্রয়কৃত জমির মধ্যে ৫.২৯ শতক জমি মিজানুর রহমান জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন।

আব্দুল হাই আরও অভিযোগ করেন, জমির দখল বুঝে নিতে চাইলে মিজানুর রহমান বিভিন্নভাবে তালবাহানা ও ষড়যন্ত্র করতে থাকেন। পরে দখল উদ্ধারের জন্য তিনি আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। আইনকৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে পুলিশ নোটিশ জারি করে এবং ওই জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

তার অভিযোগ, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিজানুর রহমান রাতের আঁধারে লোকজন নিয়ে পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু করেন। এছাড়া জমির কাগজপত্র জাল করে ভুয়া নামজারি ও খাজনা দাখিলা তৈরি করে সোনালী ব্যাংকের বুধহাটা শাখা থেকে ৩০ লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার অভিযোগও করেন আব্দুল হাই।

তিনি বলেন, তার ক্রয়কৃত জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণে বাধা দিলে তাকে চাঁদাবাজির মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ১৪৫ ধারার আদেশ অমান্যের অভিযোগে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ১৮৮ ধারায় মামলা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন তিনি।

এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মো. ইউনুচ আলীর বসতভিটা ভাঙচুরের ঘটনায়ও মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল হাই তার বিরুদ্ধে করা অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে ক্রয়কৃত জমির দখল বুঝে পেতে এবং অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।