বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার স্যার গ্যারি সোবার্স আর নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার স্যার গ্যারি সোবার্স আর নেই

ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার এবং কিংবদন্তি স্যার গ্যারি সোবার্স মারা গেছেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বার্বাডোজে নিজের বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

অনেকের মতেই ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে প্রতিভাবান ও সর্বশ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয় সোবার্সকে। টেস্ট ব্যাটার হিসেবে অনন্য সোবার্স বাঁহাতি পেস বোলিংয়ের পাশাপাশি অর্থোডক্স এবং রিস্ট স্পিন উভয় ধরনের বোলিংয়েই পারদর্শী ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন এক অসাধারণ ফিল্ডার এবং ক্লোজ ইন ক্যাচার। তার এই বহুমুখী গুণের কারণেই সর্বকালের আরেক সেরা ক্রিকেটার স্যার ডোনাল্ড ব্রাডম্যান তাকে ফাইভ-ইন-ওয়ান ক্রিকেটার হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ১৯৫৪ থেকে ১৯৭৪ সালের মধ্যে ৯৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেন সোবার্স। ৫৭.৭৮ গড়ে তিনি রান করেছেন ৮,০৩২ এবং ৩৪.০৩ গড়ে নিয়েছেন ২৩৫টি উইকেট। বিশ্ব ক্রিকেটে তার এই অনন্য অবদানকে সম্মান জানিয়ে পুরুষদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব সংস্করণে বছরের সেরা পারফরমারকে আইসিসির যে প্রধান বার্ষিক পুরস্কার দেওয়া হয়, তার নামকরণ করা হয়েছে ‘র গারফিল্ড সোবার্স ট্রফি।

সোবার্সের প্রয়াণে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে লিখেছে, একটি মহান ইনিংসের সমাপ্তি ঘটলো। আমাদের হৃদয়ে এখন এবং চিরকাল থাকবেন স্যার গারফিল্ড সোবার্স। তবে বিবৃতিতে তার মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

ষোলো বছর বয়সে শুরু, অতঃপর বিশ্ব রেকর্ড

১৯৫৩ সালের জানুয়ারিতে সফরকারী ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে মাত্র ১৬ বছর বয়সে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয় সোবার্সের। সেই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়ে তিনি দলের প্রতিপক্ষকে ফলো-অন করতে বাধ্য করেছিলেন। এর এক বছর পর জ্যামাইকাতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তার টেস্ট অভিষেক হয়। ৯ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে তিনি ১৪ ও ২৬ রান করেন এবং ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ৭৫ রানে ৪ উইকেট নেন।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের টেস্টগুলো তিনি মূলত বোলার হিসেবে খেলেছিলেন। তবে ২৩ বছর বয়সে তিনি তার প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি পান এবং একই সঙ্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সাবিনা পার্কে ১৯৫৮ সালে ৩৬৫ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলে লেন হাটনের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত টেস্ট স্কোরের বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে দেন। এই রেকর্ডটি ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ ছিল, যা পরবর্তীতে ব্রায়ান লারা ভেঙে দেন। সোবার্স নিজে মাঠে উপস্থিত থেকে লারার সেই কীর্তি প্রত্যক্ষ ও উদযাপন করেছিলেন।

সেই রেকর্ড গড়া ইনিংসের এক দশক পর, নটিংহামশায়ারের হয়ে খেলার সময় গ্ল্যামারগনের ম্যালকম ন্যাশের এক ওভারে ছয়টি ছক্কা মেরে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম এই কীর্তি গড়েন সোবার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বার্বাডোজ, নটিংহামশায়ার এবং সাউথ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তার প্রথম শ্রেণির দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ৩৮৩টি ম্যাচ খেলে ৫৪.৮৭ গড়ে ২৮,৩১৪ রান করেছেন এবং ২৭.৭৪ গড়ে ১,০৪৩টি উইকেট নিয়েছেন।

সোবার্স ৯৫টি লিস্ট এ ম্যাচ খেললেও ওডিআই বা ওয়ানডে ক্রিকেটের সূচনালগ্নে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষের দিকে চলে এসেছিল। ফলে তিনি মাত্র একটি আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন, ১৯৭৩ সালে হেডিংলিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। ক্রিকেটে অনন্য সেবার জন্য ১৯৭৫ সালে তাকে নাইটহুড উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এরপর ২০০০ সালে উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক তাকে ব্রাডম্যান, স্যার জ্যাক হবস, স্যার ভিভ রিচার্ডস এবং শেন ওয়ার্নের পাশাপাশি ‘শতাব্দীর সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের’ একজন হিসেবে নির্বাচিত করে।

ছয় আঙুল নিয়ে জন্ম ও ক্যারিবীয়দের স্বপ্নসারথি

১৯৩৬ সালে বার্বাডোজে জন্ম নেওয়া সোবার্স ছিলেন মা-বাবার ছয় সন্তানের মধ্যে পঞ্চম। ১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তার বণিক-নাবিক বাবা মারা যাওয়ার পর মূলত তার মায়ের কাছেই তিনি বড় হন। জন্মের সময় দুই হাতেই তার ছয়টি করে আঙুল ছিল, তবে শৈশবেই অতিরিক্ত আঙুল দুটি অস্ত্রোপচার করে অপসারণ করা হয়। তিনি বাস্কেটবল, ফুটবল এবং গলফসহ সব ধরনের খেলাধুলাতেই পারদর্শী ছিলেন।

ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ড. কিশোর শ্যালো সোবার্সকে ‘পৃথিবীর দেখা সর্বশ্রেষ্ঠ ক্রিকেটার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি সোবার্সের পরিবার, বার্বাডোজ সরকার ও জনগণ এবং বিশ্বজুড়ে তার মৃত্যুতে শোকাহত সকলের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

কিশোর শ্যালো আরও বলেন, ‘একটি জাতির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন একজন ব্যক্তির জীবন প্রজন্মের পর প্রজন্মের আশা, স্বপ্ন এবং পরিচয়ের সঙ্গে মিশে যায়। আজ ক্যারিবীয় অঞ্চল তেমনই একজন মানুষের প্রয়াণে শোকাহত… ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিংয়ে তার দক্ষতা ছিল অতুলনীয়। তবে তার আসল তাৎপর্য বাউন্ডারি লাইনের সীমানা ছাড়িয়ে আরও উঁচুতে পৌঁছেছিল।’

তিনি আরও বলেন, তিনি এমন এক সময়ে ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে উঠে এসেছিলেন যখন আমাদের অঞ্চলটি বিশ্বমঞ্চে নিজের কণ্ঠস্বর ও অবস্থান জানান দিচ্ছিলো। তার এই শ্রেষ্ঠত্বের মাধ্যমে তিনি আমাদের দ্বীপপুঞ্জের এবং প্রবাসী লাখ লাখ মানুষের মনে নতুন করে বিশ্বাসের জন্ম দিয়েছিলেন যে যেকোনও কিছুই সম্ভব। তিনি দেখিয়েছেন যে শ্রেষ্ঠত্ব কোনও দেশের আকার, দ্বীপের ভূগোল বা আমাদের শুরুর পরিস্থিতির গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। স্যার গারফিল্ড সোবার্স কেবল একজন ক্রীড়া আইকন ছিলেন না, তিনি ক্যারিবীয় শ্রেষ্ঠত্ব, স্থিতিস্থাপকতা এবং সম্ভাবনার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। তার অর্জন বার্বাডোজের জন্য গর্ব, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য অনুপ্রেরণা এবং ক্রিকেট বিশ্বের প্রতিটি কোণ থেকে প্রশংসা কুড়িয়ে এনেছিলো।

সূত্র: ক্রিকইনফো

Ads small one

অসময়ে হলুদ তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী সাতক্ষীরার কৃষকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
অসময়ে হলুদ তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী সাতক্ষীরার কৃষকেরা

