রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

নিরাপদ গর্ভপাত অধিকার দিবস: প্রজননগত ন্যায়বিচার ও স্বাস্থ্যসেবার প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
নিরাপদ গর্ভপাত অধিকার দিবস: প্রজননগত ন্যায়বিচার ও স্বাস্থ্যসেবার প্রশ্ন

সাকিবুর রহমান বাবলা

২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক নিরাপদ গর্ভপাত দিবস। দিনটি কেবল কোনো নির্দিষ্ট মত প্রকাশের উপলক্ষ নয়; বরং অনিরাপদ গর্ভপাতজনিত মৃত্যু প্রতিরোধ, নির্ভরযোগ্য তথ্য নিশ্চিত করা এবং মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যাধিকার ও মর্যাদা রক্ষার বৈশ্বিক আহ্বান। ২০২৬ সালের দিবসটির মূল সুর-‘একতাবদ্ধ কর্মপন্থা: প্রজননগত ন্যায়বিচার এগিয়ে নেওয়া এবং সামগ্রিক গর্ভপাত সেবায় স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে জরুরিভাবে শক্তিশালী করা।’

প্রজননগত ন্যায়বিচার বলতে কেবল কোনো বিশেষ চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগকে বোঝায় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মানসম্মত সেবা, সঠিক তথ্য, বৈষম্যহীনতা, গোপনীয়তা রক্ষা এবং স্বায়ত্তশাসনের অধিকার। আর্থিক বা সামাজিক অবস্থানের কারণে কেউ যেন সেবাবঞ্চিত না হন-তা নিশ্চিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য। তবে এই দিবসের ঐতিহাসিক প্রতীকী সূত্র ছিল ১৮৭১ সালে ব্রাজিলে পাস হওয়া ‘ল অব ফ্রি বার্থ’ (রিও ব্রাঙ্কো ল), যা দাসী নারীদের সন্তানকে আইনি মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়ার একটি অংশ ছিল। পরবর্তীতে লাতিন আমেরিকা থেকে শুরু হয়ে ২০১১ সালে আন্দোলনটি বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৭ কোটি ৩০ লাখ প্ররোচিত গর্ভপাত ঘটে, যার ৪৫ শতাংশই অনিরাপদ। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রতিবছর প্রায় ৭০ লাখ নারী অনিরাপদ গর্ভপাতজনিত জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। বৈশ্বিক মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এই প্রতিরোধযোগ্য কারণটির সঙ্গে সম্পর্কিত। উপযুক্ত সময়সীমা, অনুমোদিত পদ্ধতি এবং দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর সেবা নিশ্চিত করা গেলে এ ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। অন্যদিকে, অদক্ষ ব্যক্তি বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অপচিকিৎসা গুরুতর রক্তক্ষরণ ও অঙ্গহানির মতো প্রাণঘাতী ঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশের আইনগত প্রেক্ষাপটে বিষয়টি বুঝতে ১৮৬০ সালের দন্ডবিধির (ধারা ৩১২-৩১৬) পাশাপাশি ‘মেনস্ট্রুয়াল রেগুলেশন’ বা এমআর ব্যবস্থার পার্থক্য জানা প্রয়োজন। জীবন রক্ষা ব্যতীত স্বেচ্ছায় গর্ভপাত শাস্তিমূলক অপরাধ হলেও, ১৯৭৯ সাল থেকে জাতীয় পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির অধীনে নির্দিষ্ট সময়সীমা ও নিয়মে এমআর সেবা চালু রয়েছে। তাই সংবাদ বা সচেতনতামূলক নিবন্ধে এমআর ও প্ররোচিত গর্ভপাতকে এক করে না দেখে সঠিক পরিভাষা ব্যবহার করা দরকার।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিটি ও নারী বৈষম্য বিলোপ সনদ-এ নারীর জীবন, স্বাস্থ্য ও সমতার অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোতে বিষয়টিকে ঢালাও অধিকার হিসেবে না দেখে ব্যক্তির স্বাস্থ্যাধিকার ও রাষ্ট্রের আইনি ব্যবস্থার সমন্বয়ে মূল্যায়ন করা হয়।

এটি শুধু চিকিৎসাবিজ্ঞান বা আইনের বিষয় নয়; এর সঙ্গে ধর্ম, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধ যুক্ত। ইসলাম, খ্রিস্টান, ইহুদি, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের চিন্তাবিদদের মধ্যে পরিস্থিতি ও গর্ভকালের ভিন্নতার ভিত্তিতে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। মায়ের জীবন রক্ষা ও জটিল পরিস্থিতিতে ধর্মীয় নীতিমালায় শিথিলতার আলোচনা পাওয়া যায়। তাই কোনো একক দৃষ্টিভঙ্গিকে পুরো ধর্মের একমাত্র অবস্থান হিসেবে তুলে না ধরে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বাস্তবতার আলোকে বিষয়টি অনুধাবন করা প্রয়োজন।

