Header Top Small Advertisement

17158135 - online internet banner with text your ad here on a web page web page with all pictures and informations are created by contributor himself
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩

৭ বছর পর সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ল্যাপারোস্কপিক পিত্তথলি অপারেশন শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
৭ বছর পর সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ল্যাপারোস্কপিক পিত্তথলি অপারেশন শুরু
এসএম বিপ্লব হোসেন: দীর্ঘ সাত বছর পর সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আধুনিক ল্যাপারোস্কপিক পদ্ধতিতে পিত্তথলির অপারেশন (ল্যাপারোস্কপিক কোলিসিস্টেকটমি) পুনরায় চালু হয়েছে। পেট না কেটে মেশিনের মাধ্যমে এ অপারেশন চালু হওয়ায় জেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) সিভিল সার্জন কাম তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস সালামের উদ্যোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ সেবা পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে। প্রথম দিনে সফলভাবে অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. সুব্রত কুমার মন্ডলের নেতৃত্বে এই অপারেশনে সহযোগিতা করেন সার্জারি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মোস্তফা আরাফাত ইসলাম এবং এনেস্থিসিয়ার দায়িত্বে ছিলেন ডা. রাজীব কাওসার। ট্রলি নার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ওটি ইনচার্জ আকলিমা।
সার্জারি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মোস্তফা আরাফাত বলেন, ল্যাপারোস্কপিক পদ্ধতিতে অপারেশন চালু হওয়ায় রোগীরা কম ব্যথা, কম রক্তক্ষরণ এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছেন। এ পদ্ধতিতে পেট না কেটে ছোট ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে অপারেশন করা হয়, ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি কম থাকে এবং রোগীদের হাসপাতালে থাকার সময়ও তুলনামূলক কম লাগে। তিনি আরও জানান, আধুনিক এই সেবা চালু থাকলে জেলার সাধারণ মানুষ স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারবে এবং বাইরে যাওয়ার প্রবণতা কমবে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ল্যাপারোস্কপি মেশিন সচল করে আবারও আধুনিক এই সেবা চালু করা হয়েছে। এতে রোগীদের আর বাইরে গিয়ে ব্যয়বহুল অপারেশন করাতে হবে না। স্বল্প খরচে এবং ঝুঁকি কমিয়ে এখন সদর হাসপাতালেই এ অপারেশন করা সম্ভব হচ্ছে। এটি জেলার স্বাস্থ্যসেবায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, যোগদানের পর হাসপাতালের স্টোরে পড়ে থাকা একটি ল্যাপারোস্কপি মেশিন শনাক্ত করে সেটিকে অপারেশন উপযোগী করা হয়। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সমন্বয়ে দ্রুত প্রস্তুতি নিয়ে সফলভাবে অপারেশন শুরু করা গেছে। তিনি বলেন, “এখন থেকে দরিদ্র ও সাধারণ মানুষও সহজে এই আধুনিক চিকিৎসা সেবা পাবে।”
অপারেশন করা রোগীর ভাই জানান, আগে পেট কেটে অপারেশনের কথা শুনে ভয় লাগতো। কিন্তু এখানে মেশিনের মাধ্যমে ছোট ছিদ্র করে অপারেশন হওয়ায় খুব বেশি কষ্ট হয়নি বলে জানিয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছেন। তিনি বলেন, “জেলায় এমন আধুনিক চিকিৎসা সেবা চালু হওয়ায় আমরা অনেক উপকৃত হবো।”
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বহিঃবিভাগের ১১৭-১১৮ নম্বর কক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ে আউটডোর টিকিট সংগ্রহ করে রোগীরা এ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে বর্তমানে জেনারেল সার্জারি, ইউরোলজি এবং ডায়াবেটিক ফুট কেয়ারের আওতায় বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা ও অপারেশন সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—পিত্তথলির পাথর অপারেশন, অ্যাপেন্ডিক্স, হার্নিয়া, পাইলস, ফিস্টুলা, বিভিন্ন টিউমার অপারেশন, প্রস্রাবজনিত জটিলতা, জন্মগত ইউরোলজি সমস্যা, ডায়াবেটিক ফুটের চিকিৎসাসহ নানা আধুনিক সেবা।
চিকিৎসকরা জানান, এই সেবা ধারাবাহিকভাবে চালু রাখতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবল নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে আরও উন্নত সার্জিক্যাল সেবা প্রদান সম্ভব হবে।
জেলার সচেতন মহল মনে করছে, সদর হাসপাতালে আধুনিক এই সেবা চালু হওয়ায় স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো এবং এতে করে সাধারণ মানুষ বিশেষভাবে উপকৃত হবে।

