রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

যোগব্যায়াম প্রাচীন আধ্যাত্মিক অনুশীলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ
যোগব্যায়াম প্রাচীন আধ্যাত্মিক অনুশীলন

প্রকাশ ঘোষ বিধান

যোগব্যায়াম শুধুমাত্র একটি শারীরিক ব্যায়াম নয়, এটি মূলত দেহ, মন এবং আত্মার মিলন ঘটানোর একটি প্রাচীন আধ্যাত্মিক অনুশীলন। এটি অনুশীলনের মাধ্যমে আত্ম-উপলব্ধি, মানসিক শান্তি এবং পরমাত্মার সাথে সংযোগ স্থাপনের পথ সুগম হয়। হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন দর্শনে যোগের মূল লক্ষ্য হলো জাগতিক মোহ ও দুঃখ থেকে মুক্তি এবং আত্মিক মুক্তি বা মোক্ষ লাভ করা।

 

যোগ হল প্রাচীন ভারতে উদ্ভূত এক বিশেষ ধরনের শারীরিক ও মানসিক ব্যায়াম এবং আধ্যাত্মিক অনুশীলন। এর উদ্দেশ্য মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতাবিধান। সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি হিসেবে ইয়োগা বা যোগের গুরুত্ব অনেক। এই প্রথা ভারতে আজও প্রচলিত আছে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, প্রাচীনকাল থেকেই ভারতের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ যোগ। বিভিন্ন রোগ ঠেকাতে, শরীর ভালো রাখতে এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করতে তারা ভরসা রাখতেন যোগব্যায়ামের ওপর। বর্তমান সময়ে এর উপকারিতা ও গুরুত্ব বেশি হওয়ায় ভারতের এই প্রাচীন জ্ঞান এখন বিশ্বের অন্য দেশগুলোতেও আপন করে নেওয়া হচ্ছে।

 

২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দেওয়ার সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব দেন। এই বছরই ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘ রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদ ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করেন।২০১৫ সাল থেকে প্রতিবছর ২১ জুন বিশ্বব্যাপী দিবসটি উদযাপন করা হয়।

 

যোগ শব্দটি দুটি সংস্কৃত শব্দ য়ুজ এবং য়ুজির সমন্বয়ে গঠিত। যার অর্থ এক সঙ্গে বা একত্র হওয়া। তাই যোগের অর্থ বোঝায় আত্মা, মন এবং শরীরের সমন্বয়। চিন্তা ও কর্মের একতা প্রকাশ করে সৃষ্টিকর্তা বা আধ্যাত্মিক বিষয়ে চিন্তা করাও যোগের একটি প্রধান উদ্দেশ্য।

 

পতঞ্জলির যোগসূত্রে আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য আটটি ধাপের কথা বলা হয়েছে। যম (নিয়ম), নিয়ম (শৃঙ্খলা), আসন (শারীরিক ভঙ্গি), প্রাণায়াম (শ্বাস নিয়ন্ত্রণ), প্রত্যাহার (ইন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণ), ধারণা (মনোযোগ), ধ্যান (একাগ্রতা) এবং সমাধি (পরমাত্মায় লীন হওয়া)। শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণ (প্রাণায়াম) এবং গভীর মনোযোগের (ধ্যান) মাধ্যমে মনকে শান্ত করা হয়, যা অন্তর্মুখী হতে সাহায্য করে।

 

যোগ সারায় রোগ! এই প্রবাদ বহু প্রাচীন। বহু যুগ ধরে ভারতের বিশিষ্ট ঋষি-মুণিরা নিয়মিত যোগব্যায়াম করতেন। যোগ বিদ্যায়, শিবকে আদি যোগী বলে মনে করা হয়। অর্থাৎ ভগবান শিব ছিলেন যোগের জনক। বেদ অনুযায়ী, যোগ হল আত্মা ও পরমাত্মার মিলন। যোগ অহংকে ধ্বংস করে। যে মুহুর্তে মনের প্রবৃত্তি বন্ধ হয়ে যায়, তখনই যোগের কণা শুরু হয়।

 

সুষম খাদ্যাভাস ও যোগব্যায়ামের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে সুস্থভাবে জীবনযাপন করতেন। শুধু তাই নয়, মন ও শরীর উভয়ই সুস্থ ও শক্তিশালী থাকে। আর তাই দেশে এখনও যোগব্যায়ামকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়। বর্তমানে দেশ ছাড়িয়ে গোটা বিশ্বের দরবারেই এই যোগ-ব্যায়াম এক অন্য মাত্রা পেয়েছে।

 

সাফল্যে তিনটি জিনিস থেকে আসে। সম্পদ, খ্যাতি ও মানসিক শান্তি। এই তিন জিনিস যদি একজনের মধ্যে থাকে তাহলে তিনি খুব সহজেই মানসিক শান্তি পাওয়ার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হল যোগব্যায়াম। ২১ জুন যোগ দিবস পালিত হয় প্রতি বছর। যোগব্যায়াম করার কোনও নির্দিষ্ট সময় নেই। যোগব্যায়াম শুধুমাত্র দীর্ঘায়ু হতে নয়, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে, মনকে শান্ত ও মজবুত করতেও সাহায্য করে।

 

পঞ্চাঙ্গ অনুসারে, ২১ জুন হল উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন। এদিন ভারতীয় সংস্কৃতি অনুসারে, গ্রীষ্মের অবিচ্ছিন্নতার পরে সূর্য দক্ষিণায়ণে পড়ে। গ্রীষ্মকালীন অয়নকাল। গ্রীষ্মকালের পর সূর্য দক্ষিণায়নে। এই দিনে সূর্য খুব তাড়াতাড়ি উদয় হয়, তারপর দেরি করে অস্তও যায়। দক্ষিণায়নের কারণে সূর্যের তেজ কমে যায়। কথিত আছে, সূর্যের দক্ষিণায়নের সময় আধ্যাত্মিক কৃতিত্ব অর্জনে অত্যন্ত খুব উপকারী বলে প্রমাণিত। এছাড়া এর জেরে পরিবেশ দূষিত হয়, জীবাণু উৎপন্ন হয় সবচেয়ে বেশি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এদিন। এই কারণেই এদিন যোগাব্যায়াম করে শরীর ও মন থাকে সুস্থ ও মজবুত।

 

সারা বিশ্বেই মহা সমারহে পালিত হয় এই বিশেষ দিন। উদ্দেশ্যে একটাই, যোগেই হোক রোগ-বিয়োগ। যোগের মাধ্যমেই সেরে উঠুক এ বিশ্ব। প্রাচীন ভারতে তখন ওষুধ মানক বস্তুটি ছিল মানুষের নাগালের বাহিরে, তখন শারীরিক এবং মানসিক ভাবে সেরে ওঠার অন্যতম বিশ্বাসযোগ্য মাধ্যম ছিল যোগ ব্যায়াম। সেই ভারতের দেখাদেখিই যোগা ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বেই। ধীরে ধীরে সেরে উঠতে থাকে বিশ্ব।

 

যোগ হলো প্রাচীন ভারতে উদ্ভূত এক বিশেষ ধরনের শারীরিক ও মানসিক ব্যায়াম এবং আধ্যাত্মিক অনুশীলন প্রথা বা যোগব্যায়াম। নিয়মিত যোগব্যায়াম হার্ট ভালো রাখতে, রক্তচাপ কমাতে, নমনীয়তা বাড়াতে এবং পেশি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া শ্বাসযন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে, সামগ্রিক মানসিক সুস্থতা দেয় যোগাভ্যাস। নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করা জরুরি। এতে শরীর ও মন সুস্থ থাকে।

লেখক; সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।