রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবসে বিজরীর স্মৃতিচারণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবসে বিজরীর স্মৃতিচারণ

আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবসে স্মৃতিময় এক পোস্ট শেয়ার করেছেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী বিজরী বরকতুল্লাহ। ছোটবেলার একটি ছবি প্রকাশ করে তিনি জানান, নাচই তার জীবনের ভিত্তি তৈরি করেছে এবং এই পথেই গড়ে উঠেছে তার আজকের পরিচয়।

তিনি লেখেন, “সঙ্গীত ভবন”-এ সাত বছর নাচ শেখা আমার জীবনের একটি বিরাট অভিজ্ঞতা। নৃত্যগুরু শিবলী মোহাম্মদের কাছে কত্থক, বেলায়েত হোসেন খানের কাছে ভরতনাট্যম এবং আমার মা জীনাত বরকত উল্লাহর কাছে দেশীয় লোকজ নৃত্যে আমার হাতেখড়ি হয়।”

তিনি আরও বলেন, “আমার নৃত্যজীবনে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ পেয়েছি আমার বাবা মে. বরকত উল্লাহর কাছ থেকে। তাদের কারণেই আজ আমি বিজরী।”

মায়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি লেখেন, “আজ আমার মায়ের কথা খুব মনে পড়ছে। যিনি জীবনের বড় অংশ নৃত্যশিল্পের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন এবং একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন।”

নিজের প্রথম স্টেজ পারফরম্যান্সের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, “তখন আমার বয়স ছিল প্রায় ১১–১২ বছর। জার্মান কালচারাল সেন্টারে ‘সংগীত ভবন’-এর প্রথম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে সেই নাচটি করেছিলাম—আজও সেটা স্পষ্ট মনে আছে।”

পোস্টের শেষে তিনি সকল নৃত্যগুরু ও শিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবসের শুভেচ্ছা জানান।

বিজরী বরকতুল্লাহ বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অভিনয়ের পাশাপাশি মঞ্চ ও নৃত্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত আছেন। শিল্প ও সংস্কৃতির ধারাবাহিক চর্চার কারণে তিনি দর্শক ও সহশিল্পীদের কাছে একজন পরিশীলিত ও নিবেদিতপ্রাণ শিল্পী হিসেবে পরিচিত।

Ads small one

সাতক্ষীরায় জলবায়ু সুরক্ষায় স্থানীয় গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার তাগিদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জলবায়ু সুরক্ষায় স্থানীয় গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার তাগিদ

নিজস্ব প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু ন্যায়বিচার, অভিযোজন ও স্থিতিস্থাপকতা জোরদারে স্থানীয় গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক এক রাউন্ড টেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) সাতক্ষীরার কাটিয়া এলাকায় অবস্থিত ‘হেড’ সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানটি ‘কমিউনিটি অ্যাকশন ফর ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং প্রজেক্ট’-এর আওতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে ‘হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন ডেভেলপমেন্ট’ (হেড)। পুরো আয়োজনে সহযোগিতা করেছে ‘সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশন’ এবং আন্তর্জাতিক অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে ‘ক্লাইমেট জাস্টিস রেজিলিয়েন্স ফান্ড’ (সিজেআরএফ)।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ এবং সাতক্ষীরা জেলা এই বিরূপ প্রভাবের সম্মুখসারিতে অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা এবং জীবিকা সংকট এ অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে ক্রমাগত হুমকির মুখে ফেলছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোজন ও স্থিতিস্থাপকতা উদ্যোগ গ্রহণ করে আসলেও তাদের অভিজ্ঞতা, সাফল্য ও নীতিগত দাবি অনেক ক্ষেত্রেই মূলধারার আলোচনায় পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায় না।

এই প্রেক্ষাপটে জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর তুলে ধরার ক্ষেত্রে স্থানীয় গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং পরিবেশগত হুমকিগুলো জনসম্মুখে উপস্থাপনের মাধ্যমে নীতিনির্ধারক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব।
সভায় জানানো হয়, সাতক্ষীরার শীর্ষস্থানীয় স্থানীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয় টিমের সহযোগিতায় ধারাবাহিক “জলবায়ু ন্যায়বিচার কলাম” প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় সাংবাদিকগণ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, পরিবেশগত সংকট, অভিযোজন কৌশল এবং প্রকল্পের শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ প্রকাশ করবেন।

এই রাউন্ড টেবিল আলোচনার মূল উদ্দেশ্যগুলো হলোÑজলবায়ু ন্যায়বিচার ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ বিষয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা ও দাবিগুলো গণমাধ্যমে কার্যকরভাবে তুলে ধরা। জলবায়ু অভিযোজন ও স্থিতিস্থাপকতা বিষয়ক তথ্যভিত্তিক এবং মানবিক গল্প প্রচারের সুযোগ বৃদ্ধি করা।

 

স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু সংবেদনশীল সাংবাদিকতা ও সম্পাদকীয় সহযোগিতা জোরদার করা। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি সমন্বিত কর্মপন্থা প্রণয়ন করা। আলোচনা সভায় বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জলবায়ু ন্যায়বিচার বিষয়ক গণমাধ্যম কাভারেজের মান ও পরিধি বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে সাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ এবং নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

দেশ টিভির স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক শরীতুল্লাহ কায়সার সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ‘হেড’-এর নির্বাহী পরিচালক লুইস রানা গাইন এবং সমন্বয়কারী রেহেনা পারভিন। মুক্ত আলোচনায় আরও অংশ নেন চ্যানেল টোয়েন্টিফোর আমিনা বিলকিস ময়না, দৈনিক পত্রদূতের বার্তা সম্পাদক এসএম শহীদুল ইসলাম এবং সাংবাদিক ফারুক রহমান, আলতাফ হোসেন বাবু, কৃষ্ণ মোহন ব্যানার্জী, আসাদুজ্জামান সরদার, বিপ্লব হোসেন, নাজমুল শাহাদাত জাকির, সরদার আবু সাইদ, মিলন বিশ্বাস, মুসুদুর রহমান রানা, মৃত্যুঞ্জয় প্রমুখ।

 

গ্রাম ও শহরাঞ্চলের হাট-বাজারগুলোতে বেড়েছে চালের দাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
গ্রাম ও শহরাঞ্চলের হাট-বাজারগুলোতে বেড়েছে চালের দাম

এম শফিকুল ইসলাম: সাতক্ষীরার গ্রামাঞ্চল ও শহরের হাট বাজারগুলোতে পাইকারি বাজারে বিভিন্ন জাতের চালের দাম কেজিপতি ২ থেকে ৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর খুচরা পর্যায়ে কেজি প্রতি চালের দাম ৫ থেকে ৬টাকা বেড়েছে। পাইকারিতে চালের দাম বাড়ায় স্থানীয় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।

 

এদিকে চালের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন স্বল্প আয়ের মানুষ। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সুযোগ বুঝে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। ভোমরা বন্দর ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতীয় চাল আসা কমে গেছে। এলসিও বন্ধের মত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নতুন করে চাল আমদানির অনুমতি না থাকায় ব্যবসায়ীরা চাল আমদানি বন্ধ রেখেছে। ফলে বাজারের সরবরাহ কমে গেছে। সে কারণেই দাম বেড়েছে।

 

খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, ঈদকে ঘিরে বাজারের সরবরাহ কমে যাওয়ায় তাদেরকেও বেশি দামে চাল কিনতে হচ্ছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জানান, চালের বাজার স্বাভাবিক রাখতে জেলায় ডিলারের মাধ্যমে ও এম এস (খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রি) কর্মসূচি সচল রাখা হয়েছে। এছাড়া যদি কেউ অবৈধভাবে মজুদ করে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।

 

