বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

পাইকগাছায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘরের আড়ায় গঁলায় রশি দিয়ে যুবুকের আত্মহত্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘরের আড়ায় গঁলায় রশি দিয়ে যুবুকের আত্মহত্যা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছায় নয়ন (১৮) নামে এক যুবক গঁলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার গদাইপুরের বাইশার আবাদ আশ্রয়ণ প্রকল্পে নিজ ঘরের আড়ায় গঁলায় রশি দিয়ে সে আত্মহত্যা করে। তার পিতা নাসির গাজী ও মায়ের নাম মনোয়ারা। মায়ের একাধিক বিয়ে আর পিতা থাকতেও নেই, পিতা অন্যত্র থাকে। তবে ঘটনার সময় নয়নের মা কাজের সন্ধ্যানে খুলনায় ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশের এসআই আসলাম লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করেছেন।
থানার ওসি মো. গোলাম কিবরিয়া বলেন, এ মুহূর্তে আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি তবে, তদন্ত চলছে। লাশের মযনা তদন্তের জন্য খুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেশিরা বলছেন, নয়ন ভালো ছেলে। তারা মৃত্যুর পিছনে পারিবারিক কলহকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। এদিকে খবর পেয়ে বিকেলে থানায় পৌছে একমাত্র ছেলের নিথর দেহ দেখে মা মনো শুধু আহাজারি করছেন।

 

Ads small one

কেশবপুরে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চড়া মূল্যে সার বিক্রির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চড়া মূল্যে সার বিক্রির অভিযোগ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিসিআইসি ডিলাররা সিন্ডিকেট করে রাসায়নিক সারের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চলতি পাট মওসুমে কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার চড়া মূল্যে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাব ডিলারদের অভিযোগ, এসব সার বিসিআইসি ডিলারদের কাছ থেকে তাদের চড়া মূল্যে কিনতে হচ্ছে বলেই তারা কৃষকদের কাছে চড়া মূল্যেই বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

ডিলারদের অতি মুনাফা লাভের আশায় এ উপজেলায় সম্প্রতি টিএসপি, ডিএপি ও ইউরিয়া সারের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে পাট ও সবজি চাষীরা পড়েছেন বিপাকে। যে কারণে চলতি মওসুমে কেশবপুরে পাট চাষে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, কেশবপুরে বিসিআইসি অনুমোদিত ডিলার রয়েছেন ১৩ জন। এসব ডিলারের অধীনে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১০৮ জন খুচরা বিক্রেতা (সাব ডিলার) রয়েছেন। এছাড়া এ উপজেলাই বিএডিসি ডিলার রয়েছে ২৯ জন। চলতি মওসুমে কেশবপুরে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৬ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে।

 

এছাড়া সবজি চাষ হয়েছে ৬ শত ৮০ হেক্টর জমিতে। পাট ও অন্যান্য সকল প্রকার মওসুমি ফসলের অনুকুলে চলতি জুন মাসের মোট ইউরিয়া সারের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ শত ১৮ মেট্রিক টন, ডিএপি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ শত ৯২ মেট্রিক টন, এমওপি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ শত ১০ মেট্রিক টন, টিএসপি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৭২ মেট্রিক টন। গত মে মাসে ১ শত ৩৮ মেট্রিক টন ইউরিয়া, ১ শত ৩০ মেট্রিক টন ডিএপি, ১ শত ১৫ মেট্রিক টন এমওপি ও ৫৫ মেট্রিক টন টিএসপি সারের বরাদ্দ দেয়া হয়।

 

অথচ কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে অধিকাংশ বিসিআইসি ডিলার ও সাব ডিলাররা অধিক মুনাফা লাভের আশায় কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে কৃষকদের কাছে বেশী দামে সার বিক্রি করছেন। এর ফলে ভরা মওসুমে কৃষকরা বাধ্য হয়ে এ সার চড়া মূল্যে কিনে জমিতে প্রয়োগ করছেন।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিটা দোকানে সারের সরকার নির্ধারিত মূল্য লেখা থাকলেও প্রতি কেজি ইউরিয়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, ডিএপি ৩২ থেকে ৩৮ টাকা, টিএসপি ৩৫ থেকে ৪২ টাকা, এমওপি ২২ থেকে ২৬ টাকা দরে বিক্রি করছেন খুচরা সার বিক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, কেশবপুর উপজেলার প্রত্যেক বিসিআইসি ডিলারের রয়েছে গোপন গুদাম ঘর।

