রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

লোডশেডিংয়ে হুমকির মুখে দক্ষিণাঞ্চলের হিমায়িত চিংড়ি শিল্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ
লোডশেডিংয়ে হুমকির মুখে দক্ষিণাঞ্চলের হিমায়িত চিংড়ি শিল্প

পত্রদূত ডেস্ক: একদিকে জ্বালানি সংকট অপরদিকে লাগাতার লোডশেডিংয়ে হিমায়িত চিংড়ি শিল্পে মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। লোডশেডিংয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফ্যাক্টরি চালু রাখতে প্রয়োজনীয় ডিজেল পেতে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এসব চিংড়ি শিল্প বাঁচিয়ে রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং সহজ শর্তে সরাসরি ডিপো থেকে ডিজেল সরবরাহ করা প্রয়োজন বলে দাবি করেন এ শিল্প সংশ্লিষ্টরা। তা-না হলে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে।

রূপসার ইলাইপুরে অবস্থিত ফ্রেস ফুডস লিঃ কর্তৃপক্ষ জানায়, চিংড়ি মৌসুম পুরোপুরি এখন শুরু হয়নি। তারপরও চালু রাখতে হয় সব বিভাগ। দু’শতাধিক শ্রমিক কর্মচারী রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে। কিন্তু বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে প্রতিষ্ঠান অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। গত বুধবার সকাল থেকে রাত অবধি ৫ বারে ৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট বিদ্যুতের লোডশেডিং হয়েছে। দিন রাত ২৪ ঘণ্টায় যেখানে বিদ্যুৎ বিল আসতো ২৯ হাজার টাকা, সেখানে ৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে জেনারেটরের জন্য ৫৫ হাজার ৩১৫ টাকার ডিজেল কিনতে হয়েছে। একদিনে ভর্তুকি গুনতে হয়েছে ৩০ হাজার টাকার বেশি।

সাউদার্ণ ফুডস লিঃ এর এজিএম মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, ‘গত বুধবার ২৬ ঘণ্টার মধ্যে ৫ বারে ৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট লোডশেডিংয়ে ফ্যাক্টরি চালু রাখতে ৬৩ হাজার ৮৫০ টাকার ডিজেল কিনতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রতি ঘণ্টায় জেনারেটরে ৭৫ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। একদিনে যেখানে বিদ্যুৎ বিল আসে ৩৫ হাজার টাকা সেখানে ডিজেল কিনতে হয়েছে ৬৩ হাজার ৮৫০ টাকার।’

তিনি বলেন, ‘আগে পাম্পে গেলেই ডিজেল পাওয়া যেতো কিন্তু এখন পূর্বের মতো চাহিদা মোতাবেক ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। তা ছাড়া এই তেল পেতে ফ্রোজেন ফুডস এসোসিয়েশন, জেলা প্রশাসক ও ইউএনও বরাবর আবেদন করতে হচ্ছে। একদিকে লোডশেডিং অপরদিকে জ্বালানি তেল নিয়ে নানা সমস্যা; সব মিলিয়ে খুব ঝামেলায় আছি। উৎপাদন অনুযায়ী কর্মকর্তা কর্মচারী ও শ্রমিকদের বেতন উঠছেনা। ভর্তুকি দিয়ে ফ্যাক্টরি চালু রাখতে হচ্ছে।’

রূপসার রোজেমকো ফুডস লিঃ এর পরিচালক তদন্ত সেলিম রেজা ও ব্যবস্থাপক তদন্ত নাজমুল হুদা চৌধুরি বলেন, ‘মৌসুমের শুরুতে এখনো মাছের রমরমা হয়নি। তারপরও ফ্যাক্টরির ৪ শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারী ও শ্রমিকের প্রতিমাসে ৩৫ লাখ টাকা বেতন দিতে হচ্ছে। এরই মাঝে চলছে ঘন ঘন লোডশেডিং। গত বুধবার দিন ও রাতে ১০ ঘণ্টা ২৫ মিনিট লোডশেডিং দেওয়া হয়েছে।

