শ্যামনগরের কৈখালীতে পাচারের অভিযোগে বিএডিসির ৭৫ বস্তা সার আটক
0-4480x2016-0-0-{}-0-12#
সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে পাচারের অভিযোগে বিএডিসির ৭৫ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই), সকাল ১০ টায় কৈখালী ইউনিয়নের জয়াখালী চেয়ারম্যান বাড়ী মোড়ে চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে উক্ত সার জব্দ করা হয়। চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম জানান, বিএডিসির সার মূলত নিবন্ধিত সার ডিলার ও কৃষকেরা পেয়ে থাকেন।
সরকারের সমন্বিত নীতিমালা অনুযায়ী লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডিলাররা বিএডিসি থেকে সরকারি মূল্যে ও কোটায় সার তুলে মাঠ পর্যায়ে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে বিক্রি করেন। কিন্তু নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে কৈখালী ইউনিয়নের বোশখালী গ্রামের আদর আলীর পুত্র, আরিক এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ আমিনুর রহমান শাপলা এন্টারপ্রাইজ নামীয় একটি লাইসেন্স নিয়ে বিএডিসির সার উত্তোলন করেন। শাপলা এন্টারপ্রাইজের লাইসেন্সের মালিক সাতক্ষীরার জনৈক রোজিনা খাতুন।
কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম আরো বলেন, আমিনুর রহমানের বিএডিসির লাইসেন্স না থাকার পরেও সাতক্ষীরার রোজিনা খাতুনের নামীয় শাপলা এন্টারপ্রাইজের লাইসেন্স ব্যবহার করে সার উত্তোলন করে কৈখালী ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ন্যায্য মূল্যে বিক্রয় না করে কৌশলে উচ্চ দামে অন্য ইউনিয়নে বিক্রয় করে আসছেন। আমার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শাপলা এন্টারপ্রাইজের ট্রেড লাইসেন্স নাই বা ইউনিয়নে সারের কোন গোডাউন নাই। বিষয়টি নিয়ে আমি বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে অভিযোগ করলেও সমাধান হয়নি। অবশেষে মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়নে সার পাচার করার সময় আমি জব্দ করি।
জয়াখালী গ্রামের কৃষক মোহাম্মাদ আলীর পুত্র হাফিজুর রহমান বলেন, আমরা বিএডিসির ডিলালের কাছে গিয়ে সার ক্রয় করতে পারি না। সার নিলে বিষ নিতে হবে এমন শর্ত বেধে দেন ডিলার। এ কারনে বাইরে থেকে বেশি দামে সার ক্রয় করতে হয়।
এ বিষয়ে আমিনুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।
শ্যামনগর উপজেলা উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দিবাশীষ দাস বলেন, বিষয়টি চেয়ারম্যান জানানোর পরে স্যারকে অবগত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক বলেন, বিষয়টি জানার পরে কৃষি অফিসারকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।







