সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রযুক্তি, সাংবাদিকতা এবং একটি অস্তিত্বের প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
প্রযুক্তি, সাংবাদিকতা এবং একটি অস্তিত্বের প্রশ্ন

দীপঙ্কর বিশ্বাস

সংবাদপপত্রের প্রথম পাতা থেকে শুরু করে সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমের ‘নোটিফিকেশন ফিড’ সাংবাদিকতার রূপান্তর ঘটেছে চোখে পড়ার মতো গতিতে। হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোন আর দ্রুতগতির ইন্টারনেট বদলে দিয়েছে তথ্য দেওয়া-নেওয়ার পুরো ব্যাকরণ। কিন্তু এই পরিবর্তনের স্্েরাতে ভেসে ওঠা বড় প্রশ্নটি হলো: প্রযুক্তি কি সাংবাদিকতাকে সমৃদ্ধ করেছে, নাকি এর পেশাদারিত্বকে ঠেলে দিয়েছে অবক্ষয়ের দিকে?

একদিক থেকে বিচার করলে, প্রযুক্তি সাংবাদিকতার জন্য নিয়ে এসেছে এক নতুন দিগন্ত। এখন আর কোনো ঘটনা ঘটলে পরদিনের খবরের কাগজের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না; মুহূর্তের মধ্যেই তথ্য পৌঁছে যায় কোটি কোটি মানুষের কাছে। মাঠপর্যায়ের জটিল ডেটা বিশ্লেষণ, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় ড্রোন ও স্যাটেলাইট কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বিশাল নথিপত্র ঘেঁটে তথ্য বের করার কাজ প্রযুক্তি সংবাদকর্মীদের ক্ষমতা ও সক্ষমতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

তথ্যের এই বাঁধভাঙা জোয়ারে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতিটি হয়েছে, তা হলো বস্তুনিষ্ঠতা এবং সংবাদের নির্ভুলতার পরীক্ষা। ‘সবার আগে খবর দেওয়া’র এক প্রতিযোগিতায় সংবাদের যাচাই-বাছাই বা ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’ এর স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটি গুরুত্ব হারাচ্ছে। সংবেদনশীলতা আর চটকদার শিরোনাম এখন গভীর ও মানসম্পন্ন অনুসন্ধানের জায়গা দখল করে নিয়েছে। অ্যালগরিদমের ফাঁদে পড়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের চেয়ে ভুয়া খবর এবং গুজব অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, যা সাধারণ মানুষের মনে সংবাদমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে আশঙ্কাজনকভাবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুগে এসে মৌলিক কনটেন্ট বা লেখালেখির ধরণে এক ধরনের যান্ত্রিকতা কাজ করছে। সাংবাদিকতা তো কেবল কিছু তথ্যের সমাহার নয়; এর পেছনে থাকে মানবিক আবেদন, সহমর্মিতা, নীতি-নৈতিকতা এবং সমাজকে বুঝতে পারার প্রজ্ঞা, যা কোনো প্রযুক্তির পক্ষে হুবহু তৈরি করা সম্ভব নয়। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে যখন কেবল পেজভিউ কিংবা রিচ বাড়ানোর প্রতিযোগিতা চলে, তখন সাংবাদিকতা তার মহৎ সামাজিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত হতে বাধ্য হয়।

সব মিলিয়ে বলা যায়, প্রযুক্তি নিজেই নিজের মধ্যে কোনো অবক্ষয় বয়ে আনে না; অবক্ষয় ঘটে তখন, যখন প্রযুক্তিকে পেশাগত নীতি ও নৈতিকতার উপরে স্থান দেওয়া হয়। প্রযুক্তিকে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করে যদি সংবাদের মূল ভিত্তি সত্যতা, দায়িত্বশীলতা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে ধরে রাখা যায়, তবেই কেবল সাংবাদিকতা তার গৌরব বজায় রাখতে পারবে।

 

দিনশেষে, আধুনিকতম প্রযুক্তিও একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিকের বিবেক ও অনুসন্ধানী দৃষ্টির বিকল্প হতে পারে না।

 

 

Ads small one

মুক্তির আগেই ইতিহাস গড়লো ‘রাকা’, নাম উঠলো গিনেস বুকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
মুক্তির আগেই ইতিহাস গড়লো ‘রাকা’, নাম উঠলো গিনেস বুকে

আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা আল্লু অর্জুন অভিনীত ‘রাকা’ সিনেমার। ছবিটিতে দেখা যাবে দীপিকা পাড়ুকোনকেও। তবে মুক্তির এক বছর আগেই রেকর্ড গড়েছে সিনেমাটি।

‘রাকা’র নাম উঠেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। সর্বভারতীয় এই সিনেমার শুটিংয়ে একসঙ্গে ৩৭ জন শিল্পীর মোশন-ক্যাপচার করা হয়েছে। আর এই কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সিনেমাটি জায়গা করে নিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

ছবির প্রযোজক সংস্থা সান পিকচার্স সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক্সে এই আপডেটটি শেয়ার করেছে।

ছবিতে পরিচালকের পাশে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের সনদ হাতে দেখা যায় আল্লু অর্জুনকে। ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ইতিহাস তৈরি হলো। এক বিশ্বব্যাপী বিজয় যা ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে গেল!’