 

রাতের আধারেই সেখান থেকেই চড়া মূল্যে এ সার চলে যাচ্ছে মৎস্য ব্যবসায়ীর ঘেরে। যার কারণে বিসিআইসি ডিলাররা বরাদ্দকৃত সার সাব ডিলারদের কাছে বিক্রি করতে অনিহা প্রকাশ করছেন। এভাবে বিসিআইসি ডিলাররা সারের সংকট তৈরী করে তাদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশী মূল্যে বিক্রি করছেন। বিধায় কৃষকদের চড়া মূল্যে সার কিনতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের এক খুচরা বিক্রেতা জানান, চলতি মাসে তার দোকানে ইউরিয়া সারের চাহিদা ১৫০ বস্তা থাকলেও পেয়েছেন মাত্র ২০ বস্তা, ডিএপি সারের চাহিদা ১৫০ বস্তা থাকলেও পেয়েছেন মাত্র ৫ বস্তা, টিএসপি সারের চাহিদা ১০০ বস্তা থাকলেও পেয়েছেন মাত্র ৫ বস্তা, এমওপি সারের চাহিদা ১০ বস্তা থাকলেও পেয়েছেন মাত্র ৩ বস্তা।

বিদ্যানন্দকাটি গ্রামের কৃষক মোকাররাম হোসেন বলেন, চলতি বছর তিনি ৬ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। এ জমিতে সার প্রয়োগ করতে তিনি বাধ্য হয়ে কেশবপুর শহরের এক দোকান থেকে ১৫ শত টাকায় ১বস্তা ইউরিয়া ও ১৫ শত টাকায় ১বস্তা ডিএপি কিনেছেন। দোকানে স্যারের সরকার নির্ধারিত মূল্য লেখা থাকলেও সে দামে তিনি সার কিনতে পরেনি। তার অভিযোগ, কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় অধিকাংশ সার ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে কৃষকদের কাছে বেশী দামে সার বিক্রি করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন সিন্ডিকেটের কথা অস্বীকার করে বলেন, সারের কোন সংকট নেই। কৃষকরা মাত্রা অতিরিক্ত সার প্রয়োগ করায় একটু সমস্যা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, কোন ব্যবসায়ী বেশী দামে সার বিক্রি করলে তার রশিদ থাকলে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন উপলক্ষে ২টি সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন উপলক্ষে ২টি সংবাদ সম্মেলন

বাংলাদেশ থেকে অপুষ্টি জনিত অন্ধত্ব নির্মূল এবং অপুষ্টি জনিত শিশুমৃত্যু প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে ২৮ জুন সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন করা হবে। ঐ দিন সারাদেশের ন্যায় সিটি কর্পোরেশনের ৩১ ওয়ার্ডে বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে ৬-১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিট ‘এ’ ক্যাপসুল (এক লাখ আইইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (দুই লাখ আইইউ) খাওয়ানোসহ শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর বিষয়ে পুষ্টি বার্তা প্রচার করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে পালন উপলক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ আয়োজিত আজ (বৃহস্পতিবার) নগরীর শেরে বাংলা রোডস্থ নগর স্বাস্থ্য ভবনের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

অনুষ্ঠানে প্রশাসক বলেন, ভিটামিন এ ক্যাপসুল শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ রাতকানা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার মাধ্যমে এ ক্যাম্পেইনকে সফল করার অনুরোধ করেন।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো: মেহেদী হাসান, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: তরিকুল ইলসাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলামসহ প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার কর্মীরা অংশ নেন।