শহরের সচ্ছল মানুষের তুলনায় গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী অর্থ, দূরত্ব, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাধার কারণে মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বেশি বঞ্চিত হন। বাংলাদেশে অনিরাপদ গর্ভপাত রোধে কয়েকটি বিষয় জরুরি: পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রচার, স্বীকৃত এমআর সেবা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া, প্রজননস্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জটিলতায় দ্রুত পরবর্তী সেবা নিশ্চিত করা।

নিরাপদ গর্ভপাত অধিকারের মধ্যদিয়ে এটি প্রতিষ্ঠা করতে হবে যে, চিকিৎসা নিতে এসে কোনো নারী যেন অপমান, ভয় বা সামাজিক বিচারের শিকার না হন। গর্ভপাত নিয়ে সমাজে ভিন্নমত থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু সচেতনতার অভাবে বা ভুল পদ্ধতিতে যেন কোনো জীবন অকালে ঝরে না পড়ে-এই মানবিক জায়গায় পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহমর্মিতার সুযোগ রয়েছে। বৈজ্ঞানিক তথ্য প্রচার, কুসংস্কার দূরীকরণ এবং সম্মানজনক প্রজননস্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই আন্তর্জাতিক নিরাপদ গর্ভপাত দিবসের মূল বার্তা।

 

 

 

Ads small one

পাকিস্তান থেকে আসা ২৮ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি আফগানিস্তানের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
পাকিস্তান থেকে আসা ২৮ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি আফগানিস্তানের

পাকিস্তান সীমান্ত পার হয়ে আসা অন্তত ২৮ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করেছে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। রবিবার এক বিবৃতিতে তারা জানায়, পূর্বাঞ্চলীয় নুরিস্তান প্রদেশে আইসিস (ইসলামিক স্টেট) সদস্যসহ একদল সশস্ত্র যোদ্ধা প্রবেশ করলে আফগান বাহিনীর হামলায় ২৮ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, এই যোদ্ধাদের মধ্যে অধিকাংশই আফগানিস্তানের সাবেক সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং তাদের এই অনুপ্রবেশে পাকিস্তানের মিলিশিয়ার সমর্থন ছিল। তবে আফগান সরকারের এই দাবি বা হতাহতের সংখ্যা নিরপেক্ষ কোনও সূত্রে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স। অন্যদিকে, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও তথ্য মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, গত শনিবার হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে নুরিস্তানের কামদেশ সীমান্ত দিয়ে আফগানিস্তানে অনুপ্রবেশ করে সশস্ত্র দলটি। আফগান বাহিনী তাৎক্ষণিক অভিযান চালালে তারা হতাহতদের নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে আবার পাকিস্তানি মিলিশিয়া ফাঁড়ির দিকে পালিয়ে যায়। কাবুলের দাবি, পাকিস্তানি গোয়েন্দারা সাবেক আফগান নিরাপত্তা কর্মীদের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাকিস্তানে নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের নুরিস্তানে হামলার জন্য পাঠায়।

গত ২১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান আফগানিস্তানের ভেতরে বিমান হামলা চালিয়ে ২৮ জন চরমপন্থিকে হত্যার দাবি করেছিল। যদিও আফগান কর্মকর্তারা এতে বেসামরিক নাগরিক নিহতের অভিযোগ তুলেছিলেন এবং জাতিসংঘ মিশন অন্তত তিন জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছিল।

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে আফগানিস্তান তাদের মাটিতে পাকিস্তানি তালেবান বা সশস্ত্র যোদ্ধাদের আশ্রয় দিচ্ছে, যা কাবুল বরাবরই অস্বীকার করে আসছে। এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি অনুপ্রবেশের সহায়তার অভিযোগ আনলো আফগান সরকার।

