মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রথম স্ত্রীসহ গাজী নজরুলের ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
প্রথম স্ত্রীসহ গাজী নজরুলের ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় জামায়াতে ইসলামীর বিতর্কিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।

তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকার সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রিমান্ড আবেদনের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে, রিমান্ড বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে শুনানি হওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম।

তবে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত নজরুল ইসলাম ও মাকমুদা বেগমকে আদালতে হাজির করা হয়নি। তাদের নিয়ে আদালতের পথে রওনা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন এসআই শামসুজ্জোহা সরকার।

Ads small one

আশাশুনিতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

oplus_0

আশাশুনি প্রতিনিধি: পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে উপজেলা যুবদল।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আশাশুনি সদরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন যুবদলের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জনতা ব্যাংক চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবাদ সমাবেশ।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আব্দুর রহিম ছোট। বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও বুধহাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু জাহিদ সোহাগ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সরদার রুহুল আমিন।

এ সময় উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের যুবদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে একটি পক্ষ নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্টের অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

সুমন হত্যা মামলায় রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
সুমন হত্যা মামলায় রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

পত্রদূত ডেস্ক: ইসলামিক বক্তা মনোয়র হোসেন মোমিনের ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার চালক সুমন হুসাইন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামী হাবিবুর রহমান রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমা- মঞ্জুর করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস ম-ল মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেনের সাত দিনের রিমা- আবেদন শুনানী শেষে এ আদেশ দেন। গ্রেপ্তারকৃত হাবিবুর রহমান ওরফে রুবেল (২৯) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের কৈখালি গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে।

নিহত সুমন হুসাইনের চাচা ইকবাল হোসেন জানান, গত ১৯ জুলাই রবিবার রাতে আর্জেন্টিনা ও তুরস্কের মধ্যে বিশ^কাপ ফুটবলের চুড়ান্ত প্রতিযোগিতা চলছিল। রাত ১১টার দিকে ভাইপো সুমন হুসাইনকে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে যায় অজ্ঞাতনামা লোকজন। পরদিন সকালে কৈখালি গ্রামের কেসমত দাই এর মাছের ঘের থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ লাশের পাশ থেকে ৩৩ ভোল্টের বৈদ্যুতিক তার, দুটি লোহা কাটা ব্লেড ও সিমবিহীন একটি বাটাম ফোন উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তার (ইকবাল) ভাই আব্দুল হামিদ সরদার বাড়ি হয়ে কারো নাম উল্লেখ করে ২০ জুলাই সাতক্ষীরা সদর থানায়( জিআর-৩২৭/২৬ সদর) একটি হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টার মামলা করেন।

 

১৯ জুলাই রাতে ফোন কলের সূত্র ধরে ১৮ সেপ্টেম্বর নিজ বাড়ি থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেন রুবলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমা- আবেদন করেন।
আসামীপক্ষে রিমা- শুনানীতে অংশ নেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. আব্দুল মজিদ (২)। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানীতে অংশ নেন আদালতের পুলিশ উপপরিদর্শক (সিএসআই ) মাজেদুর রহমান।

সাতক্ষীরা সদর থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন আসামী রুবেলের দুই দিনের রিমা- মঞ্জুর হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর তাকে কখন পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হবে তা বলা যাবে।

ভালোবাসা, বয়স, নিরাপত্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
ভালোবাসা, বয়স, নিরাপত্তা

