শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

বেতনা নদীর ভাঙনে অস্তিত সংকটে ২০০ বছরের পুরোনো বুধহাটা বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
বেতনা নদীর ভাঙনে অস্তিত সংকটে ২০০ বছরের পুরোনো বুধহাটা বাজার

নিজস্ব প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার অন্যতম প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক কেন্দ্র বুধহাটা বাজারটি বেতনা নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীনের পথে বসেছে। দুই শতাব্দীর পুরোনো এই গ্রামীণ মোকামটিতে প্রতি সপ্তাহে কোটি কোটি টাকার কেনাবেচা হলেও বেড়িবাঁধ ধসে পড়ার কারণে এখন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সপ্তাহে শুক্র ও সোমবার বুধহাটা বাজারে হাট বসে। প্রতি হাটে অন্তত কয়েক কোটি টাকার পণ্য কেনাবেচা হয় এবং শুক্রবারের হাটে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় পশুর হাট বসে। কিন্তু বেতনা নদীর প্রবল স্রোতের তোড়ে বাজার সংলগ্ন পূর্ব-দক্ষিণ ও উত্তর-পশ্চিম পাশের প্রতিরক্ষা বাঁধ ধসে নদীতে চলে যাচ্ছে। বাজার কমিটির সভাপতি নুরুজ্জামান জুলু জানান, বাজারে অন্তত পাঁচ শতাধিক স্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যা এখন সরাসরি নদীগর্ভে চলে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এলুমিনিয়াম ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল ও হোটেল ব্যবসায়ী বিশু ময়রা জানান, যেকোনো মুহূর্তে তাঁদের দোকান নদী গ্রাস করে নিতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অপরিকল্পিতভাবে নদী খনন করার কারণেই এই ভাঙন তীব্র রূপ নিয়েছে। নদীর মাঝের পলি অপসারণ না করে ভাঙনকবলিত পাড়ের খুব কাছ দিয়ে খনন করার কারণে স্রোতের গতিপথ বাজারের দিকে ঘুরে গেছে। গত কয়েক দিনে বাজার সংলগ্ন এলাকার ২৫ থেকে ৩০ ফুট বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এমনকি সম্প্রতি খেয়া পারাপারের সময় পাড় ধসে শিশুসহ কয়েকজন যাত্রী নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, তিনি ইতিমধ্যে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অনুরোধ করেছেন। বৃষ্টির কারণে কাজ শুরু হতে কিছুটা বিলম্ব হলেও দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করতে তাগিদ দেওয়া হবে।
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাসকিয়া বলেন, নদী খননের পর পানির ধারণক্ষমতা বেড়েছে। বুধহাটা এলাকার ভাঙন রোধে স্থায়ী ও টেকসই সংস্কার করতে হলে নতুন প্রকল্প প্রয়োজন। তবে জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামত করা হবে।

Ads small one

খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার তুয়ারডাঙ্গার মুচির কোনা এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর উপকূলীয় ওয়াপদা বেড়িবাঁধে ধস নেমেছে। খবর পেয়ে দ্রুত জিওটিউব ফেলে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর শাখা কর্মকর্তা (এসও) আলমগীর হোসেন জানান, দুপুরে বেড়িবাঁধের আনুমানিক ৩০০ ফুট ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং বিকল্প বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত কাজ শেষ না হলে জোয়ারের পানি ঢুকে খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের ১৫ থেকে ২০ হাজার বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পাউবোকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন উপলক্ষে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আগামী ১২ আগস্ট এ দিনব্যাপী চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পির ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল স্থানে লিফলেট বিতরণ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ যেন কোনো খরচ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই ক্যাম্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পার-কুখরালীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধানের বীজতলায় ঘাস মারার বিষ প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে।
পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু সাইদ জানান, তাঁর বাবা ২০০২ সালে জব্বার সরদারের কাছ থেকে জমিটি কেনেন। কিন্তু বিআরএস রেকর্ডে ভুলবশত প্রতিপক্ষের নাম ওঠায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে মামলা (নং ১৯৩৭/২৫) চলমান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মৃত জব্বার সরদারের ছেলে আব্দুর রকিব জমিতে ফসল না করার জন্য পূর্বে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর জমিতে গিয়ে দেখা যায় বীজতলার চারাগুলো বিষ প্রয়োগের কারণে মরে গেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুর রকিব। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবু সাইদ এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।