সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩

উপকূলের পরিবেশকর্মী আব্দুল হালিমের সংগ্রাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
উপকূলের পরিবেশকর্মী আব্দুল হালিমের সংগ্রাম

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের চরম ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় জনপদ সাতক্ষীরার শ্যামনগর। এই উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নেরই সন্তান আব্দুল হালিম। নদী, খাল ও সুন্দরবন ঘেরা এই জনপদে জন্ম নেওয়া হালিম শৈশব থেকেই প্রকৃতির রুদ্ররূপ দেখে বড় হয়েছেন। সিডর, আইলা, বুলবুল, আম্পান কিংবা ইয়াসের মতো একের পর এক প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাঁধ ভেঙে চুরমার হওয়া এবং মানুষের ঘরবাড়ি-ফসলি জমি লবণাক্ত পানিতে তলিয়ে যাওয়ার নির্মম সাক্ষী তিনি।
তবে আব্দুল হালিম কেবল একজন নীরব দর্শক হয়ে থাকেননি। দুর্যোগের প্রতিটি মুহূর্তে তরুণদের সংগঠিত করে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েছেন মানুষের সেবায়। বানভাসি মানুষকে উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া, খাবার পানি ও ত্রাণ বিতরণসহ বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন পরম মমতায়। নীলডুমুর বাজারের পাশে আলাউদ্দিন মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় ওয়াপদা বেড়িবাঁধের পাশে একটি সরকারি পেরিফেরি জায়গায় তাঁর বসবাস। বাবা আমজাদ হোসেন মোল্লা একসময় বনজীবী ছিলেন, বর্তমানে তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছেন। মেজ ছেলে আব্দুল হালিমের এমন নিঃস্বার্থ মানবিক কাজে বাবাও বেশ গর্ববোধ করেন এবং সবসময় উৎসাহ দেন।
আব্দুল হালিমের বাড়িটির ঠিক সামনেই খোলপেটুয়াসহ তিনটি নদীর মোহনা। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস পেলেই তিনি স্থানীয়দের সচেতন করতে নেমে পড়েন। বাঁধ রক্ষা আন্দোলন, পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে তিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিশেষ করে আইলা-পরবর্তী সময়ে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে তিনি একাধিক সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সুন্দরবনকে উপকূলের প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ বিবেচনা করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নদী দূষণ রোধেও কাজ করছেন তিনি।
হালিম বিশ্বাস করেন, উপকূলকে বাঁচাতে হলে প্রকৃতিকে বাঁচাতে হবে। তাঁর এই নিঃস্বার্থ জীবনের গল্প কেবল এক ব্যক্তির গল্প নয়, বরং এটি দুর্যোগের মুখে উপকূলের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার এক অনন্য প্রেরণা।

Ads small one

খোলপেটুয়ার জেলের জালে ১৫ কেজির ভেটকি, দেখতে ভিড় স্থানীয়দের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
খোলপেটুয়ার জেলের জালে ১৫ কেজির ভেটকি, দেখতে ভিড় স্থানীয়দের

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খোলপেটুয়া নদীতে ধরা পড়েছে প্রায় ১৫ কেজি ওজনের একটি বড় আকৃতির কুরাল (ভেটকি) মাছ।

রবিবার সকালে কাপষন্ডা গ্রামের জেলে মোঃ রবিউল ইসলাম গাজীর জালে মাছটি ধরা পড়ে। এর আগেও তার জালে ৮কেজি ও ১২ কেজি ওজনের ২টি মাছ ধরা পড়েছিল। বড় আকারের মাছটি ঘাটে তোলা হলে তা দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

জেলে রবিউল ইসলাম গাজী জানান, প্রতিদিনের মতো ভোরে তিনি খোলপেটুয়া নদীতে মাছ ধরতে যান।
কিছু সময় পর জাল তুলতে গিয়ে অস্বাভাবিক ভার অনুভব করেন। পরে কয়েকজনের সহায়তায় জাল ওপরে তুললে বড় আকৃতির কুরাল মাছটি দেখতে পান। মাছটি তীরে এনে ওজন করলে প্রায় ১৫ কেজি পাওয়া যায়।

স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, খোলপেটুয়া নদীতে কুরাল বা ভেটকি মাছ পাওয়া গেলেও এত বড় আকারের মাছ খুব ঘন ঘন ধরা পড়ে না। নদীতে বড় মাছের সংখ্যা আগের তুলনায় কমে যাওয়ায় এমন ঘটনা এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মাছটি দেখতে স্থানীয় বাসিন্দারা নদীর ঘাটে ভিড় করেন। অনেকে ছবি তোলেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ দেখা যায়।

স্থানীয়দের মতে,নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও উপযুক্ত মৌসুমে এখনো মাঝেমধ্যে বড় আকারের দেশীয় মাছ ধরা পড়ছে,যা জেলেদের জন্য আশার বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দেবহাটায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলা মডেল মসজিদের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা।

এসময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা অলিউল ইসলাম, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর. কে. বাপ্পা, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম এবং সখিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন বকুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মিলন সাহা বলেন, “প্রতিবন্ধীরা আমাদের বোঝা নয়, তারা আমাদের সম্পদ। প্রতিটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এছাড়া শারীরিকভাবে অক্ষম ও অসহায় মানুষের প্রয়োজনীয় সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে বলেও আশ্বস্ত করেন।

সাতক্ষীরা পুলিশের উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা পুলিশের উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় হারিয়ে যাওয়া ২৪টি মোবাইল ফোন ও বিকাশের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়া ৩৮ হাজার টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে সোমবার সকালে এসব ফোন ও টাকা হস্তান্তর করেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো: আশরাফুল আলম।

এসময় পুলিশ সুপার বলেন, সাতক্ষীরা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের চৌকস টিম চলতি বছরের জুন মাসের আগে হারিয়ে যাওয়া ২৪টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে দেশের বিভিন্ন স্থান হতে উদ্ধার করে। এছাড়া বিকাশের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়া ৩৮ হাজার টাকা উদ্ধার করে ৩ জন ভুক্তভোগীর হাতে প্রদান করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, সাতক্ষীরায় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল চালু হওয়ার পর থেকে খোয়া যাওয়া ১ হাজার ৭শ’ ৩টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া প্রতারিত হওয়া প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ভুক্তভোগীদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনূর রহমান, মিথুন সরকার প্রমুখ।