অন্যদিকে, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অফিসিয়াল সাইটে ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘বাস্তব সময়ে সর্বাধিক ৩৭ জন মানুষের গতিবিধি ধারণ করার রেকর্ডটি অর্জন করেছে সান টিভি নেটওয়ার্ক লিমিটেড এবং ভি. অরুণকুমার (ওরফে) অ্যাটলি (উভয়েই ভারত), আল্লু অর্জুন অভিনীত ‘রাকা’ সিনেমা।’

বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা

বাংলাদেশে সোনার গহনা পরে চলাফেরা নিরাপদ মনে করেন না জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। দেশে অনেক জায়গায় নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিশা।

তার কথায়, ‘সত্যি কথা বলতে, বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না। আমাদের দেশে অনেক জায়গায় নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে।’

তিশা বলেন, ‘আমরা নিজেরাই অনেক ঝামেলায় পড়ি, যেগুলো আমরা ডিজার্ভ করি না। অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়গুলো অন্যায় মনে হয়, ন্যায়বিচারও পাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মেয়েদের নিরাপত্তার বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। যে কোনও পরিস্থিতিতে নারীদের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো দরকার।’

টিভি নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। এর মধ্যে সিনেমাতেও নাম লেখালেন তিনি। শাকিব খানের বিপরীতে দেখা যাবে তাকে। ‘সোলজার’ সিনেমায় জুটি বেঁধেছেন তারা।

বিয়ে না করা কি দেবের ভুল সিদ্ধান্ত? যা বললেন অভিনেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
বিয়ে না করা কি দেবের ভুল সিদ্ধান্ত? যা বললেন অভিনেতা

বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন উঠলেই সাধারণত ব্যক্তিগত জীবন প্রসঙ্গে খুব বেশি মুখ খুলতে দেখা যায় না টলিউড অভিনেতা দেবকে। তবে ‘দাদাগিরি’র বিশেষ পর্বে অভিনেতাকে কিছুটা অন্যরকম মেজাজে দেখা গেলো। পরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক এবং এখনও কেন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেননি; এসব কিছু নিয়েই সরাসরি কথা বলেছেন তিনি।

দেবকে প্রশ্ন করেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। উত্তরে দেব যেমন নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানান, তেমনই অতীতের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আক্ষেপের কথাও স্বীকার করেন।

‘দাদাগিরি’র নতুন প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, বিশেষ এই পর্বে উপস্থিত রয়েছেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক, শ্রীময়ী চট্টরাজ, অম্বরিশ ভট্টাচার্য-সহ আরও অনেকে। সেখানেই দেবকে প্রশ্ন করেন সুদীপা। তার বক্তব্য, ‘ফ্যামিলি ম্যান’ হওয়ার পরেও এখনও বিয়ের পথে হাঁটেননি কেন? বিয়ে না করেই কি তিনি সত্যিই খুশি?

সুদীপার প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রসঙ্গে যথেষ্ট সতর্ক ছিলেন দেব। অভিনেতা বলেন, ‘আমি এমন কিছু বলতে চাই না, যেখানে আমার পার্টনারের অপমান হয়। বিয়ে করিনি বলে আমি খুশি নই, সেটাও তো নয়। বিয়ে করলেই মানুষ খুশি থাকবে, আর বিয়ে না করলে খুশি থাকবে না; এটা ঠিক নয়। সন্তান হলে তবেই মানুষ খুশি থাকবে, নিজের সন্তান না থাকলে খুশি থাকবে না; এটাও ভুল ধারণা। আমি এখনও খুশি।’

তবে এখানেই থামেননি দেব। নিজের জীবনের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে তার মনে আক্ষেপ রয়েছে বলেও জানান অভিনেতা।

দেবের কথায়, ‘কিছু সিদ্ধান্ত আমার নেওয়া ঠিক হয়নি। কিছু সিদ্ধান্ত হয়তো আরও আগে নিতে পারতাম। কিছু সিদ্ধান্ত নিলে হয়তো ভালো হতো। সেটা নিইনি বলে আক্ষেপ রয়েছে।’