চালের দাম বৃদ্ধি ভোক্তাদের নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে। বিশেষ করে দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষগুলো পড়েছে চরম বিপাকে। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়াতে নিরব দুর্ভিক্ষে দিনাতিপাত করছে তারা। শহর উপশহর ও গ্রামাঞ্চলের হাট বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, ৫০ কেজির বস্তায় ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা দাম বেড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি আউশ চাল ৫৫ থেকে ৫৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৫৩ টাকা থেকে ৫৪ টাকা। মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৬ টাকা থেকে ৭০ টাকায়, যা আগে ছিল ৬৩ টাকা থেকে ৬৭ টাকা। নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৭২ টাকা থেকে ৭৮ টাকায়, যা আগে ছিল ৬৮ টাকা থেকে ৭০ টাকা। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, ঈদুল আযহার পর থেকে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৫০ কেজি ওজনের চালের বস্তা প্রতি ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

 

এতে সাধারণ ক্রেতাদের ব্যয় হারও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। চাল ব্যবসায়ী ও মিল মালিকদের দাবি, মূল্যবৃদ্ধির পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে। ধানের উচ্চমূল্য, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, বিদ্যুতের বাড়তি খরচ এবং ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারণে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় উল্লেখ্যযোগ্য ভাবে বেড়েছে। এসব অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রভাব শেষ পর্যন্ত পড়েছে চালের বাজারে।

 

গ্রামের চাল ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম জানান, হঠাৎ পাইকারিতে কেজি প্রতি ২ থেকে ৩ টাকা চালের দাম বেড়েছে। ইরি – বোরো মৌসুমের শেষ দিকে বাজারে ধানের সরবরাহ কমে এসেছে। বর্তমানে যে ধান বাজারে পাওয়া যাচ্ছে তার বড় অংশই মজুতকারীদের নিয়ন্ত্রণে। বাজেট ঘোষণায় নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল, আটা, চিনি ও ময়দার দাম কমানোর কথা থাকলেও এখনো পর্যন্ত বাজারে তার কোন প্রভাব পড়েনি।

 

গীতিকার ও সুরকার উপকূলবন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানকে সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
গীতিকার ও সুরকার উপকূলবন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানকে সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশিষ্ট গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী, কবি, আবৃত্তিকার, সমাজসেবক ও ‘সুশীলন’-এর নির্বাহী প্রধান উপকূলবন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানকে সংবর্ধনা দিয়েছে সুরশ্রী সঙ্গীত একাডেমি। রবিবার সন্ধ্যায় খুলনার উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি মোস্তফা নূরুজ্জামান ও শিল্পী অনিমেষ বড়াল সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

সুরশ্রী সঙ্গীত একাডেমির সভাপতি এস এম জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে সংবর্ধিত অতিথিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে অতিথিদের বরণ ও স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সুরশ্রী সঙ্গীত একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক অনিমেষ বড়াল। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন সুশীলনের পরামর্শক শেখ আমিরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসা হেমায়েত আলী, সুশীলনের উপ-পরিচালক ডি এম মনিরুজ্জামান, শিরিনা আক্তার ও শাহিনা পারভীন এবং সুর ঝঙ্কার একাডেমির কার্যকরী সভাপতি রাজ্জাক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক জি এম মইনউদ্দিন।

সুরশ্রী সঙ্গীত একাডেমির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট অসীম কুমার বৈদ্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সংবর্ধনা পর্বে উপকূলবন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানকে উত্তরীয়, সম্মাননা ক্রেস্ট ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। এ সময় তিনি নিজের লেখা কবিতা আবৃত্তি এবং গান পরিবেশন করেন। পরে বক্তব্যে তিনি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে সমাজকে সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপকূলবন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানের সাহিত্য, সঙ্গীত ও সমাজসেবামূলক কর্মকা- নিয়ে আলোচনা করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। তারা উপকূলীেয় অঞ্চলের মানবিক উন্নয়ন ও সংস্কৃতি বিকাশে সংবর্ধিত অতিথির বিশেষ অবদানের তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল অনিমেষ বড়ালের একক সঙ্গীত পরিবেশনা। তিনি উপকূলবন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানের রচিত জনপ্রিয় গান থেকে বাছাইকৃত একাধিক গান পরিবেশন করে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিবর্গ, শিল্পী ও সঙ্গীতপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন।