রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

পাইকগাছায় চরভরাটি জমি দখল নিয়ে দু-পক্ষের মধ্যে বিরোধ; ভুমিদস্যুদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় চরভরাটি জমি দখল নিয়ে দু-পক্ষের মধ্যে বিরোধ; ভুমিদস্যুদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছার হরিঢালী ইউনিয়নের ৯০ বিঘা জমি দখল নিয়ে দুই উপজেলার পাশ্ববর্তী দুই ইউনিয়ের লোকদের মধ্যে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার সোনাতনকাটীর বালিয়া খেয়াঘাট এলাকায় জবর দখলকৃত জমি উদ্ধার ও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পাইকগাছার হরিঢালী ইউনিয়নের চর পাথরঘাটা মৌজায় ৩০ বিঘা ও তালা উপজেলার ডুমুরিয়া মৌজায় নদী ভাঙ্গনে জেগে উঠা ৬০ বিঘা চরভরাটি জমি দখল নিয়ে বিরোধ চলছে। পাইকগাছা উপজেলার সোনাতনকাটি এলাকার লোকদের দাবী পাশ্ববর্তী তালা উপজেলার খেসর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলীর নেতৃত্বে জবর দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের কবল থেকে উক্ত জমি উদ্ধার ও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানানো হয় মানববন্ধনে।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সোনাতনকাটি গ্রামের মোমিনুর রহমান। বক্তব্য রাখেন, ইকবাল গাজী, আহাদ আলী, মতিয়ার রহমান। বক্তরা বলেন, কপোতাক্ষ নদের ভাংগনে নদের দক্ষিণ পাশে তালা উপজেলার ডুমুরিয়া মৌজায় ৬০ বিঘা জমি জেগে ওঠে। যা সোনাতনকাটি এলাকার লোকের দখল করতো। সম্প্রতি খেসরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে দখলদারদের বাসাবাড়ী ভাংচুর, মালামাল লুটপাট করে তাদেরকে বিতাড়িত করে দখল করে নেয়।

 

অপরদিকে সোনাতন কাটির চর পাথরঘাটা মৌজার ৩০ বিঘা জমি মোমিনুর রহমানসহ স্থানীয়রা দখল করে ধান ও মাছ চাষ করছে। সে জমিও উক্ত লিয়াকত চেয়ারম্যানের লোকেরা দখলের পায়তারা করছে। এবিষয়ে প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যানের পক্ষের শেখ মোঃ ইকলাস বলেন, আমাদের রেকর্ডীয় জমি সোনাতনকটির লোকেরা জবর দখল করেছিল, আমরা তা পুনরুদ্ধার করেছি।

Ads small one

অভিযানও চলছে, মাদকও পাওয়া যাচ্ছে: গলদ কোথায়?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৩ অপরাহ্ণ
অভিযানও চলছে, মাদকও পাওয়া যাচ্ছে: গলদ কোথায়?

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎সীমান্তবর্তী জেলা সাতক্ষীরায় মাদক চোরাচালান, মাদক কেনাবেচা এবং ‘কিশোর গ্যাং’-এর দৌরাত্ম্য দিন দিন উদ্বেগজনক বাড়ছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কোন কোন এলাকায় রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় মাদক ও অপরাধ দমনে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত অভিযান, মাদক উদ্ধার, মাদক ধ্বংস এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারের খবরও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এসব অভিযানের পরও মাঠপর্যায়ে অপরাধ কমছে না কেন? মাদক চোরাচালান ও বিক্রির নতুন নতুন পথ তৈরি হচ্ছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে অভিযানগুলো কি সত্যিই অপরাধের মূল শিকড় পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে, নাকি কেবল ছোটখাটো অপরাধীদের ধরেই অভিযান শেষ করা হচ্ছে?

‎সাতক্ষীরা দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্তপথ দিয়ে ফেন্সিডিল ও গাঁজার পাশাপাশি ‘আইস’ ও ‘কুশ’-এর মতো মাদক প্রবেশের অভিযোগ আছে। এসব মাদক শুধু তরুণদের জীবনই নষ্ট করছে না, এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে বড় ধরনের অপরাধ চক্র।

‎প্রশ্ন হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও এলাকায় এলাকায় রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় গঠন করামাদক বিরোধী কমিটির নিয়মিত নজরদারি ও অভিযানের পরও কীভাবে মাদক ঢুকছে এবং বাজারে ছড়িয়ে পড়ছে? সাধারণের মনে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে, প্রশাসনিক দুর্বলতা, গাফিলতি কিংবা প্রভাবশালী কোনো মহলের মদদ কাজ করছে? শুধু নামে নিদিষ্ট এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান, তলে তলে মাদক সম্্রাটের সাথে আঁতাত না তো।

