বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

ইসলামকাটি দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিদায় সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
ইসলামকাটি দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিদায় সংবর্ধনা

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটার ইসলামকাটি এস এন আই দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুল মজিদের অবসর গ্রহণ উপলক্ষে এক বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে দায়িত্ব পালন শেষে অবসরে যাওয়া এই শিক্ষককে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিদায় জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদ্রাসা মিলনায়তনে আয়োজিত এই স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দলুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম হায়দার আলী।
সভায় বিদায়ী সুপারের কর্মময় জীবনের ওপর আলোকপাত করে বক্তব্য দেন অধ্যাপক এম আনিসুর রহমান, পাটকেলঘাটা আদর্শ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক এম এ মান্নান, মাদ্রাসার শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, মাওলানা আব্দুল মজিদের মেধা ও দিকনির্দেশনায় মাদ্রাসাটি এলাকায় একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠেছে। আলোচনা সভা শেষে তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাঁকে বিভিন্ন উপহারসামগ্রী দেওয়া হয় এবং পরে এক মোটরসাইকেল ও কার শোভাযাত্রার মাধ্যমে সসম্মানে তাঁকে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

Ads small one

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের এই বেহাল দশা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের এই বেহাল দশা

oplus_0

একটি জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রের সড়ক কতটা জরাজীর্ণ ও কদর্য হতে পারে, তার এক চরম ও দুঃখজনক নজির হয়ে দাঁড়িয়েছে সাতক্ষীরা শহরের তুফান মোড় থেকে পিএন স্কুল মোড় পর্যন্ত সড়কটি। সামান্য বৃষ্টিতেই এই ব্যস্ততম জনপদটি যেভাবে কাদা, পানি আর ছোট-বড় গর্তে একাকার হয়ে ডোবার রূপ নেয়, তা কেবল নাগরিকদের চরম দুর্ভোগেরই বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা ও উদাসীনতারও এক স্পষ্ট দলিল।
গত বুধবার সকালের সামান্য গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতেই সড়কটির যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা এককথায় অবর্ণনীয়। মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ মিটারের এই সড়কটির পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে হাজার হাজার মানুষ, বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং কর্মজীবীরা যাতায়াত করেন। খানাখন্দে ভরা এই রাস্তায় যানবাহনের চাকা পড়ে নোংরা পানি ছিটকে পথচারীদের পোশাক নষ্ট হওয়া কিংবা রিকশা-ইজিবাইক উল্টে দুর্ঘটনা ঘটা এখন এখানকার নিত্যদিনের স্বাভাবিক চিত্র। বৃষ্টি হলে এই পথ দিয়ে হেঁটে যাওয়ারও কোনো জো থাকে না। শুধু পথচারীই নন, সড়কের দুই ধারের ব্যবসায়ীরাও কাদা আর নোংরা পানির ছিটায় অতিষ্ঠ, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে তাঁদের জীবিকায়।
একটি শহরের অন্যতম জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের এই কঙ্কালসার দশা দীর্ঘদিন ধরে কীভাবে অপরিবর্তিত থাকে, সেই প্রশ্ন এড়ানো যাবে না। সড়কটি সংস্কারে দীর্ঘদিন ধরে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ না থাকা অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। নাগরিকেরা নিয়মিত কর পরিশোধ করেও যদি ন্যূনতম যাতায়াত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন এবং প্রতিদিন কাদা-পানি মাড়িয়ে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হন, তবে সেই ব্যর্থতার দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষের ওপরই বর্তায়।
আমরা মনে করি, পৌরবাসীর এই সীমাহীন ভোগান্তি আর দীর্ঘায়িত হতে দেওয়া যায় না। জনস্বার্থ ও নাগরিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অবিলম্বে তুফান মোড়-পিএন স্কুল সড়কটির সংস্কার কাজে হাত দেওয়া জরুরি। জোড়াতালির কোনো সাময়িক মেরামত নয়, বরং স্থায়ী ও টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনাসহ সড়কটি দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা হোকÑএটাই ভুক্তভোগী পৌরবাসীর প্রত্যাশা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই দশা থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, এটাই আমরা আশা করি।