 

আমাদের ৫টি হিমাগারে ৩৫ কোটি টাকার মাছ রয়েছে। যা বাঁচাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এক ঘণ্টায় যেখানে বিদ্যুৎ বিল আসে সাড়ে ৪ হাজার টাকা, সেখানে বিদুৎ না থাকলে ডিজেল কিনতে হচ্ছে ২৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় ১৮ হাজার ৫শ টাকা ভর্তুকি গুনতে হচ্ছে।’ এ দুই কর্মকর্তা গার্মেন্টসের মত চিংড়ি শিল্পকে শিল্প ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত করে সহজ শর্তে সরাসরি ডিপো থেকে তেল সরবরাহের দাবি জানান।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল ১৮২ মেগাওয়াট, আর দুপুর ১টায় ছিল ১৫৮ মেগাওয়াট। এর আগে বুধবার দুপুরে চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল ২০৩ মেগাওয়াট।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ কম থাকায় এই ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে ফিডার ভিত্তিক লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় ৭৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ছিল ৬১৯ মেগাওয়াট। এ সময় ঘাটতি ছিল ১৮২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এদিন দুপুর ১টায় ৮০১ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ছিল ৬৪৩ মেগাওয়াট। আর ঘাটতি ছিল ১৫৮ মেগাওয়াট।

 

 

 

Ads small one

তীব্র দাবদাহে মৌসুমী ফল ও ফসল বিপর্যয়ের শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তীব্র দাবদাহে মৌসুমী ফল ও ফসল বিপর্যয়ের শঙ্কা

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): তীব্র তাপপ্রবাহের ফলে পাইকগাছায় ফসলি জমির ফসল পুড়েছে ও মৌসুমী ফল গাছ থেকে ঝরে পড়ছে। শুকিয়ে যাচ্ছে সবজি গাছ। আম, লিচু ও কাঁঠালের মুচি ও গুটি তীব্র গরমে শুকিয়ে ঝরে পড়ছে, যা বাগান মালিকদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ। তাপদাহ, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও সেচের পানির অভাবে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বৈশাখের শুরুতে প্রচন্ড তাপদাহ শুরু হয়েছে। তীব্র খরায় যেন পুড়ছে দেশ। খুলনার ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে তাপপ্রবাহ। বৃষ্টির দেখা নেই। উপকূলে লবন হাওয়ায় তাপমাত্রা আরও বেশী অনুভূত হচ্ছে। বৃষ্টির অভাবে আমের গুটি, লিচু, কাঠালের মুচি ঝরে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষি ও বাগান মালিকরা। পাকগাছায় টানা প্রায় এক মাস ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। যার কারণে বিপর্যয় ক্রমশই বাড়ছে। ক্ষেতের করলা, শসা, লালশাক, পুঁইশাক, ঢেঁড়স, বেগুন, পটল, লাউ, ঝিঙ্গে, কচুসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল ক্ষতির মুখে পড়েছে। এ কারণে মৌসুমে ফলন বিপর্যয় দেখা দেওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে ধারণা করছে কৃষকরা।

তীব্র দাবদাহের কারণে পানির স্তর দিন দিন মাটির নিচে নেমে যাচ্ছে। জমিতে সেচ দিয়েও কৃষকরা তাদের ফসল রক্ষা করতে পারছেন না। অতিরিক্ত তাপের কারণে বোরো ধান চিটা হয়েছে, লেগছে মাজরা পোকা। উপজেলার হিতামপুর ব্লকের কৃষক রফিফুল বলেন, ৬ বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করি। ধানে ফুল আসার পরে পানির অভাবে ঠিক মত পানি দিতে পারিনি। গরমে ধানে মাজরা পোকা দেখা দেয়।ধানে চিটার পরিমান বেশী হয়েছে।

 

