শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

মহান মে দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
মহান মে দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন নানা আয়োজনের মাধ্যমে মহান মে দিবস পালন করছে। দিবসের কর্মসূচির মধ্যে শ্রমিক সমাবেশ, শোভাযাত্রা এবং শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এবারের মে দিবসের প্রতিপাদ্য হলো “সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নবপ্রভাত”।

সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের র‌্যালি ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ। উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাবেক মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতী, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সিকদারসহ শ্রমিক দলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

 

Ads small one

দৈনিক গণমুক্তির সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি হলেন দেলোয়ার হোসেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
দৈনিক গণমুক্তির সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি হলেন দেলোয়ার হোসেন

ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক গণমুক্তি পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক মো. দেলোয়ার হোসেন। সম্পাদক ও প্রকাশকের স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্রের মাধ্যমে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। মো. দেলোয়ার হোসেন স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করে আসছেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

কালিগঞ্জে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা দেখতে জনতার ঢল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা দেখতে জনতার ঢল

বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের মাদকাটি এলাকায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা মিলনমেলায় পরিণত হয়।
ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন ও পুরস্কার বিতরণ করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি বলেন, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষায় এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের শেকড় ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রতিকুল আবহাওয়া ও কর্দমাক্ত পরিবেশ উপেক্ষা করে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ আয়োজন উপভোগ করতে নারী, পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ সব শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষের ঢল নামে। আগামীতেও এ ধরণের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৫ টি ঘোড়া অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে আসা ঘোড়া প্রথম স্থান এবং খুলনা থেকে আসা ঘোড়া দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।

শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ও আমাদের দায়িত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ও আমাদের দায়িত্ব

সম্পাদকীয়

দেশ থেকে অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব নির্মূল এবং শিশুমৃত্যু প্রতিরোধ করার মহৎ লক্ষ্য নিয়ে আজ ২৮ জুন দেশজুড়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হতে যাচ্ছে। আধুনিক ও সুস্থ জাতি গঠনে প্রতিটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজÑউভয়েরই অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই প্রেক্ষাপটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কেবল একটি রুটিন সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রোগমুক্ত ও সচল রাখার এক জাতীয় উদ্যোগ।

ভিটামিন ‘এ’ শুধু চোখের জ্যোতিই ধরে রাখে না, এটি শিশুদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। এবারের ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। একই সঙ্গে শিশুদের বয়স ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর মতো জরুরি পুষ্টি বার্তাও প্রচার করা হবে, যা শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকর।

সাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ের প্রস্তুতি এবং পরিসংখ্যান অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। প্রশাসনের এই ব্যাপক প্রস্তুতি প্রশংসার দাবিদার। তবে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে দেওয়া কিছু নির্দেশনা, যেমনÑশিশুকে ভরা পেটে কেন্দ্রে আনা এবং গত চার মাসের মধ্যে এই ক্যাপসুল খাওয়া শিশুদের পুনরায় তা না খাওয়ানোর বিষয়টি অভিভাবকদের কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, সরকারের এই বিশাল আয়োজন তখনই শতভাগ সফল হবে, যখন দেশের প্রতিটি প্রান্তের প্রতিটি উপযুক্ত শিশু এই সেবার আওতায় আসবে। অনেক সময় অসচেতনতা, অন্ধবিশ্বাস বা প্রচারণার অভাবে দুর্গম এলাকার কিছু শিশু এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। তাই এই ক্যাম্পেইন সফল করতে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগ বা স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর ভরসা করে বসে থাকলে চলবে না। গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের সব স্তরের সচেতন নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রচারণায় অংশ নিতে হবে।

আজকের শিশু আগামী দিনের বাংলাদেশ। তাদের অন্ধত্ব ও অপুষ্টির অভিশাপ থেকে মুক্ত রাখতে প্রতিটি অভিভাবক সচেতন হবেন এবং দায়িত্বসহকারে শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে যাবেনÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা। জাতীয় এই উদ্যোগ সফল হোক।