বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের বিপক্ষে হারলো বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের বিপক্ষে হারলো বাংলাদেশ

তৌহিদ হৃদয়ের দুর্দান্ত একক লড়াই সত্ত্বেও এশিয়ান গেমস পুরুষ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ফাইনালে ওঠা হলো না বাংলাদেশের। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাপানের নিশিন শহরের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে স্বর্ণপদকের ম্যাচে জায়গা করে নিয়েছে পাকিস্তান।

বৃষ্টিভেজা আউটফিল্ডের কারণে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ নির্ধারিত ১৩ ওভারে ৭ উইকেটে ১১১ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৯ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই কাঙ্ক্ষিত জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।

বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হতে বিলম্ব হওয়ায় আম্পায়াররা ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমিয়ে ওভারপ্রতি ১৩ ওভারে নামিয়ে আনেন। টস জিতে পাকিস্তানকে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের আমন্ত্রণ জানান দলটির অধিনায়ক।

কার্টেল ওভারের এই ম্যাচে বাংলাদেশের শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি। সাইম আইয়ুব ও আরাফাত মিনহাসদের স্পিন আক্রমণে মাত্র ২১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুর পাওয়ারপ্লেতেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তানজীদ হাসান (১৭), অধিনায়ক লিটন দাস (২) ও পারভেজ হোসেন ইমন দ্রুত বিদায় নেন। চতুর্থ উইকেটে লড়াই করার চেষ্টা চালান সাইফ হাসান, তবে ১৯ রানে তিনি এলবিডব্লিউর শিকার হলে ৪৫ রানে ৪ উইকেট হারায় লাল-সবুজরা।

এমন নাজুক পরিস্থিতি থেকে দলের হাল ধরেন তৌহিদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক হোসেন। পঞ্চম উইকেটে দুজনে মিলে মাত্র ৩০ বলে ৫৩ রানের একটি মারকুটে জুটি গড়ে দলকে একশ রানের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান। তৌহিদ হৃদয় ২৫ বলে ৪২ রানের এক আগ্রাসী ইনিংস খেলেন। তবে ইনিংসের শেষ দিকে সুফিয়ান মুকিমের ঘূর্ণিতে টানা ২ বলে তৌহিদ ও মোসাদ্দেক বিদায় নিলে রান তোলার গতি সামান্য থমকে দাঁড়ায়। শেষ দিকে মাহেদী হাসানের এক চারে নির্ধারিত ১৩ ওভারে ১১১ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। সুফিয়ান মুকিম ২৬ রান দিয়ে ৩টি উইকেট তুলে নেন।

১১২ রানের মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ বোলারদের তোপে পাকিস্তানও শুরুতে অস্বস্তিতে পড়েছিল। দলীয় ৫৩ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। সাহেবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব ও উসমান খানকে দ্রুত ফিরিয়ে দিয়ে জয়ের আশাও জাগিয়েছিল লাল-সবুজের বোলাররা।

তবে ইনিংসের অষ্টম ওভার থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পাকিস্তান। পঞ্চম উইকেটে আবদুল সামাদ ও হাসান নওয়াজ অবিচ্ছিন্ন ৫৯ রানের ম্যাচজয়ী জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন। বিশেষ করে আবদুল সামাদ বাংলাদেশ বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে মাত্র ১৫ বলে ৩০ রানের এক টর্নেডো ইনিংস উপহার দেন। অন্যপ্রান্তে ২২ বলে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন হাসান নওয়াজ। বাংলাদেশ বোলারদের সুযোগ না দিয়ে ১১.৩ ওভারেই ১১২ রান তুলে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।

প্রথম সেমিফাইনালে হেরে স্বর্ণ ও রৌপ্যের দৌড় থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ দল। তবে টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দলের সফর এখানেই শেষ হচ্ছে না। আগামী ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রোঞ্জ পদকের খেলায় (তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ) মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড:

বাংলাদেশ: ১১১/৭ (১৩ ওভার)

(তৌহিদ হৃদয় ৪২, সাইফ হাসান ১৯, তানজীদ হাসান ১৭; সুফিয়ান মুকিম ৩/২৬)

পাকিস্তান: ১১২/৪ (১১.৩ ওভার)

(আবদুল সামাদ ৩০, হাসান নওয়াজ ২৭*, উসমান খান ১৪; মাহেদী হাসান ১/১৭, মুস্তাফিজুর রহমান ১/৪১)*

ফলাফল: পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী।

Ads small one

কয়রায় ঐতিহ্যবাহী ঘুগরাকাটী লঞ্চঘাটের জেটি নির্মাণ কাজ উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
কয়রায় ঐতিহ্যবাহী ঘুগরাকাটী লঞ্চঘাটের জেটি নির্মাণ কাজ উদ্বোধন

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ঘুগরাকাঠি লঞ্চঘাটে বিআইডব্লিউটিএ পল্টনের জেটি নির্মাণ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার দুপুরে জেটিটির উদ্বোধন করেন সুইমিং একাডেমির পরিচালক ও বাগালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব জি এম আজগর আলীর বড় ছেলে জি এম রেজাউল ইসলাম।

এ সময় ইউপি সদস্য আজিজুর রহমান, সমাজ সেবক এস এম সুমন রহমান, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, মো. জাহিদুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, জেটিট নির্মাণের ফলে এখন আর লঞ্চে যাত্রীদের উঠানামায় আর কোন অসুবিধা হবে না। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সুধীমহল।

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যেতে পাইকগাছার জেলে পল্লীতে ব্যাপক প্রস্তুতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যেতে পাইকগাছার জেলে পল্লীতে ব্যাপক প্রস্তুতি

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): শীত মৌসুমে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য পাইকগাছার জেলে পল্লীগুলোতে এখন ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। দিন রাত কাজ আর ব্যস্ততায় মালোপাড়ায় উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। নতুন ট্রলার তৈরি এবং পুরাতন ট্রলার মেরামত, জাল বুনা ও জাল শুকানোর কাজের ধুম পড়ে গেছে। জেলে পল্লীর নারী-পুরুষ ও শ্রমিকরা সুন্দরবনের দুবলার চরে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র গোছাতে কর্মব্যস্ত দিন কাঁটাচ্ছে।

মহাজনের চড়াসুদে ও দাদনে টাকা নিয়ে জীবন-জীবিকার তাগিতে আশা-হতাশায় সাগর যাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছে জেলেরা।

মহাজনের কাছ থেকে সুদে টাকা নিয়ে তারা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। সাগরে ধরা মাছ বিক্রি করে ঋণের টাকা পরিশোধ করবে জেলেরা জানায়।
পাইকগাছা উপজেলার বোয়ালিয়া, হিতামপুর, মাহমুদকাটী, নোয়াকাটি, কপিলমুনি, কাটিপাড়া, রাড়লী, শাহাপাড়া, বাঁকাসহ বিভিন্ন গ্রামের জেলে পল্লী থেকে প্রায় ২৫০টি ট্রলার সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ সব কাজে বাড়ীর ছোট বড় সবাই সহযোগীতা করছে। নতুন ট্রালার তৈরি, পুরাতন ট্রলারগুলো সংস্কার, জালবুনা, লোহার নোঙ্গর/গ্রাফি, ট্রলারের রং করা, জালে গাবকুটে তার রস লাগানো সহ সমুদ্রে যাওয়ার বিভিন্ন কাজ কর্ম নিয়ে জেলে পল্লীর নারী-পুরুষরা ব্যস্ত দিন কাঁটাচ্ছে।

উপজেলার বোয়ালিয়া মালোপাড়া সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, জেলাপাড়ার নারী-পুরুষ সকলেই সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। মালোপাড়ার দিপঙ্কর, অশোক বিশ্বাস নতুন ট্রলার তৈরী করছে। তাছাড়া সিতেরাম বিশ্বাস, তাপস বিশ্বাস,শংকর বিশ্বাস, বিশ্ব বিশ্বাস, দয়াল মন্ডল তাদের পুরাতন ট্রলারগুলি মেরামত করছে। কপোতাক্ষ নদের তীরে বোয়ালিয়া ব্রীজের দুই পাশে ট্রলার তৈরী ও মেরামতের কাজ চলছে। বোয়ালিয়া মালোপাড়ার বিশ্বজিৎ বিশ্বাস জানায়, সমুদ্রে মাছ ধরতে য়েতে নতুন ট্রলার তৈরী করতে সর্বমোট খরচ পড়ছে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা। পুরাতন ট্রলার মেরামত করতে ২০-৭০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। একটি নতুন ট্রলারে প্রায় ৩ মন পেরেক, এক শত কেজি জলই/পাতাম প্রয়োজন হয়।

 

ট্রালার তৈরি পর ইঞ্জিন বসাতে প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। প্রতিটি ট্রলারে জাল ধরার জন্য ২টি করে নোঙ্গর প্রয়োজন হয়। লোহার তৈরী নোঙ্গর তৈরী করতে খরচ পড়ছে ২৮ হাজার টাকা। প্রতিটি মাছ ধরার জাল তৈরি করতে তাদের খরচ হচ্ছে ৯০ হাজার থেকে ১লাখ টাকা। সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য প্রতি ট্রলারে ২টি জাল প্রয়োজন হয়। প্রতি ট্রলারে জাল ধরার জন্য ৮/১০ জন কর্মচারীর প্রয়োজন হয়। তাদের থাকা-খাওয়া বাদে প্রতি মাসে ১৫/২০ হাজার টাকা বেতন দিতে হয়। সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য ট্রলার প্রতি ৫/৬ মাসে সব কিছু মিলে খরচ পড়ে প্রায় ৭/৮ লাখ টাকা।

মালোপাড়ার সিতেনাথ বিশ্বাস জানান, শীত মৈসুমে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য প্রচুর টাকার প্রয়োজন হয়। ৫ থেকে ৬ মাসের জন্য দুবলার চরে অস্থায়ী জেলে পল্লীতে বাসা বেধে থাকা ও মাছ শুকানোর আড়ত তৈরী করতে হয়। এর জন্য অনেক টাকার দরকার পড়ে। সব টাকা নিজের না থাকায় এলাকার বিভিন্ন মহাজনদের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা দাদন নিতে হয়। ৫ থেকে ৬ মাসের জন্য তারা দাদন নিলেও ১ বছরের হিসাবে টাকা দিতে হয়। প্রতি ১ লাখ টাকায় মহাজনদের প্রতি মাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা সুদ দিতে হয়।

 

জেলেপাড়ার অজয় বিশ্বাস জানান, সরকার আমাদের ব্যাংকের মাধ্যমে লোনের ব্যবস্থা করত তাহলে মাছ ধরে উপার্জিত টাকা ঘরে ফিরে আনতে পারতাম।তা না হলে মহাজনের কাছ থেকে নেওয়া চড়া সুদের টাকা শোধ করার পর উপার্জিত টাকা ঘরে ফিরে আসে না। তাই জেলে পরিবাররা সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছে, শীত মৌসুমে মাছ ধরতে যাওয়া সময় জেলেদেরকে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করলে তারা আর্থিকভাবে স্বচ্ছলতা ফিরে পাবে।

জেলেরা বিভিন্ন মহাজনের অধীনে থেকে সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। মহাজনরা জেলেদের পাস পারমিট করে রাখে। মংলা থেকে পাস নিয়ে জেলেরা মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য দুবলার চরে রওনা দেয়। মংলা হয়ে বলেশ্বর নদী দিয়ে দুবলার চরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে মোংলা ঘুরে দুবলার চরে যেতে পাইকগাছার জেলেদের প্রায় ৩ দিন বাড়তি সময় লাগে এবং খরচ অনেক বেড়ে যায় বলে জেলেরা জানায়।