উপকূলের এলাকায় চিৎড়ি ঘেরর পরিমান বেশী। ত্ব্রী গরমে পুকুর ও মৎস্য ঘেরের অল্প পানিতে মাছ মরে যাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবীদ মোঃ একরামুল হোসেন বলেন, দাবদাহের কারণে ফলের গুটি ঝরে যাচ্ছে। তাপমাত্রা বাড়ার পরেও গুটি যেটুকু ঝরছে সেটা স্বাভাবিক। গুটি বেশি ঝরছে মনে হলে এ সময় আমসহ বিভিন্ন ফল গাছের গোড়া মাটি দিয়ে গোল করে বেধে বেশি করে পানি দিলে আমের গুটি কম ঝরবে।

জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের কেন্দ্রীয় সহ.সাধারণ সম্পাদক কলারোয়ার জয়তু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের কেন্দ্রীয় সহ.সাধারণ সম্পাদক কলারোয়ার জয়তু

জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ.সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত হয়েছেন সাতক্ষীরার কলারোয়ার সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম জয়তু। তিনি রাজধানী ঢাকায় আইটি খাতের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।

অতিসম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল। এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে ড. কে এম আই মন্টিকে। কমিটিতে ১নং সদস্য হিসেবে নাম রয়েছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।

সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী করতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ওই কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জয়তু।

রফিকুল ইসলাম জয়তু সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের শাকদাহ গ্রামের মরহুম মুন্সী আব্দুল জব্বার ও মিসেস ছকিনা খাতুনের পুত্র। তিনি শাকদাহ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসরাঈল হোসেন ও ডিবি হেড কোয়ার্টারে কর্মরত এএসআই শফিকুল ইসলামের ভাই।

রফিকুল ইসলাম জয়তুর রাজনৈতিক হাতেখড়ি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে। ছাত্রজীবনে তিনি কলারোয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নেতা ছিলেন। যশোর এমএম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গেলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির গণসংযোগ ও প্রচার উপ-কমিটির সদস্য ছিলেন ৯০ গণ আন্দোলনের এই অংশীজন। সর্বশেষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধের প্রজন্ম কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হলেন।

রাজনৈতিক জীবনের বাইরে রফিকুল ইসলাম জয়তু সামাজিক, সাংস্কৃতিক, জনসেবামূলক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। থেকেছেন মানুষের পাশে, রয়েছেন এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে। দেশ-বিদেশে ঘুরে সাতক্ষীরার কলারোয়াকে পরিচিতি করিয়েছেন। রাজধানীতে বসবাস করলেও কলারোয়া ও কলারোয়ার মানুষকে রেখেছেন নিজের কাছে। তিনি সামাজিক সংগঠন কলারোয়া উপজেলা সমিতি, ঢাকার সাধারণ সম্পাদক; সাতক্ষীরা জেলা সমিতি, ঢাকার নির্বাহী সদস্য ও বৃহত্তর খুলনা সমিতি, ঢাকার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি, ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এমপি ও সাধারণ সম্পাদক ড. কে এম আই মন্টিকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে রফিকুল ইসলাম জয়তু জানান, আগামীতে খুলনা বিভাগের অধীনস্থ সকল জেলা-উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়নসহ সকল ইউনিটের কমিটি দ্রুত সম্পন্ন করতে সকলের দোয়া ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

 

সাংবাদিক বাবলুর ভাইয়ের মৃত্যুতে প্রেসক্লাবের শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিক বাবলুর ভাইয়ের মৃত্যুতে প্রেসক্লাবের শোক

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক খবর বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু ও বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি শেখ রবিউল ইসলাম রবি’র ছোট ভাই শেখ শফিকুল ইসলাম সোহেল (৪৫) মস্তিস্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে শনিবার মৃত্যুবরণ করেছেন।

 

তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন গোলদার, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুর জামান সুমন, সাহিত্য সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি