শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

দূরত্বের ব্যবধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
দূরত্বের ব্যবধান

মুহাঃ হাবিবুর রহমান
মন খুলে বলার েেমতা অজস্র কথামালা যখন
ভীড় করে ভাবনার আঙিনায়-
হৃদয়ের জানলা খুলে ভীতর বাহির একাকার হলে
দূরত্বের ব্যবধান নিমেষেই শেষ হয়ে পড়ে,
কল্পতরুর ডগা বাড়তে থাকে ভীষন দ্রুততার সাথে.
জন্মান্তরে ভাবাবেগের সুত্র ধরে কত কথা আসে যায়
সে পথের বাঁকে ধুলিময় ধরাতলে লুটিয়ে যায় বুনো স্বপ্নের দল,
মাধবীর পুরো জীবনের ভাঁজে খেয়ালী গল্পগুলি বাঁধে বাসা,
ভয়হীন চোখে মিলনের আহবানে ঘুচে যায় সব ব্যাকুলতা-
বয়স বাড়ার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ে অভিমান,
মনের অজান্তে বুনো লতার মতো ডগায় ডগায়
ভীড় করে অপ্রাপ্তির কষ্টগুলো-
তখন কারনে অকারনে মনের আকাশে জমে কালো মেঘ
ঘন বরষায় প্লাবিত হয় স্মৃতির আঙিনা,
প্রস্থানের ভাবনা জুড়ে অসহ্য যন্ত্রনা বুঝবেনা প্রিয়জন,
এমনকি কাছে দূরের কেউ-ই, তবুও মানুষ বাঁচে
মানুষকে শত প্রতিকূলতা ঠেলে বাঁচতে হয়!
হাজার চোখ আড়াল করে কাঁদতে হয়, নিরবে নিভৃতে ভাবতে হয়
অতীত বর্তমান ভবিষ্যত নিয়ে নিজেকে বোঝাতে হয়
সব চাওয়া পুরন হবার নয়, হয়ও না!
কথার ভীড়ে হাজারো কথা চাপা পড়ে যায়
সূর্যের আলো যেমন গাঢ় কালো মেঘের গভীরে ঢাকা পড়ে
দিগন্তে হারিয়ে যায় জীবন নামের খেয়া
পড়ে থাকে লগি বৈঠা এমনকি বয়স্ক ডিঙি, বেঁচে থাকার সংগ্রাম
ঘামে ভেজা লুঙিগ জামা গেঞ্জি পোড়া শরীর।

Ads small one

হাঁক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
হাঁক

মোঃ রহমত আলী
কথায় কথায় লাফালাফি,
তালে তালে নাচানাচি!
গোয়াল ঘরে ছাগল বেঁধে,
পাগল হয়ে মাতামাতি।

ঘোড়ার ডিম, ঘোড়ার ডিম,
হাতির হলো কবে শিং!
জেগে জেগে স্বপ্ন হাজার,
ঘুমের ঘোরে সোনার ডিম।

সোনার হরিণ, সোনার হরিণ,
আবোল-তাবোল বাড়াবাড়ি!
বড্ড বেশি কাড়াকাড়ি,
তা ধিন- ধিনা ধিন- তা ধিন।

বাহ্ অকারণে হাসাহাসি,
কারণ পেলেই দাপাদাপি!
ঘরের ঘোড়া ভুখা রেখে,
পরের মহিষ হাঁকাহাঁকি।

‘পুষ্প্য শয্যা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
‘পুষ্প্য শয্যা’

শহীদুল্লা হক ভূইয়া
জীবনের নাম যদি
রাখা হয় ফুল,
তা রয়ে যাবে আজীবন ভুল।
ফুল পবিত্র নেই তার কুল,
মানুষ সবজান্তা
তথাপি নেই তার মিল।
পুষ্প্য ফুটে দেখায়
ত্রুটিহীন আতœপ্রকাশ,
মানুষ প্রাণী কলংক এঁকে
রাখে তার ভ্রান্তি অবকাশ।

পুষ্প্য তার সৌরভ দিয়ে
ডেকে রাখে বসুন্ধরাকে,
দূর্গন্ধরূপী জ্বাল বিস্তার
করে মানুষ ধরাকে।

ফুল সারাজাহানের
সংকীর্ণ প্রণালী ঘর,
তাকে করা যাবেনা
ক্ষনিকের ধরণী পর।

পুষ্প্য ছাড়া ভুলে যেত
মানুষ আপন ধন,
মানুষই পারে পুষ্প্যের ন্যায়
গড়তে তাজা প্রাণ।

অন্তরের অন্তরালে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ
অন্তরের অন্তরালে

বাপী নাগ
এই জীবনের পথে চলতে গিয়ে
পথ যে ফেলি হারিয়ে।
ঠিক-ভুলের নেই কোনো হিসাব
রাখি নিজেকে সরিয়ে।
অজান্তেই ভুল করে পাই সাজা
নিঃশব্দে রয়েছি নিরবে।
দিনের পর দিন সময় যায় বয়ে
এ মন অজান্তে হারাবে।

স্বপ্ন গুলো হঠাৎই ধুলোয় মিশে
নীরবতার’ই আড়ালে।
হাসির মুখোশ পরেই অভিমানে
লুকাই যে অন্তরালে।

হাজার মানুষের ভিড়ের মাঝেও
নিজেকেই খুঁজি একা।
চেনা-অচেনা এই জীবন পথেই
স্মৃতি’র হয় শুধু দেখা।

ভাঙা বিশ্বাস এই বুকের ভেতর
রক্ত ক্ষরণ হয়েই রয়।
যাদের কে আপন ভেবে ছিলাম
তাদের মাঝে হবে জয়।

তবুও এই জীবন থেমে থাকে না
এ পথ নিয়তির ডাকে।
অশ্রু ভেজা প্রতি’টি প্রহর নতুন
সাহস রেখে যায় ফাঁকে।