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ভালোবাসার কোনো ক্যালেন্ডার নেই। নেই নির্দিষ্ট কোনো বয়সও। কখনো সমবয়সী দুজন মানুষের মধ্যে গড়ে ওঠে গভীর সম্পর্ক, কখনো বয়সের ব্যবধান পেরিয়েও দুটি মানুষ খুঁজে নেয় একে অপরের সঙ্গ। সেখানে বয়সের অঙ্কের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে বোঝাপড়া, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও মানসিক পরিপক্বতা। তবে ভালোবাসার স্বাধীনতার পাশাপাশি আছে দায়িত্বেরও একটি অদৃশ্য সীমারেখা। সেই সীমারেখার নামÑনিরাপত্তা, সম্মতি ও মর্যাদা। জীবনের পথে মানুষ কখন যে কারও প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে, তার কোনো নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা নেই। পরিচয়ের পরতে পরতে জন্ম নেয় মায়া, মায়া থেকে টান, আর সেই টান কখনো কখনো পরিণত হয় ভালোবাসায়। বয়স সেখানে একটি সংখ্যা মাত্রÑএমন কথা অনেকেই বলেন। কথাটি সব ক্ষেত্রে সত্য না হলেও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের পারস্পরিক, স্বাধীন ও সম্মত সম্পর্কের ক্ষেত্রে বয়সের ব্যবধান একাই কোনো সম্পর্কের মান নির্ধারণ করে না।

 

একজন বয়সে বড় মানুষ হয়তো জীবনের অনেক অভিজ্ঞতা সঙ্গে নিয়ে সম্পর্কের কাছে আসেন। অন্যজন হয়তো তুলনামূলক তরুণ, কিন্তু তার অনুভূতি, চিন্তা ও জীবনবোধ গভীর হতে পারে। আবার সমবয়সী দুজন মানুষও মানসিকভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন জায়গায় অবস্থান করতে পারেন। তাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু জন্মতারিখের হিসাব নয়, বরং মানুষ দুজন কীভাবে একে অপরকে বোঝেন, সম্মান করেন এবং স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেনÑসেটিই গুরুত্বপূর্ণ। প্রেম তখনই সুন্দর, যখন সেখানে অধিকারবোধের চেয়ে সম্মান বড় হয়। ভালোবাসা তখনই পূর্ণতা পায়, যখন একজন আরেকজনকে নিজের মতো করে বাঁচার সুযোগ দেন। সম্পর্কের সৌন্দর্য কেবল পাশাপাশি হাঁটার মধ্যে নয়; কখনো কখনো প্রিয় মানুষটির নিজস্ব পথ, নিজস্ব মত ও নিজস্ব সিদ্ধান্তকেও সম্মান করার মধ্যেই ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রকাশ ঘটে। তবে এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা স্পষ্ট করা জরুরি। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের পারস্পরিক ভালোবাসা আর শিশু বা অপ্রাপ্তবয়স্ককে জড়িয়ে কোনো রোমান্টিক বা যৌন সম্পর্ক-এক বিষয় নয়।

 

শিশুর ক্ষেত্রে বয়স কোনো সাধারণ সংখ্যা নয়; সেটি তার বিকাশ, নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার একটি মৌলিক বিষয়। একটি শিশু আবেগ বুঝতে পারে, কাউকে পছন্দ করতে পারে, কারও প্রতি গভীর টানও অনুভব করতে পারে। কিন্তু সেই অনুভূতিকে প্রাপ্তবয়স্ক সম্পর্কের সমতুল্য ধরে নেওয়া নিরাপদ বা দায়িত্বশীল নয়। কারণ শিশুর মানসিক, সামাজিক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এখনও বিকাশমান। তাই শিশুর ক্ষেত্রে প্রথম প্রশ্ন হওয়া উচিত নয়Ñ‘সে কাকে ভালোবাসে?’ প্রথম প্রশ্ন হওয়া উচিতÑ‘সে কতটা নিরাপদ?’ একজন শিশুর নিরাপত্তা, মর্যাদা, স্বাভাবিক বিকাশ এবং মানসিক সুস্থতা রক্ষার দায়িত্ব পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের। কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি তার বয়স, ক্ষমতা, প্রভাব, অর্থনৈতিক নির্ভরতা কিংবা সামাজিক অবস্থান ব্যবহার করে কোনো শিশুর ওপর আবেগগত বা অন্য কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করলে সেটিকে ভালোবাসার রোমান্টিক ভাষায় আড়াল করা যায় না। শিশুর সরলতা, বিশ্বাস বা নির্ভরশীলতাকে কখনোই সম্পর্কের বৈধতা হিসেবে দেখা উচিত নয়।

