পাইকগাছার উত্তর গড় আবাদের ৪ কিলোমিটার সড়ক ভাঙ্গাচোরা, চলাচলে দুর্ভোগ বাড়ছে
পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর গড়ের আবাদ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ভাঙাচোরা ইটের সলিং, অসংখ্য খানাখন্দ এবং একটি বড় অংশে এখনো মাটির রাস্তা থাকায় প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, চৌমুহনী বাজার মহিলা মাদ্রাসার সামনে থেকে গোলজার মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত ইটের সলিং উঠে গিয়ে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে মোটরসাইকেল, ভ্যান, অটোরিকশা ও সাধারণ পথচারীদের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একই সড়কের প্রায় ১৬৪ মিটার অংশ এখনো কাঁচা বা মাটির রাস্তা। বর্ষা মৌসুমে ওই অংশ কাদায় একাকার হয়ে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী ও সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাড়িয়ার ডাঙ্গা/কমলাপুর থেকে উত্তর গড়ের আবাদ হয়ে চৌমুহনী বাজার পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের আইডি ২৪৭৬৪৫০৫৭। এটি এলাকার মানুষের যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান যোগাযোগ পথ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়ন না হওয়ায় সড়কটির অবস্থা দিন দিন আরও নাজুক হয়ে উঠছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, দ্রুত সড়কটির ভাঙা অংশ সংস্কার, ইটের সলিং পুনঃনির্মাণ এবং অবশিষ্ট ১৬৪ মিটার কাঁচা অংশে ইটের সলিং বা পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হোক। এতে শুধু যাতায়াতের দুর্ভোগই কমবে না, বরং এলাকার শিক্ষা, কৃষি ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডেও ইতিবাচক গতি ফিরবে।
স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সড়কটির উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হোক।






