বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

শার্শায় চাঁদাবাজি ও মারপিটের অভিযোগে থানায় মামলা: আটক ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
শার্শায় চাঁদাবাজি ও মারপিটের অভিযোগে থানায় মামলা: আটক ১

বাগআঁচড়া (শার্শা) সংবাদদাতা: যশোরের শার্শায় চাঁদাবাজি ও মারপিটের ঘটনায় এজাহারভুক্ত ২নং আসামী মুকুল হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. শরিফুল ইসলাম মুকুলকে আটক করেন। আটক মুকুল হোসেন রুদ্রপুর গ্রামের আব্দুল ওহাব হোসেনের ছেলে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী শরিফুল ইসলাম ও বিবাদী আতিকুর রহমান, মুকুল হোসেন ও আব্দুল রশিদ ৫/৬ বছর পূর্বে মাছের ব্যবসা করত। ব্যবসায়িক বিভিন্ন লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আসামীদের সাথে শরিফুল ইসলাম বনিবনা না হওয়ার তাদের সাথে ব্যবসা বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে আসামীরা তার উপর শত্রুতা পোষণ করে আসছে।

 

গত ইংরেজি ১৯/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৭ টার সময় বাদী শরিফুল ভ্যানযোগে রাজমিস্ত্রীর কাজের উদ্দেশ্যে বাগআঁচড়ায় যাচ্ছিল। পথিমধ্যে থেকে শরিফুলকে ১ ও ২নং আসামী তাদের কাছে থাকা মোটরসাইকেল যোগে জোরপূর্বক রুদ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে তুলে আনে। সেখানে ৩নং আসামী আব্দুর রশিদ আগে থেকেই উপস্থিত ছিলো।

সেখানে ৩ নং আসামী আব্দুর রশিদের হুকুমে ১ ও ২ নং আসামীদ্বয় বিদ্যালয়ের মাঠে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে বাদী শরিফুল ইসলামের হাত পা বেধে বিবাদী ৩ জনের যোগসাজশে দুই লক্ষ টাকা চাঁদার দাবী করে। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে বাদী শরিফুলকে বেধড়ক মারপিট করে জখম করে।

 

এসময় শরিফুল ইসলামের ডাক-চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে বিবাদীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। পরে শরিফুলকে উদ্ধার করে তার স্বজনরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শরিফুলকে যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে স্বজনরা। এঘটনায় শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে শার্শা থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করে।

শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, চাঁদাবাজি ও মারপিটের ঘটনায় এজাহার ভুক্ত ২নং আসামী মুকুলকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকী আসামীদেরকে আটকের চেষ্টা চলছে।

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত ডেস্ক: মঙ্গলবার ও বুধবার (২৫ ও ২৬ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ মাদরা ও কুশখালি বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, শাড়ি ও বাংলাদেশী পাট আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ৪ লাখ ১১ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, মাদরা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি ও চান্দা হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি ও বাংলাদেশী পাট আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

সাতক্ষীরা সদরের কাশেমপুর রাস্তা জনগনের মরণফাঁদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদরের কাশেমপুর রাস্তা জনগনের মরণফাঁদ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশেমপুর সিটি কলেজ মোড় হতে সাংবাদিক সেলিম হোসেনের বাড়ির সামনে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গিয়ে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ফলে প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় ধীরে ধীরে এর অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে গর্তে পানি জমে পথচারী ও যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যানচালকদের প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, কাশেমপুরের এই সড়কটি স্থানীয়দের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয়রা দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ ও চলাচল উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সংস্কার করা না হলে আগামী দিনে সড়কটির দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। দ্রুত সংস্কারের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য সহ সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

শ্যামনগরে হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটির উদ্যোগে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটির উদ্যোগে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি

সংবাদদাতা: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং বৃক্ষরোপণে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি-এর উদ্যোগে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে চিংড়াখালী বিদ্যানিকেতন (কালমেঘা মাধ্যমিক বিদ্যালয়) প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কল্যাণপুর কালমেঘা স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাবু জয়দেব মন্ডল এবং যাদবপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ আবুজার গিফারী।

হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি এস. এম. রবিউল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান ও দপ্তর সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান। এছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী রাসেল রানা, আশিকুর রহমান, জাকারিয়া, মোঃ আশরাফ হোসেনসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির একপর্যায়ে আমন্ত্রিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আগত প্রতিনিধিদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেন প্রধান অতিথি আলহাজ্ব মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ। এ সময় অতিথিরা পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে উপস্থিতদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা ও সচেতনতামূলক বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, উপকূলীয় জনপদে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি কমানো এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য শুধু চারা বিতরণ নয়, রোপণের পর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণেও সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

আয়োজক হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি জানায়, পরিবেশ সুরক্ষা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সংগঠনটি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণের মতো পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা সংগঠনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে তরুণদের নেতৃত্বে পরিবেশ সংরক্ষণমূলক উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হলে একটি সবুজ ও বাসযোগ্য সমাজ গঠনে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পরিবেশ বাঁচাতে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয় হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটির এ বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি।