মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত পরিবারের মাঝে বিআরটিএ’র চেক বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত পরিবারের মাঝে বিআরটিএ’র চেক বিতরণ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ জন ও আহত ১২ পরিবারের অনুকুলে মঞ্জুরিকৃত অর্থের চেক বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট ‘২৬) দুপুর ১২ টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে হতাহত ২৭ পরিবারের মাঝে ৯৭ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।

সতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আবুল হাশেম সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ জমির হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রউফ প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা অফিসের মোটরযান পরিদর্শক মোঃ ওমর ফারুক, ম্যাকানিকাল এসিস্টান্ট মোঃ ওবায়দুর রহমান, উচ্চমান সহকারি নাসিরউদ্দিন প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যা বেশি, দুর্ঘটনা ও বেশি। সরকারের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনা কমানোর চেষ্টা অব্যহত রয়েছে। একটি জীবনহানির ক্ষতি পূরণ টাকা দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।

 

এরপরও পরিবারের একমাত্র আয়ক্ষম ব্যক্তি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা গেলে বা পঙ্গু হয়ে গেলে ওই পরিবারের যে দুরাবস্থা হয় সেটা কেবল ওই পরিবারের সদস্যরাই অনুভব করতে পারে। তাই সরকার ওই পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ক্ষতিপূরণের উদ্যোগ নিয়েছে। সরকার প্রদত্ত টাকার যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে অভিভাবক হারানো পরিবারকে স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। দুর্ঘটনা এড়াতে চালক ও পথচারীদের সচেতন থাকতে হবে।

সাতক্ষীরা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ কবলেন, দুর্ঘটনার শিকার হওয়া ব্যক্তির পরিবারের হাতে টাকা তুলে দেওয়া সরকারের মহতী উদ্যোগ। সকলকে প্রাপ্ত টাকার সঠিক ব্যবহার করতে হবে।

বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ জামির হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে চালকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিআরটিএ এর ট্রাষ্টি বোর্ড এর সহায়তায় মঞ্জুরীকৃত অর্থের চেক নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মাথাপিছু পাঁচ লাখ টাকার চেক রমেশ চন্দ্র মৃধা, সুমাইয়া পারভীন, সাঈদ আলী, জি এম শাহানুর রহমান, মোঃ ওজিয়ার রহমান গাজী, রিজাউল ইসলাম মিঠু, কামরুন্নাহার, সুকজান খাতুন, এম এস টি এলিজা আক্তার, মমতাজ পারভীন, চপলা কর্মকার, সুপ্রিয়া রানী খাঁ, মোঃ আব্দুস ছালাম, তাপিয়া সুলতানা ও আব্দুস ছালামের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া আহত রাজু পাড়, মোঃ কবির উদ্দিন বিশ্বাস, মোঃ জামাল উদ্দিন, মকছেদ সানা, আবুল হোসেন সানা, মোঃ মঈনুর ইসলাম, মোঃ মফিজুল ইসলামকে ১ লাখ করে এবং মো: জনাব আলী, মিতা দাশ, বিউটি খাতুন, মোঃ সাহাদাত গাজী ও সামিমের হাতে ৩ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।

 

Ads small one

পাইকগাছায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে; মশা দমনে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে; মশা দমনে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। খুলনা শহরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলাতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাইকগাছাতেও দিন-দিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ মুহুতে কর্যকর পদক্ষেপ বা মশক নিধনে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। এটা না হলে পরিস্থিতি আরোও নাজুক হতে পারে। এ অবস্থায় পৌরবাসি মশক দমনে সংশ্লিষ্টদের জরুরি পদক্ষেপের দাবি করেছেন।

জানাগেছে, ২৫ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি করা হয়েছে।

৫০ শয্যার এ হাসপাতালে বিভিন্ন রোগ নিয়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১১০/১২০ জন রোগি ভর্তি হচ্ছেন। এর মধ্যে ডেঙ্গু রোগীর বেড সংখ্যা মাত্র ৫টি।

জানাগেছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চলতি মৌসুমে পৌর কর্তৃপক্ষের মশক দমনে এখনো কোন পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। পৌরসভা সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মশক দমনে এখনো সরকারী বরাদ্দ মেলেনি। তবে, পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর বরাত দিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারী বরাদ্দের অপেক্ষায় না থেকে আমরা পৌরসভার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগামী সপ্তাহে মশক দমনে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঔষধ স্প্রে করা হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহসানারা বিনতে আহমেদ ময়না বলেন, হাসপাতালে প্রতিদিন ১০/১২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছে। এক্ষুনি মশক নিধন ও সচেতন না হলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরোও খারাপ হতে পারে। হাসপাতালে ডাক্তার বা জনবল সংকট থাকা স্বত্তেও আমরা রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে যাচ্ছি।

