মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

বাংলাদেশ-চীন আলোচনায় নজর রাখছে ভারত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন আলোচনায় নজর রাখছে ভারত

চীনের কাছ থেকে জে-১০সিই বহুমুখী যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে বাংলাদেশের সম্ভাব্য আলোচনা এবং বেইজিংয়ের প্রস্তাবিত চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর বিষয়ক খবরে গভীর নজর রাখছে ভারত। শুক্রবার (৩ জুলাই) নয়াদিল্লিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র জয়সওয়াল বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর যেকোনও ধরনের অগ্রগতি ও কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর ভারত সার্বক্ষণিক ও নিবিড় নজর রাখছে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রতিবেশীর এই জাতীয় সব ধরনের ঘটনাপ্রবাহ আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরকালে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এই অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে জে-১০সিই যুদ্ধবিমান সংগ্রহের বিষয়ে আলোচনা করছে, এমন আলাদা দুটি প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জয়সওয়াল ভারতের এই অবস্থানের কথা জানান।

সফরকালে তিস্তা নদীর উন্নয়ন প্রকল্পে চীনের কথিত সহায়তার প্রতিশ্রুতির বিষয়েও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্রের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উন্নয়নমূলক সহযোগিতা একটি পারস্পরিক সম্মত রূপরেখার মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়ে থাকে।

তিস্তা প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এই বিষয়ে ভারত আগেই বাংলাদেশের কাছে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে।

পাশাপাশি ভারতের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রতি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভারত এই ধরনের সব সম্পর্কিত ঘটনাপ্রবাহকে বিবেচনায় রাখবে।

Ads small one

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠিতে যা আছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীকে লেখা ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠিতে যা আছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চিঠি লিখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের দাফতরিক প্যাডে চিঠি লেখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চিঠিতে তিনি বোয়িং বিমান কেনার আগ্রহের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসা করেন।

চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, ‘আমি সবেমাত্র বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে আপনার চিঠি পেয়েছি এবং আপনার কেনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না এবং আমি এ বিষয়টি মনে রাখবো। এই বিষয়ে আপনার মনোযোগের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এবং আমি খুব অদূর ভবিষ্যতে আপনার সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় রয়েছি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনগণকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও ভালোবাসা জানাই। তারা অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে গেছে, কিন্তু আপনার নেতৃত্বে আমি নিশ্চিত যে তাদের এবং আপনার দেশের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্প কী চেয়েছেন, জানালেন বিমানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্প কী চেয়েছেন, জানালেন বিমানমন্ত্রী

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ট্রাম্প একটা জিনিস চেয়েছে যে, আমাদের বোয়িংগুলি ইউজ করেন। আমরা করছি, আমরা কিনছি। ১৪টি বোয়িং কিনছি, আরও আমরা লিজ নিবো।’

সোমবার (৩১ আগস্ট) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা জানান। গত ২৭ আগস্ট দেশের ৬৪ জেলায় সরকারের কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে। তাদের কেউ একটি, কেউ দুই থেকে তিনটি জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। সেই অনুযায়ী জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মিল্লাত ময়মনসিংহ, শেরপুর ও নেত্রকোণায় সরকারের কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য গত দায়িত্ব পান।

সেই সমন্বয় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার প্রসঙ্গ আসে। এসময় মন্ত্রী আরও জানান, ‘আমরা এদিকে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড এবং জার্মানি থেকে যে এয়ারবাস তৈরি হয়, সেখান থেকে ওদের কাছে কিনছি, ওদের কাছেও কিনবো। আমরা সবকিছুই বাড়াবো, ভালো করবো। আমরা দেশকে উন্নত করবো।’

এসময় প্রশাসনের লোকজনকের যার যার যে দায়িত্ব রয়েছে, তা পালন করারও আহ্বান জানান বিমানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এখানে কিন্তু সকলেই যার যার দায়িত্ব আছে, শুধু দায়িত্ববান হলেই হলো, আর কিছু লাগবে না। আপনারা দয়া করে নিজের দায়িত্ব নিজে পালন করবেন—এই আশা ব্যক্ত করি।’

এর আগে রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতে এক্স হ্যান্ডেলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করে একটি পোস্ট দেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। তিনি জানান, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বোয়িং বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

পোস্টে সার্জিও গোর উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ‘জবস’ প্রেসিডেন্ট। তিনি লাখ লাখ উচ্চ বেতনের চাকরি সৃষ্টি, ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এবং আমাদের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে প্রতিদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।

সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, এই সপ্তাহে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আরও একটি অবিশ্বাস্য চুক্তি করেছেন। বাংলাদেশ আরও বোয়িং বিমান কেনার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা তাদের প্রাথমিক অর্ডার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। আমাদের প্রেসিডেন্ট আমেরিকা এবং আমাদের অংশীদারদের আবার মহান করে তুলছেন।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি অনুযায়ী, আগেই যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার প্ৰতিশ্রুতি দিয়েছে। সেই অনুযায়ী গত ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত চুক্তি সই করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এসব উড়োজাহাজ কিনতে খরচ পড়বে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা (১ ডলারে ১২২ টাকা ৭৩ পয়সা হিসাবে)।

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে প্রণোদনা পাবেন বাড়িওয়ালা, প্রজ্ঞাপন জারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে প্রণোদনা পাবেন বাড়িওয়ালা, প্রজ্ঞাপন জারি

টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বর্তমান বাজারদর এবং বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক প্রাপ্ত বিভিন্ন দরপত্রের মূল্য বিবেচনায় ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় প্রতি ইউনিট সর্বোচ্চ ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ প্রণোদনার অংশ হিসেবে এই উৎপাদন ব্যয়ের ওপর ২০ শতাংশ মুনাফা ও ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম যুক্ত করে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কোনও গ্রাহক নির্ধারিত ব্যয়ের চেয়ে কম খরচে এ ধরনের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে সক্ষম হলে সাশ্রয়কৃত অর্থ তার লভ্যাংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুযায়ী, যেসব গ্রাহক ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ তারিখের মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে নিজস্ব ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, তারা পরবর্তী তিন বছর অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে মূল্য পাবেন।

বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো গ্রাহকদের তথ্য সংরক্ষণ, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের পরিমাণ নিরূপণ এবং প্রণোদনাসহ বিদ্যুতের মূল্য সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করবে। প্রণোদনার অর্থ গ্রাহকদের ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠানো হবে। কোনও অবস্থাতেই তা নগদে দেওয়া যাবে না।

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর পর স্থাপিত সিস্টেমের ক্ষেত্রে এই প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না।

সৌরভিত্তিক সিস্টেম স্থাপনে ব্যবহৃত সোলার প্যানেল, ব্যাটারি, ইনভার্টার, মিটারসহ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এবং টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এসআরইডিএ) নির্ধারিত কারিগরি মানদণ্ড অনুযায়ী হতে হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক ইতিমধ্যে স্থাপিত ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টার থেকে এ সংক্রান্ত নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোর আওতাধীন সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কার্যালয় থেকেও এ সহায়তা পাওয়া যাবে।

তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য অফিসার) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক জানান, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এই প্রজ্ঞাপন কার্যকর হবে।