‎মাদকের এই বিস্তারের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে তরুণ প্রজন্মের ওপর। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহ সংস্কৃতি। সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় তরুণদের মধ্যে দলবদ্ধভাবে চলাফেরা, মারামারি, ভয় দেখানো এবং ছোটখাটো বিষয় নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। কখনো কখনো এসব বিরোধ ভয়াবহ সহিংসতায়ও রূপ নিচ্ছে। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন অভিযানের লক্ষ্য কি শুধু ছোট অপরাধীদের আটক করা, নাকি মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে থাকা মূল চক্রকে আইনের আওতায় আনা? অপরাধ দমনে লোকদেখানো অভিযান কোনো স্থায়ী সমাধান দিতে পারে না। প্রয়োজন নিয়মিত ও নিরপেক্ষ অভিযান, সীমান্তে কঠোর নজরদারি, মাদকের অর্থের উৎস অনুসন্ধান এবং অপরাধের পেছনে থাকা মূল ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। একই সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী পরিচয় যেন অপরাধীদের রক্ষা করতে না পারে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

ডেঙ্গুতে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি, মৃত্যু ৬ জনের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি, মৃত্যু ৬ জনের

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে তাদের মৃত্যু হয়। এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৮৯ জন।

রবিবার (৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৮১৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩২৪ জন, খুলনা বিভাগে ৩৩০ জন, রংপুর বিভাগে ৮৩ জন, বরিশাল বিভাগে ২০৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ২২৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ১০ জন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, চলতি বছরের শুরু থেকে রবিবার পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৬ হাজার ৪৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার ৩৪৭ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫ হাজার ৮৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ছাড়া চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ২৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এশিয়ান গেমসের সমাপনীতে গেলো না হকি দল, ব্যস্ত শপিংয়ে!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
এশিয়ান গেমসের সমাপনীতে গেলো না হকি দল, ব্যস্ত শপিংয়ে!

এশিয়ান গেমসের মতো মহাদেশীয় ক্রীড়া আসরের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলো না বাংলাদেশ পুরুষ হকি দল। নাগোয়ার পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে রবিবার বসেছিল ২০তম এশিয়ান গেমসের সমাপনী আয়োজন। সেখানে বাংলাদেশের ৪৫ জন ক্রীড়াবিদের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও হকি দলের একজন খেলোয়াড়ও উপস্থিত ছিলেন না। সমাপনী অনুষ্ঠানের বদলে শেষ দিনটি শহর ঘুরে কেনাকাটাতেই কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দলটি।

সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি ও এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদ হকি দলের আয়োজকদের আটজন খেলোয়াড় পাঠাতে বলেছিলেন। কিন্তু সেই অনুরোধে সাড়া দেয়নি কেউ।

হকি দলের ম্যানেজার ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স অবশ্য এর পেছনে দূরত্বকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। গিফুতে দলের আবাসন থেকে নাগোয়ার অনুষ্ঠানস্থলে যেতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগে বলে জানান তিনি। সংবাদ মাধ্যমকে প্রিন্স বলেন, ‘বললেই তো এত সহজ নয়। আমরা গিফুতে আছি, আর অনুষ্ঠান হচ্ছে নাগোয়ায়। আমাদের জায়গা থেকে সেখানে যেতে তিন ঘণ্টার পথ।’

শনিবারই এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের হকি অভিযান শেষ হয়েছে। সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে সপ্তম হয় বাংলাদেশ। এরপরই দলের ব্যস্ততা কিছুটা কমে আসে।

প্রিন্স বলেন, ‘আমাদের অভিযান গতকাল শেষ হয়েছে। ম্যাচ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, সময় পাইনি। তাই এখানে আমাদের শেষ দিন হওয়ায় শহর ঘুরে বেড়ানো এবং কিছু কেনাকাটা করার পরিকল্পনা করেছিলাম।’

সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তাদের জানানো হয়েছিল বলে জানান হকি দলের এই কর্মকর্তা। তার দাবি, শনিবার রাতে তাদের বিষয়টি জানানো হয়।

আরিফুল বলেন, শনিবার রাতে তাদের সমাপনী অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। পরে অবশ্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের আর্চারি দলের সদস্যদের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সাইফ হাসান, লিটন দাসসহ অন্য ক্রীড়াবিদরা উপস্থিত ছিলেন। লিটন দাস বাংলাদেশের পতাকা বাহক ছিলেন।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ২০তম এশিয়ান গেমস। রবিবার নাগোয়ার পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে মহাদেশীয় এই ক্রীড়া আসরের।