বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত আশাশুনি: ১০৮টি আশ্রয়কেন্দ্র ও টেকসই বাঁধের ওপর গুরুত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত আশাশুনি: ১০৮টি আশ্রয়কেন্দ্র ও টেকসই বাঁধের ওপর গুরুত্ব

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: উপকূলীয় জনপদ আশাশুনিতে দুর্যোগের ঝুঁকি কমিয়ে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে নামছে প্রশাসন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় উঠে এসেছে আগাম প্রস্তুতির এক বিস্তারিত চিত্র।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জানানো হয়, দুর্যোগকালীন জরুরি আশ্রয়ের জন্য উপজেলায় বর্তমানে ১০৮টি আশ্রয়কেন্দ্র পুরোপুরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন সংস্থাগুলো তাদের নিজ নিজ প্রস্তুতি ও সক্ষমতার কথা তুলে ধরে।
উপকূলীয় এলাকার মানুষের প্রধান দুশ্চিন্তা জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ। সভায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো দ্রুত সংস্কারের দাবি জানানো হয়। সভাপতি তার নির্দেশনায় বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো শিথিলতা সহ্য করা হবে না। বিশেষ করে প্রতাপনগর, শ্রীউলা ও আনুলিয়া ইউনিয়নের মতো প্লাবনঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোতে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় সরকারি ৫০টি দপ্তরের প্রতিনিধি ছাড়াও অংশ নেন বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলো হলোÑ ব্র্যাক, সুশীলন, আইডিয়াল, কারিতাস, বারসিক, উত্তরন ও ইএসডি। মূল আলোচনায় ২৭টি ওয়ার্ডে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং কমিউনিটির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সভায় উপস্থাপন করা হয়। সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নিতিশ কুমার গোলদারসহ কৃষি, মৎস্য, ফায়ার সার্ভিস ও শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। দুর্যোগপ্রবণ এই এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ এবং সময়োপযোগী উদ্ধার তৎপরতাই সাধারণ মানুষের জানমালের রক্ষা কবচ হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Ads small one

বোয়িংয়ের সঙ্গে ৩৭ হাজার কোটি টাকার উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ
বোয়িংয়ের সঙ্গে ৩৭ হাজার কোটি টাকার উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আজ

জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে বড় একটি চুক্তি সই হতে যাচ্ছে। ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে ব্যয় হবে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। বিমানের আধুনিক ইতিহাসে এটিকে বহর সম্প্রসারণের সবচেয়ে বড় উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের গ্র্যান্ড বলরুমে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই চুক্তি সই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, কূটনীতিক ও এভিয়েশন খাতের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থাকবেন।

বিমানের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের পক্ষে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি চুক্তিতে সই করবেন।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালিলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

চুক্তির আওতায় বিমান মোট ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কিনবে। এর মধ্যে রয়েছে ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ। এসব উড়োজাহাজের তালিকামূল্য প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন এই উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের বহর আধুনিকায়ন, দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক রুটে সেবা সম্প্রসারণ সম্ভব হবে। ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজগুলো ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার গন্তব্যে ফ্লাইট জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অপরদিকে, ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজগুলো স্বল্প ও মধ্যপাল্লার রুটে পরিচালিত হবে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রাক্কালে এই চুক্তিকে দেশের এভিয়েশন খাতের জন্য একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

যাত্রী চাহিদা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক ট্রানজিট হাব হওয়ার লক্ষ্য সামনে রেখে বহর সম্প্রসারণকে সময়োপযোগী বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই চুক্তির মাধ্যমে বিমানের বহর সম্প্রসারণ নিয়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে চলা বোয়িং ও ইউরোপীয় নির্মাতা এয়ারবাসের প্রতিযোগিতারও অবসান ঘটছে। ২০২৩ সালে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সফরসহ বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের পর এয়ারবাস কিছুটা এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত বোয়িংই অর্ডার ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। ইউরোপীয় পক্ষ থেকে বিমানের বহরে বৈচিত্র্য আনতে এয়ারবাস উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল।

অধিবেশন চলাকালে অসুস্থ সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপি রবিউল বাশারের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
অধিবেশন চলাকালে অসুস্থ সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপি রবিউল বাশারের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ন্যাশনাল ডেস্ক: জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন জামায়াত নেতা ও সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপি হাফেজ রবিউল বাশার। পরে অন্যান্য সংসদ সদস্য ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মীদের সহায়তায় তাকে অধিবেশন কক্ষ থেকে সংসদ লবিতে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তার শারীরিক খোঁজ-খবর নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনের প্রথম পর্ব চলাকালে দুপুর প্রায় ১টা ৪০ মিনিটে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
জোহরের নামাজের বিরতির সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদ লবিতে গিয়ে অসুস্থ বিরোধী দলীয় এই সংসদ সদস্যের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তার বিষয়ে নির্দেশনা দেন।
এ সময় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপসহ অন্যান্য হুইপরা উপস্থিত ছিলেন।

শুরুতে এগিয়ে থেকেও শিরোপা হাতছাড়া বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
শুরুতে এগিয়ে থেকেও শিরোপা হাতছাড়া বাংলাদেশের

এশিয়ান গেমস বাছাই হকিতে প্রথমবার অংশ নিয়েই শিরোপা জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেছিল বাংলাদেশের নারী দল। দুর্ভাগ্য ফাইনালে শুরুতে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি রিয়া-অর্পিতারা। চাইনিজ তাইপের কাছে ৩-১ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বাংলাদেশকে। যদিও গ্রুপ পর্বে দুই দলের লড়াই ৫-৫ গোলে ড্র হয়েছিল।

ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় বুধবার ম্যাচের ৮ মিনিটেই বাংলাদেশ প্রথম লিড নেয়। পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অর্পিতা পাল; চাপে পড়ে যায় চাইনিজ তাইপে। অবশ্য এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় প্রতিপক্ষ। টানা তিনটি গোল করে তারা ঘুরে দাঁড়ায়, আর তিনটিই আসে আক্রমণভাগ থেকে।

১৭ মিনিটে ওয়াং ইউ গোল করে সমতা ফেরান। বিরতির পর বাংলাদেশ আরও কোণঠাসা হয়ে পড়ে। ৩২ মিনিটে ম্যাও সুন দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এর আট মিনিট পর হুয়াং টি ইউ টিং তৃতীয় গোল করে বাংলাদেশের ওপর আরও চাপ বাড়ান।

শেষদিকে অর্পিতা, রিয়ারা কিছু আক্রমণ গড়ে তুললেও আর গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। তাদের একাধিক প্রচেষ্টা প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ব্যর্থ হয়েছে। তবু এই অর্জন বাংলাদেশের নারী হকির জন্য ঐতিহাসিক। প্রথমবার বাছাইয়ে অংশ নিয়েই রানার্সআপ হওয়া তাদের বড় সাফল্য। এর মাধ্যমে চলতি বছর জাপানে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান গেমসে খেলার যোগ্যতাও অর্জন করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।