 

এখানে নৈতিকতার পাশাপাশি আইন ও সুরক্ষার প্রশ্নও রয়েছে। শিশুর ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের দায়িত্ব আরও বেশি। তার ‘না’কে সম্মান করতে হবে, তার অস্বস্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে এবং এমন যেকোনো পরিস্থিতি থেকে তাকে রক্ষা করতে হবে, যেখানে সে ভয়, চাপ, প্রলোভন, গোপনীয়তা বা ক্ষমতার অসমতার মধ্যে পড়ে যেতে পারে। কারণ শিশুর পৃথিবী এখনও তৈরি হচ্ছে। তার হাতে ভবিষ্যতের রঙতুলি। সেই ভবিষ্যৎকে কোনো সম্পর্কের আবেগ, প্রভাব বা ব্যক্তিগত আকাক্সক্ষার কাছে বিসর্জন দেওয়া যায় না। অন্যদিকে, প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সম্পর্কেও বয়সের ব্যবধান থাকলে কিছু বিষয় গভীরভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। দুজনের সম্মতি কি স্বাধীন? সম্পর্কের মধ্যে কি ক্ষমতার ভারসাম্য আছে? একজন কি অন্যজনের ওপর অর্থনৈতিক, সামাজিক বা মানসিকভাবে অতিরিক্ত নির্ভরশীল? সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দুজনের সমান স্বাধীনতা আছে কি নাÑএসব প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বয়সের ব্যবধান নিজে সমস্যা নয়; কিন্তু বয়সের সঙ্গে যদি ক্ষমতার অসমতা যুক্ত হয়, তখন সম্পর্কের প্রকৃতি বদলে যেতে পারে।

 

ভালোবাসা কখনো কারও স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার নাম নয়। ভালোবাসা মানে কাউকে নিজের ছায়ায় আটকে রাখা নয়। ভালোবাসা মানে এমন এক সম্পর্ক, যেখানে দুজন মানুষ পাশাপাশি থেকেও নিজেদের স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণœ রাখতে পারেন। সমবয়সী সম্পর্কেরও যেমন সমস্যা থাকতে পারে, তেমনি বয়সের ব্যবধান থাকা সম্পর্কেও থাকতে পারে সৌন্দর্য, স্থিরতা ও গভীরতা। আবার বিপরীতটিও সত্য। তাই সম্পর্কের বিচার শুধু বয়স দিয়ে করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি শুধু আবেগ দিয়েও করা যায় না। প্রয়োজন বিবেক, দায়িত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্মান।

 

সমাজের সবচেয়ে দুর্বল মানুষটির নিরাপত্তাই সভ্যতার বড় পরীক্ষা। আর সেই দুর্বলতার জায়গাটি যদি হয় একটি শিশু, তাহলে সেখানে কোনো অস্পষ্টতা, কোনো রোমান্টিক ব্যাখ্যা কিংবা কোনো সামাজিক আপসের সুযোগ নেই। ভালোবাসা মানুষের জীবনের সবচেয়ে কোমল অনুভূতিগুলোর একটি। তাই তাকে কলুষিত না করাই দায়িত্ব। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের স্বাধীন ও সম্মত ভালোবাসা তার মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকুক। আর শিশুর পৃথিবী থাকুক সম্পূর্ণ নিরাপদÑভালোবাসা, স্নেহ, শিক্ষা ও স্বপ্নে ভরা। কারণ ভালোবাসার সৌন্দর্য শুধু কাছে টানায় নয়, প্রয়োজন হলে সীমারেখা রক্ষা করাতেও। ভালোবাসার গভীরতা থাকতে পারে; কিন্তু শিশুর নিরাপত্তার সীমারেখা কখনোই অতিক্রম করা যায় না।

লেখক: সংবাদকর্মী