সম্মেলনে জানানো হয়, মহানগরীতে মোট এক লাখ আট হাজার নয়শত ৫২ জন শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (এক লাখ আইইউ) খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ১২ হাজার তিন শত ৩৭ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুর সংখ্যা ৯৬ হাজার ৬৫৫ জন। এবছর সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে মোট এক হাজর চারশত ২০জন ভলেন্টিয়ার, ওয়ার্ড ভিক্তিক কেন্দ্র সংখ্যা ৫৮০টি, মোট কেন্দ্র সংখ্যা ৭১০ টি, মোবাইল কেন্দ্র ৮০টি, এনজিও পরিচালিত কেন্দ্র ৫০টি এবং ৬২ জন সুপারভাইজার কাজ করবে। তথ্যবিবরণী

 

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালনে জেলা পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা
বাংলাদেশ থেকে অপুষ্টি জনিত অন্ধত্ব নির্মূল এবং অপুষ্টি জনিত শিশুমৃত্যু প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে ২৮ জুন সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন করা হবে। ঐ দিন সারাদেশে ৬-১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিট ‘এ’ ক্যাপসুল (এক লাখ আইইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (দুই লাখ আইইউ) খাওয়ানোসহ শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানের বিষয়ে পুষ্টি বার্তা প্রচার করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে পালন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার খুলনা নগরীর স্কুল হেলথ ক্লিনিকের সম্মেলনকক্ষে জেলা পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিভিল সার্জন ডা. মোছা. মাহফুজা খাতুন সভাপতিত্ব করেন।

সভাপতি বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে বিশেষ করে অভিভাবকগণকে শিশুদের ক্যাপসুল গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তিনি জানান, জেলার সকল সরকারি দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত সহযোগিতায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে নিজ নিজ কর্মপরিধিতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে জনগণকে সচেতন করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, গত চার মাসের মধ্যে অথবা এরও আগে যারা ভিটামিন এ ক্যাপসুল গ্রহণ করেছে, তাদের এবার ক্যাপসুল প্রদান করা হবে না। শিশুকে অবশ্যই ভরা পেটে ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। এ বছর ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতায় নির্ধারিত একদিনই শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সভায় সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মো: রফিকুল ইসলাম গাজী, পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের উপপরিচালক মো: আকিব উদ্দিন, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ উপজেলা স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভায় জানানো হয়, জেলার ৯ টি উপজেলার এবং ২ টি পৌর সভায় মোট তিন লাখ ২৩ হাজার আটশ ৫৭ জন শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিট ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ (দুই লাখ আইইউ) ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ৩৯ হাজার তিনশত ৮৯ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুর সংখ্যা দুই লাখ ৮৪ হাজার চারশ ৬৮জন। মোট এক হাজার সাতশত ৬২টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে টিকা প্রদান করা হবে। তথ্যবিবরণী

 

 

সাতক্ষীরায় এনজিও কর্মীর মোটরসাইকেল চুরি, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল চেহারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় এনজিও কর্মীর মোটরসাইকেল চুরি, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল চেহারা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে এক এনজিও কর্মীর মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলের মালিক মো. তৌহিদুজ্জামান সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিডো বাস্তবায়িত যুব-নেতৃত্বে দুর্যোগের ওপর স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) ও আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে সিডোর প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. তৌহিদুজ্জামান তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে রেখে সভায় যোগ দেন। অনুষ্ঠান শেষে বাইরে এসে তিনি দেখতে পান মোটরসাইকেলটি সেখানে নেই। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান না পেয়ে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্তকে অবহিত করেন। ইউএনওর পরামর্শে তিনি সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি মো. তৌহিদুজ্জামানের নামে নিবন্ধিত একটি হিরো স্পেন্ডার। এর রেজিস্ট্রেশন নম্বর সাতক্ষীরা-হ-১৪-৯৬১৫। অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা উপজেলা পরিষদের নিচতলা থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে গেছে বলে জিডি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় জিডি নং-১৫৬৫, তারিখ ২৩ জুন ২০২৬ দাখিল করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ও বিভিন্ন দোকানে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তির স্পষ্ট চেহারা দেখা গেছে। পুলিশ ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানা গেছে।

এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর ও আশপাশের এলাকায় মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যানচুরির ঘটনা বেড়েছে।
বারবার এমন ঘটনা ঘটলেও কার্যকর নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।