৭ বছর পর সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ল্যাপারোস্কপিক পিত্তথলি অপারেশন শুরু
এসএম শহীদুল ইসলাম: সাতক্ষীরা শহর এলাকায় শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন করে ইজিবাইক চলাচলের অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত ও পৌরসভার প্রশাসনিক সহায়তা কমিটির অনুমোদনক্রমে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগ্রহী মালিকদের ২০ এপ্রিল (সোমবার) তারিখের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ১৩ এপ্রিল থেকে আবেদন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে। ১০০ টাকা মূল্যের বিনিময়ে পৌরসভার লাইসেন্স শাখা থেকে এই ফরম সংগ্রহ করা যাচ্ছে।
পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রকৃত মালিকদের কয়েকটি সুনির্দিষ্ট শর্ত মেনে আবেদন করতে হবে। তা হলো— আবেদনকারীকে অবশ্যই সাতক্ষীরা পৌরসভার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। নিজের ইজিবাইক থাকতে হবে এবং প্রমাণের জন্য দোকানের মূল ক্যাশ মেমো উপস্থাপন করতে হবে। একই ব্যক্তি একাধিক আবেদন করতে পারবেন না। নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে আবেদনকারী বেশি হলে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে লটারির মাধ্যমে অনুমতিপত্র প্রদান করা হবে।
আবেদন ফরমের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সত্যায়িত ফটোকপি, বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্সের ফটোকপি, ইজিবাইক ক্রয়ের ক্যাশ মেমোর সত্যায়িত কপি এবং পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি জমা দিতে হবে।
পৌর কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছে, ইজিবাইক চলাচলের অনুমতিপত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনৈতিক লেনদেন করা যাবে না। সোমবার অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যেই পূরণকৃত ফরম জমা দিতে হবে।
খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির এপ্রিল মাসের সভা আজ (রবিবার) জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন বলেন, সারাদেশে হাম-রুবেলা সংক্রামক মূহুর্ত চলছে। আগামীকাল সারাদেশে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলার টিকা প্রদান করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় খুলনা বিভাগের সকল জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভায় টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে জেলার সকল দপ্তরের স্ব-উদ্যোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান করা প্রয়োজন।
ওজোপাডিকো লিমিটেডের প্রতিনিধি সভায় জানান, খুলনা জেলার বিদ্যুৎ চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে সন্ধ্যাকালীন সাটডাউনের জন্য বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়েছে। নিজ নিজ দপ্তর থেকে সকলকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার জন্য অনুরোধ করেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: বদরুজ্জামান সভায় জানান, মৎস্য সংরক্ষণ বিধিমালা অনুযায়ী এক সেন্টিমিটারের চেয়ে কম ফাসের চটজাল,কারেন্ট জাল, টংজাল, কাঁথাজাল,বেড়জাল,জগত বেড়জাল ইত্যাদির ব্যবহার প্রতি বছর ফাল্গুন মাস থেকে শ্রাবন মাস পর্যন্ত ৬ মাস এবং বেহন্দি জাল সারাবছরের জন্য নিষিদ্ধ করার বিধান রয়েছে। সেই লক্ষ্যে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী বেহন্দি ও অন্যান্য ক্ষতিকর জাল অপসারণে বিশেষ কম্বিং অপারেশন-২০২৬ পরিবর্তিত নির্দেশনা অনুযায়ী ৬ ধাপে পরিচালনা করা হয়। ইতোমধ্যে কম্বিং অপারেশন ১ম থেকে ৬ষ্ঠ ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। খুলনা জেলায় ৪৫দিনে ২৫৭টি অভিযান ও ৫১ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৭৮টি বেহন্টি জাল, ১৪.২৬লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল ও ৫৪৬টি অন্যান্য জাল জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে এবং জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
সভায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যবিবরণী