ইউটিউবে স্বর্ণ-অর্থের গরম দেখানোই কাল হলো ইনফ্লুয়েন্সারের, চুরি ১ কোটির সম্পদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
ইউটিউবে স্বর্ণ-অর্থের গরম দেখানোই কাল হলো ইনফ্লুয়েন্সারের, চুরি ১ কোটির সম্পদ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বর্ণ-হিরের গয়না এবং বান্ডিল বান্ডিল টাকা উঁচিয়ে নিয়মিত ভিডিও পোস্ট করতেন তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারীর এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। অবশেষে নিজের সেই জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপন আর অঢেল সম্পদের প্রদর্শনীই ডেকে আনলো চরম বিপর্যয়। ভারতের নাগরেকয়েলে নিজের বাড়িতে চুরির ঘটনায় প্রায় ১ কোটি রুপি মূল্যের সম্পদ হারিয়েছেন মধুস্মিতা নামের ওই নারী ইনফ্লুয়েন্সার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাড়ে চার লাখেরও বেশি অনুসারী থাকা মধুস্মিতা নিজের রিলস ও ছবিগুলোতে বিলাসিতা জাহির করতে পছন্দ করতেন। এমনকি শিশুদের ওপর টাকা বৃষ্টি করার ভিডিও-ও পোস্ট করেছিলেন তিনি। একটি পুরোনো রিলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মধুস্মিতা মন্তব্য করেছিলেন যে, তিনি খুব ভালো করেই জানেন কীভাবে নিজের মূল্যবান জিনিসপত্র সুরক্ষিত রাখতে হয়। তবে সিঁদ কেটে ঘরে ঢুকে চোরেরা তার সেই দাবি ভুল প্রমাণ করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার পুরো পরিবারকে নিয়ে কেনাকাটা করতে বাইরে যান মধুস্মিতা। এই সুযোগে চোরেরা নাগরেকয়েলের ভিআইপি গার্ডেনে অবস্থিত তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে লকার খুলে ফেলে। কেনাকাটা শেষে বাড়ি ফিরে লকার খোলা ও জিনিসপত্র নিখোঁজ দেখে পরিবারটি চুরির বিষয়টি জানতে পারে। সব মিলিয়ে প্রায় ১২০ ভরি স্বর্ণ ও হিরের গয়না এবং নগদ ৫০ হাজার রুপি চুরি হয়েছে।

একসময় যেসব ভিডিও হাজার হাজার অনুসারীর উদ্দেশে প্রচার করা হয়েছিল, এখন সেগুলোকেই চোর চিহ্নিত করার হাতিয়ার বানিয়েছে পুলিশ। ইনফ্লুয়েন্সারের পোস্ট ও রিলসগুলো বিশ্লেষণ করে পুলিশ খতিয়ে দেখছে যে চোরেরা তার চলাফেরা ও লোকেশন ট্র্যাক করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সহযোগিতা নিয়েছিল কি না। সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করতে ইতোমধ্যে পাঁচটি বিশেষ পুলিশ টিম গঠন করা হয়েছে।

উত্তর প্রদেশে ৬০ ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে নিহত ৫৬

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
উত্তর প্রদেশে ৬০ ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে নিহত ৫৬

ভারতের উত্তর প্রদেশে টানা ৬০ ঘণ্টার অতিভারী বর্ষণে অন্তত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ৪৬ জন। রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এই দুর্যোগে ১০৭টি গবাদিপশু মারা গেছে এবং ১ হাজার ২১টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাজ্যের একাধিক জেলায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সীতাপুরে সর্বোচ্চ ৭ জন, লখিমপুর খেরি, বাহরাইচ ও বলরামপুরে ৫ জন করে এবং অযোধ্যা ও গোরখপুরে ৪ জন করে মারা গেছেন। সবচেয়ে বেশি গবাদিপশুর মৃত্যু (২৮টি) এবং ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি (২৭২টি) হয়েছে হরদোই জেলায়। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ফারুখাবাদে স্বাভাবিকের চেয়ে ২০০ গুণ, কানপুর নগরে ১৬০ গুণ এবং কনৌজ, কানপুর দেহাত ও হরদোইতে ১৩০ গুণ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বন্দা ও ফতেগড়ে ২২০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।

ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানায়, মধ্যপ্রদেশ ও সংলগ্ন ছত্তিশগড়ের ওপর সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপটি উত্তর প্রদেশের দিকে অগ্রসর হওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাজ্যের মধ্যাঞ্চল ও তরাই অঞ্চলের কিছু অববাহিকায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। রাতভর বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতা নিয়ে উত্তর প্রদেশ সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছে বিরোধীরা। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের জলাবদ্ধতার একটি ভিডিও শেয়ার করে এক্সে লিখেছেন, গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে বিজেপির দুর্নীতির নদী বইছে। নাম পরিবর্তনকারীদের জন্য চমৎকার সুযোগ, এর নতুন নাম দিন: গঙ্গা এক্সপ্রেস ওয়াটারওয়ে। অত্যন্ত নিন্দনীয়!

অন্যদিকে বিএসপি প্রধান মায়াবতী অতিবৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে