বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

দেবহাটায় মাছের ঘেরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় মাছের ঘেরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার দেবহাটায় মাছের ঘেরে পানিতে ডুবে আসমা উল হোসনা (২) নামের এক কন্যা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সখিপুর গ্রামে একটি মাছের ঘেরে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশু আসমা উল হোসনা সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ সখিপুর গ্রামের মো. হযরত আলীর কন্যা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারের অগোচরে শিশুটি বাড়ির পাশের একটি মাছের ঘেরের পানিতে পড়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্থানীয়রা তাকে ঘেরের পানিতে ভাসতে দেখেন। সময় দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

Ads small one

সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি পুনর্গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি পুনর্গঠন

চার কর্মকর্তার পদত্যাগের পর সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কার্যকরী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। এর আগে গত ২৬ জুলাই রাতে আলিপুর ট্রাক টার্মিনালে সমিতির কার্যালয়ে সভাপতি তাহমিদ শাহেদ চয়নের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় শেখ সাঈদ আহমেদ, বিপুল মমিন খান চৌধুরী, তহিদুজ্জামান ও আবু হাসানের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। পরবর্তীতে সর্বসম্মতিক্রমে কুতুব উদ্দিনকে কার্যকরী সভাপতি, আকবর আলীকে সহসভাপতি, রজত হাজরাকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং শেখ মহিবুল ইসলাম দুলালকে প্রচার সম্পাদক মনোনীত করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধানের দাবিতে পরিবারের জিডি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধানের দাবিতে পরিবারের জিডি

পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়েছেন সাতক্ষীরা শহরের গড়কান্দা গ্রামের চা পরিবেশক ও ব্যবসায়ী আবদুল হাকিম (শাহজাহান ম-লের ছেলে)। গত ২৪ ঘণ্টায় তাঁর কোনো সন্ধান না পেয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে পরিবার। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুলাই কালীগঞ্জে পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আবদুল হাকিম। এরপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি এবং তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তবে কয়েকটি অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে পরিবারের কাছে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দাবি করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর বাবা শাহজাহান ম-ল আজ ২৯ জুলাই সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি জিডি (নং-১৮৮২) দায়ের করেছেন। নিখোঁজ ব্যবসায়ী আবদুল হাকিম দীর্ঘদিন ধরে চায়ের ডিলারের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ২৪ ঘণ্টা পার হলেও তাঁর কোনো খোঁজ না পাওয়ায় স্বজনেরা গভীর উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও সামাজিক ঐক্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও সামাজিক ঐক্য

সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার এবং তা দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাম্প্রতিক পদক্ষেপ আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক উন্মোচন করে। শ্যামনগরে বিজিবির ১৭ নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে আটককৃত প্রায় ৩২ কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জনসম্মুখে ধ্বংস করা এবং জেলা পুলিশের উদ্যোগে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজির উপস্থিতিতে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানের ঘোষণা কেবল প্রশাসনিক তৎপরতা নয়; এটি মাদকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের জিরো টলারেন্স নীতিরই এক বাস্তব প্রতিফলন।
বাজেয়াপ্ত মাদকের দীর্ঘ তালিকার দিকে তাকালে সার্বিক চিত্রটি বেশ শঙ্কা জাগায়। বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল, ইয়াবা, অ্যালকোহল ও হেরোইনের পাশাপাশি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) কিংবা এলএসডির মতো প্রাণঘাতী ও অতি-উচ্চমূল্যের সিন্থেটিক মাদকের অনুপ্রবেশ নিশ্চিতভাবেই তরুণ সমাজকে এক গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকাগুলোকে চোরাচালানকারীরা দীর্ঘদিন ধরে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। সীমান্ত রক্ষীদের দৃঢ়তার কারণে প্রায় ৫২ কোটি টাকার চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার সম্ভব হলেও মূল জোগান থামানো এখনও বড় চ্যালেঞ্জ।
এই প্রেক্ষাপটে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের পক্ষ থেকে পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি, অনলাইন জুয়া রোধ এবং মাদকের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদেরসহ (এমনকি পুলিশ সদস্য হলেও) কঠোর শাস্তির আওতায় আনার ঘোষণা অত্যন্ত সময়োপযোগী। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরে ও বাইরে নিরপেক্ষভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হলে তা সাধারণ মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করবে।
তবে মাদক কেবল একটি একক আইনি বা সামাজিক অপরাধ নয়, এটি এক বহুমাত্রিক জটিল ব্যাধি। শুধু সীমান্ত টহল জোরদার করা বা বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাময়িক সাফল্য অর্জন দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়, যতক্ষণ না অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সিন্ডিকেটের নেপথ্যের গডফাদারদের সমূলে উৎপাটিত করা যাচ্ছে। বিজিবির রিজিয়ন কমান্ডার এবং পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বক্তব্যে যেমনটা গুরুত্ব পেয়েছেÑমাদক নির্মূলে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে সর্বাত্মক সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা অপরিহার্য। সাতক্ষীরাসহ সারা দেশকে মাদকমুক্ত করতে হলে পুলিশ ও বিজিবির ধারাবাহিক পেশাদার অভিযান এবং সর্বস্তরের জনগণের ঐক্যবদ্ধ জিরো টলারেন্স অবস্থানের কোনো বিকল্প নেই।