 

 

শ্যামনগরে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্য ও মানসিক বিকাশে সহায়তার লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ভলান্টিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন ফর বাংলাদেশ (ভাব)-এর আয়োজনে সোমবার (২৪ আগস্ট) আটুলিয়া ইউনিয়নের ছফিরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যায়ল এবং মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কাশিমাড়ী ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়িয়া এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মশালা দুইটি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালা পরিচালনা করেন বিশিষ্ট থেরাপিউটিক কাউন্সেলর ও সাইকোথেরাপিস্ট মোহাম্মদ মকসুদ মালেক।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাব বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসনাইন সবিহ নায়ক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাব বাংলাদেশের সহকারী কান্ট্রি ডিরেক্টর এম. এ. আলিম খাঁন, ফ্রেন্ডশিপের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ হাসান আলী, প্রজেক্ট অফিসার মো. সুৃমন আলী। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ভাব বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর অহিদুজ্জামান লিটন।

কর্মশালায় উপজেলার ১২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২ টি মাদ্রাসার ৮০ জন শিক্ষার্থী, ৪২ জন শিক্ষক ও ৪২ জন অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, ছফিরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, হেঞ্চি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নওয়াবেঁকী বিশালাক্ষী কাদেরিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা, সুন্দরবন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, বনশ্রী শিক্ষা নিকেতন, কলবাড়ি নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আড়পাঙ্গাশিয়া পি এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাঁঠালবাড়িয়া এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভেটখালী এ করিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রমজাননগর ইউনিয়ন তোফাজ্জেল বিদ্যাপীঠ, ভুরুলিয়া নাগবাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন, জোবেদা সোহরাব মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও চালিতাঘাটা মহিলা দাখিল মাদ্রাসা।

কর্মশালায় শিশু ও কিশোরদের (০-১৮ বছর) মানসিক স্বাস্থ্য, মানসিক বিকাশ, মানসিক সংকট, কাউন্সেলিং, প্রেরণা (মোটিভেশন), হাইপার ও হাইপো আচরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে করণীয় সম্পর্কেও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। কর্মশালা শেষে অংশ গ্রহণকারীদের মাঝে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

কয়রায় বাঘ বিধবা নারীদের মাঝে জেলা প্রশাসকের ফুড প্যাক বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
কয়রায় বাঘ বিধবা নারীদের মাঝে জেলা প্রশাসকের ফুড প্যাক বিতরণ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: কয়রা উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের ১৫০ জন বাঘ বিধবা নারীদের মাঝে ফুড প্যাক বিতরণ করেছেন খুলনা জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত।

মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই ফুড প্যাক বিতরণ করা হয় ।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্য খুলনার জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত বলেন, বাঘ বিধবা নারীরা খুব অসহায়ের মধ্যে জীবন যাপন করে থাকে। তাদের কষ্ট লাঘবে খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয় হতে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকির সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) শ্রাবনী বিশ্বাস, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হাসান, মোঃ মেহেদী হাসান, উপজেলা কৃষি অফিসার তীলক কুমার ঘোষ, সিনিয়র মৎস্য অফিসার সমীর কুমার সরকার, সমাজসেবা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল জাবির, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ইস্তিয়াক আহমেদ, সমবায় অফিসার তানভীর মাসুদুল হাসান প্রমুখ।

 

এর আগে জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত কয়রা উপজেলার ৫০ পরিবারের মাঝে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়ধীন ৩ হাজার লিটার ধারন ক্ষমতা বৃষ্টি পানি সংরক্ষণের পানি ট্যাংকি বিতরণ করেন।

 

এ ছাড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে বাস্তবায়নধীন বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা শীর্ষক কর্মসুচীর অংশ হিসাবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন ও শিক্ষা বৃত্তির অনুদান বিতরণ করেন।

 

এর আগে জেলা প্রাশাসক, কয়রা থানা, ভুমি অফিস, মহিলা বিষয়ক অফিস, মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ, মদিনাবাদ মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করার পাশাপাশি উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচীতে অংশ গ্রহণ করেন।