দূর্গা পূজার পরে জেলেরা মাছ ধরার জন্য সুন্দরবনের দুবলার চরের উদ্দেশ্যে রওনা দিবে। সূত্রে জানাগেছে, বন সুরক্ষার জন্য বনের ১৩টি চর নিয়ে জেলেরা যে মৎস্য পল্লী তৈরি করে। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগর উপকূলে মাছ ধরার মৌসুম শুরু হতে যাচ্ছে। পূর্ব বন বিভাগের অধিনে দুবলা তাই জেলেদের পূর্ব বন বিভাগ থেকে পাশ পারমিট নিতে হবে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে বন বিভাগ সে মত সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ।

দূর্গাপূজার পর উপজেলার বোয়ালিয়া জেলে পল্লীর জেলেরা সকল ট্রলার এক সঙ্গে রওনা দিবে। মংলা হয়ে সুন্দরবনের দুবলার চরে গিয়ে বাসা বেঁধে অবস্থান নিবে। জীবিকার জন্য প্রতি বছর সুমুদ্রে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বনদস্যু ও জলদস্যুদের সাথে জেলেদের জীবন সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হয়। মাছ ধরার জন্য গভীর সমুদ্রে ভয়ংকর,বিক্ষুদ্ধ উত্তাল ঢেউয়ের সংগে যুদ্ধ করে জেলেদের জাল ফেলে মাছ ধরতে হয়।

এতো বিপদের সংগে লড়াই করে তাদের জীবিকা অর্জন করতে হয়। জেলে পল্লী মানুষের আয়ের প্রধান উৎস্য সমুদ্রে মাছ ধরা। তবে এটা যেন তাদের নেশা ও পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই জেলে পল্লীর নারী-পুরুষ সবাই মিলে প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র তৈরী ও গোছাতে দিন রাত কাজ করছে। এই নিয়ে জেলে পল্লীগুলোতে সাগর যাত্রার মহাকর্মযজ্ঞর প্রস্তুতি চলছে।

কপিলমুনিতে ঔষধে ১০ শতাংশ ছাড় না দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে ঔষধে ১০ শতাংশ ছাড় না দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনিতে ঔষধ ব্যাবসায়ীরা ১০ পার্সেন্ট ছাড় না দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও পথসভা করেছেন এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার কপিলমুনি বাজারের মেইন সড়কে কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংকের আয়োজনে এই মানবন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষ।

কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি শেখ আব্দুর রাজ্জাক রাজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আশানুর ইসলাম রনির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, রাখেন পাইকগাছা উপজেলা মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামের আহ্বায়ক ও ব্লাড ব্যাংকের উপদেষ্টা শেখ সেকেন্দার আলী। কপিলমুনি ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মজিদ গাজী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাত্তার গাজী, রুহুল আমিন ফকির, যুবদল নেতা রায়হান গাজী, আতাউর রহমান, জলিল বিশ্বাস, ইমরান গাজী প্রমুখ।

 

মানববন্ধনে কপিলমুনি হরিঢালী ও লতার বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, দেশের সব জায়গায় ঔষধ ব্যাবসায়ীরা জনগণের কথা চিন্তা করে শতকরা ১০ থেকে ১২ ছাড় দেন। কপিলমুনিতেও সেটা চলমান ছিল, কিন্তু কিছু দিন ধরে ব্যবসায়ীরা একজোট হয়ে ছাড় দেয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। তাই দেশের অন্য বাজারের ন্যায় কপিলমুনিতেও ঔষধে ১০ পার্সেন্ট ছাড় দেয়ার দাবি জানান।