সাতক্ষীরায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের সূচনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের সূচনা

পত্রদূত ডেস্ক: “হে অশান্ত মুক্ত-কেতু! তোমার চরণে নমস্কার।/তুমি এসেছ আলো ছড়াতে, শৃঙ্খল ভাঙার গান গাইতে।” জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্য, দ্রোহ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মননে বুনে দেওয়ার প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় শুরু হলো ‘নজরুল বর্ষ’। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে রাজধানী ঢাকার তেজগাঁওস্থ কার্যালয় থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে একযোগে দেশের ৬৪টি জেলায় এই বিশেষ বর্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
নজরুল বর্ষের এই শুভ সূচনা উপলক্ষে সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কবি নজরুলের কালজয়ী সৃষ্টি, জীবনদর্শন এবং মানবতার বাণী নিয়ে মুখরিত হয়ে ওঠে আয়োজনটি।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ কাউছার আজিজের সভাপতিত্বে এই আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা-বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ পরিদর্শক (সদর সার্কেল) শাহিনুর চৌধুরী। আয়োজনে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নজরুল কেবল কোনো নির্দিষ্ট কাল বা গোষ্ঠীর কবি নন; তিনি বাঙালির চিরন্তন প্রেরণার উৎস। তাঁর সাহিত্য ও সংগীতের যে মূল সুরÑঅসাম্প্রদায়িকতা ও মানবিক মূল্যবোধ, তা আজ সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া বড্ড বেশি প্রয়োজন। নতুন প্রজন্মকে নজরুলের জীবন ও সৃষ্টির সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার ওপর জোর দেন তাঁরা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, এই উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরায় নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। কবির এই জন্মজয়ন্তী উদ্যাপনে বছরজুড়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে সাহিত্য আসর, সাংস্কৃতিক উৎসব এবং শিক্ষামূলক নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।

সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ কেন্দ্রে চরম গাফিলতি: ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ কেন্দ্রে চরম গাফিলতি: ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে (কেন্দ্র কোড: সাতক্ষীরা- ২৬২) এক নজিরবিহীন ও চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনেই ২০২৬ সালের নিয়মিত এক পরীক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে বাংলা প্রথম পত্র (বিষয় কোড: ১০১) পরীক্ষা নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, যশোর বোর্ডের অধীনে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের নিয়মিত বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মো: এজাজ আহমেদ (রোল নং: ৫২০০৮০, রেজিস্ট্রেশন নং: ২১১৩৩১৫২৬৬, সেশন: ২০২৪-২০২৫) সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে বসেন। পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তিনি একজন সম্পূর্ণ নিয়মিত পরীক্ষার্থী। অথচ পরীক্ষার হলে তাকে ২০২৬ সালের নিয়মিত সিলেবাসের পরিবর্তে [২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী] মুদ্রিত ‘ঘ’ সেটের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়।
এদিকে শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনাবলী সম্বলিত অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ ছিল যে নিয়মিত (সেশন: ২০২৪-২০২০) পরীক্ষার্থীরা ২০২৬ সালের অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। অনিয়মিত/মানোন্নয়ন (সেশন: ২০২৩-২০২৪ ও পূর্বের) পরীক্ষার্থীরাই কেবল ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
কিন্তু কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতির কারণে নিয়মিত পরীক্ষার্থীর হাতে অনিয়মিতদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অভিভাবক আবুল কালাম বলেন, বোর্ডের এত কড়া নির্দেশনার পরও কেন্দ্র সচিব আর হল পরিদর্শকরা কীভাবে এত বড় ভুল করলেন, তা আমাদের মাথায় আসছে না। আমার ছেলের পুরো বছরের কষ্ট, পড়াশোনা আর ভবিষ্যৎ এখন এই চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে হুমকির মুখে পড়েছে। আমরা এখন তীব্র উদ্বেগের মধ্যে আছি। আমরা যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে জোরালো দাবি জানাচ্ছি, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আমার ছেলের খাতা যেন বিশেষ বিবেচনায় সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়।
এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীর পরীক্ষা হয়তো পুরোটা বাতিল হবে না, তবে ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হবে। যেহেতু সে নিয়মিত শিক্ষার্থী, তাই নিয়মানুযায়ী বোর্ডের কম্পিউটারে তার উত্তরপত্র ২০২৬ সালের নিয়মিত সিলেবাসের সেট কোড অনুযায়ী মূল্যায়ন করা হবে। কিন্তু তার পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্নে। দুই সিলেবাসের মধ্যে বেশ কিছু অধ্যায়ের পার্থক্য রয়েছে, যার কারণে ২০২৬ সালের উত্তরপত্রের সমাধানের সাথে তার দেওয়া উত্তর মিলবে না। ফলে ফলাফল বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা শতভাগ।
তিনি আরও বলেন, এখানে সরাসরি কেন্দ্র সংশ্লিষ্টদের গাফিলতি রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ রক্ষায় দ্রুত বোর্ডে যোগাযোগ করতে হবে। সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ এবং সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজের কেন্দ্র সচিবের মাধ্যমে দ্রুত যশোর শিক্ষা বোর্ডে লিখিতভাবে বিষয়টি জানাতে হবে। পরীক্ষার্থীর রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং খাতার নম্বর উল্লেখ করে কলেজের অফিসিয়াল প্যাডে বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে যে, অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে এই শিক্ষার্থী ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে। বোর্ডকে আগে থেকে লিখিতভাবে না জানালে রেজাল্ট প্রকাশের সময় এটি আর সংশোধন করা সম্ভব হবে না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজের অধ্যক্ষ একেএম সফিকুজ্জামান বলেন, পরীক্ষার হলে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণের বিষয়টি আমাকে আগে জানানো হয়নি। এ ধরনের ক্ষেত্রে যদি কোনো কক্ষ পরিদর্শক ভুলক্রমে ভুল সিলেবাসের প্রশ্ন দিয়েও থাকেন, তবে পরীক্ষার্থীর নিজেরই তো সবার আগে বোঝার কথা। কারণ, পরীক্ষার শুরুতে কক্ষ পরিদর্শকদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানতে চাওয়া হয় যে, কারা কোন সিলেবাসের পরীক্ষার্থী এবং সেই অনুযায়ীই প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। একই বেঞ্চে দুই সিলেবাসের শিক্ষার্থী পাশাপাশি বসে পরীক্ষা দেওয়ার সময় কোনো শিক্ষার্থী ভুল প্রশ্ন পেলে তাৎক্ষণিকভাবেই তার পরিদর্শককে জানানো উচিত ছিল যে সে এই সিলেবাসের শিক্ষার্থী নয়।
পরীক্ষা শেষে এখন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের আর কিছু করার নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরীক্ষার্থীর প্রশ্নপত্র পাওয়ার পর ২-১০ মিনিটের মধ্যেই ভুলটি বুঝে ওঠার কথা ছিল। এখন পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পর আমাদের আসলে কিছু করার নেই। এটি পরীক্ষার্থীর অসচেতনতা ও ত্রুটি হিসেবেই গণ্য হবে। পরীক্ষা হয়ে যাওয়ার পর কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের পক্ষে এখন এই ভুল সংশোধন বা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। তবে আগামী দিনের পরীক্ষাগুলোতে যাতে এ ধরনের ভুল আর না ঘটে, সে ব্যাপারে আমরা কক্ষ পরিদর্শক ও শিক্ষকদের আরও বেশি সতর্ক থাকার নির্দেশ দেব।