Ads small one

কলারোয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু 
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে উর্মি খাতুন (৬) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
উপজেলার বামনখালি বাজার সংলগ্ন একটি পুকুরে রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে।
উর্মি খাতুন খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার কাটিপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উর্মি খাতুন তার বাবা-মায়ের সাথে কলারোয়া উপজেলার বামনখালী বাজারে বসবাস করতো। বাবা-মা দুজনেই দিন মজুরের কাজ করেন। রবিবার সকালে উর্মি অপর দুই শিশুর সাথে পুকুর পাড়ে খেলা করার সময় সবার অগোচরে সে পানিতে পড়ে যায়। কাজ শেষে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে থাকে। একপর্যায় তাকে ডুবন্ত অবস্থায় পুকুরের পানি থেকে মৃত উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কলারোয়া থানার ওসি এইচ এম শাহীন জানান, এ ঘটনায় ইউডি মামলা হয়েছে।

সাতক্ষীরা পৌরসভায় ইজিবাইকের অনুমতি দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ, আবেদনের শেষ সময় সোমবার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা পৌরসভায় ইজিবাইকের অনুমতি দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ, আবেদনের শেষ সময় সোমবার

এসএম শহীদুল ইসলাম: ​সাতক্ষীরা শহর এলাকায় শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন করে ইজিবাইক চলাচলের অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত ও পৌরসভার প্রশাসনিক সহায়তা কমিটির অনুমোদনক্রমে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগ্রহী মালিকদের ২০ এপ্রিল (সোমবার) তারিখের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

​পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ১৩ এপ্রিল থেকে আবেদন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে। ১০০ টাকা মূল্যের বিনিময়ে পৌরসভার লাইসেন্স শাখা থেকে এই ফরম সংগ্রহ করা যাচ্ছে।

​পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রকৃত মালিকদের কয়েকটি সুনির্দিষ্ট শর্ত মেনে আবেদন করতে হবে। তা হলো— আবেদনকারীকে অবশ্যই সাতক্ষীরা পৌরসভার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। নিজের ইজিবাইক থাকতে হবে এবং প্রমাণের জন্য দোকানের মূল ক্যাশ মেমো উপস্থাপন করতে হবে। একই ব্যক্তি একাধিক আবেদন করতে পারবেন না। নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে আবেদনকারী বেশি হলে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে লটারির মাধ্যমে অনুমতিপত্র প্রদান করা হবে।

​আবেদন ফরমের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সত্যায়িত ফটোকপি, বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্সের ফটোকপি, ইজিবাইক ক্রয়ের ক্যাশ মেমোর সত্যায়িত কপি এবং পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি জমা দিতে হবে।

​পৌর কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছে, ইজিবাইক চলাচলের অনুমতিপত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনৈতিক লেনদেন করা যাবে না। সোমবার অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যেই পূরণকৃত ফরম জমা দিতে হবে।

খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির এপ্রিল মাসের সভা আজ (রবিবার) জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন বলেন, সারাদেশে হাম-রুবেলা সংক্রামক মূহুর্ত চলছে। আগামীকাল সারাদেশে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলার টিকা প্রদান করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় খুলনা বিভাগের সকল জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভায় টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে জেলার সকল দপ্তরের স্ব-উদ্যোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান করা প্রয়োজন।

ওজোপাডিকো লিমিটেডের প্রতিনিধি সভায় জানান, খুলনা জেলার বিদ্যুৎ চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে সন্ধ্যাকালীন সাটডাউনের জন্য বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়েছে। নিজ নিজ দপ্তর থেকে সকলকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার জন্য অনুরোধ করেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: বদরুজ্জামান সভায় জানান, মৎস্য সংরক্ষণ বিধিমালা অনুযায়ী এক সেন্টিমিটারের চেয়ে কম ফাসের চটজাল,কারেন্ট জাল, টংজাল, কাঁথাজাল,বেড়জাল,জগত বেড়জাল ইত্যাদির ব্যবহার প্রতি বছর ফাল্গুন মাস থেকে শ্রাবন  মাস পর্যন্ত ৬ মাস এবং বেহন্দি জাল সারাবছরের জন্য নিষিদ্ধ করার বিধান রয়েছে। সেই লক্ষ্যে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী বেহন্দি ও অন্যান্য ক্ষতিকর জাল অপসারণে বিশেষ কম্বিং অপারেশন-২০২৬ পরিবর্তিত নির্দেশনা অনুযায়ী ৬ ধাপে পরিচালনা করা হয়। ইতোমধ্যে কম্বিং অপারেশন ১ম থেকে ৬ষ্ঠ ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। খুলনা জেলায় ৪৫দিনে ২৫৭টি অভিযান ও ৫১ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৭৮টি বেহন্টি জাল, ১৪.২৬লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল ও ৫৪৬টি অন্যান্য জাল জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে এবং জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

সভায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যবিবরণী