শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ‘সম্পাদক’ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ: কোণঠাসা সরকারি কর্মকর্তারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ‘সম্পাদক’ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ: কোণঠাসা সরকারি কর্মকর্তারা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় কথিত ‘সম্পাদক’ ও নিবন্ধনহীন ভূঁইফোড় অনলাইন পোর্টালের দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সরকারি অফিসপাড়া। বিভিন্ন দপ্তরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। টাকা না দিলে ‘সিরিজ নিউজ’ বা ধারাবাহিক প্রতিবেদনের হুমকি দিয়ে কর্মকর্তাদের ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই চক্রটির চাঁদাবাজির কৌশল বেশ সুসংগঠিত। শুরুতেই তারা টার্গেট করা কর্মকর্তাকে ফোন দিয়ে নিজেকে প্রভাবশালী কোনো পত্রিকার সম্পাদক পরিচয় দেন। এরপর ‘আপনার অফিসে দুর্নীতি চলছে’, ‘সাংবাদিকরা প্রতিবেদন তৈরি করেছে’Ñএমন সব কথা বলে ভীতি প্রদর্শন করেন। এক পর্যায়ে ‘অফিস খরচ’ বা ‘বিজ্ঞাপন’ বাবদ বড় অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়।
টাকা দিতে অস্বীকার করলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নিবন্ধনহীন অনলাইন পেজে শুরু হয় অপপ্রচার। ‘অমুক কর্মকর্তার দুর্নীতির সংবাদ আসছে, চোখ রাখুন’Ñএমন পোস্ট দিয়ে প্রথমে মানসিক চাপ তৈরি করা হয়। যদি কর্মকর্তা ভয়ে নতিস্বীকার করেন, তবে মুহূর্তেই সেই পোস্ট গায়েব হয়ে যায়। আর দাবি পূরণ না হলে ভুল ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করা হয়। শুধু তা-ই নয়, হকার দিয়ে ওই সংবাদের কপি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ডেস্কেও পৌঁছে দেওয়া হয়।
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সাবেক এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “শুরুতে অফিস ভাড়ার কথা বলে টাকা চাওয়া হয়েছিল। একবার-দুবার দেওয়ার পর যখন বন্ধ করে দিলাম, তখনই শুরু হলো চরিত্রহনন। আমি নাকি ভারতে বাড়ি করেছি, ঢাকায় ফ্ল্যাট কিনেছিÑএমন মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ ছাপা হলো। পরে আবার সেই নিউজ মুছে ফেলার নামে টাকা চাওয়া হয়েছে।”
একই অভিজ্ঞতার কথা জানালেন সনাতন ধর্মাবলম্বী এক উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা। তিনি বলেন, “আমি হিন্দু হওয়ায় আমাকে টার্গেট করে বলা হলো কলকাতায় আমার আলিশান বাড়ি আছে। অথচ ভারতে আমার পরিবারের কেউ থাকে না। স্রেফ টাকা না পেয়ে এমন হয়রানি করা হয়েছে।”
ভুক্তভোগী আরেক বিআরটিএ কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “হলুদ সাংবাদিকদের শিকারে পরিণত হয়েছি আমি। দিনরাত ফোন দিয়ে বিরক্ত করা হতো। একবার অতিষ্ঠ হয়ে টাকা দিয়েছি, কিন্তু তাদের দাবি মেটে না। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা না দেওয়ায় দুই পর্বে মিথ্যা খবর ছাপানো হয়েছে।”
গুটিকয়েক ব্যক্তির এই অপেশাদার কর্মকা-ে সাতক্ষীরার মূলধারার গণমাধ্যমকর্মী ও প্রকৃত সম্পাদকরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন। তাদের দীর্ঘদিনের অর্জিত মান-সম্মান আজ প্রশ্নবিদ্ধ। সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করে, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আড়ালে এই চাঁদাবাজি বন্ধ হওয়া জরুরি।
সাতক্ষীরার সুশীল সমাজ ও পাঠকরা দাবি জানিয়েছেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় যেন দ্রুত এসকল কথিত সম্পাদক ও অবৈধ অনলাইনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। মহান এই পেশাকে কলঙ্কমুক্ত করতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি এখন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।

হাদিপুর আহ্ছানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
হাদিপুর আহ্ছানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার হাদিপুর আহ্ছানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের বিদায় জানানো হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. রাজিব হোসেন রাজু। শিক্ষক স্বপন কুমার ঘোষের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাহমিনা খাতুন। অন্যান্যের মধ্যে মাহমুদুল্লাহ শুভসহ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

কালিগঞ্জে সাংবাদিক শরিফুল ইসলামের পিতার ইন্তেকাল, রিপোর্টার্স ক্লাবের শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
কালিগঞ্জে সাংবাদিক শরিফুল ইসলামের পিতার ইন্তেকাল, রিপোর্টার্স ক্লাবের শোক

বিশেষ প্রতিনিধি: সকলকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সিনিয়র সদস্য, সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক দৃষ্টিপাত’ পত্রিকার ব্যুরো প্রধান শেখ শরিফুল ইসলামের পিতা শেখ আব্দুর রহমান (৮০)। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য ওযুরত অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (্ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে, ৪ মেয়ে, দুই স্ত্রী, আত্মীয় স্বজনসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বৃহস্পতিবার আসরের নামাজের পর ছনকা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়। জানাজা নামাজে মথুরেশপুর ইউপির বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও নাজিমগঞ্জ বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি শেখ ফিরোজ কবির কাজল, মথুরেশপুর ইউনিয়ন জামাতের সেক্রেটারি মো. আজগর আলী, প্রত্যয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম,নাজিমগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সহকারি সহকারী অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান, রিপোর্টার্স ক্লাবের অর্থ সম্পাদক মো. শের আলী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিসহ মুসুল্লীরা অংশগ্রহণ করেন।
রিপোর্টার্স ক্লাবের সিনিয়র সদস্য শেখ শরিফুল ইসলামের পিতার মৃত্যুতে রিপোর্টার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে গভীর শোক জ্ঞাপন করা হয়েছে। শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা ও মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, সহ-সভাপতি আহাদুজ্জামান আহাদ, শেখ সাদেকুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক জেহের আলী, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী অধ্যাপক মাসুদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত আলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মো. শের আলী, দপ্তর সম্পাদক মো. জামাল উদ্দীন, তথ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সোহরাব হোসেন সবুজ, কার্যনির্বাহী সদস্য অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক সনৎ কুমার গাইন, রেদওয়ান ফেরদৌস রনি, মোল্লা আব্দুস সালাম, এসএম আরিজুল ইসলাম, সদস্য আফজাল হোসেন, শেখ ইকবাল আলম বাবলু, শেখ শাওন আহম্মেদ সোহাগ, আবু বক্কর সিদ্দীক, আব্দুল মজিদ, শামীম কওছার, জাহাঙ্গীর আলম, মোখলেসুর রহমান মুকুল, আবুল হোসাইন, লাভলু আক্তার, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. আলাউদ্দীন, তাজুল হাসান সাদ, শেখ ফারুক হোসেন, সাংবাদিক শেখ ইয়াসিন আলী প্রমুখ।

 

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের জমি লিজ নিয়ে তোলপাড়, যা বলছে কলেজ প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের জমি লিজ নিয়ে তোলপাড়, যা বলছে কলেজ প্রশাসন

ইব্রাহিম খলিল : সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের কৃষিযোগ্য ১০ বিঘা জমি লিজ দেওয়ার বিজ্ঞপ্তিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ধানক্ষেতের একটি অংশে বোটানিক্যাল গার্ডেন উদ্বোধন করাকে ঘিরেও নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
কলেজ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাশেম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কলেজ ক্যাম্পাসের কৃষি চাষের উপযোগী ১০ বিঘা জমি ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের (০১ বৈশাখ ১৪৩৩ থেকে ৩০ চৈত্র ১৪৩৩) জন্য লিজ দেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৩ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় কলেজ শিক্ষক পর্ষদ মিলনায়তনে প্রকাশ্যে ডাক অনুষ্ঠিত হবে। লিজ গ্রহণে আগ্রহীদের নির্ধারিত সময়ে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরপরই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন গ্রুপে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, মহিলা হোস্টেলের নিরাপত্তার কথা বলে কয়েক বছর ধরে প্রায় ১০ থেকে ১৩ বিঘা জমি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে সেখানে ধান চাষ করা হচ্ছে। এতে ক্যাম্পাসের উন্মুক্ত জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে বলে তাদের দাবি। তাদের মতে, এর কারণে খেলার মাঠের পরিসর কমে গেছে, নিয়মিত খেলাধুলা ব্যাহত হচ্ছে এবং গ্রুপ স্টাডি, আলোচনা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গার অভাব দেখা দিয়েছে।
গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী বখতিয়ার হোসেন বলেন, মহিলা হোস্টেলের নিরাপত্তার নামে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ১২ থেকে ১৩ বিঘা জমি আটকে রাখা হয়েছে। এর কিছু অংশ আমাদের ক্যাম্পাসের জন্য উন্মুক্ত করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো ধানক্ষেত চাই না। নিরাপত্তার জন্য ফুলের গাছ বা অন্য কোনো সৌন্দর্যবর্ধক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
এদিকে বৃহস্পতিবার কলেজ প্রাঙ্গণে ধানক্ষেতের একটি অংশে বোটানিক্যাল গার্ডেন উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাশেম। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের তোপের মুখে পড়ে তড়িঘড়ি করে গার্ডেনের সাইনবোর্ড স্থাপন ও উদ্বোধন করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বোটানিক্যাল গার্ডেনের ঘোষণা দেওয়া হলেও এর প্রকৃত আয়তন, ব্যবহারের সীমা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি।
তাদের প্রশ্ন, ১০ বিঘার বেশি জমির মধ্যে কতটুকু অংশ গার্ডেনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা সেখানে প্রবেশ করতে পারবে কি না। পাশাপাশি বাকি ধানক্ষেত ভবিষ্যতে পুনরায় লিজ দেওয়া হবে কি না এ নিয়েও তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাশেম বলেন, কলেজের মোট প্রায় ৯০ বিঘা জমির মধ্যে মাত্র ১০ বিঘা জমি লিজ দেওয়া হয়েছে, যা কলেজের অতিরিক্ত ও অব্যবহৃত জমি।
তিনি বলেন, এ জমি লিজ দেওয়ার মাধ্যমে সরকার রাজস্ব পাচ্ছে এবং কলেজ অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হচ্ছে। প্রতি বছর এই জমি থেকে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ মণ ধান উৎপাদিত হয় এবং এর মাধ্যমে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়। এছাড়া সরিষাও উৎপাদন হয়।
অধ্যক্ষ আরও দাবি করেন, কলেজে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ রয়েছে এবং উন্মুক্ত জায়গা নিয়ে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা সঠিক নয়। তিনি শিক্ষার্থীদের কিছু দাবিকে ‘অযৌক্তিক’ উল্লেখ করে বলেন, অব্যবহৃত জমি উৎপাদন কাজে ব্যবহার করাই বর্তমান সময়ের প্রয়োজন।
জমি লিজ, ধান চাষ এবং বোটানিক্যাল গার্ডেন উদ্বোধনকে ঘিরে শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের ভিন্নমুখী অবস্থান তৈরি হওয়ায় ক্যাম্পাসজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টির একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য সমাধান প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।