মীর মোস্তফা আলী: প্রাকৃতিক দূর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় চিংড়ি ঘেরের আইল ও পতিত জমিতে আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে শুরু হয়েছে অসময়ের বা বর্ষাকালীন তরমুজ চাষ। সবজির পাশাপাশি এখন ক্ষেতজুড়ে শোভা পাচ্ছে বাংলালিংক ও আকর্ষণীয় হলুদ জাতের তরমুজ। চলতি মৌসুমে জেলার ১০৮ হেক্টর জমিতে এই তরমুজের সফল আবাদ হয়েছে।
উপকূলীয় সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলাতেই এখন ঝুলছে মিষ্টি ও রসালো এই ফল। বিশেষ করে তালা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলায় বাংলালিংক ও হলুদ তরমুজের ফলন বেশি হয়েছে।
তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের ২৮ জন কৃষক বেসরকারি সংস্থা ‘উন্নয়ন প্রচেষ্টা’ ও পিকেএসএফের সহযোগিতায় ২১ বিঘা জমিতে প্রথম এই হলুদ তরমুজের আবাদ শুরু করেন। মাত্র ৬৫ দিনে ফলন আসায় অল্প খরচে অধিক মুনাফা পাচ্ছেন চাষিরা।
উপজেলার কৃষক ইকবাল, শিপন ও হান্নান জানান, জমি প্রস্তুত, সার, মালচিং পেপার, মাচা ও জাল বাবদ প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হলেও এই ফল বিক্রি করে বিঘা প্রতি ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন তারা। অল্প সময়ে ফলন পাওয়ায় একই জমিতে বছরে দুইবার তরমুজ চাষ করা সম্ভব।
উন্নয়ন প্রচেষ্টার কৃষিবিদ নয়ন হোসেনের মতে, সাতক্ষীরার মাটি অসময়ের তরমুজ চাষের জন্য বেশ উপযোগী। চাকরির পেছনে না ঘুরে শিক্ষিত তরুণরা কৃষি উদ্যোগে যুক্ত হলে নিজেদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি দেশের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে বড় অবদান রাখতে পারবেন।

বইয়ের বিকল্প কেবল বই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
বইয়ের বিকল্প কেবল বই

 

‎তারিক ইসলাম
‎সভ্যতার সূচনা থেকে আজ পর্যন্ত মানবজাতির জ্ঞানচর্চা, মননশীলতা এবং উৎকর্ষ সাধনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত বাহন হলো বই। প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল মাধ্যমের অভূতপূর্ব বিপ্লবের যুগে আজ চারদিকে নানা প্রশ্ন ও সংশয় দানা বাঁধছে—ডিজিটাল স্ক্রিন, ই-বুক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই সময়েও কি বইয়ের আবেদন অপরিবর্তিত থাকবে? নাকি এর কোনো বিকল্প চলে এসেছে? গভীর ও সূক্ষ্মভাবে বিবেচনা করলে একটি সত্যই সামনে ভেসে ওঠে—তা হলো, বইয়ের বিকল্প কেবল আরেকটি বই-ই হতে পারে, অন্য কিছু নয়।
‎আজকের দিনে তথ্য প্রাপ্তির পথ অত্যন্ত সহজলভ্য। ইন্টারনেটের এক ক্লিকেই হাজারো তথ্য, নিবন্ধ ও সারসংক্ষেপ চোখের সামনে চলে আসে। কিন্তু তথ্য আর জ্ঞান এক জিনিস নয়। তথ্য আমাদের সাময়িক কৌতূহল মেটায় বা কাজের সুবিধা করে দেয়, আর জ্ঞান আমাদের ভেতরটাকে সমৃদ্ধ করে, চিন্তাশক্তিকে শাণিত করে এবং জীবনদর্শনের ভিত্তি গড়ে দেয়। এই পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানলাভের একমাত্র এবং প্রধান মাধ্যম হলো বই পড়া। একটি পূর্ণাঙ্গ বইয়ের পাতায় পাতার সঙ্গে যখন একজন পাঠকের চোখ ও মনের সংযোগ ঘটে, তখন সেখানে এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক যাত্রা শুরু হয়, যা কোনো টুকরো তথ্য বা ডিজিটাল স্ক্রিনের ক্ষণস্থায়ী স্ক্রোলিংয়ে পাওয়া অসম্ভব।
‎বই পড়ার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গভীর ও ইন্দ্রিয়গ্রাহী। কাগজের ঘ্রাণ, পাতা উল্টানোর শব্দ এবং একটি আস্ত কাহিনীর ভেতরে ডুবে যাওয়ার অনুভূতি কেবল একটি বস্তুগত বইই দিতে পারে। এর বিপরীতে, ডিজিটাল মাধ্যমে পড়ার সময় মনোযোগ বিক্ষিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেশি থাকে। নোটিফিকেশন, পপ-আপ বিজ্ঞাপন বা ইন্টারনেটের নানা প্রলোভন পাঠকের মনোযোগকে বারবার ছিন্ন করে। ফলে লেখকের মূল ভাবনার গভীরে পৌঁছানো বা তার সাথে মানসিক ঐক্য স্থাপন করা কঠিন হয়ে পড়ে। বই আমাদের এক ধরনের একাগ্রতা শেখায়, যা আজকের দ্রুতগতির বিক্ষিপ্ত যুগে বড় বেশি দুর্লভ।
‎অনেকে মনে করেন, ই-বুক বা অডিওবুক বইয়ের বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। নিঃসন্দেহে এগুলো প্রযুক্তির চমৎকার উপহার এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে অত্যন্ত উপযোগী। কিন্তু এগুলোকে বইয়ের পরিপূরক বলা চলে, বিকল্প নয়। অডিওবুক শোনার সময় আমাদের কল্পনাশক্তির ওপর শ্রোতা হিসেবে একধরনের সীমাবদ্বতা তৈরি হয়, কারণ কথক বা কণ্ঠশিল্পীর উচ্চারণের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হয়। অথচ নিজে বই পড়ার সময় পাঠক নিজেই তার কল্পনার রঙে চরিত্র ও দৃশ্যপটকে জীবন্ত করে তোলেন। বই পড়ার এই সৃজনশীল প্রক্রিয়াটি একান্তই পাঠকের নিজস্ব।
‎সবশেষে বলা যায়, সমাজ পরিবর্তনশীল, প্রযুক্তির রূপ বদলায়, বিনোদনের মাধ্যমও নতুন থেকে নতুনতর হয়; কিন্তু মানুষের মননশীলতার খোরাক জোগাতে বইয়ের আসন চিরকাল অক্ষুণ্ণ থাকে। একটি ভালো বই মানুষের শ্রেষ্ঠ বন্ধু, সুসময়ের আনন্দ এবং দুর্দিনের সান্ত¡না। তাই যত আধুনিকতাই আসুক না কেন, মানুষের বিবেক, বুদ্ধি ও আবেগের সঠিক বিকাশ ঘটাতে বইয়ের স্থান কেউ দখল করতে পারবে না। বইয়ের বিকল্প কেবল বই-ই। লেখক: তারিক ইসলাম, ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

 

কলারোয়ায় হাজী কল্যাণ সংস্থার মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় হাজী কল্যাণ সংস্থার মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় আগামী ২২ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য হাজী সম্মেলন উপলক্ষে কলারোয়ায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে কলারোয়ার মরহুম ডাক্তার আনিসুর রহমান ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলারোয়া উপজেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি ও কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবু নসরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আলহাজ মো. দ্বীন আলী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ গোলাম মোস্তফা। উপজেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কাজী শামসুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইউনুস আলী, শাহীনুর রহমান ও আব্দুর রউফ উপস্থিত ছিলেন।