শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

গুদামের পরিবর্তে ডিলারের বাড়িতে টিসিবি’র পণ্য, প্রশাসনের অভিযানে ধরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
গুদামের পরিবর্তে ডিলারের বাড়িতে টিসিবি’র পণ্য, প্রশাসনের অভিযানে ধরা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: নির্ধারিত গুদামের পরিবর্তে নিজ বাড়িতে টিসিবি’র পণ্য রেখে প্রশাসনের হাতে ধরা খেয়েছে শেখ আব্দুল হাকিম নামে টিসিবি’র এক ডিলার। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে শ্যামনগর পৌর সদরের ঈদগাহ রোডস্থ তার ভাড়া বাড়িতে।

 

উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে টিসিবি’র পণ্য সরবাহের দায়িত্বে থাকা আব্দুল হাকিম একই ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের মৃত শেখ অছিরউদ্ধীনের ছেলে। একই দিনে খুলনা থেকে টিসিবি পণ্য সংগ্রহের পর অপরাপর সব পণ্য গাবুরা ইউনিয়নের নির্দিষ্ট গুদামে পাঠালেও সোয়াবিন তেলের নয়টি কার্টন (প্রতি কার্টনে ১২ টি দুই লিটারের বোতল) কৌশলে তিনি নিজ বাসায় রেখে দেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের লিখিত অভিযোগ সুত্রে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা রাতেই অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হন।

গোলাম মোর্শেদ ও আজিজুল ইসলামসহ স্থানীয়দের ভাষ্য ডিলার হওয়ার সুযোগে আব্দুল হাকিম দীর্ঘদিন ধরে টিসিবি’র কিছু পণ্য কৌশলে বাড়িতে মুজদের পর নকিপুর বাজারের নির্দিষ্ট কিছু দোকানে বিক্রি করে আসছে। ইতিপুর্বে কয়েক দফা চেষ্টা করা হলেও প্রতিবার তিনি কৌশলে স্থানীয়দের ফাঁদ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে নিতেন। এসব গ্রামবাসীর দাবি শুক্রবার রাতে আব্দুল হাকিম একটি ইজি বাইকযোগে কয়েকটি তেল ভর্তি কার্টন বাড়িতে নিয়ে যায়।

এসব গ্রাামবাসী আরও জানায় গুদামের পরিবর্তে নিজ বাড়িতে আব্দুল হাকিম টিসিবি’র পণ্য মুজুদ করছে মর্মে চাঁদনীমুখা গ্রামের মিলন হোসেন উপজেলা প্রশাসনের নিকট রাতেই লিখিত অভিযোগ করেন। একপর্যায়ে শ্যামনগর থানা পুলিশের প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা আব্দুল হাকিমের ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নয়টি কার্টনে রক্ষিত ৬৩টি দুই লিটার সোয়াবিন তেলের বোতল দেখতে পায়। এসময় তেল জব্দ না করে তা আব্দুল হাকিমের জিম্মায় দিয়ে যায় তারা।

অভিযানে অংশ নেয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিও সাদ্দাম হোসেন জানান লিখিত অভিযোগ পেয়ে তারা অভিযানে নামে। শুরুতে আব্দুল হাকিম গাবুরায় অবস্থান করছে জানিয়ে তাদের বিভ্রান্ত করে। তবে কৌশলে খুঁজে বের করে তাকে সাথে নিয়ে বাড়িতে নয়টি কার্টনে থাকা ৬৩টি তেল ভর্তি বোতলের সন্ধান মেলে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামছুজ্জাহান কনক জানান অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। বিধি মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা করে।

 

Ads small one

খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার তুয়ারডাঙ্গার মুচির কোনা এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর উপকূলীয় ওয়াপদা বেড়িবাঁধে ধস নেমেছে। খবর পেয়ে দ্রুত জিওটিউব ফেলে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর শাখা কর্মকর্তা (এসও) আলমগীর হোসেন জানান, দুপুরে বেড়িবাঁধের আনুমানিক ৩০০ ফুট ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং বিকল্প বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত কাজ শেষ না হলে জোয়ারের পানি ঢুকে খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের ১৫ থেকে ২০ হাজার বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পাউবোকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন উপলক্ষে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আগামী ১২ আগস্ট এ দিনব্যাপী চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পির ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল স্থানে লিফলেট বিতরণ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ যেন কোনো খরচ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই ক্যাম্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পার-কুখরালীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধানের বীজতলায় ঘাস মারার বিষ প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে।
পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু সাইদ জানান, তাঁর বাবা ২০০২ সালে জব্বার সরদারের কাছ থেকে জমিটি কেনেন। কিন্তু বিআরএস রেকর্ডে ভুলবশত প্রতিপক্ষের নাম ওঠায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে মামলা (নং ১৯৩৭/২৫) চলমান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মৃত জব্বার সরদারের ছেলে আব্দুর রকিব জমিতে ফসল না করার জন্য পূর্বে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর জমিতে গিয়ে দেখা যায় বীজতলার চারাগুলো বিষ প্রয়োগের কারণে মরে গেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুর রকিব। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবু সাইদ এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।